শিরোনাম
প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৬:৫২

কুষ্টিয়ায় পৃথক মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, ১৩ জনের যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় পৃথক মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, ১৩ জনের যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়ায় মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় সৃষ্ট দ্বন্দ্বের জেরে নিজ গ্যাংয়ের সদস্যকে হত্যার দায়ে ১ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া দৌলতপুর থানার পৃথক একটি ধর্ষণ মামলায় স্বামী-স্ত্রীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ২০ হাজার এবং ধর্ষণ মামলার দু’জনকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ। 

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী চার আসামির উপস্থিতিতে হত্যা মামলার এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান দুই আসামির অনুপস্থিতিতে জনাকীর্ণ আদালতে ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হলেন- সদর উপজেলার বানিয়াপাড়া গ্রামের নফছের আলীর ছেলে পলাতক আসামি জগো (৪৫)। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ইলাম মন্ডল ওরফে কালু (৩৫), বাদশা ওরফে বাশি মন্ডল (৪০), আমিরুল ইসলাম (৪৫), আসাদুল (৩০)। এছাড়া সাজাপ্রাপ্ত পলাতকরা হলেন- শহিদুল ইসলাম, আলিম ওরফে ঝড়ো, বাবলু, রহমত ওরফে সাইদুল, মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, আলী হোসেন এবং ইউনুস আলী। এরা সবাই কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ইবি থানা এলাকার বাসিন্দা। 

এছাড়া দৌলতপুর থানার ২ বছর পূর্বের প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার আল্লারদর্গা গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে পলাতক রানা হোসেন এবং সোহেল রানার স্ত্রী বেলী খাতুন। তাদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছর সাজা খাটতে হবে। 

পৃথক দুই মামলার রায়ের বিষয় নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলী অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের সরকারি কৌসুলী অ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম। 

বিডি প্রতিদিন/এনায়েত করিম


আপনার মন্তব্য