শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৮ মার্চ, ২০২০ ২৩:১৬

করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ

জয়ী হওয়ার দ্বারপ্রান্তে মানুষ

করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ

করোনা ঠেকাতে লড়াই চলছে বিশ্বজুড়ে। এ লড়াইয়ে দিন-রাত ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। করোনাভাইরাস রোধের ভ্যাকসিন আবিষ্কারে বেশ এগিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা। চীনও চালাচ্ছে নিরন্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষা। যুক্তরাষ্ট্রেও চলছে ভ্যাকসিন তৈরির গবেষণা। আশা করা হচ্ছে, অচিরেই আবিষ্কার করা সম্ভব হবে করোনাভাইরাস ঠেকানোর ভ্যাকসিন। ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জীবাণুর কাছে মানুষের অসহায়ত্বের অবসান ঘটবে। করোনাভাইরাসে কেউ আক্রান্ত কিনা তা পরীক্ষা করতে লাগে দীর্ঘ সময়। এ দীর্ঘসূত্রতা করোনার বিস্তারে মদদ জোগাচ্ছে। আশার খবর এসেছে জার্মানি থেকে। সে দেশের রবার্ট বোচ জিএমবিএইচ কোম্পানি করোনাভাইরাস পরীক্ষার নতুন কিট আবিষ্কার করেছে। নতুন কিটের মাধ্যমে দুই দিনে নয়, মাত্র আড়াই ঘণ্টার মধ্যে রোগীর শরীরে করোনার উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া যাবে। বিভিন্ন হাসপাতাল, ল্যাবরেটরি ও মেডিকেলে তাদের তৈরি কিটের পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু হয়েছে। বোচের বিজ্ঞানীরা বলেছেন, ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া, ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য ভাইরাল রোগের পাশাপাশি করোনা শনাক্ত করতে সক্ষম এ কিট। আগামী মাসেই জার্মানিতে এ কিট বাজারজাত করা হবে। তবে বিশ্ববাজারে তা পাওয়া যাবে আরও পরে। করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকানোর অন্যতম চাবিকাঠি হলো এর সংক্রমণ শনাক্তকরণ। দক্ষিণ কোরিয়া ও জার্মানিতে করোনাভাইরাসে সংক্রমিতদের দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হওয়ায় এখন পর্যন্ত এ দেশ দুটিতে মানুষের মৃত্যুহার কম। অন্যদিকে ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণ শনাক্তের গতি ধীর হওয়ায় এ দুই দেশে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস পরীক্ষার কিট আবিষ্কার করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা। সরকার এ কিট উৎপাদনের অনুমতিও দিয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এপ্রিলেই তা বাজারজাত হবে। এ কিটের সাহায্যে দুই দিন নয়, মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে স্বল্প খরচে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীকে চিহ্নিত করা যাবে। করোনা চিহ্নিত করার কিট ও ভ্যাকসিন আবিষ্কার এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে কঠিন লড়াইয়ে মানুষের জয়কে নিশ্চিত করবে।

মানুষের অসহায় অবস্থার অবসান ঘটাবে।


আপনার মন্তব্য