পদ্মা সেতু ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধনের পর থেকে চলতি বছরের ২৯ জুন পর্যন্ত ২ কোটি ৬৮ লাখ ৬২ হাজার ৮০৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময়ে টোল হিসেবে মোট ৩ হাজার ৪২৯ কোটি ৪৫ লাখ ২৫ হাজার ৫৫০ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। আদায়কৃত টোল হতে মোট ১৬টি কিস্তিতে ২ হাজার ৫১৬ কোটি ৬৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকা সরকারের কোষাগারে জমা করা হয়েছে। এ ছাড়া মোট আদায়কৃত টোলের ১৫ শতাংশ ভ্যাট বাবদ ৪৩৬ কোটি ৭ লাখ ৭৪ হাজার ২২১ টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। গতকাল বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তার পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। তথ্য মতে, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও সরকারের অর্থ বিভাগের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী ১ শতাংশ সুদহারে ৩৫ বছরের মধ্যে সুদসহ মোট ৩৬ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। প্রতি অর্থবছরে চার কিস্তিতে সর্বমোট ১৪০টি কিস্তিতে উক্ত টাকা পরিশোধ করা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পদ্মা সেতু শুধু দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার ভাগ্যই বদল করেনি, বরং এটি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে কোনো কিস্তি বকেয়া না রেখে যথাসময়ে নির্ধারিত কিস্তি পরিশোধ করতে সক্ষম হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে সেতুর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর নির্দেশনায় বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ একটি আধুনিক, স্বয়ংক্রিয় ও ডিজিটাল যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে। আর্থিক শৃঙ্খলা ও টোল আদায়ের এই ইতিবাচক ধারা বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ঋণ পরিশোধ করে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে সেতু খাতের অবদান কাজে লাগানো যাবে।