শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৫ আগস্ট, ২০২০ ২৩:৫৩

সিনহার মৃত্যুর দায় প্রতিষ্ঠানের নয় : সেনাপ্রধান, উসকানিতে সম্পর্ক নষ্ট হবে না : আইজিপি

কক্সবাজারে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে দুই বাহিনী প্রধানের সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক ও কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে দুই বাহিনী প্রধানের সংবাদ সম্মেলন
কক্সবাজারে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে গতকাল যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ও পুলিশের আইজি বেনজীর আহমেদ -বাংলাদেশ প্রতিদিন

কক্সবাজারের টেকনাফের শামলাপুরে পুলিশের গুলিতে মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহত হওয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ও পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। গতকাল বেলা দেড়টার দিকে কক্সবাজার পৌঁছার পর বিকাল ৪টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তারা। এ সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে কক্সবাজার সৈকতে অবস্থিত সেনাবাহিনীর রেস্ট হাউস ‘জলতরঙ্গে’ সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হন দুই বাহিনীর প্রধান। তারা বলেছেন, মেজর (অব.) সিনহা হত্যাকান্ডকে একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবেই দেখছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ। এ ঘটনায় দায়ী হিসেবে যারা চিহ্নিত হবে, তাদেরই শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। এর দায় বাহিনীর ওপর পড়বে না। এদিকে মেজর সিনহা হত্যার ঘটনায় টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাসসহ নয়জনকে আসামি করে কক্সবাজার আদালতে মামলা করেছেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। এ ছাড়া মেজর সিনহা হত্যার বিচার তিন মাসের মধ্যে শেষ করার দাবি জানিয়েছে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সংগঠন ‘রাওয়া’।

যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ বলেন, ‘মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা ঘটনার তদন্তে যাদের নাম আসবে, তাদের সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। সেনাবাহিনী ও পুলিশ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে। যে ঘটনা ঘটেছে, অবশ্যই সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনী মর্মাহত। আমি আপনাদের মাধ্যমে যে মেসেজ দিতে চাই, তা হলো এটাকে আমরা বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখতে চাই। এর জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান দায়ী নয়। সিনহা হত্যাকান্ড নিয়ে দেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান সেনা ও পুলিশ বাহিনীর মধ্যে যেন ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’

সেনাপ্রধান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে একটি ‘জয়েন্ট ইনকোয়ারি টিম’ (যৌথ তদন্ত দল) গঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মেজর সিনহার মাকে ফোন করে সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। তার কথার ওপর সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর আস্থা আছে। যে যৌথ তদন্ত দল গঠিত হয়েছে, তার ওপরও দুটি বাহিনীই আস্থাশীল। তদন্ত কমিটি যাদের দোষী সাব্যস্ত করবে, অবশ্যই তাদের শাস্তি পেতে হবে।

জেনারেল আজিজ বলেন, ‘আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই, দুই বাহিনীর সম্পর্কে চিড় ধরে এমন কিছু হবে না।’ এ ঘটনা নিয়ে যেন সেনাবাহিনী ও পুলিশের ভিতর অনাকাক্সিক্ষত চিড় ধরানোর মতো ঘটনা না ঘটে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকারও অনুরোধ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি বেনজীর আহমেদ বলেন, কক্সবাজারে সাবেক সেনা অফিসার খুনের ঘটনা দুই বাহিনীর মধ্যে কোনো প্রভাব ফেলবে না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গঠিত যৌথ তদন্ত কমিটি প্রভাবমুক্ত পরিবেশে তদন্ত করবে। তারা যে প্রতিবেদন দেবে সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ঘটনাটিকে পুঁজি করে অনেকেই উসকানিমূলক কথাবার্তা বলছে। এসব বলে তারা সফল হতে পারবে না। কারণ সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর মধ্যে পরস্পর সম্পর্ক রয়েছে। যারা বিভিন্ন উসকানিমূলক কথা বলে দুই বাহিনীর মধ্যে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে, তারা কখনো সফল হবে না।

আইজিপি বলেন, বাংলাদেশ আধুনিক গণতান্ত্রিক দেশ। এখানে আইনের শাসন আছে। সংবাদমাধ্যম সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে। বিচার বিভাগ মুক্ত। সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও আস্থার সম্পর্ক রয়েছে। মেজর (অব.) সিনহার মৃত্যুতে পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো ব্যত্যয় হবে না। কমিটি প্রভাবমুক্ত পরিবেশে তদন্ত করবে। কমিটি যে সুপারিশ দেবে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রশাসনের মাদকবিরোধী অবস্থানকে আরও দৃঢ় করতে স্থানীয় সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়ে বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘এলাকায় কারা মাদক ব্যবসা করে, কারা মাদক পাচারে জড়িত, সবাইকে আপনারা জানেন। আপনারা এ এলাকার মানুষ। তাদের চিহ্নিত করে আপনারা প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে পারেন।’

এদিকে মেজর সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস গতকাল কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ নয়জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে টেকনাফ থানাকে এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে মামলাটি র‌্যাবকে তদন্ত করারও আদেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- টেকনাফ বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই লিয়াকত আলী, এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এসআই টুটুল ও কনস্টেবল মো. মোস্তফা। এরা সবাই বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ঘটনার দিন রাতে কর্মরত ছিলেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মোস্তফা জানিয়েছেন, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে টেকনাফ থানাকে এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য র‌্যাবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার বাদী শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বলেন, ‘ওসি প্রদীপের নির্দেশে এসআই লিয়াকত ঠান্ডা মাথায় গুলি করে আমার ভাইকে হত্যা করেছেন। পরে আমার ভাইয়ের শরীরে ও মুখের বিভিন্ন জায়গায় পা দিয়ে লাথি মেরে মুখ বিকৃত করার চেষ্টা করেছেন। এ সময় অন্য আসামিরা তাদের সহযোগিতা করেন। তাই আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। আমি চাই আমার ভাইয়ের হত্যাকারীরা আইনের আওতায় আসুক। দোষীদের শাস্তি কামনা করছি।’

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ৩১ জুলাই রাতে একটি ইউটিউব চ্যানেলের জন্য ভিডিওচিত্র ধারণ শেষে রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান নিজস্ব প্রাইভেট কার নিয়ে টেকনাফের শামলাপুর পুলিশ চেকপোস্টে পৌঁছান। এ সময় ১ নম্বর আসামি লিয়াকত ও ৩ নম্বর আসামি এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত গাড়ির গতি রোধ করলে মেজর সিনহা নিজের পরিচয় দেন। এর পরও সিনহার সঙ্গে থাকা ক্যামেরাম্যান সিফাতকে টানা-হেঁচড়া করে গাড়ি থেকে নামিয়ে ফেলেন। এ সময় সিফাত দুই হাত উঁচু করে গাড়িতে বসে থাকা সিনহার পরিচয় দেন। পরিচয় দেওয়ার পরও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, ‘তোর মতো মেজর অনেক দেখেছি’ বলে সিনহাকেও আসামিরা গাড়ি থেকে নামিয়ে ফেলেন। মুহূর্তে কয়েক রাউন্ড গুলি করলে সিনহা মাটিতে পড়ে যান। এ সময় মেজর সিনহা জীবন রক্ষার্থে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ সদস্যরা তাকে চেপে ধরে পুনরায় মাটিতে ফেলে দেন। মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য লিয়াকত আরও এক রাউন্ড গুলি করেন। মৃত্যু নিশ্চিত করে টেকনাফ থানা পুলিশ মেজর সিনহাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে এসআই লিয়াকত মৃত্যুর ঘটনা ধাপাচাপা দেওয়ার জন্য ইয়াবা, গাঁজা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনে দুটি মামলা করেন।

দ্রুত বিচারের দাবি রাওয়ার : অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহতের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে গতকাল ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করেছে রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)।

সংবাদ সম্মেলনে রাওয়ার চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার নুরুল আফসার বলেন, মেজর সিনহা হত্যার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনি কক্সবাজারের পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহারের দাবি জানান। তিনি বলেন, ওসি প্রদীপকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণসহ এ হত্যার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে গ্রেফতার করতে হবে। রাওয়া চেয়ারম্যান আফসার ঘটনার সাক্ষী সিফাতের বিরুদ্ধে ‘কাল্পনিক’ ও ‘বানোয়াট’ মামলা দায়েরে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। আগামী তিন মাসের মধ্যে সিনহা হত্যার বিচার করে দোষীদের ফাঁসি কার্যকরের দাবিও জানান। তিনি বলেন, সব সাক্ষীর দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। সাক্ষীদের পরিচিত বা আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমেও যেন কোনো চাপ সৃষ্টি না করা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

রাওয়া চেয়ারম্যান বলেন, প্রধানমন্ত্রী, যিনি সরকারপ্রধান এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন, তিনি সার্বিক বিষয় অবহিত আছেন। প্রধানমন্ত্রী যথাযথ দিকনির্দেশনা দিয়ে এ হত্যার ন্যায়বিচার সম্পন্ন করে সশস্ত্র বাহিনীর সব সদস্যের হৃদয়ের রক্তক্ষরণ বন্ধ করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাওয়ার সেক্রেটারি জেনারেল লে. কর্নেল (অব.) এ এম মোশাররফ হোসেন, লে. জেনারেল (অব.) মঈনুল হোসেন, রাওয়ার সাবেক সভাপতি ব্রি. জেনারেল (অব.) মোয়াজ্জেম হোসেন, মেজর (অব.) শাহরিয়ার প্রমুখ।

মেজর সিনহা সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দুঃসাহসিক ভ্রমণপিপাসু ছিলেন মেজর সিনহা। ঘটনার সময় মেজর সিনহা সেনাবাহিনীর পোশাক নয়, বরং হান্টিং পোশাক পরিহিত ছিলেন। অবসরের আগে মেজর সিনহা প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বাহিনীতে (এসএসএফ) চাকরি করতেন। এসএসএফে যোগদান করতে ১০টি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হয়। এ পরীক্ষার মধ্যে তিনটি পরীক্ষায় মেজর সিনহা রেকর্ড করেন। সাবেক তিন বাহিনীর প্রধানকে নিয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে মেজর সিনহা হত্যার বিচার চাইবে রাওয়া।

টেকনাফের ওসি প্রদীপ প্রত্যাহার : কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের মৃত্যুর ঘটনায় টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাসকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল ওসি প্রদীপসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস হত্যা মামলার পর এ খবর জানা গেছে। পুলিশ সদর দফতরের এআইজি পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, টেকনাফ থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা পরিদর্শক এ বি এম দোহাকে ওসির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এরপর টেকনাফ থানার ওসির সরকারি নম্বরে ফোন দেওয়া হলে তা ধরেন পরিদর্শক দোহা। তিনি বলেন, মঙ্গলবার থেকে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। প্রসঙ্গত, শুক্রবার (৩১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে প্রধান করে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একইভাবে তদন্তের স্বার্থে টেকনাফের বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকত আলীসহ ১৬ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর