শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২১ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ মার্চ, ২০২১ ২৩:০১

নেলি সেনগুপ্তা

রাজনীতিক, সমাজকর্মী নেলি সেনগুপ্তা। ইংল্যান্ডের ক্যামব্রিজে ১৮৮৬ সালের ১২ জানুয়ারি তাঁর জন্ম। বাবা ফ্রেডারিক গ্রে। নেলি গ্রে ১৯০৪ সালে সিনিয়র ক্যামব্রিজ পাস করেন। চট্টগ্রাম থেকে ব্যারিস্টারি অধ্যয়নে লন্ডনে আগত যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্তের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ১৯০৯ সালের ১ আগস্ট তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত ছিলেন চট্টগ্রামের বিশিষ্ট আইনজীবী ও রাজনীতিক যাত্রামোহন সেনগুপ্তের ছেলে। বিয়ের পর নেলি গ্রে (নেলি সেনগুপ্তা) স্বামীর সঙ্গে কলকাতায় চলে আসেন এবং এখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকেন। যতীন্দ্রমোহনের সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে নেলি সেনগুপ্তা হয়ে ওঠেন অপরিসীম প্রেরণার উৎস। বিদুষী স্ত্রীর পরামর্শ ও অনুপ্রেরণায় বিলেতফেরত যতীন্দ্রমোহন একজন সফল আইনজীবী, অবিভক্ত বাংলা কংগ্রেস ও সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অবিসংবাদিত নেতা হন। তিনি পরপর পাঁচবার কলকাতা করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন।

যতীন্দ্রমোহন ও নেলি সেনগুপ্তা উভয়ে ১৯১০ সালে কলকাতায় কংগ্রেস রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯২১ সালে মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে চট্টগ্রামে খদ্দর বিক্রির সময় প্রথম গ্রেফতার হন নেলি সেনগুপ্তা। ১৯৩০ সালে দ্বিতীয় অসহযোগ আন্দোলনের সময় যতীন্দ্রমোহনের সঙ্গে দিল্লি, অমৃতসর প্রভৃতি স্থান ভ্রমণ করেন। দিল্লিতে এক সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় নেলি গ্রেফতার হন। ১৯৩৩ সালের ২৩ জুলাই কংগ্রেস নেতা যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত কারাবন্দী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। স্বামীর মৃত্যুর পরও নেলি স্বাধীনতা সংগ্রামে পূর্ণ উদ্যমে কাজ করে যেতে থাকেন। ১৯৩৩ সালে তিনি কলকাতায় অনুষ্ঠিত কংগ্রেসে সর্বভারতীয় কংগ্রেসের সভাপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তাঁর আগে দুজন নারী- ১৯১৭ সালে অ্যানি বেসান্ত ও ১৯২৫ সালে সরোজিনী নাইডু জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন।