শিরোনাম
প্রকাশ: ২২:৪২, বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০ আপডেট:

শাজাহান সিরাজের স্বাধীনতার ইশতেহারের নেপথ্যে...

সোহেল সানি
অনলাইন ভার্সন
শাজাহান সিরাজের স্বাধীনতার ইশতেহারের নেপথ্যে...

'কে লইবে মোর কার্য, কহে সন্ধ্যা রবি - শুনিয়া জগৎ রহে নিরুত্তর ছবি। মাটির প্রদীপ ছিল; সে কহিল স্বামী, আমার যেটুকু সাধ্য করিব তা আমি।' এতক্ষণে মৃত্যুপুরীর দেশে চলে যাওয়া আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের খলিফাখ্যাত চার ছাত্র নেতার অন্যতম শাজাহান সিরাজের প্রতি কবিগুরুর 'কনিকা' কাব্যের 'কর্তব্য গ্রহণ' কবিতাটির পঙক্তিগুলো স্মরণ করে শোকাঞ্জলি অর্পণ করলাম। 

শাজাহান সিরাজ চলে গেছেন। তবু দূর আকাশের চাঁদটি হয়ে স্বদেশের বুকে আলো ছড়াবেন অনন্তকাল ধরে। কেননা, মৃত্যুঞ্জয়ী তিনি। ভারতীয় জেনারেল এস এস উবানের ভাষায় -  শাজাহান সিরাজ  "প্রগতিবাদী" (রেডিক্যাল) চিন্তাধারাকে লালন করতেন। যুদ্ধ করেছেন ব্যাঘ্রের মতন, কাজ করেন কবুল দাসের মত,  ছিলেন আপোষহীন।  ফ্যানটমস অব চিটাগংঃ দ্য ফিপথ্ আর্মি ইন বাংলাদেশ" গ্রন্থে  শাজাহান সিরাজ সম্পর্কে এ কথা লিখেন উবান। 

একাত্তরের পহেলা মার্চ অপরাহ্নে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান বেতার ভাষণে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করলে মূহুর্তে ক্রোধে ফুঁসে উঠে  বাংলার মানুষ। বঙ্গবন্ধুও ঘোষণা করেন কর্মসূচি। এবং ৭ মার্চ চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণার কথাও বলেন। ছাত্রলীগ হরতাল ঘোষণা করে সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জমায়েত ও বিকেলে পল্টন ময়দানে জনসভার কর্মসূচি ঘোষণা করে। 

সন্ধ্যায় একদফাপন্থী স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদের দশ তরুণের একটি দুঃসাহসিক হামলা চালায় নীলক্ষেত ফাঁড়িতে। ২ মার্চ অবতারণা হল অভূতপূর্ব ঘটনার। ২ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষোভ প্রতিবাদ সমাবেশ। সভামঞ্চ কলাভবনের অলিন্দের ছাদ। ছাত্রলীগ সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সমাবেশের শুরু। 

বক্তৃতা করবেন চার নেতা - নূরে আলম সিদ্দিকী, শাজাহান সিরাজ, ডাকসু ভিপি আসম আব্দুর রব ও জিএস আব্দুল কুদ্দুস মাখন। সিনিয়র সহসভাপতি স্বপন কুমার চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল হক চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি জিনাত আলী সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস, ঢাকা নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক চৌধুরী মোশতাক কলা ভবনের পশ্চিম দিকের প্রবেশ মুখের সিঁড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা করছিলেন।

আসম আব্দুর রব বক্তৃতা করছিলেন। ঠিক সেই সময় পশ্চিম দিকের গেইট থেকে ঢাকা নগর ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি মিছিল সমাবেশে প্রবেশ করে। তার হাতে একটি পতাকা। যে পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৭ জুন বঙ্গবন্ধুর হাতে তুলে দেয় 'জয়বাংলা' বাহিনী। বক্তৃতা মঞ্চের কাছে এগিয়ে যেতেই পতাকাটি তুলে নিতে হাত বাড়িয়ে ঝুঁকে পড়েন সমাবেশের সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী। একই ভাবে ঝুঁকে পড়েন আসম আব্দুর রবও। 

ছাত্রলীগ সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকীকে পতাকা না দিয়ে ডাকসু ভিপি আসম আব্দুর রবের হাতে পতাকাটা তুলে দেন জাহিদ হোসেন- কেননা স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদের নেতা ছিলেন  আসম আব্দুর রব। 

শেখ জাহিদ হোসেনের ভাষ্যমতে, পতাকাটি নিয়ে কিছুক্ষণ সেটি কর্মীদের উদ্দেশ্যে নাড়িয়ে অলিন্দের ছাদ হতে নেমে আসেন আসম রব। তখনও সমাবেশ শেষ হয়নি। কিন্তু ছাদ থেকে নেমে পতাকা উঁচিয়ে পা বাড়াতেই মুহূর্তে মিছিল আকার ধারণ করে পেছনে পেছনে ছুটতে থাকে। ততক্ষণে সমাবেশ পন্ড। 

ওদিন বিকেলে ঢাকা নগরী সাজলো এক অপরূপ মোহনীয় সাজে। গাঢ় সবুজ জমিনে রক্তলাল সূর্যের মাঝে সোনালী রঙে আঁকা বাংলাদেশের মানচিত্র সারা অঙ্গে জড়িয়ে যেন ডাক দিল বাঙালি জাতিকে। সুউচ্চ ভবন, কানাগলির একতলা বাড়ি কিংবা টিনের চালা সে পতাকা শিরে ধারণ করে উঠে দাঁড়াল হাজার বছরের জমাট বাঁধা অব্যক্ত কান্না বুকে ধরে। ঢাকা জেগে উঠলো অযুত আকাঙ্খার বাংলাদেশ হয়ে। সূচিত হলো এক হতবাক করা ঐতিহাসিক লগ্ন। 

৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্র-জনসভা। বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে ছাত্রলীগের পক্ষে স্বাধীনতার ইশতেহার ঘোষণা করেন সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ। পরদিন ছাত্রলীগের বর্ধিত সভায় সিনিয়র সহ সভাপতি স্বপন কুমার চৌধুরী (স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ হন) 'স্বাধীনতার প্রস্তাব' উত্থাপন করেন।

পাঁচদিন আলোচনার পর স্বপন কুমার চৌধুরীর প্রস্তাব অনুযায়ী পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীত সম্বলিত "স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র" পাস হয়। ২৩ মার্চ ছিল পাকিস্তান দিবস। ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে পল্টন ময়দানে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন ও স্বাধীনতার ইশতেহার ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। 

হাসানুল হক ইনু পল্টন ময়দানে পতাকা উত্তোলন করেন। কামরুল আলম খান খসরু একটি পয়েন্ট ২২ রাইফেল দিয়ে শূন্যে ফায়ার করে গান স্যালুট প্রদান করেন। এ সময় মাইকে জাতীয় সঙ্গীত আমার সোনার বাংলা....  বাজতে থাকে। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে দেশবরেণ্য শিল্পী কামরুল হাসানকে দিয়ে মাঝখানের সূর্যসহ সম্পূর্ণ পতাকার আনুপাতিক মাপ নিয়ে ডিজাইন করে নেয়া হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর মানচিত্রটি তুলে দেয়া হয়। 

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বত্রিশ নম্বর সড়কের বাসভবন থেকে যে ট্রাকে করে যান, সেই ট্রাকে ছিলেন শেখ ফজলুল হক মনি, সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুর রউফ, খালেদ মোহাম্মদ আলী,  তোফায়েল আহমেদ, নূরে আলম সিদ্দিকী ও আব্দুল কুদ্দুস মাখন ও গাজী গোলাম মোস্তফা।  

পেছনের ট্রাকটিতে  আসম আব্দুর রব, শাজাহান সিরাজ, মোস্তফা মোহসীন মন্টু, কামরুল আলম খান খসরু। ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু গ্রেফতারের আগে রাত ১১ টার দিকে দেখা করে দিকনির্দেশনা চান সিরাজুল আলম খান, আসম রব ও শাজাহান সিরাজ।

৭০ এর ৭ জুন ৬ দফা দিবসের দিন বঙ্গবন্ধুকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের আহসানউল্লাহ হলের ছাত্র সংসদ কক্ষে ছাত্রলীগের স্বাধীনতাপন্থীদের একটি সভা হয়। সিদ্ধান্ত হয় বঙ্গবন্ধুকে সামরিক কায়দায় অভিবাদন জানানোর।

'৬৯-এ ১৫ ফেব্রুয়ারি শহীদ জহুর বাহিনীর পক্ষ থেকে। একটি পতাকা প্রদানেরও সিদ্ধান্ত হয়। প্রথমেই শাজাহান সিরাজ প্রস্তাব করেন পতাকায় উদীয়মান লাল সূর্য রাখার। এটি মেনে নিয়ে মতামত চাওয়া হয় পতাকার জমিন নিয়ে। সাদা জমিনের প্রস্তাবটি ভালো হলেও জাপানের পতাকার অনুরুপ বলে বাদ দেয়া হয়। এরপর সবুজ রং বাংলাদেশকে বোঝানোর জন্য উপযুক্ত বিবেচিত হলেও পাকিস্তানের পতাকার জমিনের কথা চিন্তা করে তাও বাদ দেয়া হয়। 

এসময় উপস্থিত ছাত্রলীগের কর্মী শিব নারায়ণ দাশ প্রস্তাব করেন পতাকার জমিন গাঢ় সবুজ রং সবচেয়ে উপযুক্ত হবে। কেননা সবুজের সাথে লাল মিশেই গাঁঢ় সবুজ হয়। এই ব্যাখ্যা মনপুত হয় সবার।  সোনার বাংলার প্রতীক বাংলাদেশের সোনালী মানচিত্র উদীয়মান সূর্যের মধ্যে এঁকে দেয়া হয়। অনেক রাত হয়ে যাওয়ায় চিন্তা আসে পতাকা তৈরির কাপড় ও দর্জি যোগাড় হবে কি করে। 

সভায় উপস্থিত আসম আব্দুর রব কাপড় ও রং কেনার দায়িত্ব নেন। কামরুল আলম খান খসরু নিউ মার্কেটে গিয়ে দোকান খুলিয়ে সবুজ ও লাল রং এর কাপড় এমনকি রং যোগাড় করে আনেন। এরপর জগন্নাথ কলেজ ছাত্রলীগ নেতা শহীদ নজরুল ইসলাম ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক একরামুল হক গিয়ে বলাকা ভবনের তয় তলায় 'পাক ফ্যাশন' নামের একটি দর্জির দোকানের কর্মচারীকে ঘুম হতে জাগিয়ে তোলেন। পতাকাটি সেলাই করা হয়। 

পতাকা তৈরির উপকরণাধি যখন শিব নারায়ণ দাশের হাতে এসে পৌঁছে লাল সূর্যের মধ্যে সোনালী মানচিত্র আঁকার জন্য। তখন চিকন তুলি পাওয়া যাচ্ছিল না।  নিজের সৃজনশীল বুদ্ধি খাটিয়ে শিব নারায়ণ দাশ ইকবাল হলের ১১৮ নম্বর কক্ষে সারা রাত জেগে রং এর কৌটায় দিয়াশলাই কাঠি ডুবিয়ে বাংলাদেশের সোনালী মানচিত্রটি আঁকেন। 

৭ জুন ওই কক্ষের জানালায় শুকাতে ঝুলিয়ে দেয়া হয়। কক্ষের মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সোনালী রং মাখানো অসংখ্য দিয়াশলাইয়ের কাঠি। এবং মেঝেতে জ্বল জ্বল করছিল পতাকায় কাপড় ভেদ করে আসা সোনালি মানচিত্রের ছাপ। শহীদ মিনার হতে জহুর বাহিনী পতাকা সহকারে পল্টন ময়দানে যায় মিছিলটি। আসম আব্দুর রব সামরিক কায়দায় অভিবাদন সহকারে বঙ্গবন্ধুর সামনে গিয়ে হাঁটু গেড়ে বসে তাকে পতাকাটি উপহার দেন।  

বঙ্গবন্ধু হেসে পতাকাটি শেখ কামালের হাতে দেন। শেখ কামাল পতাকাটি শেখ জাহিদ হোসেনের কাছে দেন। সেই পতাকাটিই ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় উত্তোলন করা হয়। এবং ২৩ মার্চ পাকিস্তান দিবসে বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বাসভবনে উত্তোলন করা হয়। 

স্বাধীনতাত্তোর ছাত্রলীগের মতাদর্শগত বৈপরীত্যের জের ধরে চার যুব নেতা অর্থাৎ মুজিব বাহিনীর চার অধিনায়ক শেখ ফজলুল হক মনি, সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ এবং চার ছাত্র নেতা নূরে আলম সিদ্দিকী, আসম আব্দুর রব, শাজাহান সিরাজ ও আব্দুল কুদ্দুস মাখন বিভক্ত হয়ে পড়েন। 

মূল দ্বন্দ্ব শুরু হয় দেশ "মুজিব বাদ" নাকি "বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র" এর ভিত্তিতে চলবে। ছাত্রলীগের এককালীন দুই সাধারণ সম্পাদক শেখ ফজলুল হক মনি ও  আব্দুর রাজ্জাক এবং তোফায়েল আহমেদ মুজিববাদ প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের খলিফা খ্যাত ছাত্রনেতার দুজন ছাত্রলীগ সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী ও ডাকসু সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মাখনও মুজিববাদের পক্ষে সক্রিয় হন। 

অপরদিকে, ছাত্রলীগের এককালীন সাধারণ সম্পাদক তাত্ত্বিক নেতা সিরাজুল আলম খান, মুক্তিযুদ্ধের খলিফা খ্যাত চার ছাত্রনেতার অপর দুই নেতা ডাকসুর ভিপি ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসম আব্দুর রব ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ "বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র" এর পক্ষে সুদৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেন। 

শাজাহান সিরাজকে সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কার করে ইসমাত কাদির গামাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। ১৯ জুলাই ছাত্রলীগের সম্মেলন করে দুই গ্রুপই। বঙ্গবন্ধু দুটি সম্মেলনের প্রধান অতিথি হলেও তিনি মুজিববাদ পন্থী ছাত্রলীগের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সম্মেলনে যোগ দেন। 

বঙ্গবন্ধু পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রীপন্থী ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগ না দেয়ায় ছাত্রলীগের ভাঙ্গন অনিবার্য হয়ে ওঠে। দুটি কমিটি আত্মপ্রকাশ করে মুজিববাদ পন্থী ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ শহীদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক এম এ রশিদ। অপরদিকে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র পন্থী ছাত্রলীগের সভাপতি আফম মাহবুবুল হক, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান মান্না। 

এই দ্বন্দ্বের কারণে ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগের দুটি প্যানেলই পরাজিত হয়। মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের নেতৃত্বে ডাকসু বিজয় লাভ করে ছাত্র ইউনিয়ন। সিরাজুল আলম খানের বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র পন্থীরা ৭২ সালের ৩১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠা করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদ। 

মুক্তিযুদ্ধের ১১ সেক্টর কমান্ডারের দুই কমান্ডার মেজর এম এ জলিল ও কর্নেল আবু তাহের জাসদে যোগ দেন। এম এ জলিল জাসদের সভাপতি, আসম আব্দুর রব সাধারণ সম্পাদক ও শাজাহান সিরাজ যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন। কর্নেল আবু তাহের সেনা ছাউনীতে গড়ে তোলেন বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা ও হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বে গড়ে ওঠে গণবাহিনী। 

জাসদের নেতৃত্বে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বন্দীদশা হতে সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের মুক্তি শুধু নয়, তার নেতৃত্বে উত্থান ঘটে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের। জাসদের ক্ষমতালাভের স্বপ্ন নস্যাৎ হয়ে যায়। যার নেতৃত্বে সিপাহী বিপ্লব সেই কর্নেল তাহেরকে ঝোলানো হয় ফাঁসিতে। 

সিরাজুল আলম খান, আসম আব্দুর রব, হাসানুল হক ইনু সহ শীর্ষ জাসদ নেতাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়ে জেনারেল  জিয়া ক্ষমতায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা নেতৃত্বে ১৫ দল হলে অন্যতম শরীক ছিল জাসদ। 

৮৬ নির্বাচনে শাজাহান সিরাজ টাঙ্গাইলে নিজেসহ ৩টি আসন পায়। ফলে জাসদ ভাঙ্গে। জাসদ (ইনু) গঠিত হয়। ৮১ সালে গঠিত হয় বাসদ। ৮৬ নির্বাচনে জাসদ (রব) ৪ আসন পায়। ৮৮-এ আসম রব এরশাদের নির্বাচনে গেলে আরেক দফা ভাঙ্গে জাসদ। ৯১ সালের নির্বাচনে জাসদ (সিরাজ) হতে শাজাহান সিরাজ একাই জয়ী হন। ৯৪ সালে শাজাহান সিরাজ বিএনপিতে যোগ দিয়ে নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হন। ফলে জাসদ (সিরাজ) বিএনপিতে বিলীন হয়ে যায়। 

প্রসঙ্গত, জাসদ (রব) আসম রব ৯৬- এ শেখ হাসিনার ঐকমত্যের সরকারের নৌ ও পরে মৎসপশু সম্পদ মন্ত্রী ও জাসদ (ইনু) হাসানুল হক ইনু শেখ হাসিনার মহাজোট সরকারের তথ্য মন্ত্রী হন। ৯৬-এ শাজাহান সিরাজ হেরে গেলেও ০১ সালে জয়ী হয়ে বন পরিবেশ মন্ত্রী হন। বিএনপিতে নেতৃস্থানীয় কোন পদ না পাওয়ায় রাজনীতিতে নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েন।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট।

 

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

৩৬ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

৪৩ সেকেন্ড আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি
ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ
নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ

১১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা
ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা

২৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

৩৬ মিনিট আগে | পরবাস

রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু
রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু

৪০ মিনিট আগে | নগর জীবন

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

৪১ মিনিট আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা

৫৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল
প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান
নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি
পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা
খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ

৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা