যদি প্রশ্ন করা হয় বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর ও রোমান্টিক শহর কোনটি? তাহলে একবাক্যে সবাই স্বীকার করবে- ফ্যান্সের রাজধানী প্যারিস। এ নগরীকে দেখে প্রেমে পড়েনি এমন মানুষ বিরল। সত্যি কথা বলতে কি, প্যারিসের মতো গোছানো শহর পৃথিবীতে খুব কমই আছে। প্রতি বছর লাখো মানুষের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে শহরটি। শুধু কি পর্যটকদের প্রিয় শহর!! নতুন প্রেমিক-প্রেমিকা ও নবদম্পতিদের সময় কাটানোর জন্যও এটি একটি মনোমুগ্ধকর শহর। এর পরিচ্ছন্ন ও স্বচ্ছ বাতাসে ঘুরে বেড়াতে যে কি আনন্দ তা বলে বোঝানো যাবে না। সঙ্গে রয়েছে সব ফ্যাশনেবল রীতিনীতি। অর্থাৎ প্যারিস মানেই ফ্যাশনের শহর। প্রতি বছর এই শহর যেন সেজে ওঠে নতুনভাবে, নতুন রঙে। কথিত আছে প্যারিসের মানুষ আজ যে ফ্যাশন চালু করেন, আগামী দিনে বিশ্বের মানুষ তা অনুসরণ করেন।
২. এ শহরটি যুগের পর যুগ পর্যটকদের মুগ্ধ করে আসছে। ভালোবাসার শহর হিসেবে শুধু আমার কাছে কেন আমার মতো অনেকের কাছেই এটি স্বপ্নের গন্তব্য। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্যয়বহুল কয়েকটি শহরের মধ্যে প্যারিস অন্যতম। এরকম একটি ব্যয়বহুল শহরে আমার যাওয়ার সুযোগ ঘটবে তা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি। অনেকেই মনে করেন যারা খুব ভাগ্যবান তাদের নাকি জীবনে একবার হলেও প্যারিস যাওয়ার সুযোগ ঘটে। আমি ভাগ্যবান কি না জানি না তবে চাকরির সুবাদে প্যারিস ভ্রমণের সুযোগ ঘটে আমার। অর্থাৎ চাকরি জীবনে প্যারিস ভ্রমণ ছিল আমার এক অবিস্মরণীয় ঘটনা।
৩. প্যারিস এমন এক জাদুকরী শহর, যেখানে ভালোবাসা কেবল একটি অনুভূতি নয় বরং এটি মিশে আছে শহরের আকাশে-বাতাসে, নদীর কলতানে আর সন্ধ্যার আলো-ছায়ায়। খুব কম শহরই আছে যা প্রথম দেখাতেই মানুষের হৃদয়ে এক চমৎকার আবেগের জন্ম দিতে পারে। শহরটির প্রতিটি কোনায় কোনায় যেন রোমান্সে ভরা। সিন নদীর তীরে হাতে হাত রেখে হাঁটা, আইফেল টাওয়ারের আলোয় একে অপরের মুখ দেখা, কিংবা পাহাড়ের চূড়ায় গিয়ে পুরো প্যারিসকে দেখার আনন্দটাই যেন অন্যরকম। আর এই বিখ্যাত সিন নদীর পাশেই মনোমুগ্ধকর রোমান্টিক শহর প্যারিস।
৪. এই প্যারিসকে রোমান্টিক শহর বলার পেছনে রয়েছে চমকপ্রদ এক গল্প। সিন নদীর ওপর ঝুলন্ত ব্রিজটিকে ঘিরে সে গল্প তৈরি হয়েছে যা বহু আগে থেকেই লোকের মুখে মুখে। কথিত আছে, এ ব্রিজের আরেক নাম তালাচাবি ব্রিজ। প্রেমিক-প্রেমিকারা দোকান থেকে তালা-চাবি কেনেন। তালার ভিতরে প্রেমিক-প্রেমিকার নাম লিখে ব্রিজের রেলিংয়ের সঙ্গে তালাটি মেরে চাবিটি নদীতে ছুড়ে ফেলে দিলে তা নদীর অবাধ্য পানিতে হারিয়ে যায়। এর ফলে প্রেমিক- প্রেমিকারা আজীবনের জন্য প্রেমে বাঁধা পড়েন। সে বাঁধন কখনই ছুটে যাবে না-এটাই প্যারিসের প্রেমিক-প্রেমিকাদের দৃঢ় বিশ্বাস।
৫. প্যারিস নগরীতে ঘুরে বেড়ানোর বহু স্থান রয়েছে, যা লিখে শেষ করা যাবে না। প্যারিসের আইফেল টাওয়ার, প্যারিস গেট, প্রেসিডেন্টের বাসভবন, পার্লামেন্ট হাউস, ল্যুভর মিউজিয়াম, নটর ডেম গির্জা, কনকর্ড টাওয়ার, নেপোলিয়ানস টম্ব, বিশ্বের অন্যতম সুন্দর ও জমকালো রাস্তা শঁজেলিজে ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। আবার এই শঁজেলিজে রাস্তাটি বিশ্বের সবচেয়ে বিলাসবহুল পারফিউম বা সুগন্ধির দোকানের জন্য বিখ্যাত। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, ইউরোপের দর্শনীয় শহরগুলোর মধ্যে প্যারিস অন্যতম।
৬. প্যারিসের আইফেল টাওয়ার মধ্যযুগের সপ্তম আশ্চর্যের মধ্যে একটি। এখনো প্যারিসের প্রধান শোভা এই আইফেল টাওয়ার। পুরো টাওয়ারের গায়ে লাখ লাখ বাতি জ্বলছে আর তা বারবার রং বদলাচ্ছে। এ দৃশ্য রাতের বেলায় দেখতে কী যে অপূর্ব লাগে তা নিজের চোখে না দেখলে বোঝানো মুশকিল। দূর থেকে আইফেল টাওয়ার দেখতে খুব সরু মনে হলেও আসলে কিন্তু তা অনেক প্রশস্ত ও বিশাল। একই সঙ্গে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার দর্শনার্থী আইফেল টাওয়ারে উঠতে পারেন। জানা গেছে প্রতি বছরই আইফেল টাওয়ারে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ মিলিয়ন দর্শনার্থীর আগমন ঘটে।
শিল্প-সাহিত্যে সমৃদ্ধ আর ঐতিহ্যের এক সুবিশাল ভান্ডার নিয়ে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস। আর প্যারিসের বুকে থাকা আইফেল টাওয়ারও যেন দুনিয়াকে তাই জানান দেয়।
৭. প্যারিসকে মিউজিয়ামের শহরও বলা হয়, যেখানে ১৫০টিরও বেশি মিউজিয়াম রয়েছে। এর মধ্যে ল্যুভর মিউজিয়াম সবচেয়ে বৃহত্তম ও আকর্ষণীয়, যা ঘুরে দেখতে কয়েক দিন সময় লাগে। এর ভিতরের সংগ্রহগুলো সব অসাধারণ দুষ্প্রাপ্য জিনিসে ভরা। প্যারিস যাব আর ল্যুভর মিউজিয়াম দেখব না তা কী করে হয়!!!
৮. সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের দেশ ফ্রান্স। ফ্রান্স শব্দটি একটি ল্যাটিন শব্দ। এর অর্থ হলো ল্যান্ড অব ফ্রান্স। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন কৃষি খামার ও ছোট ছোট শহরের দেশ। লোকসংখ্যা ৭ কোটির কাছাকাছি। অধিকাংশই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। ঘরে-বাইরে এবং অফিস-আদালতে সর্বত্রই ফরাসি ভাষা। ফ্রান্সের লোকেরা খুবই উচ্চবিলাসী। আচার-আচরণে ওরা নিজেদের উন্নত বিশ্বের প্রধান জাতি হিসেবে মনে করে। এজন্য কথাবার্তায় ও ব্যবহারে তারা কিছুটা নাক-উঁচু স্বভাবের। সমাজ জীবনে বিয়ে না করে তারা লিভ টুগেদারের পক্ষপাতী। ফলে বংশবৃদ্ধির হার ইতোমধ্যেই শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।
৯. ফ্রান্সের যে জিনিসটি আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে তাহলো তারা তাদের মাতৃভাষাকে ভীষণ সম্মান করে। তারা মনে করে, যেকোনো জাতির আত্মপরিচয়ে তাদের শিক্ষা-সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার গুরুত্ব অপরিসীম। ওই দেশে কোথাও কোনো সাইনবোর্ড বা ব্যানার খুঁজে পাওয়া যাবে না, যেখানে ফরাসি ভাষা ব্যতিরেকে অন্য কোনো ভাষার অস্তিত্ব রয়েছে। এমনকি খাবারের প্যাকেটেও শুধুই ফরাসি ভাষা।
১০. লুভ্যর মিউজিয়ামে গিয়ে যেন একটু বেশি-ই অবাক হলাম। এতসব বিখ্যাত চিত্রকর্ম ও ভাস্করদের সৃষ্টি রয়েছে, যা দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়। কিন্তু কোথাও ফরাসি ভাষা ছাড়া এক বর্ণ ইংরেজি নেই। সন্ধ্যায় হোটেলে ম্যানেজারের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে বললাম, তোমরা এত রক্ষণশীল কেন? আন্তর্জাতিক ভাষা ইংরেজি যা তোমাদের মিউজিয়ামেও ঠাঁই পায়নি। উত্তরে সে বলল দেখ, ফ্রান্সকে যে তোমরা উন্নত বিশ্বের দেশ বলো তা আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতির কারণে সম্ভব হয়েছে। আমরা নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দিই না বলেই আজকে উন্নত বিশ্বের গর্বিত অধিবাসী হতে পেরেছি। উত্তরটি আমার খুব ভালো লাগল এবং মনের মধ্যে গেঁথে গেল। সঙ্গে সঙ্গে নিজের দেশের মাতৃভাষার প্রতি আমাদের যে কতটা অবহেলা ও আন্তরিকতার অভাব রয়েছে তা মনে পড়ে গেল। অফিস-আদালত, সাইনবোর্ড, কিংবা ব্যক্তিগত যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইংরেজি বা ভিনদেশী ভাষার ব্যবহার অনেকটা ‘স্ট্যাটাস সিম্বল’ বা আভিজাত্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সত্যি কথা বলতে কি, নিজ ভাষা ও সংস্কৃতির চর্চাকে সর্বাধিক মূল্য না দিয়ে অন্য ভাষাকে গুরুত্ব দেওয়া একটি অসুস্থ মানসিকতার শামিল। একই সঙ্গে ভাষাবিদ ও দার্শনিক ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সেই অমিয় বাণীটিও মনে পড়ে গেল- মা, মাতৃভাষা ও মাতৃভূমিকে যে জাতি শ্রদ্ধা করে না সে জাতি কখনো বড় হতে পারে না।
১১. আবার কোনো কোনো বিষয়ে ফরাসিদের রক্ষণশীলতা দেখে ব্যথিতও হয়েছি । যেমন-ওই দেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা যা শুধু খ্রিস্টান ও ইহুদিদের জন্যই রয়েছে বলে মনে হয়েছে। তাদের জন্য প্রচুর গির্জা ও উপাসনালয় থাকলেও মুসলমানদের জন্য তেমন কোনো সুব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। শুনেছি, মৃতের পরিবারকে ধর্মীয় রীতিতে দাফন সম্পন্নের জন্যও নাকি নানাবিধ বাধার মধ্যে পড়তে হয়। কথাটি শোনার পর থেকেই মনের ভিতর কেমন যেন খচ খচ করতে থাকে। অথচ ইউরোপের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ হলো ফ্রান্স।
১২. কোনো সুনির্দিষ্ট স্ট্যাটিসটিকস না থাকলেও বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে যে, ফ্রান্সে প্রবাসী বাংলাদেশির সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে, যা ইতোমধ্যে ১ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এই প্রবাসীদের অধিকাংশই রাজধানী প্যারিস এবং এর আশপাশে বসবাস করেন। নিজস্ব চেষ্টায় ভাগ্যান্বেষণে এসে নানা ধরনের কাজ করে তারা টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। একটি নতুন কমিউনিটি, নতুন জেনারেশন যা গত ২৫ বছর ধরে একটু একটু করে গড়ে উঠেছে। তবে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্যান্য দেশের তুলনায় তারা অনেকটাই পিছিয়ে আছেন।
১৩. প্রাথমিক পর্যায়ে ফরাসি ভাষা কঠিন মনে হলেও চর্চার মাধ্যমে তা আয়ত্তে আনা সম্ভব। ফ্রান্সে এসেই বাংলাদেশিরা বাস্তবতার কারণে কাজের সন্ধানে নেমে পড়েন। ভাষাটা আর ওভাবে শেখা হয় না। ফলে তাদের কায়িক শ্রমের কাজ করতে হয়। ঘুরে দাঁড়ানোর আর সময় থাকে না। তবে যারা ভাষাটা শুরু থেকেই আয়ত্তে আনতে পারেন, তারাই তুলনামূলকভাবে ভালো কাজ পান এবং জীবনটাও অনেক সহজ হয়ে যায়।
১৪. তবে আশার কথা এই যে, ফ্রান্স ইউরোপের অন্যতম একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত। ওই দেশে কোনো লোক না খেয়ে মরে না। জনগণের কল্যাণে নিবেদিত ফ্রান্স সরকারের রয়েছে বিভিন্ন ধরনের অসংখ্য প্রকল্প, যেমন বেকার ভাতা, পেনশন ভাতা, চিকিৎসা ভাতা ইত্যাদি সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্প। এসব বিভিন্ন ধরনের ভাতার ব্যবস্থা থাকায় অনেকেই এর সদ্ব্যবহার করে থাকেন। তৃতীয় বিশ্বের ইমিগ্র্যান্টদের মধ্যেই এ সুযোগ গ্রহণের প্রবণতা অধিক লক্ষণীয়।
১৫. ফ্রান্সে বাংলাদেশি জিনিসের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ কম। কারণ ওখানে বাংলাদেশি ফ্লাইট সপ্তাহে মাত্র দুই দিন। অন্যদিকে অন্যান্য দেশের ফ্লাইট আসে প্রতিদিন। ফলে তারা সস্তায় তাজা শাকসবজি থেকে আরম্ভ করে অন্যান্য জিনিসপত্র দিতে পারে। ফ্রান্সে চাল ও চিংড়ি মাছের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। ভারত, চায়না, শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তানিরা এসব মার্কেট দখল করে আছে। খাবারজাতীয় জিনিস ছাড়াও ফ্রান্সে বাংলাদেশি রেডিমেড গার্মেন্টের এক বিরাট সম্ভাবনা রয়েছে। ওই দেশে বাংলাদেশি পোশাকের যথেষ্ট কদর, কিন্তু সেই তুলনায় উদ্যোক্তা ও উদ্যোগের অভাব রয়েছে। ফ্রান্সের এ বিশাল বাজারে বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের পণ্য স্থান করে নিতে পারে, সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের অধিক তৎপর হওয়া বাঞ্ছনীয় বলে মনে করি।
১৬. দেশটিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ইউরো কারেন্সিতে উপার্জনও ভালো। কিন্তু সুযোগ-সুবিধা ওভাবে বাড়ছে না। দুঃখের বিষয় যে, দেশে প্রিয়জনের কাছে রেমিট্যান্স প্রেরণের ব্যাপারে ফ্রান্স তথা প্যারিস নগরীতে তেমন কোনো ব্যাংকিং চ্যানেল গড়ে ওঠেনি। ফলে প্রায় সবাই হুন্ডির মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ পাঠান। তাই প্যারিসে হুন্ডি ব্যবসা জমজমাট। এতে দেশ কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
১৭. বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় একক খাত হলো রেমিট্যান্স আয়। কাজেই হুন্ডিকে প্রতিরোধ করে বৈধ পথে রেমিট্যান্স আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময়। ইউরোপের অন্যান্য দেশে, যেমন ইউকে এবং ইতালিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের কষ্টার্জিত অর্থ বৈধ পথে ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে আত্মীয়স্বজনের কাছে সহজে, দ্রুত ও নিরাপদে প্রেরণের জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে যেভাবে এক্সচেঞ্জ হাউস স্থাপন করা হয়েছে, ফ্রান্স তথা প্যারিসেও ওই একইভাবে একই আদলে এক্সচেঞ্জ হাউস স্থাপন করা যেতে পারে। এতে একদিকে যেমন হুন্ডির পথ রুদ্ধ হবে, অন্যদিকে প্যারিস নগরীতে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা বৈধ পথে আহরণের পথ সুগম হবে। ফলে সামগ্রিকভাবে দেশ লাভবান হবে
♦ লেখক : গবেষক ও প্রাবন্ধিক