Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ নভেম্বর, ২০১৬ ২৩:৪৩

আজীবন সম্মাননায় পাপিয়া সারোয়ার

শোবিজ প্রতিবেদক

আজীবন সম্মাননায় পাপিয়া সারোয়ার

আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী পাপিয়া সারোয়ার। শুভেচ্ছা সাংস্কৃতিক ফোরাম আয়োজিত ‘নয়নমণি সংস্কৃতি সন্ধ্যা’য় আগামীকাল ২২ নভেম্বর গুণী এই সঙ্গীতশিল্পীর হাতে ‘আজীবন সম্মাননা’ তুলে দেবেন মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল এমপি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নিজ হাতে ‘আজীবন সম্মাননা’ গ্রহণ করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন পাপিয়া সারোয়ার। একজন রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী হলেও খুব সহজেই শ্রোতারা তাকে চিনেন তার গাওয়া বহু শ্রোতাপ্রিয় গান ‘নাই টেলিফোন নাইরে পিয়ন নাইরে টেলিগ্রাম’ গানটির মাধ্যমে। আজীবন সম্মাননা পাওয়া প্রসঙ্গে পাপিয়া সারোয়ার বলেন, ‘কাজের স্বীকৃতি অবশ্যই অনেক আনন্দের। যখন কোনো স্বীকৃতি পাই তখন বার বার শুধু একটি কথাই মনে হয় যে, ভালো কাজের মূল্যায়ন সবসময়ই হয়। আজ নতুন করে আজীবন সম্মাননা এই ভাবনাই ভাবিয়ে তুলছে বার বার। যারা আমাকে সম্মাননা দিচ্ছেন তাদের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’ শুভেচ্ছা সাংস্কৃতিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান অপূর্ব জানান, ২২ নভেম্বর সন্ধ্যা ৫.৩০ মিনিটে রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরে ‘নয়নমণি সংস্কৃতি সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে আজ ২১ নভেম্বর পাপিয়া সারোয়ারের জন্মদিন। জন্মদিন প্রসঙ্গে পাপিয়া সারোয়ার বলেন, ‘সাধারণত জন্মদিনে আমি হৈ চৈ পছন্দ করি না। পরিবারের সদস্যরা মিলে নিজেরাই ঘরোয়াভাবে দিনটি উদযাপন করার চেষ্টা করি। এবারও ঠিক তাই হবে। তবে সবার কাছে দোয়া চাই যেন সুস্থ থাকি সবসময়।’ রবীন্দ্রচর্চায় অনন্য অবদানের জন্য স্বীকৃতিস্বরূপ পাপিয়া সারোয়ার বাংলাদেশ ও বিদেশে বিভিন্ন সম্মাননা পেয়েছেন। সম্প্রতি বাংলা একাডেমি তাকে ‘রবীন্দ্র  পুরস্কার ২০১৩’ প্রদান করে। বাংলা একাডেমি সম্মাননাসূচক ফেলোশিপ ২০১৫ প্রদান করেছে। সংগীতে পাপিয়ার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু হয় ছায়ানটে ১৯৬৬ সালে। ১৯৭৩ সালে তিনি সার্টিফিকেট কোর্স সম্পন্ন করেন। আতিকুল ইসলাম, ওয়াহিদুল হক, সানজিদা খাতুন, জাহিদুর রহিমের কাছে তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীতে তালিম নেন। ১৯৭৩ সালে তিনি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ছাত্রী সে সময় তিনি শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে সংগীতে উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য ভারত সরকারের বৃত্তি লাভ করেন।


আপনার মন্তব্য