শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:৫৭

স্বাস্থ্য পরামর্শ

ম্যাজিক ফুড টক দই-শসা

প্রতিদিন ডেস্ক

টক দই ও শসার বিশেষ কিছু গুণ রয়েছে, যা শরীরকে পুরো তরতাজা রাখে। মেদ ঝরিয়ে, শরীরকে ডিটক্স করে ও হজম সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণ করে টক দই। প্রতি দিন ডায়েটের একটা বড় ভাগে টক দই আর শসা রাখলে তা ম্যাজিক ফুডের কাজ করবে।

১. টক দই ফারমেন্টেড এনজাইম খাবার হজমের জন্য ভীষণ উপযোগী। যথেচ্ছ খাওয়া দাওয়ায় কোলেস্টরেল  বেড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। টক দইয়ে যেমন ফ্যাট কম থাকে, তেমন এটি কোলেস্টরেলের মাত্রা কমাতে বিশেষভাবে উপযোগী। ২. শীতে অনেকেই পানি কম খান। ফলে শরীর ডিহাইড্রেট হয়ে যায়। শুধু তা-ই নয়, কম পানির কারণে ক্ষতিকারক টক্সিন জমা হয় শরীরে। সুতরাং রোজ সকালে এক বাটি টক দই খাওয়ার অভ্যাস করলে তা রক্তকে টক্সিনমুক্ত রাখতে সাহায্য করবে।

৩. ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেয়ে ওজন বেড়ে গেলে শশার সঙ্গে টক দই মিশিয়ে প্রতিদিন খেতে হবে। এতে করে ওজন নিয়ন্ত্রণে আসবে খুব

তাড়াতাড়ি। ৪. ল্যাকটোজেন ইনটলারেন্স বা দুধ সহ্য না হলে টক দইয়ের উপযোগিতা কাজে লাগান। দুধের পুষ্টিই পাবেন টক দইয়ের মাধ্যমে। ৫. আর শসায় ভরপুর রয়েছে ভিটামিন সি, ম্যাগনেশিয়াম, পটাসিয়াম। এতে ক্যালোরির পরিমাণ যেমন সামান্য,  তেমনই এতে পানির পরিমাণ বেশি। কয়েক গ্রাম ফাইবারও মেলে শসায়। ৬. শরীরকে কর্মক্ষম রাখতেও ওস্তাদ শসা। নিয়মিত ডায়েটে শসা থাকলে রোগ প্রতিরোধ বাড়বে, ছোট-বড়  কোনো রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারবে না। এটা এমন একটা ফল, যা ডায়াবেটিকরাও অনায়াসে রাখতে পারেন তাদের ডায়েটে। বিশেষজ্ঞের মতে, প্রতিটা ভারী মিলের পরেই রাখা উচিত শসা। সকাল বা বিকালের টিফিনে শসার রায়তা, দই-শসা রাখতেও পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। সকালে ব্রেকফাস্টে শসা দিয়ে বানানো স্মুদিও খাওয়া যেতে পারে। অনেকের ধারণা রয়েছে, তেল-মশলার খাবার বা ভাজাভুজির সঙ্গে শসা খেলে তেল-মশলার ক্ষতিটা শরীরে লাগে না। এমনটা একেবারে ঠিক ধারণা নয়। শসা তেল-মশলার খাবারের সঙ্গে খেলে হজম করতে সাহায্য করতে পারে মাত্র। কখন ওই মেদ ঝরানোর উপকার এর থেকে তখন পাওয়া যায় না। তাই ফাস্ট ফুড বা ভাজাভুজির সঙ্গে শসা খাওয়া মানে খুব উপকার হল এমনটা ভাবা ভুল। সুতরাং ডায়েটে বেশি করে শসা রেখেই ওজন কমান দ্রুত।


আপনার মন্তব্য