শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৭

ইসলামের আগে হজ কেমন ছিল

কালাম আজাদ
প্রিন্ট ভার্সন
ইসলামের আগে হজ কেমন ছিল

কাবা শব্দের অর্থ বর্গাকার ইবাদতগার। ইসলামী বিশ্বাস অনুসারে কাবা হলো দুনিয়ার প্রথম ঘর। প্রথম ইবাদতগার বা মসজিদও এটি। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী মানুষ সৃষ্টির আগে ফেরেশতারা এ মসজিদ নির্মাণ করেন। প্রথম হজ পালনও করেন তারা। দুনিয়ার প্রথম মানব হজরত আদম (আ.) এ ঘরটি সংস্কার করেন। পরবর্তীতে হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর আমলে তা পুনঃনির্মিত হয়।

হজ হলো বিশ্ব মুসলিমের মিলনমেলা। আরবিতে হজ বলতে বোঝায় পরিদর্শনের জন্য সংকল্পবদ্ধ হওয়া। একেশ্বরবাদীদের নেতা ও আরব এবং ইসরায়েলি জাতির আদি পিতা হজরত ইব্রাহিম (আ.) প্রথম হজব্রত পালন করেন। আল্লাহর নির্দেশে অনুসারীদের আহ্বান করেন কাবাগৃহ পরিদর্শন ও পরিভ্রমণের জন্য। তারপর থেকে হাজার হাজার বছর ধরে পালিত হচ্ছে এই প্রথা।

ইব্রাহিম (আ.)-কে বলা হয় বিশ্বাসীদের আদি পিতা। আল্লাহ এক তাঁর কোনো অংশীদার নেই—এই তত্ত্ব প্রথম তুলে ধরেন এই মহাপুরুষ। ইসলাম, খ্রিস্টান ও ইহুদি এই তিন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের কাছে তিনি পরম শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব। মধ্যপ্রাচ্যে উদ্ভাবিত এ তিন ধর্মের অনুসারীরা তাঁকে আল্লাহর প্রেরিত পুরুষ বা নবী বলে শ্রদ্ধা করেন।

হজরত ইব্রাহিম (আ.) জন্মগ্রহণ করেন ইরাকের উর নগরীতে। তার বাবা ছিলেন মূর্তি নির্মাতা এবং পুরোহিত। কিন্তু তিনি মূর্তিপূজার অসারতা উপলব্ধি করেন ছোটবেলাতেই। বলেন, সূর্য, চাঁদ, আকাশের তারা কিংবা মানুষ এর সব কিছু হলো সৃষ্ট কোনো বস্তু বা জীব। তারা মানুষের উপাস্য হতে পারে না। এগুলোর মূর্তি বানিয়ে পূজা করার মধ্যেও নেই কোনো স্বার্থকতা এবং যে সত্তা সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা তিনিই হতে পারেন উপাস্য। ইব্রাহিম (আ.) প্রচার করেন আল্লাহ সর্বশক্তিমান। একমাত্র তাঁরই আরাধনা করা উচিত।

হজরত ইব্রাহিম (আ.) তার জীবদ্দশায় একেশ্বরবাদকে ইরাক, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, আরব, মিসর বা ধারে-কাছের সব ভূখণ্ডে ছড়িয়ে দেন। কিন্তু নিঃসন্তান হওয়ার জন্য আল্লাহর এই নবী মনোকষ্টে ভুগতেন। আল্লাহ তাঁর এই প্রিয় নবীর মনোকষ্ট দূর করতে বৃদ্ধ বয়সে তাকে পিতৃত্বের গৌরব অর্জনের সুযোগ দেন। হজরত ইব্রাহিম (আ.) এর দাসী বা দ্বিতীয় স্ত্রী হাজেরার গর্ভে জন্ম নেন তার জ্যেষ্ঠ পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)। ইসমাইলের জন্মের পর পর তার প্রথম স্ত্রী সারাও গর্ভবতী হন। তার গর্ভে জন্ম নেন হজরত ইয়াকুব (আ.)। উল্লেখ্য, ইসমাইলের বংশধররা পরবর্তীতে আরব জাতি হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। হজরত ইয়াকুব (আ.)-এর বংশধররা পরিচিতি লাভ করে ইসরায়েলি জাতি হিসেবে। ইসরায়েলিদের মধ্যে জন্ম নেন হজরত মুসা (আ.) এবং হজরত ঈসা (আ.)। ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মের প্রবর্তক হিসেবে তাদের ভাবা হয়। অন্যদিকে ইসরায়েলের বংশধর আরব জাতির মধ্যে আত্মপ্রকাশ করেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)।

 

হজরত ইব্রাহিম (আ.) তার প্রথম স্ত্রীর চাপে শিশুসন্তান ইসমাইলসহ হাজেরাকে নির্বাসনে দিতে বাধ্য হন। হাজেরা ছিলেন মিসরীয় বংশদ্ভূত দাসী। তাকে নির্বাসন দেওয়া হয় আজকের মক্কা নগরী যেখানে সেই মরুময় বিরান প্রান্তরে। সেখানে একপর্যায়ে সঙ্গে আনা খাদ্য ও পানীয় শেষ হয়ে যায়। শিশু ইসমাইল ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় কান্নাকাটি শুরু করেন। সেই বিরান প্রান্তরে শিশুকে এক জায়গায় রেখে পানির জন্য ছোটাছুটি করেন আরব জাতির আদি জননী বিবি হাজেরা। পরিশেষে ক্লান্ত হয়ে শিশু ইসমাইলের কাছে এসে দেখেন তখনো কাঁদছে অবোধ শিশু। কান্নার সময় তার পায়ের আঘাতে সৃষ্টি হয়েছে পানির ফোয়ারা। সাড়ে চার হাজার বছর ধরে এ পানির ফোয়ারা জমজম কূপ হিসেবে পরিচিত। হাজার হাজার মানুষ এ কূপ থেকে পানি গ্রহণ করলেও মরু প্রান্তরের এ জলাধার এখনো সমানভাবে তার অস্তিত্বের ঘোষণা দিয়েই চলছে।

ইসমাইল (আ.) যখন কিশোর তখন হজরত ইব্রাহিম স্বপ্ন দেখেন আল্লাহ তাঁকে তাঁর প্রিয় বস্তু কোরবানির নির্দেশ দিচ্ছেন। স্বপ্ন দেখে হজরত ইব্রাহিম ১০০ গবাদিপশু কোরবানি দেন। দ্বিতীয় দিনও তিনি দেখেন অভিন্ন স্বপ্ন। এবারও তিনি ১০০ গবাদিপশু কোরবানি দেন। তৃতীয় রাতেও তাকে বলা হয় প্রিয় বস্তু কোরবানি দেওয়ার জন্য। হজরত ইব্রাহিম উপলব্ধি করেন ইসমাইল হলেন তার সবচেয়ে প্রিয়। আল্লাহ তাকেই কোরবানির নির্দেশ দিয়েছেন স্বপ্নে। সে নির্দেশ পালিত হয়নি বলেই বার বার একই স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে।

এই স্বপ্ন গভীর পরীক্ষার মুখে ঠেলে দিল আল্লাহর নবীকে। তবে আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অটল। সিদ্ধান্ত নিলেন  যত কষ্টকর হোক তিনি আল্লাহর হুকুমই পালন করবেন। তিনি ছুটে যান হাজেরার কাছে। তার কাছ থেকে নিয়ে আসেন ইসমাইলকে। মিনা ময়দানে পুত্রকে কোরবানি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। মাঝপথে পুত্রকে জানান স্বপ্নে প্রদত্ত ঐশী আদেশের কথা। পুত্র ইসমাইল বলেন, আল্লাহর রাহে কোরবানি হওয়া তো সৌভাগ্যের ব্যাপার।

মিনা ময়দানে পুত্রকে কোরবানির জন্য প্রস্তুত হন আল্লাহর নবী। আপত্য স্নেহ আল্লাহর নির্দেশ পালনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে ভেবে তিনি পুত্রকে কোরবানির আগে নিজের চোখ বেঁধে নেন। তারপর তার গলায় চালান ধারালো ছুরি। কোরবানি শেষ হতে চোখ খুলেই দেখেন পাশে দাঁড়িয়ে পুত্র ইসমাইল। তার বদলে একটি মেষ জবাই হয়ে আছে। ফেরেশতা এসে নবীকে জানান আল্লাহ তাঁর উৎসর্গিত মনোভাবে খুশি হয়েছেন। তিনি তাঁর কোরবানি গ্রহণ করেছেন।

হজরত ইব্রাহিম ও ইসমাইল (আ.) আল্লাহর নির্দেশে কাবাঘর পুনর্নির্মাণ করেন। কাবাঘর প্রদক্ষিণের নিয়মও প্রবর্তন করেন তারা। হজ উপলক্ষে হজব্রত পালনকারীরা হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি অনুসরণে কোরবানি দেন। এ নিয়মও চলে আসছে সাড়ে চার হাজার বছর ধরে। কাবাঘর স্থাপিত হয়েছিল একেশ্বরবাদী চেতনাকে উদ্ভাসিত করার জন্য। কালক্রমে এ পবিত্র গৃহ ভণ্ড পুরোহিতদের আখড়ায় পরিণত হয়। মূর্তিপূজার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন যে নবী সেই ইব্রাহিম (আ.)-এর শিক্ষা ভুলে তার অনুসারীরা সেখানে অসংখ্য মূর্তি স্থাপন করে। এমনকি হজরত ইব্রাহিম (আ.), হজরত ইসমাইল (আ.)-এর মূর্তি তৈরি করে পূজা শুরু হয়। কাবাগৃহে স্থাপিত হয় হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর উত্তর-পুরুষ লাত, মানাত, নসর, হুবাল, উজ্জা, নায়েলাসহ আরও অনেকের মূর্তি। এমনকি হজরত ঈসা (আ.) এবং তার জননী মরিয়মের প্রতিকৃতিও স্থান পায় কাবাগৃহের দেয়ালে।

আল্লাহর নির্দেশে হজ কিংবা উমরাহ হজ পালনকালে কাবাগৃহ প্রদক্ষিণের নিয়ম চালু করেন হজরত ইব্রাহিম ও হজরত ইসমাইল (আ.)। তারপর থেকে গত সাড়ে চার হাজার বছর ধরে এ নিয়মের হের-ফের হয়নি। হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর শিক্ষা ভুলে গেলেও কাবা গৃহের মর্যাদার ব্যাপারে আরবীয়রা ছিল আপসহীন। যত হানাহানি হোক কাবার পবিত্র চত্বরে কেউ কখনো প্রতিহিংসায় মেতে ওঠেনি। হজ উপলক্ষে অখণ্ড শান্তি বিরাজ করেছে পবিত্র মক্কা নগরীতে।

তবে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মক্কা জয়ের আগের কয়েকশ বছর ধরে হজ পালন, কাবা প্রদক্ষিণ এবং কোরবানির নামে যা হতো তার সঙ্গে হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর শিক্ষার কোনো সম্পর্ক ছিল না। তার সরাসরি বংশধর কাবা শরিফের খেদমতকারীর দাবিদার কুরাইশদের নেতৃত্বেই চলত হজের নামে নাচ-গান মদপান আর ব্যভিচার। কাবাগৃহ প্রদক্ষিণ করা হতো নগ্নভাবে। নারী-পুরুষ উলঙ্গ হয়ে কাবা শরিফ প্রদক্ষিণ করত এবং বলত আমরা যে অবস্থায় জন্মগ্রহণ করেছি সে অবস্থায় আল্লাহর সামনে হাজির হয়েছি। পশু কোরবানির পর কাবাঘরের সামনে মাংস ফেলে রাখা হতো এবং ভাবা হতো আল্লাহ এ মাংস ভোগ করবেন। আরবের বিভিন্ন গোত্রপতি কোরবানির নামে নিজেদের আর্থিক সামর্থ্যের জানান দিত। হজ উপলক্ষে যে বিশাল সমাবেশ হতো সেখানে মেজবানির ব্যবস্থা করে দম্ভ প্রকাশেরও চেষ্টা চলত। মনে করা হয়, হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর মৃত্যুর পর হাজার বছর পর থেকে শুরু হয় এসব অনাচার এবং তা কমবেশি দুই হাজার বছর অব্যাহত ছিল। হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মক্কা জয়ের পর কাবাগৃহ থেকে সব মূর্তি সরিয়ে ফেলা হয়। হজরত ইব্রাহিম (আ.) হজের যে নিয়ম প্রবর্তন করেন সাড়ে চার হাজার বছর আগে, তা পুনঃপ্রবর্তিত হয়। বন্ধ হয় নগ্নভাগে কাবা প্রদক্ষিণের ঘৃণ্য প্রথা। পবিত্র কোরআনে বলা হয়, ‘হে নবী আপনি তাদের বলে দিন আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জন্য যেসব সৌন্দর্যবর্ধক জিনিস (পোশাক-পরিচ্ছদ) মনোনীত করেছেন, কে তা হারাম করল?’ (সূরা আল আয়াদ : ৬৮)।

হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মক্কা জয়ের আগে হজ পালনের নামে যেমন ভোগ-বিলাসিতার তাণ্ডব চলত, তেমনি কেউ কেউ আত্মনিগৃহকেও হজ বলে মনে করত। হজ উপলক্ষে বিপথগামীদের একাংশ কারও সঙ্গে কথা বলত না। যাকে বলা হতো ‘হজে মুছমিত’ বা বোবা হজ। অপরিচ্ছন্ন ও অপবিত্র অবস্থায়ও হজ পালন করা হতো। ভাবা হতো এভাবেই বেশি পুণ্য অর্জিত হবে। হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা বিজয়ের পর ইব্রাহিম (আ.)-এর সুন্নাত বা ঐতিহ্য আবার ফিরিয়ে আনেন। যে নির্বোধরা কোরবানির মাংস আল্লাহর ভোগের জন্য কাবার দ্বারে ফেলে রাখত তাদের উদ্দেশে কোরআনে বলা হয়, ‘কোরবানির মাংস বা রক্ত নয়, কেবল আল্লাহর প্রতি আনুগত্য বা তাকওয়াই তার কাছে পৌঁছায়।’

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট।

ই-মেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ইরান-মার্কিন সংলাপ
ইরান-মার্কিন সংলাপ
শুভ নববর্ষ
শুভ নববর্ষ
বাংলা সন
বাংলা সন
যেভাবে আমাদের নববর্ষ
যেভাবে আমাদের নববর্ষ
বৈশাখের শোভাযাত্রা
বৈশাখের শোভাযাত্রা
আশা বাঁচিয়ে রাখার ছবি
আশা বাঁচিয়ে রাখার ছবি
নিজের কাজ নিজে করার মধ্যে কোনো গ্লানি নেই
নিজের কাজ নিজে করার মধ্যে কোনো গ্লানি নেই
মাদক সাম্রাজ্য
মাদক সাম্রাজ্য
বোরো উৎপাদন
বোরো উৎপাদন
স্মৃতির চৈত্রসংক্রান্তি
স্মৃতির চৈত্রসংক্রান্তি
স্বমহিমায় বিকশিত হোক নববর্ষ
স্বমহিমায় বিকশিত হোক নববর্ষ
রাজনীতির ভাষা যখন আয়না হয়ে ওঠে
রাজনীতির ভাষা যখন আয়না হয়ে ওঠে
সর্বশেষ খবর
বাহুবলী-পুষ্পাকে পেছনে ফেলে এক নম্বরে রণবীরের ‘ধুরন্ধর’
বাহুবলী-পুষ্পাকে পেছনে ফেলে এক নম্বরে রণবীরের ‘ধুরন্ধর’

এই মাত্র | শোবিজ

নিউজিল্যান্ড সিরিজে ওপেনিংয়ে তানজিদের সঙ্গী কি সাইফ?
নিউজিল্যান্ড সিরিজে ওপেনিংয়ে তানজিদের সঙ্গী কি সাইফ?

৫২ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

একটু এদিক-সেদিক হলেই এখানে থাকতাম না: স্টোকস
একটু এদিক-সেদিক হলেই এখানে থাকতাম না: স্টোকস

৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ বন্ধ করায় চীন বেশ খুশি হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের
হরমুজ বন্ধ করায় চীন বেশ খুশি হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এপ্রিলে ভারত থেকে আসছে ২৫ হাজার টন ডিজেল
এপ্রিলে ভারত থেকে আসছে ২৫ হাজার টন ডিজেল

২১ মিনিট আগে | অর্থনীতি

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন রুবেল
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন রুবেল

২১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বর্ণিল আয়োজনে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো বৈশাখী মেলা
বর্ণিল আয়োজনে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো বৈশাখী মেলা

২২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

শ্রীমঙ্গলে ছেলের ছুরিকাঘাতে পিতা নিহত
শ্রীমঙ্গলে ছেলের ছুরিকাঘাতে পিতা নিহত

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চীনের স্যাটেলাইট ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি নজরদারি করছে ইরান?
চীনের স্যাটেলাইট ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি নজরদারি করছে ইরান?

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ শেষ হলে গ্যাসের দাম 'ব্যাপকভাবে' কমে যাবে: ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ হলে গ্যাসের দাম 'ব্যাপকভাবে' কমে যাবে: ট্রাম্প

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুন্সীগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক
মুন্সীগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানকে অস্ত্র দেবে না চীন, হরমুজ খুলতে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপে খুশি বেইজিং: ট্রাম্প
ইরানকে অস্ত্র দেবে না চীন, হরমুজ খুলতে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপে খুশি বেইজিং: ট্রাম্প

৪৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেনাপ্রধানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
সেনাপ্রধানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ শেষ ফরাসি স্ট্রাইকারের
বিশ্বকাপ শেষ ফরাসি স্ট্রাইকারের

৫১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নাসিরনগরে ঐতিহ্যবাহী শুটকি মেলায় ক্রেতাদের ভিড়, কমেছে পণ্য বিনিময় প্রথা
নাসিরনগরে ঐতিহ্যবাহী শুটকি মেলায় ক্রেতাদের ভিড়, কমেছে পণ্য বিনিময় প্রথা

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম চালকবিহীন কার্গো উড্ডয়ন করল চীন
নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম চালকবিহীন কার্গো উড্ডয়ন করল চীন

৫৯ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সরকারের অর্থনৈতিক কৌশল হবে বাস্তবভিত্তিক : অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা
সরকারের অর্থনৈতিক কৌশল হবে বাস্তবভিত্তিক : অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

গাজায় ৫৩০ টন মানবিক সহায়তা পাঠাল আফগানিস্তান
গাজায় ৫৩০ টন মানবিক সহায়তা পাঠাল আফগানিস্তান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে অস্ত্র না দিতে শি জিনপিংকে চিঠি লিখেছেন ট্রাম্প
ইরানকে অস্ত্র না দিতে শি জিনপিংকে চিঠি লিখেছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে চীনা নাগরিককে কুপিয়ে গুরুতর জখম, মালামাল লুট
কেরানীগঞ্জে চীনা নাগরিককে কুপিয়ে গুরুতর জখম, মালামাল লুট

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বিদায়ের পর রেফারিকে দুষলেন রাফিনহা
চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বিদায়ের পর রেফারিকে দুষলেন রাফিনহা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় সাড়ে ৩ লাখেরও বেশি শিশু বাস্তুচ্যূত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় সাড়ে ৩ লাখেরও বেশি শিশু বাস্তুচ্যূত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এক্সে ভিডিওর লিংক কপি করার সুবিধা কি সত্যিই বাতিল?
এক্সে ভিডিওর লিংক কপি করার সুবিধা কি সত্যিই বাতিল?

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

অবৈধ মজুতকৃত ৫ লাখ ৪২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার
অবৈধ মজুতকৃত ৫ লাখ ৪২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পৃথিবীকে বিপদমুক্ত করতে জোট বাঁধছে রাশিয়া-চীন?
পৃথিবীকে বিপদমুক্ত করতে জোট বাঁধছে রাশিয়া-চীন?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মেলোনির সঙ্গে আগের সেই সম্পর্ক নেই’, ন্যাটোকেও কড়া বার্তা দিলেন ট্রাম্প
‘মেলোনির সঙ্গে আগের সেই সম্পর্ক নেই’, ন্যাটোকেও কড়া বার্তা দিলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের ফি নিচ্ছে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের ফি নিচ্ছে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল: শিক্ষামন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

আইপিএলে দুই ম্যাচের জন্য ছিটকে গেলেন রোহিত শর্মা
আইপিএলে দুই ম্যাচের জন্য ছিটকে গেলেন রোহিত শর্মা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাপের সবচেয়ে বড় শাস্তি কী
পাপের সবচেয়ে বড় শাস্তি কী

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ধানক্ষেত পাহারা দিতে গিয়ে বন্যহাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু
ধানক্ষেত পাহারা দিতে গিয়ে বন্যহাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল
মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপিতে যোগ দিয়ে মেয়র নির্বাচন করার বিষয়ে যা বললেন মনজুর আলম
এনসিপিতে যোগ দিয়ে মেয়র নির্বাচন করার বিষয়ে যা বললেন মনজুর আলম

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সৌদিসহ পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের
সৌদিসহ পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘চীনা জাহাজের’ হরমুজ অতিক্রম নিয়ে কড়া সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের
‘চীনা জাহাজের’ হরমুজ অতিক্রম নিয়ে কড়া সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা
জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষার নীতিমালা প্রকাশ, মানতে হবে যেসব নিয়ম
এসএসসি পরীক্ষার নীতিমালা প্রকাশ, মানতে হবে যেসব নিয়ম

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৮ মাস বন্ধ থাকবে বুর্জ আল আরব
১৮ মাস বন্ধ থাকবে বুর্জ আল আরব

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্দামান সাগরে নৌকাডুবিতে ২৫০ জন নিখোঁজ, রোহিঙ্গা ছাড়াও রয়েছেন বাংলাদেশি
আন্দামান সাগরে নৌকাডুবিতে ২৫০ জন নিখোঁজ, রোহিঙ্গা ছাড়াও রয়েছেন বাংলাদেশি

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগের চেয়ে সহজ কানাডার নাগরিকত্ব, নতুন আইনে বড় সুযোগ
আগের চেয়ে সহজ কানাডার নাগরিকত্ব, নতুন আইনে বড় সুযোগ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগাম ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা
আগাম ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রেড গ্রাসের নামে ভারত থেকে ৮ কোটি টাকা মূল্যের জাফরান আমদানি
রেড গ্রাসের নামে ভারত থেকে ৮ কোটি টাকা মূল্যের জাফরান আমদানি

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম গ্রহণে রাশিয়ার নতুন প্রস্তাব
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম গ্রহণে রাশিয়ার নতুন প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনা জাহাজে বিষাক্ত সায়ানাইড পেল ফিলিপাইন, উত্তেজনা তুঙ্গে
চীনা জাহাজে বিষাক্ত সায়ানাইড পেল ফিলিপাইন, উত্তেজনা তুঙ্গে

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেশি যোগ্য হয়েও কেন কম বেতনের চাকরি নিচ্ছেন কর্মীরা
বেশি যোগ্য হয়েও কেন কম বেতনের চাকরি নিচ্ছেন কর্মীরা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকার কয়েক হাজার অমুক্তিযোদ্ধা বাদ
লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকার কয়েক হাজার অমুক্তিযোদ্ধা বাদ

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে’ বৈঠকে বসতে পারে: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে’ বৈঠকে বসতে পারে: ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে যে খাবার না দিলে ‘মাথা গরম’ হয়ে যায় জয়া আহসানের
শুটিং সেটে যে খাবার না দিলে ‘মাথা গরম’ হয়ে যায় জয়া আহসানের

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?
পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মগবাজারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দুর্ঘটনায় ৮ শিক্ষার্থী আহত
মগবাজারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দুর্ঘটনায় ৮ শিক্ষার্থী আহত

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পাঁচ ম্যাচে জয়হীন কলকাতা, শাস্তি পেলেন অধিনায়ক
পাঁচ ম্যাচে জয়হীন কলকাতা, শাস্তি পেলেন অধিনায়ক

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইন্টার মায়ামি ছাড়লেন মাসচেরানো
ইন্টার মায়ামি ছাড়লেন মাসচেরানো

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলার রায় আজ
নোয়াখালীতে চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলার রায় আজ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫ লাখ নথিবিহীন অভিবাসীকে বড় সুখবর দিলো স্পেন
৫ লাখ নথিবিহীন অভিবাসীকে বড় সুখবর দিলো স্পেন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপেছে ইউক্রেন
যে কারণে ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপেছে ইউক্রেন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার ‘চুরি করা শস্য’বাহী জাহাজ ভিড়তে দিচ্ছে ইসরায়েল, ক্ষুব্ধ ইউক্রেন
রাশিয়ার ‘চুরি করা শস্য’বাহী জাহাজ ভিড়তে দিচ্ছে ইসরায়েল, ক্ষুব্ধ ইউক্রেন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পৃথিবীকে বিপদমুক্ত করতে জোট বাঁধছে রাশিয়া-চীন?
পৃথিবীকে বিপদমুক্ত করতে জোট বাঁধছে রাশিয়া-চীন?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ অতিক্রম করলো দুটি ইরানি জাহাজ
হরমুজ অতিক্রম করলো দুটি ইরানি জাহাজ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ক্ষতি ২৭০ বিলিয়ন ডলার
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ক্ষতি ২৭০ বিলিয়ন ডলার

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক