বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় গাবতলী রেলস্টেশন সংলগ্ন রেলওয়ে জামে মসজিদে এ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। গাবতলী ছাড়াও জেলার সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার কিছু স্থানে আগাম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, গাবতলীতে এবার নিয়ে চতুর্থবারের মতো আগাম ঈদ উদযাপন করা হলো। তবে বৃষ্টিসহ বৈরী আবহাওয়ার কারণে নির্ধারিত সময়ের কিছুটা পরে মসজিদের ভেতরে জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এ কারণে এবারের জামাতে মুসল্লির উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম ছিল। নারী ও শিশুসহ অর্ধশতাধিক মুসল্লি অংশ নেন। গাবতলী ছাড়াও কাহালু ও ধুনট উপজেলা থেকে কিছু মুসল্লি এ জামাতে যোগ দেন।
নামাজে ইমামতি করেন স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এলাকায় সতর্ক অবস্থানে ছিল।
ইমামতি করা মিজানুর রহমান পেশায় একজন দর্জি। নামাজ শেষে তিনি বলেন, আমি কোনো মসজিদের খতিব নই, টেইলারিংয়ের কাজ করি এবং দ্বীনি জ্ঞান চর্চা করি। আমরা ২০১২ সাল থেকে এই নিয়মে ঈদের সালাত আদায় করে আসছি।
গাবতলী পৌরসভার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশ একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। এখানে সবাই নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করতে পারে। আলেম-ওলামাদের প্রতি আহ্বান থাকবে, তারা যেন বিষয়টি নিয়ে কোরআন ও হাদিসের আলোকে আলোচনা করে একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্তে পৌঁছান।
গাবতলী মডেল থানার ওসি রাকিব হোসেন জানান, অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদের জামাত সম্পন্ন হয়েছে। নামাজ শেষে মুসল্লিরা যার যার গন্তব্যে চলে যান।
বিডি-প্রতিদিন/এমএল