শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০১৫ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ জুলাই, ২০১৫ ০০:০০

বাস টিকিট কালোবাজারি

হয়রানির শিকার ঘরমুখো যাত্রীরা

বাস টিকিট কালোবাজারি

ঈদের অগ্রিম বাস টিকিট ছাড়ার দ্বিতীয় দিনেই গত শনিবার রাজধানীর সব বাস কাউন্টার থেকে টিকিট উধাও হয়ে গেছে। বলা হচ্ছে, সব টিকিটই বিক্রি হয়ে গেছে কাউন্টার থেকে। বাস কাউন্টারে টিকিট না পাওয়া গেলেও কালোবাজারে তার অভাব নেই। ৫০০ টাকার টিকিট ৮০০ টাকা দিলেই তা চলে আসছে ক্রেতার হাতে। বাস কাউন্টারে টিকিট না থাকায় যাত্রীরা নিরুপায় হয়ে এক কাউন্টার থেকে অন্য কাউন্টারে ছোটাছুটি করছেন। গত শনিবার প্রচণ্ড গরম সহ্য করে লাইনে দাঁড়িয়েও বাসের টিকিট পায়নি বেশির ভাগ যাত্রী। টিকিটের জন্য অনেককে হা-হুতাশও করতে দেখা গেছে। চলতি বছর অনলাইনেও বাসের টিকিট কিনেছেন অনেকে। তবে সে ক্ষেত্রেও অভিযোগ রয়েছে, টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই বিক্রি হয়ে গেছে নির্ধারিত টিকিট। অনলাইনে বাসের টিকিট বিক্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বলেছে, তারা ১০টি পরিবহনের টিকিট বিক্রি করেছেন। এসব পরিবহন তাদের মোট টিকিটের ১০ থেকে ৩০ শতাংশ অনলাইনে বিক্রি করেছে। তবে তিন সপ্তাহ ধরে লোকজন কল সেন্টার ও অনলাইনে যোগাযোগ করছিল টিকিটের জন্য। ফলে টিকিট ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকে একসঙ্গে টিকিট নিয়েছেন। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করা আমাদের দেশের প্রচলিত রীতি। এ জন্য যত কষ্ট হোক, যত বাড়তি অর্থ হোক তার বিনিময়েও পরিবহন টিকিট পেতে উন্মুখ থাকে ঘরমুখো যাত্রীরা। ঈদ উপলক্ষে দূরপাল্লার পরিবহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও সে তুলনায় যাত্রীর সংখ্যা অনেক বেশি বেড়ে যাওয়ায় ঠাঁই নেই ঠাঁই নেই অবস্থার সৃষ্টি হয়। চলতি বছর টিকিট বিক্রির ব্যবস্থাপনায় বৈচিত্র্য এলেও কীভাবে কালোবাজারিদের কাছে টিকিট চলে যাচ্ছে সে সদুত্তর কারও কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। টিকিট কালোবাজারি বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো যথার্থ ভূমিকা রাখলে কালোবাজারি অনেকাংশে বন্ধ করা সম্ভব।


আপনার মন্তব্য