ময়মনসিংহের সংসদীয় আসন ঈশ্বরগঞ্জ-৮, নান্দাইল-৯, গফরগাঁও-১০ এবং ভালুকা-১১ আসনের মোট ১২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক। স্বতন্ত্র প্রার্থীতায় এক শতাংশ ভোটারে গড়মিল, হলফনামায় তথ্য ভুল এবং ঋণখেলাপির কারণে তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে গত দুই দিনে ১১টি আসনের মধ্যে ৭টি আসনে ১৭ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৯৪ প্রার্থীর মধ্যে ৬৫ জনের মনোনয়ন বৈধ ও ২৯ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
যচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে প্রয়োজনীয় ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন সঠিক না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুর রহমান ভূইয়ার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এই আসনে মোট ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন সঠিক না থাকা এবং ঋণ খেলাপি হওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রফেসর এ. আর. খানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। হলফনামায় ভুল তথ্য প্রদান ও ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন সঠিক না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী পিন্টু চন্দ্র বিশ্বশর্মার মনোনয়ন বাতিল হয়। একই কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুন বিন আবদুল মান্নান ও হাসিনা খান চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া ঋণ খেলাপি থাকায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শামসুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ঋণ খেলাপি থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিকুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের তালিকা সঠিক না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আল ফাতাহ মো. আবদুল হান্নান খান, আলমগীর মাহমুদ, মুশফিকুর রহমান ও মো. মতিউর রহমানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) সংসদীয় আসনে মোট ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাইয়ে ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের তালিকা সঠিক না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মোর্শেদ আলমের মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং অফিসার। অপর ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বিডি-প্রতিদিন/জামশেদ