শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৭ মার্চ, ২০২০ ২৩:১৯

করোনার বিরুদ্ধে লড়তে পাঁচ পরামর্শ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনার বিরুদ্ধে লড়তে পাঁচ পরামর্শ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধ করতে পাঁচটি পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাধনম ঘেব্রেইয়েসাস। তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে নিজেকে শক্তিশালী করতে বলেছেন। পাঁচ পরামর্শ হচ্ছে-

স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ : এই ভাইরাস মোকাবিলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শারীরিক ও মানসিকভাবে স্বাস্থ্যবান হওয়া। এটি দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে সহায়তা করবে। এ জন্য সুষম পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। এতে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা সঠিকভাবে কাজ করবে। পানীয় গ্রহণ বর্জন করা : সব ধরনের পানীয় গ্রহণে নিজেকে দায়িত্ববান হতে হবে। সেই সঙ্গে মদ বা সুরা পান ও চিনি জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে। ধূমপান থেকে বিরত থাকা : ধূমপান বিভিন্ন ধরনের কঠিন ও জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। ধূমপান করলে করোনাভাইরাস খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। নিয়মিত ব্যায়াম করুন : নিজেকে সুস্বাস্থ্যবান রাখতে একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট ও শিশুর জন্য কমপক্ষে ১ ঘণ্টা ব্যায়াম করা জরুরি। এক্ষেত্রে সুযোগ থাকলে বাইরে গিয়ে দৌড়ান কিংবা সাইকেল চালান। তবে অবশ্যই অন্যদের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। আর বাইরে গিয়ে ব্যায়াম করার সুযোগ না থাকলে বাসায় অনলাইনে কিছু ব্যায়ামের ভিডিও দেখুন। সে অনুপাতে নাচ, যোগব্যায়াম করুন অথবা সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করুন। এছাড়া বাড়িতে বসে কাজ করলে একই অবস্থানে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা যাবে না। এক্ষেত্রে প্রতি ৩০ মিনিট পরপর ৩ মিনিটের জন্য উঠে দাঁড়াতে হবে ও বিরতি নিতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যতœবান হওয়া : যে কোনো সংকটের সময় চাপ, হতাশা ও দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক বিষয়। এক্ষেত্রে আপনজনের সঙ্গে বিষয়টি ভাগাভাগি করতে হবে। কমিউনিটির অন্যদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সমর্থন দিতে হবে। পরিবার, বন্ধু ও প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক ও নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে। সমবেদনাও এক ধরনের ওষুধ। সংগীত শুনুন, বই পড়ুন, খেলাধুলা করুন। বিভিন্ন তথ্য জানার সময় অবশ্যই নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানবেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক বলেন, করোনাভাইরাস আমাদের অনেকের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। তবে এটি বিশেষ কিছু দিয়েছেও। তা হচ্ছে, বিশ্ববাসীকে একত্র হওয়া, একসঙ্গে কাজ করা, একসঙ্গে শেখা এবং একসঙ্গে চলার ও বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দিয়েছে।


আপনার মন্তব্য