শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ৪ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ জুলাই, ২০২১ ২৩:৩৪

ভিক্টোরিয়া ও এলিজাবেথের ভাস্কর্য ভাঙচুর

ভিক্টোরিয়া ও এলিজাবেথের ভাস্কর্য ভাঙচুর
Google News

কানাডার উইনিপেগ শহরে রানী ভিক্টোরিয়া এবং রানী এলিজাবেথের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। কানাডার সাবেক আদিবাসী স্কুলে শিশুদের গণকবর পাওয়ার ঘটনায় ক্ষোভে তাদের ভাস্কর্য উপড়ে  ফেলেন বিক্ষুব্ধ জনতা। তারা বলেন, ‘গণহত্যায় কোনো গর্ব নেই’। সূত্র : রয়টার্স। সম্প্রতি কানাডার বেশ কয়েকটি আদিবাসী স্কুলে শিশুদের গণকবরের সন্ধান পাওয়া যায়। একের পর এক গণকবর সন্ধানের ঘটনায় তীব্র  ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ মানুষের ভিতর। ব্রিটিশ কলম্বিয়া এবং সাসকাচোয়ান প্রদেশে বন্ধ হয়ে যাওয়া ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর আবাসিক স্কুলে এখন পর্যন্ত ১ হাজারের মতো কবর পাওয়া গেছে। ওই স্কুলগুলো তৎকালীন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকারের অর্থায়নে ক্যাথলিক চার্চদের দ্বারা পরিচালিত হতো। রানী ভিক্টোরিয়ার শাসনামলে ১৮৩৭ থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত কানাডা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষোভ জন্মায়  দেশটির সাধারণ মানুষের ভিতর। গত বৃহস্পতিবার উইনিপেগে রানী ভিক্টোরিয়ার ভাস্কর্য টেনে নিচে ফেলে দেন। অনেককে লাথি মারতে  দেখা যায়। ভাস্কর্যের পাশে নেচে উল্লাস করতে দেখা যায় কয়েকজনকে। ভিক্টোরিয়ার পাশেই রানী এলিজাবেথের ভাস্কর্য থাকায়  সেটিকেও গুঁড়িয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। এক সময় কানাডায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিশুদের স্কুলগুলোতে নির্যাতন করা হতো। গণকবরের বিষয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এ ঘটনাটিকে লজ্জাজনক অধ্যায়ের বেদনাময় অতীতের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি গভীর শোকাবহ ও হৃদয়বিদারক বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের মুখপাত্র বলেন, ‘রানীর ভাস্কর্য অবমাননার নিন্দা জানাচ্ছে ব্রিটিশ সরকার। শিশুদের গণকবরের ঘটনায় কানাডার ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সঙ্গে আছি।’

এই বিভাগের আরও খবর