শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ ০০:০০

ফলমূল

সফেদার নানা গুণ

সফেদার নানা গুণ

সফেদার আদি নিবাস আমেরিকা, সম্ভবত মেক্সিক। বর্তমানে অবশ্য প্রায় সমগ্র ক্রান্তীয় অঞ্চলেই এই ফলের চাষ হচ্ছে। বিশেষ করে ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়ায় প্রচুর সফেদা উৎপন্ন হয়। অত্যন্ত সহজপাচ্য এই ফলটিতে ফ্রুকটোজ ও সুক্রোজের মতো সরল কার্বোহাইড্রেট থাকায় চট করে শরীরে শোষিত হয়ে শক্তির জোগান দিতে পারে। বাদামি রঙে পুরুষ্ট প্রতিটি সফেদা ফল দেখতে প্রায় গোলাকার। গড় ব্যাস ১০ সেমি এবং গড় ওজন ১৫০ গ্রাম। বাইরে খোসা দেখে আলুর কথা মনে পড়ে যাওয়া স্বাভাবিক। সুমিষ্ট ও রসালো এই ফলটিকে সাধারণত খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া হয়। ফলের ভিতরটা অত্যন্ত নরম। এ ছাড়া মিল্কশেক ও আইসক্রিমেও সফেদা খাওয়ার প্রচলন আছে। বেশ কিছু প্রসাধন সামগ্রীতে এই ফলের বীজ থেকে নিষ্কাশিত তেল ব্যবহার করা হয়। প্রতি ১০০ গ্রাম সফেদা থেকে ৮৩ কিলো ক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়। উপাদান হিসেবে এতে রয়েছে ১৯.৯ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ০.৪৪ গ্রাম প্রোটিন, ৫.৩ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার, ১২ মিগ্রা সোডিয়াম, ১৯৩ মিগ্রা পটাশিয়াম, ২১ মিগ্রা ক্যালসিয়াম, ০.৮ মিগ্রা আয়রণ, ১২ মিগ্রা ম্যাগনেশিয়াম এবং ০.১ মিগ্রা জিঙ্ক। এ ছাড়াও এতে পাবেন ফোলেট, নিয়াসিন, থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, প্যান্টোথেনিক এসিড, পাইরিডঙ্নি, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ইত্যাদি। সফেদায় থাকা প্রচুর ডায়েটারি ফাইবারের গুণে এটি কনস্টিপেশন দূর করে। এই ফল অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের একটি চমৎকার উৎস এবং ত্বকের সুরক্ষায়ও এর যথেষ্ট ভূমিকা আছে। -আফতাব চৌধুরী

 

 


আপনার মন্তব্য

Bangladesh Pratidin

Bangladesh Pratidin Works on any devices

সম্পাদক : নঈম নিজাম,

নির্বাহী সম্পাদক : পীর হাবিবুর রহমান । ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট নং-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বারিধারা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট নং-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত। ফোন : পিএবিএক্স-০৯৬১২১২০০০০, ৮৪৩২৩৬১-৩, ফ্যাক্স : বার্তা-৮৪৩২৩৬৪, ফ্যাক্স : বিজ্ঞাপন-৮৪৩২৩৬৫। ই-মেইল : [email protected] , [email protected]

Copyright © 2015-2020 bd-pratidin.com