জুলাই গণ অভ্যুত্থানের মাস শুরু আজ। ২০২৪ সালের এ মাসেই সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে গণ অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। জুলাইয়ের শেষার্ধে প্রতিদিনই ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ ও নিপীড়নের ঘটনা ঘটে। ৩ আগস্ট এ বার্তা ছড়িয়ে পড়ে যে, সেনাবাহিনী ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালাবে না। ৪ আগস্ট রাওয়া ক্লাবে সাবেক সেনা কর্মকর্তারা আন্দোলনের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেন। মিরপুর ও মহাখালী ডিওএইচএসে সেখানকার নিয়ম লঙ্ঘন করে সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের সন্তানরা সরকার পতনের দাবিতে মিছিল করেন। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ঘটনা আন্দোলনের তীব্রতা বাড়ায়। বিশেষ করে সেনাবাহিনীর ৩ আগস্টের সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনার পতন অনিবার্য করে তোলে। ৫ আগস্ট পতন ঘটে শেখ হাসিনা সরকারের। আজ থেকে নানা কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে শহীদ এবং অসংখ্য আহত ছাত্র-জনতাকে দেশবাসী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
জামায়াত : জুলাই গণ অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে জামায়াতের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন। ছাত্রদল : জুলাই-আগস্টের গণ অভ্যুত্থান স্মরণ, শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য সুসংহত করার লক্ষ্যে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।