জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী ১২ তারিখ 'হ্যাঁ' ভোট ও ১১ দলীয় জোটের যার যেখানে (প্রার্থী) দেওয়া হয়েছে, সেখানে জয়ী হওয়ার মাধ্যমে জনগণের সরকার কায়েম করা হবে। সারা বাংলাদেশে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের উত্তাল সমুদ্র দেখে তারা ভয় পায়। আমরা ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। শিশু থেকে আবাল বৃদ্ধ জনতার জন্য একই বিচার। যে অপরাধ করেছে সে অপরাধের শাস্তি তাকে পেতেই হবে, প্রধানমন্ত্রী থেকে সকলের জন্য বিচার হবে সমান। কোন দায়মুক্তি দেওয়া হবে না।
জামায়াত আমির আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে একটি ইতিহাস রচনা হবে, সেই ইতিহাস হবে ন্যায়-ইনসাফের পক্ষে, বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক মুক্তি, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজ মুক্ত করার পক্ষে এবং বেকারত্বের বিরুদ্ধে। সেই বাংলাদেশ গড়তে সবার প্রতি আহবান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, অতীতে যারা রাষ্ট্রের সম্পদ চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে, আমরা কথা দিচ্ছি আল্লাহ আমাদের দায়িত্ব দিলে তাদের পেটের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে তা বের করে আনা হবে। তা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে রেখে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানো হবে। এরা চোরাই ভোটের অন্ধকার গলির নায়ক। নিজেরা অপকর্ম করে আমাদের ঘাড়ে দোষ চাপিয়েছে, আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি আমরা নির্দোষ, আমরা কখনো অপকর্মের সাথে জড়িত ছিলাম না, আমরা সেসব ঘটনা বের করে বিচার নিশ্চিত করব।
লক্ষ্মীপুর-১ আসনের শাপলা কলির প্রার্থী মাহবুব আলম, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী রুহুল আমিন ভঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের প্রার্থী রেজাউল করিম ও লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের প্রার্থী হাফিজ উল্যাহর হাতে নির্বাচনি প্রতীক তুলে দেন তিনি।
জেলা জামায়াতের আমির রুহুল আমিন ভঁইয়ার সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান এটিএম মাসুম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারি আতিকুর রহমান, ঢাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, শিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ সাহেদী, জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম ও চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব প্রমুখ।
বিডি প্রতিদিন/এএম