শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৫৫, শুক্রবার, ০৫ জুলাই, ২০১৯ আপডেট:

তামিলনাড়ুর পন্ডিচেরী ভ্রমণ

ফারজানা আফরিন
অনলাইন ভার্সন
তামিলনাড়ুর পন্ডিচেরী ভ্রমণ
নরওয়ের অসলো ইউনিভার্সিটির অধীনে একটি পেশাগত কোর্সে স্বামী তিনমাসের জন্য পন্ডিচেরীতে। তো ঠিক করলাম এই তিনমাসের মধ্যে একবার ঘুরে আসি দক্ষিণ ভারতের ফ্রেঞ্চ কলোনি নামে বিখ্যাত পন্ডিচেরী থেকে। অফিস থেকে ১০ দিনের ছুটি নিয়ে নির্দিষ্ট দিনে শুরু হলো যাত্রা। ভারতের ভিসা আগে থেকেই করা ছিল। তবে সেটি ছিল সাংবাদিক ভিসা, সফরের উদ্দেশ্য ভ্রমণ। সমস্যা হবার কথা ছিল না, তাও কিছু জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হতে হলো। ঢাকা থেকে সস্তায় পেয়েছিলাম রিজেন্ট এয়ারলাইনসের টিকেট, ১০ হাজার টাকায় রিটার্ন, ঢাকা-কোলকাতা-ঢাকা। এই প্লেনের শিডিউলের সাথে মিলিয়ে জেট এয়ারওয়েজে কোলকাতা-চেন্নাই-কোলকাতা রিটার্ন করেছিলাম, দাম একটু বেশিই পড়েছিল, বেশি আগে থেকে কাটতে পারিনি বলে। ১৭ হাজার পড়েছিল আসা-যাওয়া।
 
একা যাত্রা, কলকাতায় সাড়ে তিন ঘণ্টার ট্রানজিট ছিল। এতো সময় কীভাবে কাটাবো একটু চিন্তায় ছিলাম একঘেয়েমি লাগতে পারে ভেবে। তাই কলকাতায় পরিচিত এক দাদা আর দিদি যাদের বাসার এয়ারপোর্টের পাশেই, তাদের বলে রেখেছিলাম, উনারাও স্বাচ্ছন্দ্যে আসবেন জানালেন। কিন্তু দেখা গেল ফ্লাইট ঠিক টাইমে ছেড়ে ইমিগ্রেশান পার হয়ে বের হয়ে লাগেজ নিতে নিতে পরের ফ্লাইটের সময় হয়ে গেল কিভাবে যেন। এর মধ্যেও অবশ্য তাদের সাথে বিমান বন্দরের বাইরে চা-কফি খেয়েছি।
 
এখন আসি ইমিগ্রেশানের কথা। এর আগে ৭/৮ বার ভারত গিয়েছি সাংবাদিক ভিসা নিয়েই। কখনো কোন সমস্যা হয়নি, কিন্তু এবার অভিবাসন কর্মকর্তা আমাকে খুব জেরা করতে থাকলেন। কেন J ভিসা নিয়ে ট্যুর করতে এলাম। T ভিসায় কেন নয়। অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে তাকে বুঝিয়ে বললাম বাংলাদেশে তাদের ভারতীয় ভিসা অফিসে সাংবাদিক ভিসা পেতে সহজ আমাদের জন্য এবং ভারতীয় দূতাবাসের পরামর্শেই এই ভিসা নিয়ে ভ্রমণ করি আমি। যাই হোক, তিনি কনভিন্সড হলেন না, বোর্ডিং পাসে লেখা কন্টাক্ট নম্বরে ফোন দিতে বললেন, এয়ারপোর্টে বাইরে দাঁড়ানো সেই দাদা-দিদির ফোন নম্বরই দেয়া ছিল। তাদের সাথে কথা বলল। তারপর বলল পন্ডিচেরি কেন যাবেন, সেখানকার হোটেলের নম্বরে কথা বলতে চাইলেন। বললাম স্বামী কোর্স করছেন, কিন্তু জানা গেল তিনি জীবনে নরওয়ের অসলো ইউনিভার্সিটির নাম শোনেননি। ফোন যে দেবো বর তখন ক্লাসে, ফোন ধরবে না জানি। ঠাণ্ডা মাথায় তাকে বললাম বাংলাদেশে ভারতীয় দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কোন কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে তাহলে আইনটি সম্পর্কে জানতে পারবেন উনি। কিন্তু দেখা গেল তিনি না শোনার ভান ধরে এদিক-সেদিক ঘুরছেন, বুঝলাম কথা বলতে চাইছেন না।
 
কিছুক্ষণ পর আরেক কর্মকর্তা এলেন, এভাবে তিন-চারজন কথা বললেন। ওদিকে আমি মনেমনে অসহিষ্ণু হয়ে উঠলাম, তারপর তাকে সরাসরি জিজ্ঞেস করলাম ‘আপনার ঝুঁকির জায়গাটা বলুন। আমাকে ছাড়তে আপনি কি ঝুঁকিবোধ করছেন?’
 
তিনি হেসে বললেন ‘ম্যাডাম, যেমনটি ভাবছেন তেমনটি নয়, আমাদের রুটিন ওয়ার্ক করছি।'
 
বললাম ‘না, বহুবার ভারত ভ্রমণ করা, প্রপার তথ্য দেয়া বাংলাদেশের একজন সম্মানিত নাগরিককে কোন গ্রাউন্ড ছাড়া (যেহেতু সাংবাদিক ভিসায় ঘুরতে আসা তাদের আইনে অনুমোদিত এবং এই ভিসা তাদের দেশের অফিসই দিয়েছে, বাংলাদেশ দেয়নি) আটকে রাখা রুটিন কাজ নয়।
কিছুক্ষণ পর আরেকজন কর্মকর্তা এসে জিজ্ঞাসাবাদ রুমে নিয়ে আমার পেশা, কাজের ধরণ, বাংলাদেশের রাজনীতির হাল-চাল, শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা ইত্যাদি করে দুঃখ প্রকাশপূর্বক আমাকে ছাড়লেন এবং পাসপোর্টে সিল দিলেন।
 
তারপর জেট এয়ারওয়েজের ভ্রমণ, বড় বিমান... আচরণে রুঢ় কিন্তু ভীষণ পেশাদার সব কেবিন ক্রু…মন ভাল হয়ে গেল। কম টাকায় টিকেট কেটেছিলাম তাই জানি নো মিল ফ্লাইট এগুলো, খিদে পেলে খাবার কিনে খেতে হবে। বিমানে উঠে থিতু হয়ে বসতেই দেখি আমার চারদিকে প্রায় সব সিটেই একজন করে ‘রজনীকান্ত’ বসে আছেন। অর্থ্যাৎ সফেদ লুঙ্গি, ফতুয়া/শার্ট, গোঁফওয়ালা তামাটে বর্ণের পুরুষ, গলায়-সোনার মোটা চেইন-বালা।
 
যাক গে, প্লেন ভর্তি রজনীকান্ত ও একেবারে ভীনভাষী একদল সহযাত্রীর সাথে যাত্রা হলো শুরু। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর পৌছুলাম চেন্নাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। উপর থেকেই চোখে পড়লো বিস্তৃত সমুদ্রের জলরাশি। সে এক অন্যরকম অনুভূতি।
 
প্লেনে খিদে লেগেছিল, ডলার খরচ করে বিরানী নামক পরিচিত কিন্তু অতি অখাদ্য খাবার খেলাম। ডমেস্টিকে কোন ঝামেলা নেই, অতি সুন্দর-পরিপাটি বিমানবন্দর…মন ভাল হয়ে গেল। সাথে ছিল কোলকাতার দাদা-দিদির কাছে থেকে ধার নেয়া সিমকার্ড। জামাইকে ফোন দিয়ে শুনি তার আসতে আরো ঘণ্টাখানেক সময় লাগবে। মেজাজ খারাপ করা উচিত কিনা ভাবতে ভাবতে মনে হলো খুব ভাতের খিদে পেয়েছে। এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে লোকজনকে জিজ্ঞেস করে (হিন্দি-ইংরেজি কিছুই বোঝে না, ইশারায় বুঝিয়েছি) একটা অটো নিয়ে বাস স্ট্যান্ড গেলাম, কোয়েম্বেডু বাস স্ট্যান্ড, বরের কাছ থেকে শুনেছি ওখান থেকেই বাসে উঠতে হবে আমাদের পন্ডিচেরী যাবার জন্য। আর সে এসে নামবেও এখানেই খুব সম্ভব-এই ভেবে চলে আসা। বাস স্ট্যান্ডের পাশে একেবারে সাধারণ মানের, ছাপড়া ঘর টাইপের অনেকগুলো খাবার হোটেল দেখে একটায় বসে পড়লাম খেতে, সাথে একটা ছোট হ্যান্ড লাগেজ আর একটা ট্রলি ছিল। খুব বেশি সমস্যা হয়নি। রাস্তার পাশের ধাবা হলেও পরিস্কার ছিল হোটেল। মাত্র ৮০ রুপিতে ভাতসহ নানানপদের খাবার খেলাম। ডাল আর পাপড়টা ছিল সেই মজা। আসলে কলাপাতার উপর ধোয়া উঠা ধবধবে সাদা ভাত দেখে প্রাণ জুড়িয়ে গিয়েছিল।
 
বলতে ভুলে গিয়েছিলাম আমার কাছে বাসায় রাখা আগের অল্প কিছু রুপি ছিল, ওগুলো সাথে নিয়েছিলাম কাজ চালানোর জন্য। আর চেন্নাই এসে চা খাওয়ার পর ডলার ভাঙিয়ে নিয়েছিলাম, কারণ শুনেছি পন্ডিতে রেট অত ভাল না। পরে গিয়ে অবশ্য দেখেছি চেন্নাই এ যা রেট ডলারের, পন্ডিতেও তাই-ই।
 
মাটির ভাড়ে এক কাপ চা খেতে খেতে জামাইকে ফোন দিয়ে বললাম কোয়েম্বেডু বাস স্ট্যান্ডে আছি, সে যেন এয়ারপোর্টে না যায়। মিনিট দশেকের ভেতরই দেখা হয়ে গেল আমাদের। ওখান থেকে এসি বাসে পন্ডিচেরীর টিকেট কাটা হলো, দাম পড়েছিল খুব সম্ভবত ১৪০ রুপি করে। সময় লাগবে চার ঘণ্টা। আরামদায়ক, সুন্দর বাস, সব অপরিচিত যাত্রী, সহজ-সাদামাটা সাধারণ মানুষজন। বরকে কলকাতা বিমানবন্দরের ঘটনা বলতে বলতে হঠাৎ দেখি প্রায় সন্ধ্যে যাওয়া বিকেলে রাস্তার একপাশে কী দারুণ নীল সমুদ্র, আরেক পাশে পাহাড়-লোকালয়। এই পথ পুরোটাই এতো সুন্দর, এতো মসৃণ, এতো দারুণ ল্যান্ডস্কেপ। আমার খুব ভাল লেগেছিল।
 
পন্ডিচেরী পৌঁছে অটো নিয়ে চলে যাই মিশন রোডে, ওখানের ডর্মে একগাদা ইউরোপীয়ান কোর্সমেটের সাথে বরের বসবাস। যেহেতু স্ত্রী এসেছে তাই ডর্মের সাথে লাগানো একটি হোটেলে ২০০০ রুপিতে এসি রুম নেয়া হয়েছিল। পরিস্কার-ঝকঝকে রুম তবে বেশ আগের দিনের বিল্ডিং, অত হাই-ফাই কিছু না। দুটি রুম একসাথে, ডাইনিং এর মতো রুমে ইলেক্ট্রিক, চুলা, ফ্রিজ ছিল। যদিও আমরা একবেলাও রেঁধে খাইনি।
 
এবার আসি পরের রুটিনে। যাওয়া আসা দুইদিন বাদ দিয়ে ৮ দিনে সম্ভাব্য ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশান ঠিক করে নিয়েছিলাম। শনি-রবিবার বাদে বাকি দিনগুলো সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত বরের ক্লাস-ওয়ার্কশপ। এর মাঝে একটা সেশান শেষ হওয়া উপলক্ষ্যে দুইদিনের অফ যুক্ত হলো, সাথে তাদের কোর্সমেটদের নাইট পার্টি ছিল বোনাস পাওয়া।
 
যে দিনগুলোতে তার ক্লাস ছিল সে দিনগুলো আমি একা সকালের দিকে বেরিয়ে পড়তাম, পুরো পন্ডিচেরি শহরের আনাচে-কানাচে বিভিন্ন মন্দির-মল-সী বিচ-স্ট্রিটহোটেল এক্সপ্লোর করতাম।
 
এই শহরকে ভারতের কোন শহর মনে হয় না, এখনো প্রচুর ফ্রেঞ্চ লোকের বসবাস, বিল্ডিংগুলো ফ্রেঞ্চ আদলে করা, পরিস্কার ছিমছাম শহর। অটোতে যাওয়া যায় এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায়। আমি বেশিরভাগ জায়গায় গিয়েছি পায়ে হেঁটে, কারণ তাতে সেখানকার লোকালয়-পথ-ঘাট সম্পর্কে জানা যায়। এরকম পথে একা ঘুরতে ঘুরতে স্থানীয় অনেকের সাথেই সখ্যতা হয়েছিল, শহরের ভেতরে অরবিন্দ আশ্রমে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সময় মেনে সাধারণ মানুষদের আহার করানো হয় নামমাত্র মূল্যে। সেখানে খেয়েছি কয়েকবেলা, প্রথমে গিয়েছিলাম কৌতূহল থেকে, পরে খাবারটা ভাল লেগে গিয়েছিল।
 
ওদের সাধারণ হোটেলে খাওয়া বেশ কষ্টকর। যদিও আমি যেকোন নতুন জায়গায় গেলে তাদের লোকাল খাবার খাওয়ার চেষ্টা করি, টেস্ট বুঝতে চাই, নতুন স্বাদ নিতে চাই। কিন্তু ট্যালট্যালে ঝোলে কারি পাতা দেয়া 'সাম্ভার' একইরকম স্বাদের খাবার আর ভাল্লাগছিল না। এমনকি ডমিনাস পিজার পিজাতেও ছিল কারিপাতা, কী আর বলবো। তাদের বিখ্যাত ইডলিও মন কাড়তে পারেনি।
 
এর মধ্যে ঠিক হলো আমরা মহাবলীপুরম পঞ্চরাথোর, শোর টেম্পল যাব। পন্ডিচেরী থেকে এর দূরত্ব ৯৫ কিলোমিটার, চেন্নাই থেকে ৫৫ কিলোমিটার। আমরা জেএন স্ট্রিট পন্ডিচেরি সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ড থেকে বাসে চড়ে বসলাম। ফেরার পথে কথা ছিল পন্ডিচেরি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাব, ওখানে বৃত্তি নিয়ে পড়ছে ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছোট ভাই-ব্রাদার আছে, আছে বাংলাদেশি আরো শিক্ষার্থী। তাদের সাথে সাক্ষাৎ -আড্ডা।
মামাল্লাপুরাম তামিলনাড়ুর বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত একটি জেলা শহর। একদিকে সমুদ্র আরেক দিকে পাথরের নয়নাভিরাম ঐতিহাসিক স্থাপনা। গুগলে ছবি দেখে ভাল লেগেছিল আগেই কিন্তু যাবার পর বুঝলাম আসলেই অসাধারণ সুন্দর জায়গা। সপ্তম ও অষ্টম শতকে পল্লব রাজার তৈরি মন্দির-স্থাপনায় প্রসিদ্ধ এই জায়গা। এখানকার এন্ট্রি ফি বিদেশীদের জন্য ৫০০ রুপি। এক টিকেটে পুরো এলাকা ঘুরে দেখা যাবে। ঘুরাঘুরি শেষ করে সমুদ্রে দাপিয়ে ওখানকার স্থানীয় হোটেলে খাবার খেয়ে আমরা আবার বাসে উঠলাম। পন্ডিতে যাবার আগেই পন্ডিচেরি বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে প্রাণবন্ত আড্ডা দিয়ে ফিরলাম শহরে।
 
এরপর আরেকদিন আমরা গিয়েছি অরোভিলে মাতৃ মন্দিরে। শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বিশ্ব বিখ্যাত ট্যুরিস্ট স্পট। এখানে সারা বছরই বিদেশীদের আসা-যাওয়া। এটি ভারতের চিরাচরিত কোন মন্দির বা আশ্রম নয়। শ্রী অরবিন্দের শিষ্য শ্রীমা এক অখণ্ড মানবতা সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে মানবধর্ম প্রচারে এই আশ্রম প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। এটি শান্ত-সুনিবির একটি স্থান, জোরে কথা বলা-উচ্চ শব্দ নিষেধ। সেখানকার সংগ্রহশালাটি মনোমুগ্ধকর, রয়েছে কেনাকাটার জন্য অভিজাত দোকান-পাট। 'কলকা' নামের দোকানের সব জিনিসপত্রেই মুগ্ধ ছিলাম, কিছু কেনাকাটাও করি। অরোভিলে মাতৃ মন্দিরে প্রবেশের আগে একটি মিলনায়তনে এই আশ্রম সম্পর্কে ট্যুরিস্টদের জানানোর জন্য একটি চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন রয়েছে।
 
দুপরের খাবার আমরা ওখানেই খাই। দাম পন্ডিচেরির চেয়ে একটু বেশি তবে খাবারের মান ভাল ও বৈচিত্র্য রয়েছে। সারাদিন ঘুরে ফেরার পথে আরো কয়েকটি জায়গায় থেমে ঘুরে দেখি।
 
এই ভ্রমণে আরো যে কয়টি জায়গা আমরা ঘুরে দেখি সেগুলো হলো ভেলাংগনে, প্যারাডাইজ বীচ (শুধু বিদেশিরা যেতে পারে), পুদুচ্চেরী বোটানিক্যাল গার্ডেন, ফ্রেঞ্চ ওয়ার মেমোরিয়াল, ক্যাথলিক গির্জা সিক্রেট হার্ট অফ জিসাস, জিএনজি ফোর্ট। আর প্রায় প্রতিদিন বিকেলেই যেতাম রক বিচ।
 
পন্ডিচেরি ছিম-ছাম নীরব শহর। প্রকাশ্যে ধূমপান এখানে নিষেধ। কেউ করে না, তাই আপনি করতে গেলেও আইন প্রয়োগের আগে আশেপাশের লোকজনের অদ্ভুত চাহনির সম্মুখীন হতে হবে। এখানে বাইক ভাড়া করে সারাদিন ঘুরতে পারবেন, ৩০০ রুপি দিনপ্রতি, তেল নিজের। যদিও হেঁটে ঘুরে দেখা যায় পুরো শহর, তাও অটো রয়েছে হাঁটতে না পারলে। নারীরা হরদম শাড়ি পরে স্কুটি-বাইক চালাচ্ছে পেছনে শাশুড়ি-বাচ্চা-মা-স্বামী নিয়ে।
 
ফল সস্তা ও সুস্বাদু। প্রতিটা রাস্তায় মোড়ে মোড়ে নানান ফলের ভ্যান-দোকান। কেটেও খাওয়া যায়, জুস করেও খাওয়া যায়। রয়েছে অসংখ্য পাব-বার। এখানে এলকোহলে কোন ট্যাক্স নেই, তাই দেশী-বিদেশী সব ধরনের মদ সস্তা। তবে ক্যারি করা যাবে না প্রদেশের বাইরে। এখানকার মানুষজন শান্তিপ্রিয়, কথা কম বলে, মাতলামি নেই, অসভ্যতা নেই, মধ্যরাতেও নিরাপদ শহর, এমনকি নারীর জন্যও। পথে-পথে ইউরোপ-আমেরিকার সলো নারী ট্যুরিস্টরা ঘুরে বেড়ায় নির্বিঘ্নে-নিরাপদে। পুরো দক্ষিণই শাড়ির জন্য বিখ্যাত। অত্যন্ত সস্তায় দারুণ দারুণ সিল্ক-কাতান শাড়ি পাওয়া যায়। উপহারের জন্য দেদারসে কিনতে পারেন, এয়ারপোর্টেও বাধা নেই কোন।
 
পুরো তামিলনাড়ুতেই কেউ পথেঘাটে ময়লা ফেলে না। কারোরই ফেলা উচিত নয়। ভ্রমণপিপাসুদের উদ্দেশ্যে বলবো যেখানে যাবেন সেখানকার আইন মেনে চলার চেষ্টা করুন, পরিবেশ পরিস্কার রাখুন, সুন্দর পৃথিবী দরকার আমাদের নিজের জন্যই।
 
লেখক: সাংবাদিক
 
বিডি প্রতিদিন/ফারজানা
এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়