শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ২৩:৪৪

চীনা ভ্যাকসিন ব্যবহারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সায়

প্রতিদিন ডেস্ক

জরুরি ভিত্তিতে পরীক্ষামূলক করোনার ভ্যাকসিন ব্যবহারের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমর্থন পেয়েছে চীন। গত শুক্রবার দেশটির ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের একজন কর্মকর্তা বলেন, জরুরি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিতর্ক থাকলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে তারা বোঝাতে পেরেছেন এবং সমর্থনও পেয়েছেন। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই থেকে জরুরি ব্যবহার কর্মসূচির আওতায় শত শত মানুষকে টিকা দিচ্ছে চীন। দেশটির সরকার এতে অনুমোদন দিয়েছে। তবে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা পুরোপুরি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে প্রমাণ হয়নি। পশ্চিমা কিছু বিশেষজ্ঞ ও টিকা প্রস্তুতকারক টিকার সম্পূর্ণ

পরীক্ষা না করে অনুমোদনের বিষয়ে সতর্ক করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বর্তমানে ১১টি টিকা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি টিকার তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা চলছে। দেশটির ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের কর্মকর্তা ঝেং ঝংওয়ে শুক্রবার বলেছেন, চীনের মন্ত্রিসভা, রাজ্য কাউন্সিল, জুনের শেষে কভিড-১৯ টিকার জরুরি ব্যবহারের জন্য একটি পরীক্ষামূলক পরিকল্পনা অনুমোদন করে। অনুমোদনের পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চীনের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানানো হয়। এরপর তাদের কাছ থেকে বোঝাপড়া ও সমর্থন পাওয়া যায়। শুক্রবার সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহকারী মহাপরিচালক মারি এনজেলা সিম বলেন, যেকোনো স্বাস্থ্য পণ্যের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়ার জন্য দেশগুলোর জাতীয় নিয়মাবলি ও আইন রয়েছে। চীনসহ অনেক দেশ বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে এ পথে হেঁটেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে জরুরি ব্যবহারের জন্য পণ্যের তালিকা রয়েছে এবং চিকিৎসার জন্য কয়েকটি পণ্য অনুমোদন দিয়েছে। প্রসঙ্গত, ভ্যাকসিন তৈরির বৈশ্বিক দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে চীন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বর্তমানে ১১টি টিকা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি টিকার তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা চলছে। বর্তমানে বিশ্বে ৩৮টি টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। এর মধ্যে নয়টি টিকা চূড়ান্ত ধাপের পরীক্ষায় রয়েছে।

জানা গেছে, চীনে জরুরি ভিত্তিতে যে টিকা দেওয়া হচ্ছে তা তৈরি করেছে চায়না ন্যাশনাল বায়োটেক গ্রুপ করপোরেশন, যা সিনোফার্ম নামে পরিচিত।  এ মাসে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের তৈরি দুটি টিকা সরকারের জরুরি কর্মসূচির অধীনে হাজারো মানুষকে দেওয়া হয়েছে। এসব টিকা স্বাস্থ্য খাতের কর্মী, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশে থাকা কূটনীতিক, দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন বড় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের দেওয়া হয়েছে। সিনোফার্মের কর্মকর্তারা দাবি করেন, টিকা নেওয়ার পর কারও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। এ ছাড়া কেউ করোনায় আক্রান্তও হননি। সিনোফার্মের টিকার পরীক্ষা চলছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, পেরু, মরক্কো ও আর্জেন্টিনায়।


আপনার মন্তব্য