শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:৪৭
প্রিন্ট করুন printer

‘বঙ্গমাতার চিন্তাশীল নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছিল বঙ্গবন্ধুকে’

অনলাইন ডেস্ক

‘বঙ্গমাতার চিন্তাশীল নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছিল বঙ্গবন্ধুকে’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের চিন্তাশীল নেতৃত্ব বঙ্গবন্ধুকে কোনও দ্বিধা ছাড়াই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছিল।

শুক্রবার পূর্বাচল ক্লাবে উইমেন এন্ড ই-কমার্স ফোরাম আয়োজিত দু’দিন ব্যাপী মেলার (WE Colorful Fest) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ই-কমার্স আজকের বাংলাদেশের প্রসারমান অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। শেখ হাসিনার সময়োপযোগী এবং সাহসী পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশ আজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারে এক অনন্য উচ্চতায় আসীন হয়েছে। বর্তমান বাংলাদেশে ই-কমার্স বাজার প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে এবং ২০২৩ সাল নাগাদ তা ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ই-কমার্সের এই দ্রুত বর্ধনশীল বাজারে আমাদের নারী উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ীরা আরও বেশী মাত্রায় অংশগ্রহণ করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশের সবচেয়ে নারী-বান্ধব সরকার। দৃঢ় মনোবল নিয়ে করোনা মহামারির মধ্যেও নারী ই-কমার্স উদ্যোক্তারা লাখ-লাখ টাকার পণ্য বিক্রি করার মাধ্যমে নিজেদের আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের পরিবারকে সাহায্য করেছেন।

ড. মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষার উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বেশ কয়েকজন নারী ই-কমার্স উদ্যোক্তা দশ লাখ টাকার অধিক পণ্য বিক্রি করেছেন। এসব নারী উদ্যোক্তারা কখনো মনোবল হারাননি। তারা দেশজুড়ে লকডাউনের মধ্যেও থেমে থাকেননি। বাসায় থেকে উইয়ের নির্দেশনা মেনে নিয়মিত কাজ করে গিয়েছেন। কোভিডের এই গভীর সংকটময় সময়ে তারা ই-কমার্সের মাধ্যমে শুধু আত্মনির্ভরই হননি বরং নিজেদের পরিবারকেও সাহায্য করেছেন।

ড. মোমেন বলেন, বর্তমান সরকার উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে হাইটেক পার্ক নির্মাণসহ বিভিন্ন ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। অধিক সংখ্যক নারী উদ্যোক্তা আমাদের অর্থনীতির মূলধারায় যোগ দিয়ে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য অর্জনে ভূমিকা রাখবেন বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশে ভারতের হাই কমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী এবং উইমেন এন্ড ই-কমার্স ফোরামের সভাপতি নাসিমা আক্তার নিশা।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:০৪
প্রিন্ট করুন printer

মানুষকে রক্ষায় ডিজিটাল আইন, মুশতাকের মৃত্যু অনভিপ্রেত: তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

মানুষকে রক্ষায় ডিজিটাল আইন, মুশতাকের মৃত্যু অনভিপ্রেত: তথ্যমন্ত্রী
ড. হাছান মাহমুদ (ফাইল ছবি)

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন হচ্ছে বাংলাদেশের সব মানুষকে ডিজিটাল নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য। ডিজিটাল বিষয়টা আজ থেকে ১০-১৫ বছর আগে ছিল না। সুতরাং ডিজিটাল নিরাপত্তার বিষয়টিও ছিল না। 

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অনলাইনে যখন একজন সাংবাদিকের চরিত্র হনন করা হয়, একজন গৃহিনীকে যখন অপবাদ দেওয়া হয়, একজন সাধারণ মানুষ যখন ডিজিটাল আক্রমণের শিকার হন, তিনি কোনো আইনে প্রতিকার পাবেন, তখন কোনো আইনের বলে সে নিরাপত্তা পাবে, সেজন্য একটা আইনের দরকার। এই জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আজ শুক্রবার বিকালে তথ্যমন্ত্রীর চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়ানজি পুকুর পাড়স্থ বাসভবনে সমসাময়িক বিষয়ে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।

মুশতাক আহমেদের মৃত্যুটা সত্যিই অনভিপ্রেত জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমিও তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছি। সেখানে কারা কর্তৃপক্ষের কোনো গাফেলতি ছিল কিনা সেটা খুঁজে দেখা যেতে পারে। তবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার যাতে না হয় সেটির জন্য আমরা সচেতন আছি। বিশেষত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যাতে এই আইনের অপব্যবহার না হয়। সেজন্য তথ্য মন্ত্রণালয় ও আমি ব্যক্তিগতভাবে সব সময় সচেতন আছি এবং কোনোখানে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে খোঁজ-খবর নিয়ে ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে কবর দেওয়া উচিত ডা. জাফরুল্লাহর এমন বক্ত্যব্যের বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ তো নানা কথা বলেন। যেমন করোনার টিকার বিরুদ্ধে খুব সোচ্চার ছিলেন, আবার নিজে করোনার টিকা নিয়ে বলেছেন এই টিকা সবার নেওয়া উচিত। সুতরাং আজকে জাফরুল্লাহ সাহেব যে কথা বলেছেন দুদিন পর দেখবেন নিজের কথারই তিনি আবার অন্য সুরে কথা বলবেন। সুতরাং এটার উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিএনপির প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেছেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের আগে খালেদা জিয়া কেন প্রত্যুষে ক্যান্টনমেন্টের বাইরে চলে গিয়েছিল? অথচ তিনি দিনের ১২টার আগে ঘুম থেকে উঠেন না। তিনি কেন এদিন তারেক রহমানের সাথে ৩০ থেকে ৪০ বার কথা বললেন? এই রহস্যগুলো বের হওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। তাহলেই মুখোশ উম্মেচিত হবে কারা এর পেছনে কলকাঠি নেড়েছিল।

এসময় সাংবাদিকরা বিএনপি ক্ষমতায় আসলে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিচার করবেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের এমন বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ নানা ধরনের প্রশ্ন উপস্থাপন করেছেন, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে আরও কারা কারা আছে সেগুলো নিয়ে তারা ক্ষমতায় গেলে তদন্ত করবেন।

মন্ত্রী বলেন, আসলে এটি আমাদেরও প্রশ্ন, যিনি ঘুম থেকে দুপুর ১২টার আগে উঠেন না, অথচ সেদিন খালেদা জিয়া বিডিআর হত্যাকাণ্ডের আগে খুব সকালে ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে বের হয়ে গেলেন কেন? সেদিন তিনি তারেক রহমানের সাথে ৩০ থেকে ৪০ বার ফোনে কথা বলেছেন, এটার পেছনে রহস্যটা কি?

তিনি বলেন, তখন সদ্য সরকার গঠন করেছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, আমাদের সরকারের তখনো দুইমাস পূর্তি হয়নি, প্রায় দেড় মাসের মাথায় এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছিল। এই হত্যাকাণ্ড সংগঠনের পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারকে অস্থিতিশীল করা।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিচার ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের ইতিহাসে নয় শুধু পৃথিবীর অন্যান্য দেশের নিরিখেও এতবড় একটি হত্যাকাণ্ডের এতগুলো আসামির বিচার কম হয়েছে। আমাদের দেশের ইতিহাসে এতজন আসামির বিচার আর হয়নি। বিশ্ব পেক্ষাপটেও এতগুলো আসামির বিচার কোথাও হয়েছে বলে আমার জানা নেই।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:০৮
প্রিন্ট করুন printer

লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুটা সত্যিই অনভিপ্রেত: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুটা সত্যিই অনভিপ্রেত: তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুটা সত্যিই অনভিপ্রেত জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, কারা কর্তৃপক্ষের কোনো গাফেলতি ছিল কিনা সেটা খুঁজে দেখা যেতে পারে। তবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার যাতে না হয় সেটির জন্য আমরা সচেতন আছি। বিশেষত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যাতে এই আইনের অপব্যবহার না হয়। সেজন্য তথ্য মন্ত্রণালয় ও আমি ব্যক্তিগত ভাবে সবসময় সচেতন আছি এবং কোথাও এ ধরণের ঘটনা ঘটলে খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়। 

শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর বাস ভবনে সমসাময়িক বিষয়ে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের দিন কেন খালেদা জিয়া প্রত্যুষে ক্যান্টনমেন্টের বাইরে চলে গেছেন এবং তারেক রহমানের সাথে কেন ৩০ থেকে ৪০ বার কথা বলেছেন তা উম্মোচন করা প্রয়োজন বলে দাবি করেছেন তথ্যমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, যিনি ঘুম থেকে দুপুর বারোটার আগে উঠেন না, অথচ সেদিন খালেদা জিয়া বিডিআর হত্যাকাণ্ডের আগে খুব সকালে ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে বের হয়ে গেলেন কেন? সেদিন তিনি তারেক রহমানের সাথে ৩০ থেকে ৪০ বার ফোনে কথা বলেছেন, এটার পেছনে রহস্যটা কি ?

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের নিরিখেও এতবড় একটি হত্যাকাণ্ডের এতগুলো আসামির বিচার কম হয়েছে। আমাদের দেশের ইতিহাসে এতজন আসামির বিচার আর হয়নি। বিশ্ব পেক্ষাপটেও এতগুলো আসামির বিচার কোথাও হয়েছে বলে আমার জানা নেই।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:৩৮
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:২৫
প্রিন্ট করুন printer

রোবটকে বাংলা বোঝানোর প্রযুক্তি আসছে

অনলাইন ডেস্ক

রোবটকে বাংলা বোঝানোর প্রযুক্তি আসছে
জুনাইদ আহমেদ পলক। ফাইল ছবি

‌‘বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ প্রকল্পে রোবটকে বাংলায় কথা বোঝানোর প্রযুক্তি তৈরি করা হচ্ছে’, বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।  

আজ শুক্রবার ‘বাংলা ডট গভ ডট বিডি’ (banala.gov.bd) ও ‘ধ্বনি’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি। আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ওয়েবসাইট ও সফটওয়্যারটির পরীক্ষামূলক উন্মুক্ত করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাকে জাতিসংঘের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার তৈরি হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় তৈরি করা হচ্ছে ভাষা-প্রযুক্তি ও কৃত্রিম-বুদ্ধিমত্তার অনেকগুলো সার্ভিস ও রিসোর্স।’

‘গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণই এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য। এ ছাড়া গ্লোবাল প্লাটফর্মে নেতৃস্থানীয় ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষাকে প্রতিষ্ঠা করা। বিশেষ করে কম্পিউটিং ও আইসিটিতে বাংলা ভাষাকে অভিযোজিত করা বা খাপ খাইয়ে নেওয়া। বাংলাকে জাতিসংঘের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে রিয়েল-টাইম অটোমেটিক স্পিচ টু স্পিচ ম্যাশিন ট্রান্সলেশনসহ বিভিন্ন রিসোর্সের প্রয়োজন হয়।’

‘পৃথিবীর সকল বাংলা ভাষী যেমন এ থেকে প্রত্যক্ষ উপকার পাবে, তেমনি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী সদস্য ও বাক-দৃষ্টি-শ্রবণ প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী এর মাধ্যমে সুফল পাবে। এর মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে অধিকাংশ সার্ভিস জনগণের কাছে পৌঁছাতে পারব। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলা ডট গভ ডট বিডি ও ধ্বনি সফটওয়্যারটির ‘পরীক্ষামূলক সংস্করণ’ প্রকাশ করা হলো। এই প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ২০টি পাবলিক ফেসিং সার্ভিস, ১৬টি রিসার্চ টুলস ও রিসোর্স, ৮ ধরনের স্ট্যান্ডার্ড ও প্রিন্টেড রিসোর্স এবং ১০ ধরনের করপাস/ডেটাসেট উল্লেখযোগ্য’,- বলেন জুনাইদ আহমেদ পলক। 

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ 

 
 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:১৭
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:১৯
প্রিন্ট করুন printer

'মুশতাকের মৃত্যুতে কারা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি আছে কি-না তা তদন্ত করা হবে'

অনলাইন ডেস্ক

'মুশতাকের মৃত্যুতে কারা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি আছে কি-না তা তদন্ত করা হবে'
সংগৃহীত ছবি

লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষের কোনো গাফিলতি আছে কি-না তা তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মুশতাক আহমেদ বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মানহানিকর লেখা লিখতেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আজ শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর ২ নম্বর গেট মোড়ে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের নবনির্মিত কার্যালয় উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এজন্য তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটা মামলা ছিল। সর্বশেষ ২০২০ সালে দায়ের হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা মামলায় তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় বৃহস্পতিবার মৃত্যুবরণ করেন। তবে তার মৃত্যুতে কারা কর্তৃপক্ষের কোনো গাফিলতি আছে কি-না তা তদন্ত করা হবে।’

প্রসঙ্গত, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কারাবন্দি লেখক মুশতাক আহমেদ (৫৩) কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারে ছিলেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে কারাগারের ভেতর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে প্রথমে কারা হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আল-জাজিরার প্রতিবেদন তৈরিতে জড়িত বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। বাংলাদেশে থেকে কারা এই মিথ্যা প্রতিবেদন তৈরিতে সহযোগিতা করেছে সেটা নিয়ে তদন্ত করছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। সরকার এসব ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় শক্তভাবে কাজ করছে।’

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:৪৮
প্রিন্ট করুন printer

নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়ে তুলতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়ে তুলতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার কেরাণীগঞ্জে ঢাকাস্থ খুলনার সাবেক ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশনের বনভোজন ও মিলনমেলা ২০২১-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। 

এসময় মন্ত্রী বলেন, সন্তানদের শেখাতে হবে  মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কাকে বলে। কোমলমতি বাচ্চাদের শেখাতে হবে অসাম্প্রদায়িকতা কাকে বলে। তাদেরকে শেখাতে হবে বঙ্গবন্ধু একটা প্রতিষ্ঠান ছিল। তার জীবনালেখ্য পড়াতে হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ঊনিশবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও কীভাবে অদম্য গতিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, সেটাও এ প্রজন্মকে শেখাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, '৭১ এ পাকিস্তানিদের নৃশংসতার কথা নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে। একদিন বাংলাদেশে আমরা ক্ষমতায় নাও থাকতে পারি, কিন্তু আমাদের সন্তানরা যেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বেড়ে উঠে।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চকে স্মরণ করে শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, ৭ মার্চ প্রকৃতপক্ষে বাঙালির স্বাধীনতা ঘোষণার দিন। বঙ্গবন্ধু '৭১ এর ২৬ শে মার্চ প্রথম প্রহরে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। এদিন তিনি যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকতে বলেছিলেন। তার মানে ৭ মার্চে স্বাধীনতার ঘোষণা হয়ে গিয়েছিল। এটাই বাস্তবতা।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর