শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:২৫

কৃষি

চিরিরবন্দরে ৪৬ প্রজাতির ফলের বাগান

রিয়াজুল ইসলাম, দিনাজপুর

চিরিরবন্দরে ৪৬ প্রজাতির ফলের বাগান

শিক্ষা অফিসের ছাদে ৪৬ প্রজাতির দৃষ্টিনন্দন ফলের বাগান। শহরে বসবাসরত মানুষ তাদের ভবনের ছাদে স্বল্প পরিসরে ফল ও সবজি উৎপাদন করে প্রতিদিন বিষমুক্ত ফল-সবজি খেতে পারেন। এতে দেশে সবজি উৎপাদন বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে, তেমনি নিজেদের চাহিদাও মিটবে। এ কাজকে উৎসাহিত করেছে চিরিরবন্দর উপজেলা শিক্ষা অফিসের ছাদের ফলের বাগান। দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের দ্বিতল ছাদে গড়ে তুলেছেন ছাদ কৃষি বাগান উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এম জি এম সরোয়ার হোসেন। শখের বসে নিজের কর্মস্থলেই প্রকৃতিকে ভালোবেসে গড়ে  তুলেছেন দৃষ্টিনন্দন এই ছাদ কৃষি। উপজেলা চত্বরের এই ছাদ বাগান কারও চোখ এড়িতে যেতে পারে না। ওই ছাদের টবে শোভা পাচ্ছে- কানাডিয়ান আঙ্গুর, নাগপুরি কমলা, ভুটানি আপেল, বারি-১ জাতের মাল্টা, আম, কামরাঙ্গা, আঙ্গুর, থাই আমড়া, সফেদা, কদবেল, থাইল্যান্ডের মিষ্টি তেঁতুল, বেদানা, চেরিফল, থাই সেভেন পেয়ারা, ডালিম, ড্রাগন, লটকন, পুদিনা, আপেল কুল, হাইব্রিড নারিকেল, সাদা এলাচ, আঙ্গুর, নাশপাতি, লেবুসহ ৪৬ প্রজাতির ফলের গাছ। কৃষি অফিস জানায়, শহরে বসবাসরত মানুষ তাদের ভবনের ছাদে স্বল্প পরিসরে ফল ও সবজি উৎপাদন করে প্রতিদিন বিষমুক্ত ফল-সবজি খেতে পারেন। নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বিক্রিও করতে পারবে। ছাদ কৃষিতে যে ধরনের সহযোগিতা লাগবে তা কৃষি বিভাগ দেবে। উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মতিউর রহমান নিউটন জানান, ছাদের ওপরে সারিবদ্ধভাবে বড় ফুলের টবে মাটি ভরাট করে একটি করে ফলদ গাছ রয়েছে। চিরিরবন্দর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এম জি এম সারোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে নিজস্ব অর্থায়ন এবং পরিচর্যায় এ ফলদ বাগান গড়ে তুলেছেন। অবসর সময়ে বাগানে সময় কাটান তিনি। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করেন অফিসের সহকর্মীরা। ৩ বছর পূর্বে চিরিরবন্দর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এম জি এম সারোয়ার হোসেন উপজেলা কমপ্লেক্সে শিক্ষা অফিসের দ্বিতীয় তলায় ছাদে শখের বশে কৃষি বাগানটি গড়ে তুলেছেন। তিনি জানান, প্রথম দিকে মাল্টা, কমলা ও আমের চারা দিয়ে বাগান শুরু করেন। বছর শেষে বাগান থেকে মিষ্টি ও সুস্বাদু মাল্টা ও আম পেয়েছেন। পর্যায়ক্রমে তিনি কামরাঙা, ডালিম, সফেদা, লেবু, জলপাই, পেয়ারা, বরই, আমড়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলের গাছ রোপণ করেন। আসলে মনের আগ্রহ থেকেই এই বাগান। এই বাগানের একটি ফল পাড়তেই মনে কষ্ট লাগে।

এই বিভাগের আরও খবর