২৭ জুন, ২০২২ ১৬:০৮

নগরকান্দায় সড়ক কেটে ফেলায় বিপদে ৩০ পরিবার

ফরিদপুর প্রতিনিধি

নগরকান্দায় সড়ক কেটে ফেলায় বিপদে ৩০ পরিবার

ফরিদপুরের নগরকান্দায় প্রায় পঁচিশ বছরের পুরোনো একটি সড়কের মাটি বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের চলাচলের এই পুরোনো সড়কটি কেটে ফেলায় দুর্ভোগে পড়েছে সেখানকার ত্রিশটি পরিবার।
স্থানীয়দের সাথে আলাপকালে জানা যায়, নগরকান্দা উপজেলার ডাংগী ইউনিয়নের আটাইল গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে সিরাজ মিয়া ভেকু মেশিন ব্যবহার করে স্থানীয়দের চলাচলের একটি সড়কের মাটি বিক্রি করে দেয়। এতে পথ বন্ধ হওয়ায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এলাকাবাসীর মাঝে।

স্থানীয়রা গ্রামবাসীদের অভিযোগ, পুরোনো এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন এই এলাকার শিশুরা স্কুলে যাতায়াত করে ও স্থানীয়রা হাটবাজারে কৃষিপন্য আনা নেওয়া করে। এছাড়া এখানকার প্রায় ত্রিশটি পরিবারের লোকজন এ পথ দিয়ে চলাচল করে। হটাৎ করে এই সড়কটি কেটে ফেলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।
ভুক্তভোগী বাসিন্দা আলমাস মিয়া জানান, গত ২৫-৩০ বছর পূর্বে সম্মিলিতভাবে আমরা এই সড়কটি নির্মাণ করি। এসড়কটি ত্রিশ বাড়ির লোকজন ও আমাদের আত্মীয় স্বজনেরা চলাচল করে। হটাৎ করে সিরাজ মিয়া আমাদের হাঁটাচলার রাস্তাটি কেটে ফেলায় আমরা এখন কঠিন বিপদের মধ্যে পড়েছি। আমরা এর সমাধান চাই।

স্থানীয় বাসিন্দা মাহমুদ মিয়া বলেন, মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করা কোন ভালো কাজ নয়। সড়কটি কেটে ফেলার কারনে এখানকার মানুষ বিপদে পড়েছে। কিছুদিন পর বন্যায় এই জায়গায় কোমর সমান পানি হবে তখন বিপদ আরো বাড়বে। পার্শ্ববর্তী জমির মালিক এরোন মোল্লা বলেন, মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে আমি আমার জমির কিছু অংশ ছেড়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু সিরাজ মিয়া হটাৎ করে আমার জমিসহ রাস্তার মাটি বিক্রি করে দিয়েছে। এটি কোন ভালো মানুষের কাজ নয়। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।
এ ব্যাপারে সিরাজ মিয়া বলেন, আমার জায়গার মাটি আমি কেটেছি তাতে সমস্যা কোথায়? বরং আমার পুকুরে মাছ চাষের সুবিধার্থে রাস্তা নির্মান করেছিলাম। এখন প্রয়োজন নাই তাই কেটে দিয়েছি ।

ডাংগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী আবুল কালাম বলেন, স্থানীয় কয়েকজন আমাকে বিষয়টি জানিয়েছে। আমি এ বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছি। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাদের চলাচলের জন্য সুব্যবস্থা করে দিবো।

নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) এন এম আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিষয়টি খোঁজ খবর নিয়ে সমাধান করা হবে।

বিডি প্রতিদিন/এএ

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর