আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি ও মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মনোনায়ন ফিরে পেয়ে রবিবার বিকেল ৩টায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মাহমুদুর রহমান মান্না।
তিনি বলেন, মনোনয়ন বাতিলের পেছনে যে ষড়যন্ত্র হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত টেকেনি। আমি প্রথমেই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। আমার বিশ্বাস ছিল, এই ষড়যন্ত্র টিকবে না।
মান্না বলেন, প্রার্থিতা যাচাই-বাছাইয়ের উদ্দেশ্য কাউকে বাদ দেওয়া নয়, বরং ভুলত্রুটি থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া। আইন অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রে ত্রুটি থাকলে তাৎক্ষণিক সংশোধন কিংবা সময় দিয়ে ঠিক করার সুযোগ রয়েছে। এমনকি হলফনামায় ভুল থাকলেও সম্পূরক হলফনামা দেওয়ার বিধান আছে।
তিনি বলেন, আমি আগেও বগুড়া থেকে নির্বাচন করেছি, এবারও করছি। অথচ আমাকে বিরোধিতা করতে যে কূটকৌশল করা হয়েছে, তা খুবই অশুভ ইঙ্গিত বহন করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলা প্রশাসন বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠায়। না হলে মনোনয়ন বাতিলের কোনো কারণ ছিল না।
ব্যাংক ঋণসংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে নাগরিক ঐক্যের এই প্রার্থী বলেন, আমার বিরুদ্ধে খেলাপি হওয়ার যে অভিযোগ তোলা হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ইসলামী ব্যাংকের বগুড়া বড়গোলা শাখার এক কর্মকর্তার মাধ্যমে একটি ভুয়া নোটিশ তৈরি করা হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর তিনি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন। পরে ওই ব্যাংক কর্মকর্তা শাস্তিমূলকভাবে স্ট্যান্ড রিলিজ ও ট্রান্সফার হন। কিন্তু এই তথ্য মিডিয়ায় আসেনি।
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করে মান্না বলেন, কমিশন অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। প্রতিপক্ষকে বাদ দিয়েই বিজয় অর্জনের মানসিকতা গণতন্ত্রকে রুদ্ধ করে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে আমার শঙ্কা রয়েছে। পুলিশ এখন পর্যন্ত সক্রিয় বা প্রোঅ্যাকটিভ ভূমিকা রাখছে না। অনেক জায়গায় নীরবতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বিডি প্রতিদিন/কেএ