শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:০৩, শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০

ফের দখল উত্তরের সেই জমি

সাবেক মেয়র আনিসের উচ্ছেদ করা ১৫৭ বিঘা জমি আবার দখল করে সহস্রাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান । আতিক বললেন, উদ্ধারে অচিরেই অভিযান
গোলাম রাব্বানী ও শামীম আহমেদ
অনলাইন ভার্সন

ফের দখল উত্তরের সেই জমি

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) লাভের গুড় খাচ্ছে পিঁপড়ায়! প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের উদ্ধার করা গাবতলী এলাকায় ডিএনসিসির ১৫৭ বিঘা জমি ফের চলে গেছে প্রভাবশালীদের দখলে। কেউ নিজে করছেন ইট-বালু-সুরকির ব্যবসা। অধিকাংশ দখলদার ওই জমি প্লট করে ভাড়া দিয়েছেন বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে। প্রায় ১১০০ কোটি টাকা বাজার মূল্যের এ জমি থেকে মাসে দেড় কোটি টাকার ভাড়া আদায় হলেও জানে না সিটি করপোরেশন। ২০১৭ সালে মেয়র থাকাকালীন আনিসুল হক এসব অবৈধ দখল উচ্ছেদে হাত দিলেও তার মৃত্যুর পর থেমে যায় এ উদ্যোগ। এরপর তার উদ্ধার করা অংশও পুনরায় দখল হয়ে যায়।

সরেজমিন দেখা গেছে, রামচন্দ্রপুর স্লুইস গেট থেকে ঢাকা-আরিচা সড়ক পর্যন্ত বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে আনিসুল হকের উদ্ধার করা জমিতে গড়ে উঠেছে শত শত অবৈধ দোকান, বাস-ট্রাক স্ট্যান্ড। বেড়িবাঁধ থেকে তুরাগ নদের ওয়াকওয়ে পর্যন্ত ডিএনসিসির পুরো জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে পাঁচ শতাধিক ইট-বালু-সুরকির আড়ত। রয়েছে পাথর ভাঙা কারখানা, কয়লার আড়ত, ভাতের হোটেল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গোডাউন, জ্বালানির দোকান থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দলের অফিসও। উদ্ধার করা জমির বিভিন্ন স্থানে এখনো উত্তর সিটির সাইনবোর্ড লাগানো রয়েছে। লেখা রয়েছে- ‘এই সম্পত্তির মালিক ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত।’ সাইন বোর্ডের পাশেই রয়েছে ইট-বালুর দোকান। কিছু সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলা হয়েছে। এর মাঝেই আবার নতুন করে টাঙানো হয়েছে পাউবো থেকে ইজারা নেওয়ার সাইনবোর্ড। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জমি উত্তর সিটির হলেও প্রভাবশালী মহল ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, তারা নিয়মিত প্লটের মালিককে ভাড়া পরিশোধ করছেন। কেউ ভাড়া দিচ্ছেন মাসিক, কেউ বার্ষিক। উত্তর সিটি করপোরেশন বলছে, ওই ১৫৭ বিঘা বা ৫২ একর ডিএনসিসির সম্পত্তি। জমি কাউকে বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। তারা কোনো রাজস্ব পায় না, কোনো ভাড়া তোলে না। এদিকে প্লটের মালিক দাবিদার এমন কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, এই জমি তাদের অবিভক্ত সিটি করপোরেশন থেকে ইজারা নেওয়া। প্রশ্ন উঠেছে- গাবতলীর এই ১৫৭ বিঘা জমি আসলে কার? কারা আদায় করছেন কোটি টাকা ভাড়া? টাকার ভাগ কোথায় কোথায় যাচ্ছে? এ বিষয়ে উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সিটির সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু করেছি। গাবতলীর ৫২ একর জমিতে ডিএনসিসির অনেক কিছু করার পরিকল্পনা রয়েছে। অচিরেই ওই জমি দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। আমি গাবতলী এলাকা পরিদর্শন করেছি। এ বিষয়ে সম্পত্তি বিভাগকে নির্দেশনাও দিয়েছি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০৫ সালে সিটি করপোরেশনে ৩০০ প্লট বরাদ্দের জন্য যারা আবেদন করেছিলেন, তাদের দখলেই আছে ডিএনসিসির ওই ১৫৭ বিঘা সম্পত্তি। তাদের কেউ কেউ নিজেরা ব্যবসা করছেন। অধিকাংশই অন্যদের কাছে ইট-বালু-সুরকি ব্যবসার জন্য প্লট ভাড়া দিয়েছেন। যারা ভাড়া নিয়েছেন তারা আবার প্লটের আংশিক জমি একাধিক জনের কাছে ভাড়া দিয়েছেন। সব মিলে পাঁচ শতাধিক প্লটে চলছে ইট-বালু-সুরকির ব্যবসা। আকার ও অবস্থানভেদে প্রতি প্লট থেকে মাসে ভাড়া তোলা হচ্ছে ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। ইট, পাথর ও বালুর মূল ঘাট এলাকার প্রতিটি প্লটের মাসিক ভাড়া ৫০ হাজার টাকার বেশি। কেউ বার্ষিক ভাড়া নিচ্ছেন। মেহরাব এন্টারপ্রাইজ ইট-বালুর ব্যবসার জন্য বার্ষিক ভাড়া দিচ্ছে সাড়ে ৮ লাখ টাকা। রাস্তার পাশে উচ্ছেদ আতঙ্ক থাকায় তার পাশের প্লটটির বার্ষিক ভাড়া ৭ লাখ টাকা। মোহাম্মদ আলী এন্টারপ্রাইজ তিন কাঠার প্লটের জন্য মাসে ১০ হাজার টাকা ভাড়া দেয়। এর বাইরে ভাঙ্গাড়ির দোকান, নতুন-পুরনো টায়ারের দোকান, চায়ের দোকান, ভাতের হোটেলসহ আরও প্রায় চার থেকে পাঁচশ দোকান গড়ে উঠেছে ওই জমিতে। নদীর পাড়েও ১০-১৫ হাজার টাকা অগ্রিম নিয়ে ও মাসিক এক-দেড় হাজার টাকা ভাড়ায় চায়ের দোকান বসিয়েছেন কেউ কেউ। প্লট ভাড়া নেওয়া একজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘এসব দোকান থেকে মাসে দেড় কোটি টাকার বেশি ভাড়া উঠছে। যারা আমাদের জায়গা দিয়েছেন, আমরা তাদের ভাড়া দিচ্ছি। এটা সরকারি জায়গা হলে সরকারকে ভাড়া দিতে আমাদের আপত্তি নেই। আমরা ব্যবসা করতে পারলে খুশি।’ জমির দাম : বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী ডিএনসিসির ওই এলাকায় প্রতি কাঠা জমির মূল্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা। সেই হিসাবে ১৫৭ বিঘা জমির দাম প্রায় ১১০০ কোটি টাকা। তবে নদীর পাড়ের বাণিজ্যিক জমি হওয়ায় দাম আরও বেশি হবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

তিন বছরে রাজস্ব আসত ৫৪ কোটি টাকা : ২০১৭ সালে ওই জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়। আনিসুল হকের মৃত্যুর পর ফের তা বেদখল হয়। অথচ, ভাড়া তুললেও মাসে দেড় কোটি টাকা করে তিন বছরে ডিএনসিসি রাজস্ব পেত ৫৪ কোটি টাকা।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, গাবতলীর ওই ৫২ একর জমি সিটি করপোরেশন কাউকে ভাড়া বা বরাদ্দ দেয়নি। সেখান থেকে সিটি করপোরেশন কোনো রাজস্ব পায় না। আমাদের কোনো কর্মী সেখান থেকে টাকা-পয়সা আনে না। কাদের ভাড়া দিয়ে ব্যবসায়ীরা দোকান বসিয়েছে তা তারাই জানেন। শিগগিরই এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে জমি উদ্ধার করা হবে। ওই জমিতে আধুনিক জবেহখানা, আধুনিক ওয়ার্কশপ, খেলার মাঠ তৈরিসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। দখলদাররা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ওই জমি ইজারা নিয়েছে বলে যেসব কাগজপত্র দেখায় সেগুলোর কোনো ভিত্তি নেই।

এ বিষয়ে গাবতলী ইট, পাথর ও বালু ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মাহমুদুল হাসান মনির বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের কাছ থেকে ২০০৫ সালে সালামির মাধ্যমে আমরা ৩০০ প্লট বরাদ্দ নিয়ে এখানে ইট-বালু-পাথরের ব্যবসা করছি। সরকারের প্রয়োজনে সরকার যদি এই জমি নেয়, তবে আমাদের ব্যবসা করার জায়গা দিক। ঢাকা শহরের উন্নয়নের জন্য ইট-বালু-পথরের একটা ঘাট থাকা দরকার। সরকারের কাছে আমাদের অনুরোধ, আমাদের জায়গাটার বৈধতা দেওয়া হোক। আমাদের এই ব্যবসার সঙ্গে প্রায় কয়েক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত। সরকারের আমাদের কথাও ভাবা উচিত। ২০১৭ সালের ৫ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ওই জমিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে ডিএনসিসি। তৎকালীন মেয়র প্রয়াত আনিসুল হক ওই অভিযানে নেতৃত্ব দেন। উদ্ধারের পর টিন দিয়ে সীমানা চিহ্নিত করা হয়। উচ্ছেদ অভিযান শেষে উত্তর সিটির পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড অবিভক্ত সিটি করপোরেশনকে ৫২ একর জমির মালিকানা হস্তান্তর করে। পরে যা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দখলে চলে যায়। পুরো ৫২ একর জমি উদ্ধারের পর ওই জমিতে একটি অ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট ও কেন্দ্রীয় পরিবহন ওয়ার্কশপ নির্মাণের পরিকল্পনার কথা তখন বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। তবে আনিসুল হক মারা যাওয়ার পর সেখানে আর টেকসই সীমানাপ্রাচীর তৈরি করেনি ডিএনসিসি। আবার বরাদ্দ দিয়ে ভাড়াও আদায় করেনি। এ সুযোগে দখলদার চক্র ডিএনসিসির সাইনবোর্ড, টিনের সীমানা খুঁটি সরিয়ে আবার দখল করে নেয়।

এই বিভাগের আরও খবর
সেই নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী
সেই নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি-স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় ওমানের প্রশংসা করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি-স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় ওমানের প্রশংসা করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যানের বৈঠক
তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যানের বৈঠক
বিনিয়োগবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে বৃহত্তর পরিকল্পনা আছে : মাহদী আমিন
বিনিয়োগবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে বৃহত্তর পরিকল্পনা আছে : মাহদী আমিন
রাত ১টার মধ্যে দেশের ১৮ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির আভাস, সতর্কতা জারি
রাত ১টার মধ্যে দেশের ১৮ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির আভাস, সতর্কতা জারি
বাংলাদেশ থেকে পোশাক-চামড়াজাত পণ্য নিতে আগ্রহী ইতালি
বাংলাদেশ থেকে পোশাক-চামড়াজাত পণ্য নিতে আগ্রহী ইতালি
ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আয়োজিত ‘গরবিনী মা’ সম্মাননা অনুষ্ঠিত
ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আয়োজিত ‘গরবিনী মা’ সম্মাননা অনুষ্ঠিত
এসএসসির নবম দিনের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৩১ হাজার, বহিষ্কার ৯
এসএসসির নবম দিনের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৩১ হাজার, বহিষ্কার ৯
স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণে কোরিয়া যাচ্ছেন ইসির তিন কর্মকর্তা
স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণে কোরিয়া যাচ্ছেন ইসির তিন কর্মকর্তা
৬ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির আভাস
৬ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির আভাস
এক-এগারোর অমানবিক ঘটনাগুলোর নেপথ্যে ছিলেন মাসুদ উদ্দিন: চিফ প্রসিকিউটর
এক-এগারোর অমানবিক ঘটনাগুলোর নেপথ্যে ছিলেন মাসুদ উদ্দিন: চিফ প্রসিকিউটর
সর্বশেষ খবর
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজে ধাক্কা, নিহত ২
নওগাঁয় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজে ধাক্কা, নিহত ২

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মক্কার জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে ৬০ পৃষ্ঠার হাতে লেখা কোরআন
মক্কার জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে ৬০ পৃষ্ঠার হাতে লেখা কোরআন

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রিয়ালকে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয়বার লিগ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা
রিয়ালকে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয়বার লিগ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবারের মতো কিং আবদুল আজিজ কোরআন প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা
প্রথমবারের মতো কিং আবদুল আজিজ কোরআন প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

তেজগাঁও এলাকায় অভিযানে গ্রেফতার ৬৫
তেজগাঁও এলাকায় অভিযানে গ্রেফতার ৬৫

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওপেনএআইয়ের নতুন মূল্য নীতিতে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বাজার
ওপেনএআইয়ের নতুন মূল্য নীতিতে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বাজার

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া
জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাফ শিরোপা জেতায় র‌্যাংকিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল
সাফ শিরোপা জেতায় র‌্যাংকিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল
সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল

৩ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

প্রযুক্তি ও পরিবর্তিত বাজারে শ্রমজীবীদের সুরক্ষায় নতুন নীতির তাগিদ
প্রযুক্তি ও পরিবর্তিত বাজারে শ্রমজীবীদের সুরক্ষায় নতুন নীতির তাগিদ

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপের সেই পেনাল্টি এখনো ভুলতে পারেননি বাজ্জো
বিশ্বকাপের সেই পেনাল্টি এখনো ভুলতে পারেননি বাজ্জো

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা
ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা
১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ
পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ

৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গোলরক্ষকের বীরত্বে শিরোপার আরও কাছে আর্সেনাল
গোলরক্ষকের বীরত্বে শিরোপার আরও কাছে আর্সেনাল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিকলীতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
নিকলীতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হামজাদের কোচ বাছাইয়ে চূড়ান্ত তালিকায় ৬ জন
হামজাদের কোচ বাছাইয়ে চূড়ান্ত তালিকায় ৬ জন

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হান্টাভাইরাস আতঙ্কে নোঙর করা প্রমোদতরী থেকে যাত্রী সরানো শুরু
হান্টাভাইরাস আতঙ্কে নোঙর করা প্রমোদতরী থেকে যাত্রী সরানো শুরু

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আফ্রিকার চলচ্চিত্র অনুষ্ঠানে ৫০০ পাউরুটির পোশাকে নজর কাড়লেন তারকা
আফ্রিকার চলচ্চিত্র অনুষ্ঠানে ৫০০ পাউরুটির পোশাকে নজর কাড়লেন তারকা

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সাভারে পিস্তল ও গুলিসহ আটক-৩
সাভারে পিস্তল ও গুলিসহ আটক-৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালের আবাসিক ভবনের ছাদে মুরগির খামার, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ রোগী-স্বজন
হাসপাতালের আবাসিক ভবনের ছাদে মুরগির খামার, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ রোগী-স্বজন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস'র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ
ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস'র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এআইয়ের ঝুঁকি ঠেকাতে সাংবিধানিক পরিবর্তনের পথে গ্রিস
এআইয়ের ঝুঁকি ঠেকাতে সাংবিধানিক পরিবর্তনের পথে গ্রিস

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া
বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

গাড়িতে আসছে গুগলের জেমিনি এআই: বদলে যাবে চালকের অভিজ্ঞতা
গাড়িতে আসছে গুগলের জেমিনি এআই: বদলে যাবে চালকের অভিজ্ঞতা

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

দুই বন্ধু মিলে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ
দুই বন্ধু মিলে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সংকট সমাধানে গরুর মাংস আমদানিসহ রেস্তোরাঁ মালিকদের ১১ দাবি
সংকট সমাধানে গরুর মাংস আমদানিসহ রেস্তোরাঁ মালিকদের ১১ দাবি

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সর্বাধিক পঠিত
শপথের ঘণ্টা না পেরোতেই যা করলেন বিজয়, অবাক পুরো তামিলনাড়ু
শপথের ঘণ্টা না পেরোতেই যা করলেন বিজয়, অবাক পুরো তামিলনাড়ু

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজশাহীর কোন আম কবে বাজারে আসবে, সময়সূচি ঘোষণা
রাজশাহীর কোন আম কবে বাজারে আসবে, সময়সূচি ঘোষণা

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শেষ ১ ঘণ্টার নাটকেই খেলা ঘুরে গেল, কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়
শেষ ১ ঘণ্টার নাটকেই খেলা ঘুরে গেল, কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় সংরক্ষণের প্রস্তাব পুতিনের
ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় সংরক্ষণের প্রস্তাব পুতিনের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলায় ইরাকে গোপন সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছিল ইসরায়েল: রিপোর্ট
ইরানে হামলায় ইরাকে গোপন সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছিল ইসরায়েল: রিপোর্ট

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে খেলবে ইরান, তবে ৭ শর্ত মেনে নিতে হবে ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্রকে
বিশ্বকাপে খেলবে ইরান, তবে ৭ শর্ত মেনে নিতে হবে ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্রকে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা ৫ দিন বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
টানা ৫ দিন বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেই নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী
সেই নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান?
ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে হরমুজ প্রণালীতে এবার সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান
উত্তেজনা বাড়িয়ে হরমুজ প্রণালীতে এবার সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ থেকে ১৩ দিন ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
আজ থেকে ১৩ দিন ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন
সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

২০ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

৫৪ বছর পর বাড়ি ফিরলেন সাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলে
৫৪ বছর পর বাড়ি ফিরলেন সাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলে

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া
বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে, হরমুজে তারাই বাধার সম্মুখীন হবে: ইরান
যেসব দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে, হরমুজে তারাই বাধার সম্মুখীন হবে: ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামরিক নেতৃত্বকে নতুন নির্দেশনা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা
সামরিক নেতৃত্বকে নতুন নির্দেশনা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শতকোটি রুপির এফডিআরসহ যে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক থালাপতি বিজয়
শতকোটি রুপির এফডিআরসহ যে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক থালাপতি বিজয়

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পরকীয়া ও সন্দেহের জেরে ‘ও’ লেভেল ছাত্র ইয়াছিনকে হত্যা, গ্রেফতার ৩
পরকীয়া ও সন্দেহের জেরে ‘ও’ লেভেল ছাত্র ইয়াছিনকে হত্যা, গ্রেফতার ৩

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে এনসিপির ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা
উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে এনসিপির ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে নাচে-গানে ঝড় তুলবেন নোরা
ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে নাচে-গানে ঝড় তুলবেন নোরা

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হরমুজ নিয়ে ফের হুঁশিয়ারি ইরানের, বিস্ময়কর প্রতিশোধের হুমকি
হরমুজ নিয়ে ফের হুঁশিয়ারি ইরানের, বিস্ময়কর প্রতিশোধের হুমকি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমার বাজান নতুন জামা পরে হাসতে হাসতে বোনের বাড়ি গেছিল, কে জানত এটাই শেষ যাওয়া’
‘আমার বাজান নতুন জামা পরে হাসতে হাসতে বোনের বাড়ি গেছিল, কে জানত এটাই শেষ যাওয়া’

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে পাকিস্তান
টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে পাকিস্তান

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন, এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না’
‘বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন, এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার হরমুজ পাড়ি দিল কাতারের এলএনজি ট্যাংকার
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার হরমুজ পাড়ি দিল কাতারের এলএনজি ট্যাংকার

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয়ের উত্থানের অবিশ্বাস্য গল্প
বিজয়ের উত্থানের অবিশ্বাস্য গল্প

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ভবিষ্যৎ যুদ্ধ হবে আরও ভয়ংকর, শত্রুর পরিণতি হবে ‘বেদনাদায়ক’ : পাকিস্তান সেনাপ্রধান
ভবিষ্যৎ যুদ্ধ হবে আরও ভয়ংকর, শত্রুর পরিণতি হবে ‘বেদনাদায়ক’ : পাকিস্তান সেনাপ্রধান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে বিমানবন্দরের রানওয়েতে উড়োজাহাজের ধাক্কায় নিহত ১
যুক্তরাষ্ট্রে বিমানবন্দরের রানওয়েতে উড়োজাহাজের ধাক্কায় নিহত ১

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে উল্টো গণপিটুনির শিকার যুবক
সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে উল্টো গণপিটুনির শিকার যুবক

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিন্ট সর্বাধিক
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত চায় নবযাত্রা
ভারত চায় নবযাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি
পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি

নগর জীবন

প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ

সম্পাদকীয়

ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা
ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা
ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ
১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ

প্রথম পৃষ্ঠা

কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান
কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান

নগর জীবন

কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ
কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ

মাঠে ময়দানে

বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ
বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ

পেছনের পৃষ্ঠা

আমি একজন গর্বিত মা
আমি একজন গর্বিত মা

শোবিজ

জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়
জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন
ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন
রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন

শোবিজ

বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি
বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি

শোবিজ

মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা
মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা

দেশগ্রাম

পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা
পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা

প্রথম পৃষ্ঠা

মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ
মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ

শোবিজ

এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ
এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ

মাঠে ময়দানে

অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি
অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি

শোবিজ

ভক্তদের মাঝে হামজা
ভক্তদের মাঝে হামজা

মাঠে ময়দানে

বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না
বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না

প্রথম পৃষ্ঠা

তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু
তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু

দেশগ্রাম

সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!
সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিষেক টেস্টেই আজানের সেঞ্চুরি
অভিষেক টেস্টেই আজানের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী
এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত
অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

ভরসা এখন স্পিনাররাই
ভরসা এখন স্পিনাররাই

মাঠে ময়দানে