শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ৯ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৮ মে, ২০২১ ২৩:০০

ঈদ মৌসুমে ছিনতাই-চাঁদাবাজি

উৎকণ্ঠামুক্ত উদ্যাপন নিশ্চিত করুন

Google News

ঈদ উৎসব যতই এগিয়ে আসছে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে ছিনতাই ও চাঁদাবাজি। সরাসরি অস্ত্র ঠেকিয়ে তো বটেই, এর বাইরেও অভিনব পদ্ধতিতে ছিনতাই-রাহাজানি চলছে। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে কমপক্ষে ৩৫৮টি ছিনতাই স্পট রয়েছে। প্রতি ঈদের আগে এসব এলাকায় ছিনতাই বেড়ে যায়। এর পাশাপাশি অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি তৎপর রয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। সাধারণত বাস, লঞ্চ ও রেলস্টেশনকেন্দ্রিক এলাকায় এসব অপরাধীর বিচরণ বেশি। ঈদে বিপুল কেনাকাটার পাশাপাশি যানবাহনে চলাচল অনেক বেড়ে যাওয়ায় সড়ক ও জনপরিসরে নিরাপত্তার প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। যদিও করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সারা দেশে চলমান লকডাউন পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় ঈদুল ফিতরের সময় আন্তজেলা গণপরিবহন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ সময় এক জেলা থেকে আরেক জেলায় বাস চলবে না। বিপণিবিতানগুলোয় যদি স্বাস্থ্যবিধি মানা না হয় তবে দু-এক দিন দেখে তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। তার পরও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের মনে শঙ্কা রয়ে গেছে। অন্যদিকে করোনার কারণে সাধারণ কর্মজীবী, শ্রমজীবী মানুষের অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়েছে। অনেক মানুষই কর্মহীন হয়ে যাওয়ায় রাস্তায় হাত পাততে বাধ্য হচ্ছে। এর অনেকেই নানা অপরাধে জড়িয়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিকল্পনার মধ্যে এ বিষয়টি রাখতে হবে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার ছায়াতদন্ত করে গোয়েন্দা পুলিশ। সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনার কারণে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। তারা পরামর্শ দিয়েছেন, বড় ধরনের আর্থিক ব্যাংকিং লেনদেনের ক্ষেত্রে নগরবাসী যেন পুলিশের সহযোগিতা নেন। সারা দেশে উঠতি কিশোর গ্যাংয়ের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েই চলেছে। তারা খুনসহ নানা অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে যাচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে আন্তরিক হলে মানুষের কাছে ঈদ আনন্দময় হবে। আর দেশবাসীর অভিভাবক হিসেবে সরকারকে সে অধিকার সুরক্ষা করতেই হবে।