শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:৩৪

খুলনার বেশির ভাগ স্কুলে নেই শহীদ মিনার

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

খুলনার বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই। ফলে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ইট, মাটি, বাঁশ-কাঠ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে অস্থায়ী শহীদ মিনার। কোনো কোনো স্কুলে নিজস্ব অর্থায়নে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হলেও মূল অবকাঠামোর সঙ্গে এর মিল নেই। করোনা পরিস্থিতিতেও নেই তেমন কোনো আয়োজন। ফলে বিভ্রান্তিতে থাকছে শিক্ষার্থীরা। জানা যায়, খুলনা জেলার ১ হাজার ১৫৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৯২০টি স্কুলে শহীদ মিনার নেই। এর মধ্যে খুলনা সদরে ১২৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটিতে শহীদ মিনার রয়েছে। কয়রা উপজেলায় ১৪২টি প্রাথমিক স্কুলের মধ্যে শহীদ মিনার রয়েছে মাত্র ৯টিতে। মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলগুলোর চিত্রও প্রায় একই রকম। শিক্ষকরা জানায়, স্কুলে স্থায়ী শহীদ মিনার না থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এর সঙ্গে পরিচিত হতে পারছে না। গতবারের মতো এবারও মেহমানে আলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ন্যাশনাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইট, মাটি, বাঁশ-কাঠ দিয়ে শিক্ষার্থীরা অস্থায়ী শহীদ মিনার তৈরি করেছে। ভাষা দিবসে তারা তাতে কাগজ কেটে সাজায়, ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। তবে তাদের মধ্যে মাতৃভাষা দিবসের মূল্যবোধ তৈরি হয়নি। খুলনা সদর থানা শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মো. নুরুল ইসলাম বলেন, শহরের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত জায়গার অভাব রয়েছে। তার পরও স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় শহীদ মিনার তৈরি করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ভাষা দিবসের কর্মসূচি পালনের জন্য বলা হয়েছে। এদিকে ভাষা দিবসে এবার নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বাংলা বর্ণমালা দিয়ে সাজানো হবে। আকর্ষণীয় বিষয় থাকছে ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর বিশেষ ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা। করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে জেলা প্রশাসন দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, একুশের অনুষ্ঠানের স্থানগুলোতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। হাদিস পার্ক, দৌলতপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও সরকারি বিএল কলেজে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর