শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:১৯, সোমবার, ২১ মে, ২০১৮ আপডেট:

বিক্রি হয়ে যাচ্ছে নারী

মির্জা মেহেদী তমাল
অনলাইন ভার্সন
বিক্রি হয়ে যাচ্ছে নারী

রুমটা দেখতে যেন হাজতখানা। বেশ বড়। নাহারের জায়গা হলো সেখানে। তার মতো আরও অনেক নারী সেখানে বন্দী। দিনের পর দিন। কেউ জানে না কখন কার ডাক পড়বে। টানা ১৫ দিন পর ডাক পড়ল নাহারের। নাহার তার নিজের নাম শুনতেই লাফিয়ে উঠেছিল। ভাবছিল নাহার, এই বুঝি মুক্তি মিলল। খোলা আকাশ দেখবে। বুক ভরে নিঃশ্বাস নেবে। আরবের কয়েকজন লোক বড় একটা গাড়িতে করে নাহারকে নিয়ে চলতে শুরু করল। দীর্ঘ ৭৭ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে আরেক শহরে তারা। আবারও বন্দীশালা। সেখানে তার ওপর প্রতিনিয়ত পাশবিক নির্যাতন চলে। সেখানে দীর্ঘ চার মাস। প্রাণ বাঁচাতে নাহার পালাল সেই বন্দীশালা থেকে। ধরা পড়ল। এবার তাকে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হলো। একপর্যায়ে নাহার বিক্রি হলো যৌনদাসী হিসেবে চড়া দামে।

এটা প্রাচীন যুগের দাস বিক্রির ঘটনা নয়। দাসপ্রথা  নিয়ে নির্মিত কোনো মুভির ক্লিপ নয়। এটি এই সভ্য যুগে মধ্যপ্রাচ্যের রিয়াদ নগরীর ঘটনা। যেখানে বাংলাদেশি নারীদের বিক্রি করা হচ্ছে যৌনদাসী হিসেবে। কেউ পালিয়ে প্রাণ বাঁচাচ্ছেন, কেউ নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে যাচ্ছেন। যারা দেশে যোগাযোগ করতে পারছেন, তাদের কেউ কেউ ফিরতে পারছেন পরিবারের কাছে। সৌদি আরবের বিভিন্ন নগরী থেকে এভাবেই নির্যাতন সইতে না পেরে প্রায় প্রতিদিনই দেশে ফিরে আসছেন অসহায় নারীরা। যারা ভাগ্য ফেরাতে পারি জমিয়েছিলেন মধ্যপ্রাচ্যে। কিন্তু কাজের নামে সেখানে গিয়ে বড় ধরনের ফাঁকির মধ্যে পড়ে যান। ভাগ্য ফেরানোর চেষ্টাই হয়ে ওঠে তাদের জীবনের বড় কাল। গত শনিবারও এমন ভাবে নির্যাতনের শিকার বেশ কয়েকজন নারী দেশে ফিরেছেন। বলেছেন, আমার মতো কোনো নারী যেন এমন ফাঁদে পা দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে না যান।

ভাগ্য ফেরাতে সৌদি আরবে যাওয়া নারীদের ভাগ্যই যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত শনিবার রাত ৯টায় ৬৬ নারী শ্রমিক দেশে ফেরত এসেছেন। এদেরই একজন নাহার (ছদ্মনাম)। দুই বছর আগে কাজের সন্ধানে সৌদি আরব যান। এই সময়টায় তাকে মোকাবিলা করতে হয়েছে বিরূপ পরিস্থিতি। তিনি বলেন, ‘যে বাড়িতে আমি ছিলাম সেখানে ১০টি রুম ঝাড়ু দিতে হতো। ঠিকমতো খাবার দিত না। মালিক আমারে অত্যাচার করত। চাকরি ছাড়তে চাইলেও আমারে ছাড়তে চায় নাই মালিক। ছাড়ার কথা বললে আরও বেশি মাইর দিত।’ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মীরা বলেন, প্রায় প্রতিদিনই নারী শ্রমিকরা দেশে ফিরছেন। নাহার জানান, ‘দুই বছর আগে রিয়াদ যাই। সৌদি আরব যাওয়ার জন্য মিরাজ নামের এক দালালকে ৬০ হাজার টাকা দিছিলাম। সে আমাকে বলছিল অনেক ভালো জায়গা। যাওয়ার পর প্রথমে আমাকে এক মালিকের কাছে বিক্রি করা হয়। মালিকের অত্যাচারে ওই বাড়ি থেকে পালিয়ে যাই। তখন আমারে ধরে একটা কোম্পানির মাধ্যমে ছয় লাখ টাকায় বিক্রি করে দেয়। আমার মতো আরও কয়েকশ মেয়ে আছে সেখানে। তাদের দিয়ে জোর করে দেহব্যবসা করানো হয়। আমি একবার সুযোগ বুঝে আমার স্বামীকে ফোন দিয়া সব বলি। তারপর আমাকে সৌদি আরবে বাংলাদেশি দূতাবাসের মাধ্যমে উদ্ধার করা হয়। আমার আগের মালিকের কাছে বেতন পাওনা ছিল। দূতাবাসের মাধ্যমে চাপ দিয়ে সেই টাকা পাইছি।’

ফেরত আসা আরেক নারী মাত্র দুই মাস আগেই তিনি সৌদি আরব গিয়েছিলেন। এত অল্প সময়ের মধ্যে ফিরে আসার কারণ জানতে চাইলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। বলেন, ‘যাওয়ার পর আমারে ১৫ দিন আটকায় রাখছে। এক দালালের মাধ্যমে ১০ হাজার ট্যাকা দিয়া সৌদি আরব গেছিলাম। ১০০০ রিয়াল বেতন দেওয়ার কথা আছিল। বাসাবাড়ির কাম। প্রথম বাড়িতে মালিকের বউ অনেক মারত। তাদের ভাষা বুঝতাম না। কাজের দেরি হইলেই লাঠি দিয়া মারত। এরপর আমারে সেখান থেকে নিয়া আরেক জায়গায় দিছে। সেখানেও ঘরের কাজ। ছোট ফ্যামিলি বইলা আমারে পাঠায়ছিল কিন্তু গিয়া দেখি অনেক মানুষ পরিবারে। পরে সেখান থেকে পালায় যাই দূতাবাসে। এরপর আমারে দেশে পাঠায় দিছে। আমার পাসপোর্ট পর্যন্ত দেয় নাই, কোনো ট্যাকাও দেয় নাই। আমি খালি হাতে ফিরছি। আমারে সারা রাত ঘুমাতে দিত না।’

ফেরত আসা নারীরা জানিয়েছেন, একই ফ্লাইটে তারা দেশে ফিরেছেন অন্তত ৮০ জন। এ ছাড়া ইমিগ্রেশন ক্যাম্পে রয়েছেন ৪০-৫০ জন। আর দূতাবাসে অপেক্ষমাণ আছে আরও কয়েকশ।

ফেরত আসা সেলিনা জানান, সৌদি আরবে প্রতিনিয়ত নারীরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। সেখানে তাদের আটকে রেখে ইলেকট্রিক শক দেওয়ার পাশাপাশি রড গরম করে  ছেঁকা পর্যন্ত দেওয়া হয়। সেলিনা বলেন, ‘আমার পাসপোর্ট রেখে দিয়েছে মালিক। আমি সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে আসি। দূতাবাস থেকে আমাকে আউটপাস দিয়ে দেশে পাঠিয়ে দিয়েছে। আমি এক বছর কাজ করেছি। কিন্তু বেতন দিয়েছে তিন মাসের। এর আগে আমি ওমানে ছিলাম। আমি তাদের ভাষা জানি। আমাকে অনেক গালাগালি করত। খেতে দিত না ঠিকমতো।’

পিংকি জানান, সৌদি আরব যাওয়ার পর জানতেন না কোথায় কাজ করছেন। এলাকার নাম জানতেন না। বাসার মালিকের নামও জানা ছিল না তার। ভাষাও বোঝেন না তাই, ইশারায় নির্দেশ বুঝে নিয়ে সব কাজ করতেন। প্রতিদিন তিনতলা বাসা ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করতে হতো তাকে। প্রতিটি তলার ১০টি বড় বড় রুম ছিল। এমনকি ছাদও পরিষ্কার করতে হতো প্রতিদিন। তিনি বলেন, ‘সকালে উঠে থালা-বাসন পরিষ্কার করতাম। এরপর সারাদিন পানি দিয়ে ঘর-বাড়ি পরিষ্কার করতে করতে পুরো শরীর ভিজে যেত। শুকনা কাপড় পরারও সময় পেতাম না। রাতে ভেজা কাপড়েই ঘুমিয়ে পড়তাম, টের পেতাম না। সকালে ওঠার পর বুঝতাম গায়ের কাপড় ভেজা ছিল। পরের দিন আবার একই কাজ। এত কাজের বিনিময়ে সকালে একটা আর রাতে একটা রুটি খেতে দিত। হাতে-পায়ে ধরে ভাত চাইলেও দিত না। ওরা অনেক ভালো-মন্দ খাবার খেত, আমাকে দিত একটা রুটি। আমার মতো কেউ যেন আর সৌদি আরব না যায়।’ ওই নারী বলেন, ‘প্রথম রোজার দিন (বৃহস্পতিবার) রাতে একটা রুটি দিয়েছিল খেতে। আমরা নয়জন মেয়ে মিলে তাদের ভাত দেওয়ার অনুরোধ করার পর সাহরিতে ভাত দেয়। আলু আর পিয়াজের পাতার ভাজি দিয়ে ভাত খেয়েছি। ইফতার করেছি এক গ্লাস পানি দিয়ে। দুই ঘণ্টার পর ভাত দিয়েছে আলু আর পিয়াজ পাতার ভাজি দিয়ে।’ চোখের পানি মুছতে মুছতে তিনি বলেন, ‘সৌদি আরব যাওয়ার পর খাওয়ার খুব কষ্টে ছিলাম ভাই। আপনিই বলেন, খেতে না পাওয়ার চেয়ে আর কী কষ্ট আছে।’ এই নারীর বাবা বাবুল বলেন, ‘আমার মেয়ের বয়স এখন ১৮ বছর। কিন্তু ২৬ বছর দেখিয়ে ওর পাসপোর্ট করা হয়েছে। এখনো জাতীয় পরিচয়পত্র হয়নি আমার মেয়ের। মেয়ে চেয়েছিল, বেশি টাকা আয় হলে ছোট ভাইবোন দুটির লেখাপড়া করবে। কিন্তু তাকেই হারানোর অবস্থা হয়েছিল। তাকে ফিরে পেয়েছি। আপনারা দোয়া করবেন আমার মেয়ের জন্য।’ দারিদ্র্য বিমোচন এবং কর্মক্ষেত্রের স্বল্পতার কারণে নারীরা বেছে নেন অভিবাসন ব্যবস্থা। নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করতে দেশ ছেড়ে পাড়ি জমান সুদূর সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত, ওমান, কাতার, বাহরাইন, লেবাননসহ বিশ্বের ১৮টি দেশে। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) দেওয়া তথ্যমতে, ২০১৭ সালে অভিবাসী নারীর সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ১৯ হাজার ৯২৫ জন, যা মোট অভিবাসন সংখ্যার ১৩ শতাংশ।

এই বিভাগের আরও খবর
সিডনিতে ভবের হাটের ১০ বছর পূর্তি উৎসব, তিন গুণিজনকে সম্মাননা
সিডনিতে ভবের হাটের ১০ বছর পূর্তি উৎসব, তিন গুণিজনকে সম্মাননা
আমিরাতে বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ
আমিরাতে বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ
ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি খুন, নোয়াখালীতে শোকের মাতম
ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি খুন, নোয়াখালীতে শোকের মাতম
মালদ্বীপে বাংলাদেশি যুবকের আত্মহত্যা
মালদ্বীপে বাংলাদেশি যুবকের আত্মহত্যা
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর নিয়ে বিএনপি মালয়েশিয়ার সংবাদ সম্মেলন
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর নিয়ে বিএনপি মালয়েশিয়ার সংবাদ সম্মেলন
সম্প্রীতির বন্ধনে সদ্বীপ পৌরসভার বনভোজন
সম্প্রীতির বন্ধনে সদ্বীপ পৌরসভার বনভোজন
গ্রিস-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক সহযোগিতা ও শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বৈঠক
গ্রিস-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক সহযোগিতা ও শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বৈঠক
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাক চাপায় বাংলাদেশির মৃত্যু
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাক চাপায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সিডনিতে বিএওএর বার্ষিক ডিনার ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
সিডনিতে বিএওএর বার্ষিক ডিনার ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
উৎসবমুখর পরিবেশে ক্যালগেরি বাংলা স্কুল গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠিত
উৎসবমুখর পরিবেশে ক্যালগেরি বাংলা স্কুল গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে মালদ্বীপে প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণশুনানি
বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে মালদ্বীপে প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণশুনানি
সিডনিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
সিডনিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
সর্বশেষ খবর
তুরাগ নদীতে ৭ লাশ নিয়ে ছড়ানো তথ্য গুজব: ঢাকা পুলিশ সুপার
তুরাগ নদীতে ৭ লাশ নিয়ে ছড়ানো তথ্য গুজব: ঢাকা পুলিশ সুপার

১ মিনিট আগে | নগর জীবন

চীনের সহায়তায় চলতি অর্থবছরেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন: পানিসম্পদমন্ত্রী
চীনের সহায়তায় চলতি অর্থবছরেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন: পানিসম্পদমন্ত্রী

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

টাঙ্গাইলে নারীর লাশ উদ্ধার
টাঙ্গাইলে নারীর লাশ উদ্ধার

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট, এটি ঐতিহাসিক : আমান উল্লাহ আমান
লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট, এটি ঐতিহাসিক : আমান উল্লাহ আমান

৫ মিনিট আগে | জাতীয়

মঙ্গলে ম্যারাথন শেষ করল নাসার রোভার, মহাকাশ থেকে ধরা পড়ল ছবি
মঙ্গলে ম্যারাথন শেষ করল নাসার রোভার, মহাকাশ থেকে ধরা পড়ল ছবি

১৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

ফ্রান্সে স্কাইডাইভিংয়ের বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১১ জনের প্রাণহানি
ফ্রান্সে স্কাইডাইভিংয়ের বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১১ জনের প্রাণহানি

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় কবি আন্ওয়ার আহমদের স্মরণে সভা
বগুড়ায় কবি আন্ওয়ার আহমদের স্মরণে সভা

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পুলিশ প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল
পুলিশ প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল

২০ মিনিট আগে | জাতীয়

শ্রীমঙ্গলে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১
শ্রীমঙ্গলে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১

২৩ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

ম্যানসিটির নজরে মরক্কোর তরুণ মিডফিল্ডার বুয়াদ্দি
ম্যানসিটির নজরে মরক্কোর তরুণ মিডফিল্ডার বুয়াদ্দি

২৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
চবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

৩০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ইসির বৈঠক সোমবার
ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ইসির বৈঠক সোমবার

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অবিলম্বে ইংল্যান্ড ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু করবে কঙ্গো
অবিলম্বে ইংল্যান্ড ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু করবে কঙ্গো

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদো নন, ট্রাম্পের চোখে সেরা ব্রাজিলের কিংবদন্তি
মেসি-রোনালদো নন, ট্রাম্পের চোখে সেরা ব্রাজিলের কিংবদন্তি

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আটঘরিয়ায় হিসাবরক্ষণ ও প্রাণিসম্পদ অফিসে গ্রিল কেটে চুরি
আটঘরিয়ায় হিসাবরক্ষণ ও প্রাণিসম্পদ অফিসে গ্রিল কেটে চুরি

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

পরীক্ষায় নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেফতার করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
পরীক্ষায় নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেফতার করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

৫৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

তেভাগা আন্দোলনের জনক হাজী দানেশের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
তেভাগা আন্দোলনের জনক হাজী দানেশের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৯৯৯-এ ফোনকলে পদ্মার ডুবোচরে আটকে পড়া লঞ্চের ৮৫ যাত্রী উদ্ধার
৯৯৯-এ ফোনকলে পদ্মার ডুবোচরে আটকে পড়া লঞ্চের ৮৫ যাত্রী উদ্ধার

৫৭ মিনিট আগে | জাতীয়

বেস্ট ফরেন কোর্স মেম্বার সম্মাননা পেলেন মেজর নির্মল সিং
বেস্ট ফরেন কোর্স মেম্বার সম্মাননা পেলেন মেজর নির্মল সিং

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাগেরহাটে ৩ দিনের মেলায় কর পরিশোধে ১৫ শতাংশ ছাড়
বাগেরহাটে ৩ দিনের মেলায় কর পরিশোধে ১৫ শতাংশ ছাড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রেকর্ডের পাতায় ইংলিশ মিডফিল্ডার
রেকর্ডের পাতায় ইংলিশ মিডফিল্ডার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালির কাছে সৌদি তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৪
হরমুজ প্রণালির কাছে সৌদি তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৪

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভূরুঙ্গামারীতে ৯১৮ কেজি ভারতীয় বাসমতি চাল জব্দ
ভূরুঙ্গামারীতে ৯১৮ কেজি ভারতীয় বাসমতি চাল জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় নষ্ট চাল দিয়ে কাচ্চি তৈরি, ৪০ হাজার টাকা জরিমানা
বগুড়ায় নষ্ট চাল দিয়ে কাচ্চি তৈরি, ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নওগাঁয় প্রতারক চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার
নওগাঁয় প্রতারক চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হিজবুল্লাহ যোদ্ধার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ইসরায়েলি কমান্ডার
হিজবুল্লাহ যোদ্ধার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ইসরায়েলি কমান্ডার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তর কোরিয়াকে আটকাতে ৫ লাখ ‘ড্রোন যোদ্ধা’ গঠন করবে সিউল
উত্তর কোরিয়াকে আটকাতে ৫ লাখ ‘ড্রোন যোদ্ধা’ গঠন করবে সিউল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি
পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই  চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা
ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান কখনোই শিক্ষা নেবে না, আমরাও ধৈর্য ধরব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরান কখনোই শিক্ষা নেবে না, আমরাও ধৈর্য ধরব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ
জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের
৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা
'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি
এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউটে উঠেছে ৩২ দল, কে খেলবে কার বিপক্ষে?
নকআউটে উঠেছে ৩২ দল, কে খেলবে কার বিপক্ষে?

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া
পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হামলা অব্যাহত রাখলে বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইরানের ‘অস্তিত্ব মুছে যাবে’: ট্রাম্প
হামলা অব্যাহত রাখলে বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইরানের ‘অস্তিত্ব মুছে যাবে’: ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’
‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা
ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা
স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০
বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল
বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!
ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?
অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউটে রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা
নকআউটে রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!
৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

এক কিউআরেই সব পেমেন্ট: যা বললেন গভর্নর
এক কিউআরেই সব পেমেন্ট: যা বললেন গভর্নর

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসি-জাদুতে জর্ডান বধ, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা
মেসি-জাদুতে জর্ডান বধ, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত, তবে শেষ পর্যন্ত ত্রাতা সেই চেনা জাদুকরই
মেসি-নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত, তবে শেষ পর্যন্ত ত্রাতা সেই চেনা জাদুকরই

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা

নগর জীবন

তটিনীর প্রেম-বিয়ে...
তটিনীর প্রেম-বিয়ে...

শোবিজ

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সুখী হতে চান পপি...
সুখী হতে চান পপি...

শোবিজ

নাটক : সংকট যখন বাজেট
নাটক : সংকট যখন বাজেট

শোবিজ

স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ
স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ
আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

সম্পাদকীয়

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান
দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান

নগর জীবন

উত্তম কুমারের শেষ ছবি
উত্তম কুমারের শেষ ছবি

শোবিজ

এক মঞ্চে আট ব্যান্ড
এক মঞ্চে আট ব্যান্ড

শোবিজ

রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা
রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা

নগর জীবন

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!

সম্পাদকীয়

অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!
অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!

শোবিজ

বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট
বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট

শোবিজ

ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক
ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক

দেশগ্রাম

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন

দেশগ্রাম

মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া
মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া

নগর জীবন

জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন
বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন

নগর জীবন

চলচ্চিত্রটির নাম কী?
চলচ্চিত্রটির নাম কী?

শোবিজ

সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব
সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব

নগর জীবন

ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর
ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর

দেশগ্রাম

সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

নগর জীবন

ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ
ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ

দেশগ্রাম

মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ
মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ

দেশগ্রাম

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার

সম্পাদকীয়

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

নগর জীবন