শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ ডিসেম্বর, ২০২০ ২১:৫৩
আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর, ২০২০ ২২:০৬
প্রিন্ট করুন printer

করোনার চেয়েও বিপজ্জনক ভাইরাস তৃণমূল কংগ্রেস: দিলীপ ঘোষ

দীপক দেবনাথ, কলকাতা

করোনার চেয়েও বিপজ্জনক ভাইরাস তৃণমূল কংগ্রেস: দিলীপ ঘোষ
দিলীপ ঘোষ

বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, কোভিড-১৯ এর চেয়েও বিপজ্জনক ভাইরাস হল তৃণমূল কংগ্রেস। আর এই ভাইরাসকে তাড়াতে বিজেপি ভ্যাকসিন প্রস্তুত আছে। 

বুধবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার কুলপি থানার কলঞ্জলিতে অনুষ্ঠিত বিজেপির জনসভায় উপস্থিত থেকে এই মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ।  

মমতা ব্যনার্জির দল তৃণমূল কংগ্রেসকে ভাইরাসের সাথে তুলনা টেনে দিলীপ বলেন, ‘করোনা ভ্যাকসিন এখনও ঠিকমতো আবিষ্কার হয়নি। ওষুধ আবিষ্কার হবে হবে করছে। কিন্ত তৃণমূল ভাইরাসকে তাড়াতে ইতিমধ্যেই ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে। আর সেটা হল বিজেপি।’ 

দিলীপ ঘোষের দাবী ‘তৃণমূূল ভাইরাসের আক্রমণে রাজ্যে ১৩২ জন বিজেপি কর্মী মারা গেছেন। দিদিমণি কাউকে কিছু দিতে পারেনি কেবল কেস (মামলা) দিচ্ছে। বিজেপি কর্মীদের বলছি যারা কেস দিচ্ছেন সেই তৃণমূল নেতা ও সেই পুলিশ কর্মকর্তাদের নাম লাল ডায়রিতে লিখে রাখুন। সব হিসাব বুঝে নিতে হবে।’ 

দিলীপের হুঁশিয়ারি বিজেপি ক্ষমতায় এলে তাদের কর্মীদের উপর সব হামলার হিসাব বুঝে নেবে। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:২৫
প্রিন্ট করুন printer

'মোদির জন্য ট্রাম্পের চেয়ে খারাপ পরিণতি অপেক্ষা করছে'

অনলাইন ডেস্ক

'মোদির জন্য ট্রাম্পের চেয়ে খারাপ পরিণতি অপেক্ষা করছে'
মমতা ব্যানার্জি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের সবচেয়ে বড় দাঙ্গাবাজ। বিধানসভা নির্বাচনে আমি থাকবো গোলকিপার আর বিজেপি একটা গোলও করতে পারবে না। নরেন্দ্র মোদির জন্য সদ্য পরাজিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে খারাপ পরিণতি অপেক্ষা করছে।

বুধবার হুগলির নির্বাচনী জনসভায় ক্ষমতাসীন বিজেপির কঠোর সমালোচনা করে তিনি এসব কথা বলেন।  

মমতা বলেন, কথায় কথায় বলে, তৃণমূল কংগ্রেস তোলাবাজ। আর আপনি কী? আপনি তো সব থেকে বড় দাঙ্গাবাজ। 

তোলা কী? তোলা তো তাকে বলে যারা ৫ টাকা, ১০ টাকা তোলে তাকে বলে তোলাবাজ। আর যারা কোটি কোটি টাকা তোলে তাদের কী বলে?

দুদিন আগে হুগলির সাহাগঞ্জের সভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ব্যাপক কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার সেই জায়গা থেকেই জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে মমতা বলেন, ‌এই যে সবাই বলছে খেলা হবে। ২০২১ সালে একটাই খেলা হবে। একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস, অন্যদিকে সিপিআইএম–কংগ্রেস–বিজেপি। আমি থাকব গোলরক্ষক। একটা গোলও করতে পারবে না।  

তবে বাংলার এই খেলায় যদি বিজেপি হেরে যায়, তাহলে বুঝে নিতে হবে সারা ভারত থেকেই ওদের বিদায় নিতে হবে।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:২৩
প্রিন্ট করুন printer

বাংলাকে মাটিতে বিজেপিকে কবর দিন : মমতা

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাকে মাটিতে বিজেপিকে কবর দিন : মমতা
ফাইল ছবি

বাংলাকে বাঁচতে দিন, আর এই মাটিতে বিজেপিকে ভালো করে কবর দিন বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল সভানেত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি বলেন, এদেশে দুটো নেতা আছে, একটা হচ্ছে হোঁদল কুতকুত, অন্যটা কিম্ভূত কিমাকার! গায়ের জোর দেখাচ্ছেন! আমাদের ঘরের মা-বোনেদের বলছেন কয়লা চোর! আর তোমার সারা গায়ে ময়লা লেগে আছে! নোটবন্দির টাকা কোথায় গেল, নরেন্দ্র মোদি জবাব দাও। 

আজ বুধবার হুগলীতে দলীয় সবামেশে বক্তব্য রাখার সময়ে ওই মন্তব্য করেন মমতা। এসময় মূলত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে টার্গেট করে তাদের তীব্র সমালোচনা ও কটাক্ষ করেন তিনি।

মমতা বলেন, ‘আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই। অন্য পার্টির লোককে তোলাবাজ বলবেন? আর আপনার পার্টি কী ওয়াশিং মেশিন? আমি এক পয়সা মাইনে নিই না। আমি মানুষকে সেবা করি, এটাই আমার কাজ। এত বড় সাহস! মা বোনেদের বলছেন কয়লা চোর? আর আপনারা কয়লা চোরের হোটেলে থাকছেন। আপনারা কী ভাবেন, আমি জানি না?’

বিজেপি নেতাদের টার্গেট করে তিনি বলেন, ‘গুজরাট বাংলা শাসন করবে না। বাংলাই বাংলা শাসন করবে। এক একটা লুটেরা! কারও কান কাটা, কারও নাক কাটা, কারও চোখ কাটা, কারও পা কাটা। দুর্গাপুরে ওরা একটা হোটেল বুক করেছে। ওই হোটেল কোন কয়লা মাফিয়ার জিজ্ঞেস করুন। একাট দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে মিথ্যে কথা বলেন! আমি প্রধানমন্ত্রী শব্দটা বলতে চাই না। কারণ উনি আজ আছেন, কাল চলে যাবেন। এই দেশে এখন দু’টো নেতা। একটা নেতা হচ্ছে হোদল কুতকুত, আরেকটা নেতা  হচ্ছে কিম্ভূতকিমাকার!গায়ের জোর দেখাচ্ছে! 

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৫২
প্রিন্ট করুন printer

'টুম্পা সোনা'র তালে উদ্দাম নাচ, কড়া শাস্তি দিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

অনলাইন ডেস্ক

'টুম্পা সোনা'র তালে উদ্দাম নাচ, কড়া শাস্তি দিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতী পূজা করা ও ক্যাম্পাসে 'টুম্পা সোনা' গানের সঙ্গে নেচেছিলেন শিক্ষার্থীরা।  ওই ঘটনায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ৫ নেতাকে ২ বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট জমা পড়েছে।  সেই রিপোর্টের পরই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ৫ নেতার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হয়েছে।  

ঘটনার সূত্রপাত গত ১৬ ফেব্রুয়ারি। সরস্বতী পূজার দিন। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মধ্যে জনপ্রিয় গানের তালে তালে চলে নাচ। কোভিড বিধি তো দূরের কথা, বাণী-বন্দনা ঘিরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাস ছিল জমজমাট। 
এখনও সশরীরে ক্লাস শুরু হয়নি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই প্রেক্ষাপটে, সরস্বতী পূজাকে ঘিরে নাচগান ঘিরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে জোর বিতর্ক। ঘটনায় বেজায় চটে যায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। 

ঘটনার পর, বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাকি সব অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। পূজার খাওয়া দাওয়া থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান- সব বন্ধ রাখা হলেও, বিতর্ক থামেনি।  

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাংখ্যায়ন চৌধুরী ঘটনার নিন্দা করে জানিয়েছিলেন,  কোনও কালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতী পূজার রেওয়াজ  ছিল না। বছর কয়েক ছাত্র সংসদের পরিচালনায় পূজা হয়ে আসছে। এই মুহূর্তে ছাত্র সংসদই নেই। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনও ছাত্র গোষ্ঠীকে পূজা করার অনুমতিও দেননি। করোনা-আবহে নিয়ম-কানুন উপেক্ষা করে যে উদ্দাম অশালীন আনন্দ যাপনের ছবি সামনে এসেছে, তা বিশ্ববিদ্যালয় এর ঐতিহ্য, পরম্পরা-র সঙ্গে কোনওমতে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। আমরা এই ঘটনাকে ধিক্কার জানাই। 

সূত্রের খবর, সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা পূজায় উপস্থিত থাকলেও, সরস্বতী পূজার আয়োজন করেছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। নাচগানের জন্য, ভুল স্বীকার করলেও, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যার দেবীর পূজার আয়োজনে কোনও ভুল দেখছে না পশ্চিমবঙ্গে শাসক দলের ছাত্র সংগঠন।

সূত্র: এবিপি লাইভ

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৪১
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৪৩
প্রিন্ট করুন printer

‌তৃণমূলের ৫ টাকায় ডিম-ভাত, বিজেপির বিনামূল্যের মাছ-ভাত

অনলাইন ডেস্ক

‌তৃণমূলের ৫ টাকায় ডিম-ভাত, বিজেপির বিনামূল্যের মাছ-ভাত

আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রাজনীতি। ভোটারদের মন জয় করতে একদিকে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস তো, অন্যদিকে প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী গেরুয়া শিবির। কেউই ছাড় দিতে চায় না কাউকে। এর মধ্যে তৃণমূল যখন “মা প্রকল্প” এনে রাজ্যের গরীব মানুষদের মুখে মাত্র ৫ টাকায় ডিম-ভাত তুলে দিচ্ছে, তখন এই প্রকল্পকে টেক্কা দিয়ে বিজেপি বিনামূল্যে “মাছে ভাতে বাঙালি” প্রকল্প শুরু করেছে।

বিজেপির দাবি, মমতা ব্যানার্জির  'মা কিচেনে' ডিম-ভাত যা পাওয়া যায়, তার দাম ৫ টাকা, কিন্তু বিজেপির 'মাছে ভাতে বাঙালি' কর্মসূচিতে বিনা মূল্যে খাবার দেওয়া হচ্ছে। তাও আবার বাঙালির প্রিয় মাছের সঙ্গে ভাত থাকছে মেন্যুতে।

বিজেপির এই কর্মসূচি নিয়ে মমতা এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে বিজেপিকে কটাক্ষ করে পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূল নেতা সুপ্রকাশ গিরি বলেছেন, ‘মমতা দিদি পাঁচ টাকায় ডিম-ভাত প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়ার জন্য চালু করেননি। পাঁচ টাকায় ডিম-ভাত মেলায় বহু মানুষ খেয়ে বাঁচছেন। কিন্ত বিজেপির পুরোটাই ভোটের জন্য ধোঁকাবাজি। সূত্র : ওয়ান ইন্ডিয়া।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:৫৬
প্রিন্ট করুন printer

ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে উপস্থিত টলিউডের একাধিক শিল্পী; বাড়ছে জল্পনা

দীপক দেবনাথ, কলকাতা

ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে উপস্থিত টলিউডের একাধিক শিল্পী; বাড়ছে জল্পনা

দিন কয়েক আগে টলিউডের এক ঝাঁক তারকা বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। এবার জল্পনা বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতাদের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে দেখা গেল টলিউডের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রীদের। রীতিমতো চাঁদেরহাট বলতে যা বোঝায় তাই। 

সোমবার রাতে কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলের সেই অনুষ্ঠানে কে ছিল না? ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, আবীর চট্টোপাধ্যায়, পাওলি দাম, মমতা শংকর, চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়, অরিন্দম শীল, হিরন, পরিচালক গৌতম ঘোষ, কৌশিক গাঙ্গুলী, অনীক দত্ত, প্রযোজক মহেন্দ্র সোনি, নিশপাল রানা, সংগীত শিল্পী রশিদ খানের মত সেলেবরা। অনুষ্ঠানে ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রীয়, বিজেপি সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, স্বপন দাসগুপ্ত-এর মত বিজেপি নেতা-নেত্রীরাও। 

কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর-এর ডাকে সাড়া দিয়েই ন্যাশনাল ফিল্ম ডেভলপমেন্ট কর্পোরেশনের ব্যানারে এই অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন টলি তারকারা। 

দিন কয়েক আগেই টলিউড অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়-এর সাথে বিজেপি নেতা অরিন্দম গাঙ্গুলীর সাক্ষাৎ নিয়ে জল্পনা ছড়িয়ে ছিল। যদিও জল্পনায় ইতি টানতে প্রসেনজিৎ জানিয়েছিলেন রাজনীতিতে আসার দিচ্ছে তার নেই। তাই হয়ত এদিনের অনুষ্ঠানে প্রসেনজিৎকে দেখা যায়নি। উপস্থিত ছিলেন তার বাবা অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়। 
পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির নজর টলিউডের দিকে। গত একমাসে রুদ্রনীল ঘোষ, যশ দাসগুপ্ত, হিরণ, কৌশিক রায়, পাপিয়া অধিকারীসহ একাধিক তারকা গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। এমন অবস্থায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উপস্থিতিতে ফের একাধিক টলিউড সেলিব্রেটির উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা ছড়িয়েছে। 

গতকালের অনুষ্ঠান থেকে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার-এর আদলে বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্র পরিচালক প্রয়াত সত্যজিৎ রায়ের নামেওর জাতীয় স্তরে একটি পুরস্কার দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর