শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ জুলাই, ২০২১ ২৩:১৫

টানা বাড়ছে সংক্রমণ হার

সর্বোচ্চ বরিশাল-সিলেটে, সর্বনিম্ন রংপুর-রাজশাহীতে ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ১১ হাজার ৫৭৮, মৃত্যু ২২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

টানা বাড়ছে সংক্রমণ হার
Google News

কোরবানি উপলক্ষে গত ১৫ জুলাই থেকে শিথিল করা হয়েছে বিধিনিষেধ। তখন থেকেই গাদাগাদি করে গ্রামে ফিরছে মানুষ। আর পরদিন ১৬ জুলাই থেকে দেশে টানা বাড়ছে করোনাভাইরাস সংক্রমণ হার। বাড়ছে মৃত্যুও। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা এক দিনে তৃতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর চেয়ে বেশি মৃত্যুর খবর এসেছিল গত ১১ ও ১৫ জুলাই। এই দুই দিনে যথাক্রমে ২৩০ জন ও ২২৬ জনের মৃত্যু হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯ হাজার ৮০৬টি নমুনা পরীক্ষায় ১১ হাজার ৫৭৮ জনের দেহে সংক্রমণ শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ২৯.০৯ শতাংশ। এর আগে ১৫ থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত শনাক্তের হার ছিল যথাক্রমে ২৭.২৩ শতাংশ, ২৮.৯৬ শতাংশ ও ২৯.০৬ শতাংশ। গত এক দিনে আরও বাড়ায় টানা তৃতীয় দিনের মতো বাড়ল শনাক্তের হার। এদিকে গতকাল দেশে মোট শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ১১ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, গতকাল পর্যন্ত দেশে মোট করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ১১ লাখ ৩ হাজার ৯৮৯ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১৭ হাজার ৮৯৪ জন। সুস্থ হয়েছেন ৯ লাখ ৩২ হাজার ৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৮ হাজার ৮৪৫ জন। শনাক্তের চেয়ে সুস্থ কম হওয়ায় গত এক দিনে চিকিৎসাধীন রোগীর তালিকায় (মারা যাওয়া ২২৫ জন বাদে) নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৫০৮ জন। গত মাসে রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগে করোনা সর্বোচ্চ দাপট দেখালেও বর্তমানে এই বিভাগগুলোয় কমে এসেছে সংক্রমণ হার। অন্যদিকে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে সর্বোচ্চ সংক্রমণ হার বজায় রয়েছে বরিশাল ও সিলেট বিভাগে। ঢাকায় সংক্রমণের গতি ধীরে ধীরে বাড়ছে। কমছে ময়মনসিংহ বিভাগে। স্থির রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন শনাক্তের হার ছিল রংপুর বিভাগে ১৮.৭৩ শতাংশ। রাজশাহী বিভাগে ছিল ২০.৭১ শতাংশ। খুলনা বিভাগে ছিল ২৫.৩৪ শতাংশ। অন্যদিকে সর্বোচ্চ শনাক্তের হার ছিল বরিশাল বিভাগে ৩৯.১০ শতাংশ। সিলেট বিভাগে শনাক্তের হার ছিল ৩৬.৫৫ শতাংশ, ঢাকা বিভাগে ৩০.৮৩ শতাংশ, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৪.২৪ শতাংশ ও চট্টগ্রাম বিভাগে ৩০.৯৯ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২২৫ জনের মধ্যে ১২৩ জন ছিলেন পুরুষ ও ১০২ জন নারী। হাসপাতালে ২১২ জনের ও বাড়িতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সর্বোচ্চ ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ ছাড়া ৫৪ জন খুলনা, ৪০ জন চট্টগ্রাম, ২০ জন রাজশাহী, ১৪ জন করে সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ এবং ৯ জন বরিশাল বিভাগে মারা গেছেন। বয়স বিবেচনায় মৃতদের মধ্যে ১১৫ জন ছিলেন ষাটোর্ধ্ব, ৫২ জন পঞ্চাশোর্ধ্ব, ৩১ জন চল্লিশোর্ধ্ব, ১৬ জন ত্রিশোর্ধ্ব, ৭ জন বিশোর্ধ্ব, ৩ জনের বয়স ছিল ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ও ১ জনের বয়স ছিল ১১ বছরের নিচে।