শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৯ নভেম্বর, ২০২৫

নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ

হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ
প্রিন্ট ভার্সন
নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ

নির্বাচন নিয়ে সংশয় ও শঙ্কার মধ্যে সোমবার রাজনীতিতে বড় কয়েকটি ঘটনা হঠাৎ করে বদলে দিল দৃশ্যপট। অনেক জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি এদিন ২৩৭ আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। প্রার্থী তালিকার উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসন থেকে নির্বাচন করছেন। আরেকটি বিশেষ দিক হলো, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রথমবারের মতো নির্বাচনে প্রার্থী হলেন। দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থেকে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া ও ঐক্য ধরে রাখার পর তারেক রহমান এবার ভোটের মাঠে লড়বেন। এদিনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হচ্ছে গণ অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল এনসিপি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৭-৮টি আসনের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে। তারা শিগগিরই ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণার কথা জানিয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৩০০ আসনে তাদের মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে ভোটের মাঠে প্রচার-প্রচারণায় কাজ করছে গত ১৫ মাস ধরে। গত কয়েক দিনে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নানা বক্তব্য-মন্তব্যে ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নির্বাচন নিয়ে জটিলতার অবসানের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। গণভোটের সময় নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা অবসানেরও ইঙ্গিত পাওয়া যায় এদিন। অন্তর্বর্তী সরকার গণভোটসহ সার্বিক বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে এক সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে ঐক্যবদ্ধ দিকনির্দেশনা প্রদান করার আহ্বান জানিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ নির্দেশনা দিতে না পারলে সরকার তার নিজের মতো সিদ্ধান্ত দেবে বলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।

নির্বাচন ঘিরে যে ধোঁয়াশা ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছিল তা কেটে গিয়ে ভোটের মাঠ এখন সরগরম হয়ে উঠেছে। রাজনীতিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা নির্বাচন হবে কি হবে না, এমন সংশয় কাটাতে বড় ভূমিকা রেখেছে। এত দিন তালিকা ঘোষণা না করায় প্রায় সব আসনেই সম্ভাব্য প্রার্থীরা গণসংযোগ করছিলেন। নাম ঘোষণা করায় এখন মনোনয়নপ্রাপ্তরা নির্বাচনি প্রচারে জনগণের কাছে বিএনপি ও তার নিজের অবস্থান তুলে ধরে ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করছেন। যা দেশকে নির্বাচনমুখী করতে এগিয়ে নেবে। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের লড়াইয়ের আরেক বড় শক্তি জামায়াতে ইসলামী অনেক আগেই ৩০০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে জোরেশোরে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনি প্রতীক চেয়ে শাপলার দাবিতে অনড় এনসিপিকে ‘শাপলাকলি’ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এনসিপি শাপলা কলিকে প্রতীক হিসেবে নিতে সম্মত হয়েছে। প্রতীকে সম্মতি জানানোর পর দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাংবাদিকদের বলেছেন, নির্বাচনে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষের সঙ্গে শাপলাকলির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং গণভোটের সময় নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সৃষ্ট জটিলতার কারণে নির্বাচনি ট্রেনের যাত্রা শুরু হলেও তা এখনো পুরোপুরি গতি পায়নি। বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে ত্রিমুখী বিরোধ থামানো না গেলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন আয়োজন সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে

নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় অন্তর্বর্তী সরকারের নানা তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ক্যাম্পেইন শুরু করেছে সরকার। রবিবার প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ-সংক্রান্ত ৪৮ সেকেন্ডের প্রথম টিজার প্রকাশ করা হয়। টিজারটির ক্যাম্পেইনে বলা হয়েছে, আজ থেকে শুরু হলো জাতীয় নির্বাচন-২০২৬-এর ক্যাম্পেইন। টিজারে ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে অংশ নিতে সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন গুমের শিকার বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কার্যক্রমের সমন্বয়ক ক্যাপ্টেন (অব.) ড. খান সুবায়েল বিন রফিক। যেখানে তাঁকে বলতে দেখা যায়, বাংলাদেশ আজ ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের সামনে।

কারণ এই নির্বাচনের মাধ্যমে আপনাকে আপনার দেশের দখল বুঝে নিতে হবে। নির্বাচন ২০২৬, দেশের চাবি আপনার হাতে। আপনার ভোটটি আপনি দিয়ে নির্ধারণ করুন কেমন বাংলাদেশ দেখতে চান।

প্রশাসনও ভোটের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। গণমাধ্যমে ৩ নভেম্বর প্রকাশিত প্রধান শিরোনামের খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে ঢেলে সাজানো হচ্ছে প্রশাসন। ১৫ নভেম্বরের মধ্যে মাঠ প্রশাসনে ব্যাপক রদবদল করা হবে। ডিসি, এডিসি, ইউএনও পদে আসছে ব্যাপক রদবদল। ৩০ জেলার ডিসি ও শতাধিক ইউএনও পরিবর্তন হতে পারে। পুলিশেও চলছে রদবদলের প্রক্রিয়া। এরপরও তফসিল ঘোষণার পর যদি রদবদলের দরকার হয়, সেটি করবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনসংক্রান্ত সব প্রস্তুতি ১৫ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের এবার নির্বাচনের দায়িত্বে রাখবে না। তিন বাহিনী প্রধান সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতে আসন্ন নির্বাচনের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বজায় রাখা ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট আয়োজনের বিষয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে তিন বাহিনী প্রধানকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

এসব কিছুর মধ্যে বড় চমক ছিল বিএনপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা। এই ঘোষণার মধ্যে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রার্থী হবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনাকল্পনার অবসান হলো। তিনটি আসনে তাঁকে সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করল। বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের ইতিহাসে খালেদা জিয়া একমাত্র প্রার্থী যিনি প্রতিটি নির্বাচনে (শেখ হাসিনার আমলের বিতর্কিত ও কলঙ্কিত তিনটি নির্বাচন ছাড়া) সর্বোচ্চ সংখ্যক আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। এই রেকর্ড আর কোনো দলের আর কোনো নেতার নেই। বেগম জিয়া ১৯৯১ সালে পাঁচটি আসনে প্রার্থী হয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে পাঁচটি আসনে প্রার্থী হয়ে সেবারও বিপুল ভোটে জয়ী হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে আবারও পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দিতা করে অনেক ভোটের ব্যবধানে জায়ী হন। খালেদা জিয়া একমাত্র প্রার্থী যিনি বিশেষ কোনো অঞ্চল থেকে নয়, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে নির্বাচনে লড়াই করে জয়লাভ করেন। নির্বাচনি আসন সংশোধনের পর ২০০৮ সালে এক ব্যক্তির সর্বোচ্চ তিনটি আসনে জয়ী হওয়ার নিয়ম করা হয়। খালেদা জিয়া সেবার তিনটি আসনে নির্বাচন করে জয়ী হন। বেগম জিয়া কোনো নির্বাচনেই হারেননি।

অন্যদিকে শেখ হাসিনা ১৯৯১ সালের নির্বাচনে ঢাকার দুটি এবং টুঙ্গিপাড়ার নিজ আসন থেকে নির্বাচন করে শুধু টুঙ্গিপাড়ার আসন থেকে জয়ী হন। তিনি ঢাকায় সাদেক হোসেন খোকা ও মেজর (অব.) আবদুল মান্নানের কাছে হেরে যান। বিএনপির তালিকায় এবার ৮৩ নতুন মুখের আগমন ঘটেছে। এক ডজনের বেশি আসনে ত্যাগী নেতাদের সন্তানরা প্রার্থী হয়েছেন। বিএনপি জুলাই সনদের সুপারিশ মেনে আসন্ন নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী দিচ্ছে। খালেদা জিয়াসহ নারী প্রার্থী ১০। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং গণভোটের সময় নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সৃষ্ট জটিলতার কারণে নির্বাচনি ট্রেনের যাত্রা শুরু হলেও তা এখনো পুরোপুরি গতি পায়নি। বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে ত্রিমুখী বিরোধ থামানো না গেলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এই পরিস্থিতি নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বৈঠকের পর জানানো হয়, সরকার এ বিষয়ে কোনো মধ্যস্থতা করবে না। আইন উপদেষ্টা প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলোতে নিজ উদ্যোগে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার পথ বের করতে হবে। তারা ব্যর্থ হলে সরকার সনদ ও গণভোটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। গণমাধ্যমের খবর থেকে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবারের মিটিংয়ে প্রায় সব উপদেষ্টা একই দিনে নির্বাচন এবং গণভোট আয়োজনে মত দিলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব প্রধান উপদেষ্টাকে দেওয়া হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টারা ওই দিনের পর চার দিন বিএনপি, জামায়াত এবং এনসিপির সঙ্গে কথা বললেও সমঝোতা হয়নি। আলোচনার জন্য সাত দিন সময় দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে জামায়াতসহ অনেকেই। তবে জামায়াত এর আগেই দেশের চলমান সংকট নিয়ে প্রয়োজনে বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছে। এদিকে আলোচনায় বসার জন্য সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়ায় জামায়াতে ইসলামী বলেছে, আলোচনার জন্য রেফারির অভাব হতে পারে। উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্তে প্রতিক্রিয়া জানায়নি বিএনপি। আর এনসিপির প্রতিক্রিয়া হচ্ছে, সংস্কার নিয়ে সরকার সাপলুডু খেলছে।

নির্বাচনের প্রাক্কালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ও অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল ও শক্তির মধ্যে বিভাজন দেশের মানুষকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। অথচ শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটাতে দলগুলো এককাট্টা হয়ে গণ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। চব্বিশের ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাইদ পুলিশের গুলির সামনে দাঁড়িয়ে যান। গুলিতে সাইদ লুটিয়ে পড়েন, কিন্তু পিছু হটেননি। একই দিনে চট্টগ্রামে ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম অসীম সাহস নিয়ে মিছিলের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। এদিন সারা দেশে পুলিশের গুলিতে কমপক্ষে ছয় তরুণ প্রাণ হারান। আর অসংখ্য তরুণ-তরুণী গুলিবিদ্ধ হন। উত্তরায় নিহত হন মুগ্ধ। সাইদ, ওয়াসিম, মুগ্ধ, নাফিসের মৃত্যু শেখ হাসিনার নৃশংস স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী জনতার আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, দোকানদার, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, গৃহবধূ, রিকশাচালক, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী- সব শ্রেণিপেশার মানুষ স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে সাহসের সঙ্গে লড়াই করেন। ৩৬ দিনের আন্দোলনের পর শেখ হাসিনার পতন ঘটে। স্বাধীনতা যুদ্ধ ছাড়া বাংলাদেশের আর কোনো গণ আন্দোলনে এত বিপুলসংখ্যক শিশু, ছাত্র, যুবকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ হত্যার শিকার হননি। জুলাই অভ্যুত্থানে সাইদ, ওয়াসিম, মুগ্ধ, নাফিসসহ অগণিত মানুষের ফ্যাসিস্টের গুলিতে শহীদ হওয়ার ঘটনা জাতির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাই বলতে হয় ‘মুক্তির আকাশে প্রতিবাদী সূর্য, তুমিই সাইদ তুমিই মুগ্ধ।’

গণ অভ্যুত্থানের পর প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দল ও শক্তি গণ অভ্যুত্থানের পর দীর্ঘদিন ঐক্য ধরে রেখেছিল। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেই ঐক্যে ফাটল ধরেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিরাজ করছে তীব্র বিভাজন। এর সুযোগ নিচ্ছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ পতিত স্বৈরাচারের দল এবং তাদের সহযোগী সংগঠন। তারা দেশের ভিতরে বাইরে নানামুখী অপতৎপরতা চালাচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা স্বয়ং সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন নির্বাচন বানচালের চেষ্টা হবে, হঠাৎ আক্রমণ আসতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলো প্রফেসর ইউনূসের সতর্ক বার্তার গুরুত্ব না দিয়ে বিভাজন জিইয়ে রাখলে নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। ফ্যাসিবাদী শক্তি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশ হারাবে গণতন্ত্র উত্তরণের সুযোগ। দেশ হুমকির মুখে পড়বে। বৃথা হয়ে যাবে সাইদ, ওয়াসিম, মুগ্ধসহ শত শত শহীদের রক্তদান।

লেখক : চেয়ারম্যান, ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
অমর বাণী
অমর বাণী
কাঁদাল সাজিদ
কাঁদাল সাজিদ
জাতীয় নির্বাচন
জাতীয় নির্বাচন
যেদিন শিঙায় ফুঁ দেওয়া হবে
যেদিন শিঙায় ফুঁ দেওয়া হবে
মাছ চাষে সাফল্য
মাছ চাষে সাফল্য
একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না
একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না
কৌতুক পছন্দ করে ইতিহাস
কৌতুক পছন্দ করে ইতিহাস
নারী-শিশু নিখোঁজ
নারী-শিশু নিখোঁজ
অভিবাসীদের অপমান
অভিবাসীদের অপমান
রিকশাচালকদের উদ্দেশে খুতবা
রিকশাচালকদের উদ্দেশে খুতবা
নির্বাচন : জাতির সামনে অগ্নিপরীক্ষা
নির্বাচন : জাতির সামনে অগ্নিপরীক্ষা
জনশক্তি রপ্তানি
জনশক্তি রপ্তানি
সর্বশেষ খবর
দুর্নীতির অভিযোগে ভারতে চার ক্রিকেটার নিষিদ্ধ
দুর্নীতির অভিযোগে ভারতে চার ক্রিকেটার নিষিদ্ধ

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিকে নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন ফ্লিক
জাবিকে নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন ফ্লিক

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকায় অপরিবর্তিত থাকবে তাপমাত্রা
ঢাকায় অপরিবর্তিত থাকবে তাপমাত্রা

৯ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজায় শক্তিশালী ঝড় বাইরনের আঘাতে মৃত্যু বেড়ে ১৪
গাজায় শক্তিশালী ঝড় বাইরনের আঘাতে মৃত্যু বেড়ে ১৪

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাডমিন্টন খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের
ব্যাডমিন্টন খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও সীমান্তে বোমাবর্ষণের অভিযোগ কম্বোডিয়ার
ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও সীমান্তে বোমাবর্ষণের অভিযোগ কম্বোডিয়ার

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মার্কিন ২০ অঙ্গরাজ্যে মামলা
ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মার্কিন ২০ অঙ্গরাজ্যে মামলা

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোহলিকে ছাড়িয়ে গুগল সার্চের শীর্ষে সূর্যবংশী
কোহলিকে ছাড়িয়ে গুগল সার্চের শীর্ষে সূর্যবংশী

৩৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

লক্ষ্মীপুরে নির্বাচন কার্যালয়ে দুর্বৃত্তের আগুন, পুড়েছে নথিপত্র
লক্ষ্মীপুরে নির্বাচন কার্যালয়ে দুর্বৃত্তের আগুন, পুড়েছে নথিপত্র

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রিয়াল মাদ্রিদে চোটের ধাক্কা
রিয়াল মাদ্রিদে চোটের ধাক্কা

৪০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দরিদ্র মেধাবীদের জন্য বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তা
দরিদ্র মেধাবীদের জন্য বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তা

৪৫ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ভোটে প্রার্থী হতে পারবেন না পলাতক ব্যক্তিরা
ভোটে প্রার্থী হতে পারবেন না পলাতক ব্যক্তিরা

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

শ্রীরামসী গণহত্যা: এক সকালে নিভেছিল শতাধিক প্রাণ
শ্রীরামসী গণহত্যা: এক সকালে নিভেছিল শতাধিক প্রাণ

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে টার্মিনালে থাকা বাসে আগুন
নোয়াখালীতে টার্মিনালে থাকা বাসে আগুন

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পঞ্চগড়ে তিন দিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ
পঞ্চগড়ে তিন দিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কেরানীগঞ্জে আগুন লাগা ভবন থেকে ৪২ জন উদ্ধার
কেরানীগঞ্জে আগুন লাগা ভবন থেকে ৪২ জন উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টিভিতে আজ যেসব খেলা
টিভিতে আজ যেসব খেলা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

লেবাননে বিমান হামলা চালালো ইসরায়েল
লেবাননে বিমান হামলা চালালো ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সারাদেশে বিএনপির বিক্ষোভ আজ
সারাদেশে বিএনপির বিক্ষোভ আজ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সরকার পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের আগে হত্যা বাড়বে
সরকার পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের আগে হত্যা বাড়বে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

কেরানীগঞ্জে ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১২ ইউনিট
কেরানীগঞ্জে ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১২ ইউনিট

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুদ্ধবিরতিতে ফিরতে রাজি হয়েছে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া: ট্রাম্প
যুদ্ধবিরতিতে ফিরতে রাজি হয়েছে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া: ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকায় বাড়ছে শীতের আমেজ, তাপমাত্রা নেমেছে ১৬ ডিগ্রিতে
ঢাকায় বাড়ছে শীতের আমেজ, তাপমাত্রা নেমেছে ১৬ ডিগ্রিতে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৩ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৩ ডিসেম্বর)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খালেদা জিয়া-ওসমান হাদিকে দেখতে এভারকেয়ারে মির্জা ফখরুল
খালেদা জিয়া-ওসমান হাদিকে দেখতে এভারকেয়ারে মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাংলাদেশের মাছের ব্যাপক চাহিদা ভারতের সাত রাজ্যে
বাংলাদেশের মাছের ব্যাপক চাহিদা ভারতের সাত রাজ্যে

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ঢাবির কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ
ঢাবির কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সম্পদ উপার্জনে নীতি বিসর্জন নিন্দনীয়
সম্পদ উপার্জনে নীতি বিসর্জন নিন্দনীয়

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

সর্বাধিক পঠিত
ইনকিলাব মঞ্চের ‍মুখপাত্র ও এমপি প্রার্থী ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ
ইনকিলাব মঞ্চের ‍মুখপাত্র ও এমপি প্রার্থী ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিজ দায়িত্বে প্রচার উপকরণ সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের
৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিজ দায়িত্বে প্রচার উপকরণ সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীরা শনাক্ত, যেকোনো সময় গ্রেফতার
হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীরা শনাক্ত, যেকোনো সময় গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

২১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

৭২ ঘণ্টা অতি ঝুঁকিপূর্ণ, হাদির ব্রেইন স্টেম ক্ষতিগ্রস্ত : বিশেষ সহকারী
৭২ ঘণ্টা অতি ঝুঁকিপূর্ণ, হাদির ব্রেইন স্টেম ক্ষতিগ্রস্ত : বিশেষ সহকারী

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদির পরিবারের পাশে জুবাইদা রহমান
হাদির পরিবারের পাশে জুবাইদা রহমান

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ, যা বললেন ফারুকী
ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ, যা বললেন ফারুকী

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন তারেক রহমান : মির্জা ফখরুল
২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন তারেক রহমান : মির্জা ফখরুল

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা-১০ আসনে স্বতন্ত্র নির্বাচন করবেন আসিফ মাহমুদ
ঢাকা-১০ আসনে স্বতন্ত্র নির্বাচন করবেন আসিফ মাহমুদ

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

অশ্রুসিক্ত নয়নে সাজিদের শেষ বিদায়ে হাজারো মানুষের ঢল
অশ্রুসিক্ত নয়নে সাজিদের শেষ বিদায়ে হাজারো মানুষের ঢল

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রিকশায় ছিলেন হাদি, মোটরসাইকেল থেকে গুলি চালায় দুইজন
রিকশায় ছিলেন হাদি, মোটরসাইকেল থেকে গুলি চালায় দুইজন

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদির মাথায় গুলি ঢুকে বেরিয়ে গেছে, জানালেন চিকিৎসকরা
হাদির মাথায় গুলি ঢুকে বেরিয়ে গেছে, জানালেন চিকিৎসকরা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু: ডিএমপি কমিশনার
হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু: ডিএমপি কমিশনার

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এভারকেয়ারে আনা হয়েছে হাদিকে
এভারকেয়ারে আনা হয়েছে হাদিকে

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল
প্রার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ওসমান হাদিকে দেখতে ঢামেকে মির্জা আব্বাস
ওসমান হাদিকে দেখতে ঢামেকে মির্জা আব্বাস

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদির প্রাথমিক অস্ত্রোপচার সম্পন্ন, নেওয়া হচ্ছে এভারকেয়ার হাসপাতালে
হাদির প্রাথমিক অস্ত্রোপচার সম্পন্ন, নেওয়া হচ্ছে এভারকেয়ার হাসপাতালে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদিকে গুলি অশনিসংকেত : আসিফ মাহমুদ
হাদিকে গুলি অশনিসংকেত : আসিফ মাহমুদ

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈশ্বরদীতে অল্পের জন্য রক্ষা পেল দুটি আন্তঃনগর ট্রেন
ঈশ্বরদীতে অল্পের জন্য রক্ষা পেল দুটি আন্তঃনগর ট্রেন

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাদিকে দেখতে হাসপাতালে নাহিদ
হাদিকে দেখতে হাসপাতালে নাহিদ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের নির্মাণাধীন বাবরি মসজিদে জুমার নামাজে মানুষের ঢল
পশ্চিমবঙ্গের নির্মাণাধীন বাবরি মসজিদে জুমার নামাজে মানুষের ঢল

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ, ছাত্রদলের তীব্র নিন্দা
ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ, ছাত্রদলের তীব্র নিন্দা

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রুশ এস-৪০০ ছাড়বে না তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানাপোড়েন
রুশ এস-৪০০ ছাড়বে না তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানাপোড়েন

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে দেখতে হাসপাতালে তিন উপদেষ্টা
হাদিকে দেখতে হাসপাতালে তিন উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩৯ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
৩৯ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনে প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা নির্ধারিত হবে যেভাবে
নির্বাচনে প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা নির্ধারিত হবে যেভাবে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শাহজালাল বিমানবন্দরে ৭৬টি স্পাই ডিভাইস জব্দ, আটক ২
শাহজালাল বিমানবন্দরে ৭৬টি স্পাই ডিভাইস জব্দ, আটক ২

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি
ওসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি

প্রথম পৃষ্ঠা

৩৫ কেজি কাতলার দাম ১ লাখ ২২ হাজার টাকা!
৩৫ কেজি কাতলার দাম ১ লাখ ২২ হাজার টাকা!

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ব্ল্যাক ট্রায়াঙ্গেলের অস্ত্রে কাঁপছে চট্টগ্রাম
ব্ল্যাক ট্রায়াঙ্গেলের অস্ত্রে কাঁপছে চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

কড়াইল লেক দখলের মহোৎসব
কড়াইল লেক দখলের মহোৎসব

পেছনের পৃষ্ঠা

৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের
৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের

প্রথম পৃষ্ঠা

যশোরে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াত
যশোরে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

২৫ ডিসেম্বর ফিরছেন তারেক রহমান
২৫ ডিসেম্বর ফিরছেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে
বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশন শুরু আজিজুলদের
হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশন শুরু আজিজুলদের

মাঠে ময়দানে

কুয়াকাটা সৈকতে ভিড় বেড়েছে পর্যটকের
কুয়াকাটা সৈকতে ভিড় বেড়েছে পর্যটকের

পেছনের পৃষ্ঠা

টি-২০তে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড!
টি-২০তে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড!

মাঠে ময়দানে

দেশে নতুন মাদক এমডিএমবি
দেশে নতুন মাদক এমডিএমবি

নগর জীবন

লাস্ট সিকোয়েন্স
লাস্ট সিকোয়েন্স

শোবিজ

দেব-সুরাইয়ার প্রেমকাহিনি
দেব-সুরাইয়ার প্রেমকাহিনি

শোবিজ

রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে
রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে

প্রথম পৃষ্ঠা

আইসিসিবিতে ‘আলু উৎসব’ শুরু
আইসিসিবিতে ‘আলু উৎসব’ শুরু

নগর জীবন

একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না
একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না

সম্পাদকীয়

ওয়েলিংটনে ক্যারিবীয়দের উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে কিউইরা
ওয়েলিংটনে ক্যারিবীয়দের উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে কিউইরা

মাঠে ময়দানে

সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে
সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার
দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার

প্রথম পৃষ্ঠা

দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ
দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না
ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

জঙ্গির পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, বাংলাদেশির ১০ বছর কারাদণ্ড
জঙ্গির পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, বাংলাদেশির ১০ বছর কারাদণ্ড

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা
দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই
নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়
ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬ শতাধিক শিল্পকর্ম চুরি
যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬ শতাধিক শিল্পকর্ম চুরি

পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনের আরেক গুরুত্বপূর্ণ শহর দখলের দাবি মস্কোর
ইউক্রেনের আরেক গুরুত্বপূর্ণ শহর দখলের দাবি মস্কোর

পূর্ব-পশ্চিম

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা