শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১০ মার্চ, ২০২১ ২৩:২৭

বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু

বাণিজ্য বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে

বাংলাদেশ ও ভারত ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী। দুই দেশের মধ্যে সড়কপথ, নৌপথ ও রেলপথের পর সেতুপথেও যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হলো মঙ্গলবার। ফেনী নদীর ওপর নির্মিত বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১ উদ্বোধনের মাধ্যমে দুই দেশের যোগাযোগব্যবস্থায় বৈপ্লবিক অধ্যায়ের সূচনা হলো। এর মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের অযুত সম্ভাবনার দ্বারও খুলে গেছে বললে অত্যুক্তি হবে না। ত্রিপুরাসহ ভারতের সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত রাজ্যগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি যোগাযোগে উভয় দেশই লাভবান হবে। দুই দেশের বাণিজ্য ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণের সুযোগও তাতে উন্মোচিত হবে। ত্রিপুরার আগরতলায় এক অনুষ্ঠানে নয়াদিল্লি থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে ত্রিপুরার সাবরুমে একটি ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টেরও ভিত্তি স্থাপন করা হয়। আয়োজিত অনুষ্ঠানে এক ভিডিওবার্তার মাধ্যমে ভারত ও ত্রিপুরার জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরামসহ পূর্বাঞ্চলীয় সাত রাজ্যের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০১৫ সালের ৬ জুন দুই প্রধানমন্ত্রী এ সেতুর ভিত্তি স্থাপন করেন। ১ দশমিক ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতু রামগড়ের সঙ্গে ত্রিপুরার সাবরুমকে যুক্ত করেছে। ১৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করেছে ভারতের ন্যাশনাল হাইওয়েজ অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন লিমিটেড। ভারতের মূল ভূখন্ডের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে কিছুটা বিচ্ছিন্ন সাতটি রাজ্যে বাংলাদেশ থেকে পণ্য আদান-প্রদানে এ সেতু কার্যকর ভূমিকা রাখবে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সেতুটির দূরত্ব মাত্র ৮০ কিলোমিটার হওয়ায় এ বন্দর ব্যবহারের সুযোগ পাবে সেভেন সিস্টার্সের রাজ্যগুলো। সেতুটি বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতীয় সাত রাজ্যের জনগণের উন্নয়ন ও কল্যাণে ভূমিকা রাখবে। দৃঢ় করবে দুই দেশের বন্ধুত্ব।