শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ, ২০২১

বাংলাদেশের প্রমোশন!

প্রভাষ আমিন
প্রিন্ট ভার্সন
বাংলাদেশের প্রমোশন!

অর্জনটা কাক্সিক্ষতই ছিল। তবু অর্জনটা এত বড়, এটা সেলিব্রেট করাই যায়। বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে এর চেয়ে বড় উপহার আর হতে পারে না। বাংলাদেশের বড় প্রমোশন হয়েছে, বাংলাদেশ গ্র্যাজুয়েট হয়েছে। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের দ্বারপ্রান্তে। জাতিসংঘের প্রয়োজনীয় দুই দফা সুপারিশ মিলেছে। ২০২৬ সালে আমরা বুক ফুলিয়ে বলতে পারব, বাংলাদেশ আর দরিদ্র বা স্বল্পোন্নত নয়, আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশ। এখন যাত্রা উন্নত দেশের পথে। বাংলাদেশের এ প্রমোশন অটো প্রমোশন নয়; সাধারণ মানুষের কঠোর পরিশ্রম, টানা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সরকারের ধারাবাহিকতা, সরকারের প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও নীতিসহায়তার হাত ধরেই এসেছে এ প্রমোশন, ৫০ বছর বয়সী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্জন।

উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণে বাংলাদেশের লাভ হবে না ক্ষতি- এ প্রশ্নের উত্তর দুই ভাবেই দেওয়া যায়। যারা সব সময় অর্ধেক গ্লাস খালি দেখেন তারা অনেক নেতিবাচক দিক তুলে ধরতে পারবেন এবং সেগুলো হয়তো সত্যিও। এটা এ প্রমোশনে অনেক সম্ভাবনা যেমন আছে, আছে অনেক চ্যালেঞ্জও। একটা উদাহরণ দিলে আপনাদের বুঝতে সুবিধা হবে। আপনি গ্রামের দরিদ্র পরিবার। ছোট্ট কুঁড়েঘরে থাকেন। অল্প আয়, নুন আনতে ফুরায় দশা। তবে গ্রামের সবার সহায়তা, সরকারি ভাতা, জাকাত-ফিতরায় ভালোই চলে যাচ্ছে। প্রয়োজনে ক্ষুদ্র ঋণও পাচ্ছিলেন। এখন আপনার আয় একটু বেড়েছে। কুঁড়েঘর থেকে টিনের ঘর হয়েছে। নিম্নবিত্ত থেকে আপনি নিম্নমধ্যবিত্ত হয়েছেন। এখন আপনার ভাতা, সহায়তা, জাকাত-ফিতরা বন্ধ হয়ে যাবে। তাতে তাৎক্ষণিকভাবে আপনার চলতে একটু কষ্ট হবে। কিন্তু গ্রামে আপনার মর্যাদা বাড়বে। পাবেন ব্যাংকের ঋণও। যদি আপনার ইচ্ছা থাকে, সক্ষমতা থাকে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে কিন্তু আপনি আরও সামনে এগিয়ে যেতে পারবেন। আপনি কোনটা বেছে নেবেন? আপনি কি নিম্নবিত্তই থাকতে চাইবেন, নাকি নিম্নমধ্যবিত্তের মর্যাদায় উন্নীত হতে চাইবেন? এ প্রশ্নের উত্তরেই লুকিয়ে আছে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ।

উন্নয়নশীল দেশের পথে বাংলাদেশের যাত্রাটা এক দিনের নয়, আসলে এক যুগের। উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ২০১৫ সালেই নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্নমধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হয়। তবে উন্নয়নশীল দেশে যাত্রাপথে সেটি একটি ধাপ মাত্র। উন্নয়নশীল দেশের পথে যাত্রাটা অত মসৃণ ছিল না, বন্ধুর ও সমস্যাসংকুল পথ পেরিয়েই বাংলাদেশকে আজকের মহাসড়কে উঠতে হয়েছে। জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট সিডিপির পরপর দুটি সুপারিশ পেলেই কোনো দেশের সামনে সম্ভাবনার এ দুয়ার উন্মুক্ত হয়। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ পেয়েছিল প্রথম সুপারিশ। এবার পেল দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত সুপারিশ। সাধারণত চূড়ান্ত সুপারিশের তিন বছরের মধ্যে মেলে চূড়ান্ত স্বীকৃতি। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ দুই বছর বাড়তি সময় চেয়েছে এবং পেয়েছে। সে হিসেবে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বিশ্বে মর্যাদার সঙ্গে মাথা উঁচু করে চলবে ২০২৬ সাল থেকে। সিডিপি তিনটি সূচকের ভিত্তিতে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীতের সুপারিশ করে। সূচক তিনটি হলো : মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা। দুই দফা সুপারিশেই বাংলাদেশ তিনটি সূচকে সাফল্যের সঙ্গে উতরে গেছে। এখানেই বাংলাদেশের অর্জনের মাহাত্ম্য। তিনটি সূচকের দুটিতে নির্ধারিত নম্বর পেলেও বাংলাদেশ সুপারিশ পেত। এমনকি অন্য দুটি সূচকে খারাপ করলেও শুধু মাথাপিছু আয় নির্ধারিত মাত্রার দ্বিগুণ হলেও সুপারিশ পাওয়া সম্ভব ছিল। এর আগে কোনো কোনো দেশ একটি বা দুটি সূচকে পাস করেই গ্র্যাজুয়েট হয়েছে। বাংলাদেশ তিনটিতেই লেটার মার্কস পেয়ে পাস করেছে। এখনকার মানে বললে বলতে হবে বাংলাদেশ গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তিনটি সূচকেই দারুণভাবে উতরে যাওয়া আমাদের উন্নয়নের ভারসাম্যের প্রমাণ। সব মিলে বাংলাদেশ নিজের যোগ্যতায় ও সক্ষমতায় উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উঠে যেতে পারবে।

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হলে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জে পড়তে হবে রপ্তানি খাতকে। আরও সুনির্দিষ্ট করে বললে তৈরি পোশাক খাতকে। স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) আওতায় শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা পায়। তবে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হলে ২০২৬ সাল থেকে এসব সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে। উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হলে বাড়তি শুল্কের কারণে রপ্তানি আয় বছরে সাড়ে ৪৫ হাজার কোটি টাকা কমে যেতে পারে। এ ছাড়া বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে দারুণ গতিতে থাকা ওষুধশিল্প। তখন বাংলাদেশকে ওষুধের পেটেন্টের ওপর বাড়তি অর্থ দিতে হবে। তখন ওষুধের দাম বেড়ে যাবে। উন্নয়নশীল দেশ হয়ে গেলে আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোর কাছ থেকে সহজ শর্তে ঋণ পাওয়ার সুযোগ কমে যেতে পারে। তা ছাড়া উন্নয়নশীল দেশ হয়ে গেলে কৃষি খাতে ভর্তুকি বন্ধ বা কমাতে হতে পারে। উন্নয়নশীল দেশ হলে আয় কমে যাবে, কিন্তু বেড়ে যাবে ব্যয়। তখন জাতিসংঘে আমাদের বেশি চাঁদা দিতে হতে পারে।

এত সমস্যা শুনে কেউ কেউ কি একটু ভয় পাচ্ছেন? ভয় পাওয়ার কিচ্ছু নেই। চেয়েচিন্তে পোলাও খাওয়ার চেয়ে নিজের অর্জনে ডাল-ভাত খাওয়াও অনেক সুখের। ২০২৬ সাল থেকে বাংলাদেশের যা কিছু অর্জন, তা একদমই নিজেদের। সমস্যাগুলো শুনলেন, এবার সম্ভাবনাগুলো শুনুন। একদম নগদ লাভ হলো বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে। একাত্তরের স্বাধীনতার পর থেকে ’৭৫ পর্যন্ত ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের লড়াই। পরের দেড় দশক কেটেছে সামরিক শাসকদের দখলে। তখন মানুষ বাংলাদেশকে চিনত ঝড়, ঝঞ্ঝা, জলোচ্ছ্বাসের কারণে। বাংলাদেশের বাজেটের জন্য তাকিয়ে থাকতে হতো বিদেশি সাহায্যের দিকে। দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপড়েন, অস্থিতিশীলতা কাটিয়ে ২০০৯ সাল থেকে উন্নয়নের পথে বাংলাদেশের নবযাত্রা হয়। সে পথেরই একটি স্টেশন উন্নয়নশীল দেশ। চূড়ান্ত লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়া। বাংলাদেশ এখন একটি ব্র্যান্ড। এখন এ ব্র্যান্ড ভ্যালু ক্যাশ করার সময়।

উন্নয়নশীল দেশ এখন আর রাজনৈতিক সেøাগান নয়। এটা জাতিসংঘ-স্বীকৃত বাস্তবতা। গত এক যুগে উন্নয়ন প্রচেষ্টার স্বীকৃতি। বর্তমান সামাজিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতায় বাংলাদেশের সামনে খুলে যেতে পারে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার। আকৃষ্ট হবে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। স্বল্প সুদে না হলেও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে বেশি সুদে অনেক বেশি ঋণ নিতে পারবে। নিজেদের অর্থে পদ্মা সেতু করে বাংলাদেশ আগেই তার সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। এখন বেশি ঋণ পেলে অবকাঠামো ও মানবসম্পদ উন্নয়নে আরও মনোযোগ দিতে পারবে বাংলাদেশ। আর আমার সবচেয়ে বড় ভরসা বাংলাদেশের মানুষের ওপর। বাংলাদেশের মানুষ অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে। ঝড়-বন্যা-সাইক্লোন কিছুই তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না।

তবে উন্নয়নশীল দেশের পথে যাত্রার আগামী পাঁচ বছর এবং উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পরের পাঁচ বছর- সামনের এ ১০ বছর আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে যেতে আমাদের একটা লাফ দিতে হবে। সে লাফটা যাতে ভালোভাবে দেওয়া যায় সেজন্য এখন থেকেই সুষ্ঠু পরিকল্পনা করে প্রস্তুতি নিতে হবে। কোথায় কোথায় ধাক্কা লাগতে পারে, সে ধাক্কা সামাল দেওয়ার জন্য আমরা কী কী করতে পারি তা বাস্তবায়ন করতে হবে সুষ্ঠুভাবে। অর্থনীতিতে যেটুকু ধাক্কা লাগবে সেটুকু যেন আমরা টের না পাই তা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের অর্থনীতির এখন যে গতি সে গতিজড়তাতেই আমরা লাফটা দিতে পারব। উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পরের পাঁচ বছর আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ উন্নয়নশীল দেশ হলে উন্নয়নের গতি একটু মন্থর হয়ে যেতে পারে। অনেক দেশই উন্নয়নশীল দেশে পৌঁছে গতি হারিয়েছে। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে আমরা যাতে আবার গতি ফিরে পাই সেজন্য সৃষ্টিশীল এবং সাহসী উদ্যোগ নিতে হবে। গার্মেন্ট-নির্ভরতা কমিয়ে রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে। সৃষ্টি করতে হবে নতুন বাজার। নতুন নতুন দেশের সঙ্গে নতুন নতুন চুক্তি করতে হবে। মনোযোগ দিতে হবে মানবসম্পদে, গড়ে তুলতে হবে দেশি শিল্প। সবচেয়ে বড় কথা হলো উন্নয়নের কোয়ান্টিটির পাশাপাশি এবার নজর দিতে হবে কোয়ালিটির দিকে। মানুষের জীবনমানের সামগ্রিক উন্নয়ন ঘটাতে হবে। দুই বেলা দুই মুঠো ভাত নয়, খাবার হতে হবে পুষ্টিকর। দুর্নীতি দূর করতে হবে। সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়নের পাশাপাশি গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। শুধু অর্থনীতিতে নয়, উন্নয়নটা হতে হবে সামগ্রিক। উন্নয়নের সুফল যেন সব মানুষের ঘরে পৌঁছে নিশ্চিত করতে হবে তাও। এ অর্জন আওয়ামী লীগের নয়, বিএনপির নয়; এ অর্জন আমাদের সবার, এ অর্জন বাংলাদেশের। হিপ হিপ, হুররে, থ্রি চিয়ার্স ফর বাংলাদেশ।

 

                লেখক : সাংবাদিক।

এই বিভাগের আরও খবর
বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
ইবরাহিম (আ.)-এর জীবন সব মুমিনের অবশ্যপাঠ্য
ইবরাহিম (আ.)-এর জীবন সব মুমিনের অবশ্যপাঠ্য
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
প্রাথমিক শিক্ষা
প্রাথমিক শিক্ষা
ব্যাংক লুটপাট
ব্যাংক লুটপাট
সর্বশেষ খবর
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

১০ মিনিট আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়