শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:০৪, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ আপডেট:

এডিসি হারুনদের কারা পৃষ্ঠপোষকতা করে? কেন করে? চাই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি

আরিফুর রহমান দোলন
অনলাইন ভার্সন
এডিসি হারুনদের কারা পৃষ্ঠপোষকতা করে? কেন করে? চাই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি

পুলিশের এডিসি হারুন আসলে কীসের প্রতীক? পুলিশে একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ড পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি কী উজ্জ্বল করেছে? নাকি গোটা পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তিকেই নষ্ট করেছে? অতীতে একের পর এক নেতিবাচক কর্মকাণ্ড করে কীভাবে এডিসি হারুন পার পেয়ে গেছেন? কেন কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি?

কোন প্রভাব বলয়ের সদস্য তিনি?

পুলিশ কনস্টেবলের গায়ে হাত তোলাটাই তো ছিল ফৌজদারি অপরাধ? সেই অপরাধের বিচার কেন হলো না? এডিসি হারুন কীভাবে আইনের ঊর্ধ্বে থাকল? বিচার তো দূরের কথা, তাকেই ডিএমপির অতি গুরুত্বপূর্ণ রমনা জোনের এডিসি হিসেবেই বহাল রাখা হলো। প্রশ্ন ওঠা খুবই স্বাভাবিক, তাহলে কোন প্রভাব বলয়ের মধ্যে এডিসি হারুনের বসবাস? সাংবাদিক পেটালেন কোনও বিচার হলো না। সাধারণ মানুষকে পেটানো-হয়রানি এটাও নাকি এডিসি হারুনের কাছে মামুলি ব্যাপার। এসব কী? কীসের লক্ষণ?

আর এখন ছাত্রলীগের তিনজন নেতাকে পেটানোর পর আলোচনা-সমালোচনা হওয়ায় এডিসি হারুনকে ডিএমপি থেকে বদলি করা হয়েছে এপিবিএনে। বদলি কি কোনও শাস্তি? এটা তো নিয়মিত ঘটনা। সরকারি চাকরি করলে বদলি হবে—এর মধ্যে অস্বাভাবিকতা কোথায়? বরং তাকে আড়াল করে দেওয়া হলো। আর পুলিশ যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সেটিই-বা প্রকৃত আলোর মুখ দেখবে কিংবা সত্যিকার অর্থে এডিসি হারুনের অপরাধ খুঁজে পাবে এর নিশ্চয়তাই-বা কী?

পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অতীতে শৃঙ্খলাভঙ্গের অপরাধে কী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এই পুলিশ বাহিনীতে হয়েছে সেটি এখন আমরা জানতে চাই। এভাবে একের পর এক শৃঙ্খলাভঙ্গ করে দাপিয়ে বেড়ানো কর্মকর্তা কিংবা কর্মকর্তাদের রাশ টেনে ধরা এখন সময়ের দাবি।

আমি মনে করি, একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি হওয়া দরকার। এডিসি হারুনের এই বিতর্কিত কর্মকাণ্ড হয়ত প্রতীকী। এভাবে অপকর্ম করে যেন ভবিষ্যতে কেউ পার পেয়ে যেতে না পারে এবং প্রকৃত ঘটনা ও এর কারণ অনুসন্ধান হয়, সেজন্যেই বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে আসলে কী ঘটেছিল সেটি খুঁজে বের করা হোক। এমনকি একটি প্রশাসনিক তদন্ত কমিটিও গঠন করতে হবে। কেননা, এখানে একজন সিনিয়র সহকারী সচিবের নামও আসছে, যিনি একটি স্পর্শকাতর পদায়নে আছেন। ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের দুজন সদস্য জনসম্মুখে তুলকালাম কাণ্ড করবেন, পক্ষে-বিপক্ষে ছাত্রলীগকে ব্যবহার করবেন এবং পরবর্তীতে পুলিশ ব্যক্তিগত আক্রোশে থানায় যাকে খুশি তাকে বেধড়ক পেটাবে এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

কতিপয় বিপথগামী সদস্যের কারণে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে সেটি মেনে নেওয়া যায় না। এটা সত্য যে, পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জনমনে উদ্বেগ আছে। এই উদ্বেগ আরও বাড়ে এডিসি হারুনের মতো কতিপয় উচ্চাভিলাষী বিপথগামী কর্মকর্তার কারণেই। সত্যিই বিস্ময়কর, অতীতে বেপরোয়া আচরণের কারণে কেন এডিসি হারুনকে কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা পেতে হয়নি! প্রশ্ন উঠেছে, ক্ষমতাসীন দলের অতি গুরুত্বপূর্ণ ভাতৃসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে যদি পুলিশ এই ধরনের অমানুষিক অত্যাচারের ঘটনা ঘটায়, তাহলে দেশের সাধারণ নাগরিকের সঙ্গে কী ঘটতে পারে!

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ইতোমধ্যে বলেছেন, এডিসি হারুন যতটুকু অন্যায় করেছেন ততটুকুই শাস্তি পাবেন। পুলিশ হোক যেই হোক যে অন্যায় করে তার শাস্তি অবশ্যই তাকে পেতে হবে। বিষয়টি কি আসলেই এত সহজ? এতই সরল? তাই যদি হয়, বিনয়ের সঙ্গে জানতে চাই—বরগুনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহররম আলী স্থানীয় সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর সঙ্গে যে অসৌজন্যমূলক অতি বাড়াবাড়ি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার জনসম্মুখে করেছিল, তার বিরুদ্ধে কী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে গোটা বিশ্বই এখন জানে, এডিসি হারুনের সঙ্গে পুলিশের ৩৩ ব্যাচের একজন নারী কর্মকর্তার ‘বিশেষ সুসম্পর্ক’ রয়েছে, যিনি একজন সিনিয়র সহকারী সচিবের স্ত্রীও বটে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য প্রকাশ্যে নৈতিক স্খলনের সঙ্গে জড়িত, বিষয়টি ভেতরে ভেতরে জানাজানি হওয়ার পরও কখনোই কোনও প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কেন নেওয়া হয়নি?

এভাবে এডিসি হারুনদের কারা আশকারা দেয়? যে সমস্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি হারুনদের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ, তাদের যোগ্যতা-দক্ষতা এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কতখানি সেটি নিয়েও কী প্রশ্ন ওঠে না?

একাধিক গণমাধ্যমে দেখেছি, ওই নারী পুলিশ কর্মকর্তা গণমাধ্যমকর্মীদের বলেছেন, বারডেম হাসপাতাল এডিসি হারুনের কর্মস্থলের অধীনে হওয়ায় সেখানে তিনি গিয়েছিলেন। খুব ভালো কথা। আমি বিনয়ের সঙ্গে জানতে চাই—এ রকম কতজন পুলিশ কর্মকর্তা বা তাদের পরিবারের সদস্যরা এডিসি হারুনের কর্মস্থলের অধীন হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিতে গেলে সেখানে তিনি উপস্থিত হয়ে তাদের ভালো সেবা নেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন? যদি সেটি করে না থাকেন, তাহলে শুধু একজন নারী কর্মকর্তার জন্যে তিনি সেখানে কেন গেলেন? এবং সেখানে একজন সিনিয়র সহকারী সচিবের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ালেন? পরবর্তীতে ব্যক্তিগত আক্রোশে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পুলিশ ব্যবহার করে থানার মধ্যে পেটানো হলো? এই একটি ঘটনাই কি যথেষ্ট নয় যে দেশের সাধারণ নাগরিকের সঙ্গে কোনও কোনও পুলিশ কী আচরণ করে, সেটি আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।
জজ মিয়া নাটক কারা সাজিয়েছিল? সেখানেও কিন্তু একইভাবে এই পুলিশই ব্যবহৃত হয়েছিল? এমন অসংখ্য উদাহরণ দেওয়া যাবে যেখানে পুলিশ অতি উৎসাহী হয়ে এমন সব ঘটনা ঘটায় যাতে গোটা বাহিনীর ভাবমূর্তি শুধু ক্ষুণ্নই হয় না, ধুলায় মাটিতে মিশে যায়।

এক-এগারোর সময় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পুলিশের কতিপয় সদস্যের অতি বাড়াবাড়ি করার চিত্র আমরা দেখেছি। তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারের সময় যেভাবে ধাক্কাধাক্কি করা হয়েছে, গায়ে হাত দিয়েছে যে সমস্ত পুলিশ সদস্য, তারা কি কোনও শাস্তির আওতায় এসেছে? জানার বড্ড আগ্রহ। বেগম মতিয়া চৌধুরী, প্রয়াত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমসহ আওয়ামী লীগ এবং অন্যান্য বিরোধী জ্যেষ্ঠ রাজনীতিকদের সঙ্গে রাস্তায় পুলিশের কোনও কোনও সদস্য যে চরম অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছে তার জন্য কি কখনও কোনও পুলিশ সদস্যকে শাস্তি পেতে হয়েছে? আমার জানা মতে, হয়নি। যদি হতো, তাহলে এই হারুনরা তৈরি হতো না।

একথা প্রায়শই প্রকাশ্যে আলোচনা হয়, যে পুলিশ ও প্রশাসনে এখন পেশাদারত্ব প্রায় নেই বললেই চলে বরং কার বাড়ি কোথায় কে অতীতে ছাত্রজীবনে কোন সংগঠন করেছেন, কার আত্মীয় সরকার ও প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় আছে, সেটা দেখে পদায়ন এবং পদোন্নতি দেওয়া হয়। যদি পেশাদারত্বের চর্চা করা হতো তাহলেও হারুনদের মতো বেপরোয়া কর্মকর্তা তৈরি হতো না বলেই আমার বিশ্বাস। গোটা পুলিশ বাহিনীর অনেক ইতিবাচক কর্মকাণ্ড আছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের যেমন অনেক ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে, তেমনি মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে দেশ গঠন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এই বাহিনীর বিরাট ভূমিকা রয়েছে। এমনকি বিগত করোনার সময় পুলিশ সদস্যরা যে সমস্ত মানবিক কর্মকাণ্ড করেছেন তা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। কিন্তু কিছু কিছু বিপথগামী উচ্চাভিলাষী এবং দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তার কারণে যখন গোটা পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তখন কেন কড়া পদক্ষেপ নিয়ে শক্ত হাতে এসব দমন করা হয় না সেটাও লাখ টাকার প্রশ্ন।

এই কথা তো সর্বজন বিদিত, কাউকে ফাঁসাতে হলে, কাউকে সামাজিক-রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করতে হলে, পুলিশ ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহৃত হয়। তাই যদি না হবে তাহলে ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতেও পুলিশ কীভাবে আসামিদের প্রভাবিত করে? সেটিও কেন বারবার আলোচনায় আসে? এমন ঘটনাও আছে, কাউকে ফাঁসানোর জন্য ১৬৪ ধারায় পুলিশ টার্গেট নিরপরাধ ব্যক্তির নাম বলতে বাধ্য করে। দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, এভাবে পুলিশ স্বেচ্ছায় অথবা রাজনৈতিক চাপে ব্যবহৃত হয়ে গোটা বাহিনীকে লজ্জায় ফেলে।

জঙ্গি দমন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সন্ত্রাস দমন, সর্বহারাদের নিধন, সুন্দরবনে দস্যু নির্মূলসহ দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের অনেক প্রশংসনীয় উদ্যোগ ও ভূমিকা আছে। আমরা সবসময় পুলিশের এই ইতিবাচক কাজকে প্রচার করি এবং সর্বত্র পুলিশের ভালো কাজের প্রশংসা করি। কিন্তু এসবের আড়ালে কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তা ব্যক্তিগত স্বার্থ সিদ্ধির জন্য অতিমাত্রায় সক্রিয় হয়, বাহিনীকে ব্যবহার করে, তখন আমরা নিশ্চুপ থাকতে পারি না।

কান পাতলেই শোনা যায়, পুলিশের কোনও কোনও কর্মকর্তা গর্ব করে বলে থাকেন, বিভিন্ন নির্বাচনে তারা সরকারি দলের পক্ষে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে ক্ষমতায় থাকতে সহযোগিতা করেছেন। বিষয়টিকে আমি ইতিবাচকভাবে দেখতে চাই। পুলিশের কাজই হচ্ছে সরকারকে সহযোগিতা করা। কিন্তু যখন কোনও কোনও পুলিশ সদস্য দাবি করেন, তারাই রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতায় থাকতে সহযোগিতা করেছেন, তখন বিভিন্ন মহলে এই বার্তাই যায় যে পুলিশকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে আছে সরকার। এটি মোটেও ভালো বার্তা নয়।

একশ্রেণির উচ্চাভিলাষী কর্মকর্তা তাদের স্বার্থ উদ্ধারে অনিয়ম-দুর্নীতিতে আরও বেশি মাত্রায় জড়িয়ে পড়ার জন্য এমন প্রচারে লিপ্ত থাকতেই পারে। তবে সরকারের নীতিনির্ধারকেরা যদি এটিকে প্রশ্রয় না দেন, খারাপ কাজের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে যদি ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে একদিকে সরকারের ভাবমূর্তি যেমন উজ্জ্বল হয়, তেমনি গোটা পুলিশ বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়ে, ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল হয়। পুলিশে কি ওসি প্রদীপ, ওসি লিয়াকত আর নেই? কিভাবে তারা তৈরি হয়, ভেতরে ভেতরে এর সংখ্যাটা আসলে কত? তাদেরকে চিহ্নিত করার জন্য বাহিনীতে কি কি ব্যবস্থা আছে? কিভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে পদায়ন হয়? এর সঠিক এবং অবিতর্কিত কোনও ফর্মুলা আছে কি না?

কিভাবে ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ বারডেম বা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাসপাতালে গিয়ে উপস্থিত হলো! একজন নারী কর্মকর্তার সঙ্গে এডিসি হারুনের বিশেষ সম্পর্ক এবং সেই নারী কর্মকর্তা একজন সিনিয়র সহকারী সচিবের স্ত্রী, এটি তো তাদের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। ওই সিনিয়র সহকারী সচিবই বা কিভাবে ছাত্রলীগকে ব্যবহার করার চেষ্টা করলেন? তিনি কেন প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের শরণাপন্ন হলেন না? একটি স্পর্শকাতর পদায়নে থেকে তিনি কেন ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দকে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানকে আলোচনায় নিয়ে আসলেন—এসবেরও সুরাহা হওয়া দরকার।

অতীতে আমরা লক্ষ্য করেছি, লঘু শাস্তি পাওয়া প্রশাসনের অনেক কর্মকর্তা ক্ষমা অর্জন পেয়ে আবারও স্বরূপে আবির্ভূত হয়েছেন। এখানে আমি একটি উদাহরণ দিতে চাই, মধ্যরাতে সাংবাদিককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নির্মম নির্যাতন করেছিলেন কুড়িগ্রামের তৎকালীন ডিসি পারভীন সুলতানা। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নামকাওয়াস্তে দুই বছরের বেতন বৃদ্ধি স্থগিতের শাস্তি দিয়েছিল। সেই শাস্তিও পরবর্তীতে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ক্ষমার্জন করেছিলেন। এই হলো আমাদের দেশের সার্বিক অবস্থা। আমি মনে করি এটি অত্যন্ত হতাশাজনক। এই ধরনের বর্বরতার সঙ্গে যারা যুক্ত, তারা যেন কখনোই কোনোভাবে ক্ষমা না পান, তারা যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আসেন, তা না হলে অপরাধ করার প্রবণতা বাড়তেই থাকবে।

সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই বলছেন, এডিসি হারুনের ব্যক্তিগত জীবনযাপন আরও কতটা অস্বাভাবিক সেটি খতিয়ে দেখা হোক। আমি মনে করি, একজন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের সব ধরনের শৃঙ্খলার মধ্যে থাকা দরকার। কেউ কেউ দাবি করছেন, চাকরি জীবনে যিনি এ ধরনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে অভ্যস্ত, তিনি অবশ্যই আরও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত আছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে তার জ্ঞাত-অজ্ঞাত আয়ও পর্যালোচনা করতে হবে। আসলে এমন একটা ব্যবস্থা এই ক্ষেত্রে নেওয়া দরকার, যাতে সবাই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন।

আমি বলবো, অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই দেখা দরকার। অপরাধী পুলিশ নাকি অন্য কোনও বাহিনীর সদস্য নাকি নাকি অন্য কোনও পরিচয়, সেটি এখানে বিবেচিত হওয়া উচিৎ নয়। যদি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরিবিধি, শৃঙ্খলা এগুলো মেনে চলতেন, তাহলে আজকে সমাজের এত বিশৃঙ্খলা সেটিও হতো না। এটাই আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। গভীর উদ্বেগের সঙ্গে আমরা লক্ষ্য করছি, কতিপয় উচ্ছৃঙ্খল অতি উচ্চাভিলাষী কর্মকর্তা-কর্মচারী এমন সব দস্যিপনা করছেন, যার মাধ্যমে গোটা সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। আরেকটি কথা বলতে চাই, দেশের সংবিধানে পরিস্কার ভাবে সরকারি কর্মচারীদের কিভাবে চলতে হবে তা বলা আছে। তারা কিভাবে পরিচালিত হবেন তাদের চাকরিবিধিতেও বলা আছে। কজন এই নিয়মনীতি, শৃঙ্খলা মেনে চলছেন, সেটিও আবার সামনে চলে আসছে। একজন নাগরিক অপরাধ করলে সাধারণ জনগণ অপরাধ করলে যেভাবে দ্রুতগতিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, পুলিশের কোনও সদস্য অপরাধ করলে ধরিগতিতে কেন ব্যবস্থা হবে, সেই প্রশ্নটিও অনেকেই করছেন। আমি বলবো, পুলিশের অনেক ভালো কাজকে এই ধরনের হারুনদের কাজ দিয়ে দেখাটাও ঠিক হবে না।

লেখক: সম্পাদক, ঢাকা টাইমস ও সাপ্তাহিক এই সময় এবং চেয়ারম্যান কাঞ্চন মুন্সী ফাউন্ডেশন

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়