বিশ্বকাপে নকআউট ম্যাচে স্বাগতিক মেক্সিকোর মুখোমুখি হওয়ার আগে লম্বা ভ্রমণের কারণে ক্লান্তি কিংবা নিজেদের তুলনামূলক দুর্বল দল হিসেবে দেখাকে একেবারেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না ইকুয়েডরের কোচ সেবাস্তিয়ান বেকাসেসে।
গ্রুপপর্বে প্রথম দুই ম্যাচ থেকে মাত্র এক পয়েন্ট পাওয়ার পর শক্তিশালী জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে নকআউটে জায়গা করে নেয় ইকুয়েডর। অন্যদিকে মেক্সিকো তিনটি ম্যাচই জিতে কোনো গোল না খেয়ে ছয়টি গোল করে নকআউটে উঠেছে।
তবে এসব পরিসংখ্যানকে গুরুত্ব দিতে রাজি নন বেকাসেসে। তিনি বলেন, ‘অনেক আগেই সব ভবিষ্যদ্বাণী ভুল প্রমাণিত হয়েছে। সবাই আমাদের বাদ দিয়েছিল। ফুটবলে কোনো ভবিষ্যদ্বাণী নেই, মাঠে যা ঘটে সেটাই সত্য।’
মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে যাওয়ার পথে দীর্ঘ ভ্রমণ করতে হয়েছে ইকুয়েডরকে। নির্ধারিত সময়ের চেয়ে তিন ঘণ্টারও বেশি দেরিতে গন্তব্যে পৌঁছায় দলটি। এ নিয়ে কোচ বলেন, ‘আমাদের বিকেল পাঁচটায় পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু পৌঁছেছি রাত আটটা বিশ মিনিটে। কেন এমন হয়েছে, তা আমরা জানি না।’
তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই ভ্রমণজটকে কোনো অজুহাত বানাতে চান না। তিনি বলেন, ‘আমরা মাঠে নামব, লড়ব এবং খেলব। অভিযোগ বা অজুহাতের কোনো জায়গা নেই। বিশ্বকাপে খেলতে পারছি, এটাই বড় বিষয়। কিছুটা ক্লান্ত দেখাতে পারি, কিন্তু তা নিয়ে বিরক্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই।’
মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামের উচ্চতা এবং স্বাগতিক সমর্থকদের প্রবল সমর্থনও ইকুয়েডরের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে। তবে সেটিকেও ইতিবাচকভাবে দেখছেন বেকাসেসে। তিনি বলেন, ‘মেক্সিকোর জন্য এই স্টেডিয়াম একটি শক্ত ঘাঁটি। আমাদের জন্য কাজটা কঠিন হবে, কিন্তু আমরা এটিকে দারুণ এক চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছি।’
সূত্র: রয়র্টাস
বিডি-প্রতিদিন/এআইডি