মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা

টাইটানিক দুর্ঘটনার কারণ হিমবাহ নয়, আগুন!

টাইটানিক দুর্ঘটনার কারণ হিমবাহ নয়, আগুন!

হিমবাহের সঙ্গে ধাক্কা নয়, বরং ডেকে বড়সড় ধরনের আগুন লাগার কারণেই টাইটানিক দুর্ঘটনায় পড়েছিল বলে এবার জোরালো দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। নিজেদের দাবির পক্ষে তারা এবার তথ্য-প্রমাণও উপস্থাপন করেছেন। অবশ্য এর আগেও বিশেষজ্ঞরা জাহাজটির ডেকে আগুন লাগার কথা মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু আগুন-ই যে জাহাজটির ডুবে যাওয়ার কারণ তা মানতে নারাজ ছিলেন তারা। টাইটানিকের প্রধান ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের তোলা কয়েকটি বিরল ছবি বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা জাহাজটির ঢুবে যাওয়ার পেছনে তাদের ‘আগুনতত্ত্ব দাঁড় করিয়েছেন। ১৯১২ সালের এপ্রিলে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে যায় টাইটানিক। এতে জাহাজটিতে থাকা দেড় হাজারের বেশি  লোকের প্রাণহানি হয়েছিল। বড় ধরনের হিমবাহের সঙ্গে ধাক্কা লেগেই এটি ধীরে ধীরে ডুবে গিয়েছিল বলে এরপর থেকে বলা হচ্ছিল। তবে দুর্ঘটনার ১০০ বছরের বেশি সময় পর এখন বলা হচ্ছে জাহাজটির দুর্ঘটনায় পড়ার প্রাথমিক কারণ ছিল আগুন। সেনান মলোনি নামে এক আইরিশ সাংবাদিক দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে টাইটানিকের ডুবে যাওয়ার কারণ জানতে গবেষণা করেছেন। তিনি-ই ইঞ্জিনিয়ারদের তোলা ছবিগুলো বিশ্লেষণ করে নতুন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। সাউদাম্পটনের বেলফার্স্ট শিপইয়ার্ড ছাড়ার আগে ছবিগুলো তোলা হয়েছিল। জাহাজটির গন্তব্যস্থল ছিল নিউইয়র্ক। ম্যালোনি জানান, আগুনের কারণেই জাহাজটি ভয়ানকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তার মতে, হিমবাহের সঙ্গে সংঘর্ষে জাহাজটির বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। তিনি আরও জানান, ‘টাইটানিকের দুর্ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটি এ ঘটনাকে ‘সৃষ্টিকর্তার কর্মকাণ্ড’ বলে অভিহিত করেছিলেন। তবে তা হিমবাহের সঙ্গে ধাক্কা লাগা ও ডুবে যাওয়ার সাদাসিধে কোনো গল্প নয়।’ এক্ষেত্রে আগুন, হিমবাহ ও অবহেলা—এ তিনটির সমন্বিত ব্যাপার রয়েছে, বলেন তিনি। ‘টাইটানিক : দ্য নিউ এভিডেন্স’ নামে চ্যানেল ফোরে খ্রিস্টীয় নববর্ষের দিনে প্রচারিত একটি তথ্যচিত্রে গোটা বিষয়টি তুলে ধরেছেন সেনান মলোনি। ইন্ডিপেনডেন্ট অনলাইন।

সর্বশেষ খবর