শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১ আগস্ট, ২০২১ ২৩:১৯

নতুন দ্রুতমানব ইতালির জ্যাকবস

আসিফ ইকবাল

নতুন দ্রুতমানব ইতালির জ্যাকবস
Google News

২০০৮ থেকে ২০১৬; বেইজিং, লন্ডন হয়ে রিও ডি জেনিরো। তিন অলিম্পিকে গোটা বিশ্ব বিস্ময় মাখানো দৃষ্টিতে দেখেছে উসাইন বোল্টের আলোর ঝলকানির দৌড়। দেখেছে কত সহজে এবং অবলীলায় প্রতিপক্ষদের পেছনে ফেলে বিদ্যুৎ গতিতে ১০০ মিটার স্প্রিন্ট শেষ করতে। ২০২০ টোকিও অলিম্পিকে নেই জ্যামাইকান স্প্রিন্টার। নিঃসন্দেহে আলোর রোশনাই কমেছে করোনাভাইরাসের জন্য এক বছর পিছিয়ে অনুষ্ঠিত হওয়া ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ অলিম্পিক আসরের। কিন্তু তাতে কি ? কারও জন্য কোনো কিছু থেমে থাকে না! শূন্যতা পূরণ হয়ে যায় আপন গতিতে। উসাইন বোল্ট নেই। বিশ্ব দেখল, অলিম্পিক দেখল বোল্টের প্রিয় ইভেন্ট ১০০ মিটার স্প্রিন্টের নতুন ‘রাজা’। স্প্রিন্টের নতুন রাজা  ইতালির লেমন্ত মার্সেল জ্যাকবস। তিনি হয়তো বোল্টের ঝলকানি তুলতে পারেননি টোকিও অলিম্পিক স্টেডিয়ামের ট্র্যাকে। কিন্তু তাতে কি? আগামী চার বছরের জন্য ৯.৮০ সেকেন্ড সময়ে সোনা জিতে অলিম্পিকের রাজার মুকুট পরে নিয়েছেন নিজের মাথায়। বিস্ময়ের জন্ম দেওয়া ২৬ বছর বয়সী জ্যাকবস প্রথম ইতালিয়ান হিসেবে অলিম্পিকে দ্রুততম মানব হয়েছেন। এর আগে ১৯৬০ সালে রোম অলিম্পিকে মহিলাদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন ইতালিয়ান স্প্রিন্টার। ইউরোপের পক্ষে জ্যাকবস দ্বিতীয় স্প্রিন্টার হয়ে অলিম্পিকে সোনা জিতেন। এর আগে ১৯৯২ সালে বার্সেলোনা অলিম্পিকে সোনা জিতেছিলেন গ্রেট ব্রিটেনের লিনফোর্ড ক্রিস্টি।                  

জ্যাকবস ক্যারিয়ার শুরু করেন লং জাম্প দিয়ে। স্প্রিন্টার হিসেবে যাত্রা শুরু ২০১৮ সালে। টোকিও অলিম্পিকের দ্রুততম মানব হতে জ্যাকবস পেছনে ফেলেন মার্কিন স্প্রিন্টার ফ্রেড কার্লিকে। ফেবারিট কার্লি রুপা জিতেন ৯.৯৪ সেকেন্ডে এবং ব্রোঞ্জজয়ী কানাডার আন্দ্রে দে গ্রাস সময় নেন ৯.৮৯ সেকেন্ড। গ্রাস রিও অলিম্পিকেও ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। ফাইনালের শুরুতে ডিসকোয়ালিফাইড হন ব্রিটিশ স্প্রিন্টার জার্নেল হিউজ। এশিয়ার দ্বিতীয় স্প্রিন্টার হিসেবে মূল পর্বে খেলা চীনের সু বিং তিয়ান ৯.৯৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে ষষ্ঠ হন। অথচ সেমিফাইনালে তিনি সময় নিয়েছিলেন ৯.৮৪ সেকেন্ড। আশ্চর্য হলেও সত্যি গত তিন-চার আসরের মধ্যে এই প্রথম ১০০ মিটার স্প্রিন্টে কোনো জ্যামাইকান ছিলেন না। অথচ মহিলাদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টের তিনটি পদকই জিতেছেন জ্যামাইকান স্প্রিন্টাররা।

এই বিভাগের আরও খবর