শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৪ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ মার্চ, ২০২১ ২৩:০৭

বাড়ছে দেশের আয়তন

বনায়ন ও শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলুন

বাংলাদেশের আয়তন বাড়ছে। নোয়াখালীর হাতিয়া উপকূলে জেগে উঠছে বিশাল চর। গড়ে প্রতি বছর জাগছে ৭০ হাজার হেক্টর জমি। এক দশকের মধ্যে হাতিয়া উপজেলার আয়তন দাঁড়াবে বড় আকারের কোনো জেলার সমান। উজান থেকে নদীর স্রোতে ভেসে আসা পলি ও বালুমাটি জমে নোয়াখালীর সাগর প্রান্তে চর গড়ে উঠছে। ইতিমধ্যে এ এলাকায় জেগে উঠেছে স্বর্ণদ্বীপ, নিঝুমদ্বীপ, ভাসান চরসহ অনেক দ্বীপ বা চর। নিঝুমদ্বীপে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয়েছে ম্যানগ্রোভ বা বাদাবন। সুন্দরবনের পরই এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাদাবন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এ দ্বীপে গড়ে উঠেছে ৭০ থেকে ৭৫ হাজার মানুষের বসবাস। ঢাল চর, নলের চর, মৌলভির চরসহ আরও কয়েকটি দ্বীপেও গড়ে উঠেছে জনবসতি। সংলগ্ন এলাকাগুলোয় আরও ৩০-৪০টি ডুবোচর রয়েছে, যেগুলোয় চলছে বাদাবন সৃষ্টির প্রক্রিয়া। বিশেষজ্ঞদের মতে নিঝুমদ্বীপ থেকে মুক্তারিয়া ঘাটসহ কয়েকটি স্থানে ক্রস ড্যাম আর প্রযুক্তিগত উদ্যোগ নেওয়া হলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ওই এলাকার আয়তন দাঁড়াবে প্রায় ১৫ হাজার বর্গমাইল। গত তিন দশকে জেগে ওঠা নতুন চরে তিনটি ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পাশাপাশি কমপক্ষে আরও ৮-১০টি ইউনিয়নের সমপরিমাণ আয়তনের ভূমি জেগেছে। হাতিয়ার হরণি ও চানন্দী ইউনিয়নের সীমানা পেরিয়ে পূর্ব-দক্ষিণে বিশাল ভূমি এখন স্বর্ণদ্বীপ হিসেবে পরিচিত। স্বর্ণদ্বীপের আয়তন একটি উপজেলার আয়তনের প্রায় সমান। স্বর্ণদ্বীপের ১৫ কিলোমিটার মেঘনা পেরিয়ে দক্ষিণে ভাসানচরের অবস্থান। অবকাঠামো নির্মাণ শেষে ভাসানচরে রোহিঙ্গারা বসবাস করছে। ভাসানচরের আয়তন প্রায় ২৫০ বর্গ কিলোমিটার। এ চরের দেড় কিলোমিটার দক্ষিণে ১০০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের গাঙ্গুরিয়ার চরের অবস্থান।  ধারে-কাছের জলসীমায়ও বিপুলসংখ্যক ডুবোচরের অস্তিত্ব রয়েছে। ক্রস ড্যামসহ প্রযুক্তিগত উদ্যোগ নেওয়া হলে সাগর প্রান্ত থেকে ভূমি উদ্ধার প্রক্রিয়া জোরদার হবে। উদ্ধারকৃত চরে জনবসতি গড়ার বদলে বনায়নসহ ভূমি উন্নয়ন ও পরবর্তীতে অর্থনৈতিক জোন গড়ে তুলে শিল্প স্থাপন করলে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।


আপনার মন্তব্য