শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:২৬, রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

নিজেকে বাঁচাই কী করে

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
নিজেকে বাঁচাই কী করে

শিক্ষাঙ্গনে প্রতিহিংসা প্রবণতা দেখা দিয়েছে। শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করে জোরপূর্বক পদত্যাগপত্র লিখিয়ে নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষকদের আক্রমণ করাটা কেবল ব্যক্তিকে লাঞ্ছিত করা নয়, গোটা শিক্ষাব্যবস্থাকেই আক্রমণ করা। শিক্ষকরা এমনিতেই অন্যান্য পেশাজীবীর তুলনায় বঞ্চিত, তদুপরি শ্রদ্ধা যদি বিনষ্ট হয়, তাহলে শিক্ষকতার আকর্ষণ যতটুকু আছে, সেটাও থাকবে না।

শিক্ষক লাঞ্ছনা কিন্তু মাদরাসা এবং ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষাঙ্গনে ঘটছে না। ঘটছে কেবল মূলধারার শিক্ষাব্যবস্থায়। একজন শিক্ষক যদি তাঁর নিজের শিক্ষার্থীদের দ্বারা লাঞ্ছিত-অপমানিত হন, তবে জ্ঞান-বুদ্ধি যা-ই থাকুক, তিনি আর শিক্ষক থাকেন না। একেবারেই সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েন।

আমার ব্যক্তিগত স্মৃতি দুজন শিক্ষককে নিয়ে। আপাত আনন্দের, কিন্তু অন্তরে দুঃখের। ফাদার মার্টিন একটি অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন। সেন্ট গ্রেগরীজ (নটর ডেম) কলেজে তখন ছাত্রসংখ্যা সব মিলিয়ে এক শরও নিচে।

এই স্বল্পসংখ্যক ছাত্র নিয়ে তিনি শেকসপিয়ারের একটি পুরো নাটক মঞ্চায়ন করেছিলেন মূল ইংরেজিতে, পুরনো স্কুলের মাঠে। নাটকের টিকিটও আমরা বিক্রি করেছিলাম, ছাত্ররাই; সব খরচ উঠেও টাকা বেঁচেছিল কিছু, যে টাকা খুলনার বাত্যাবিধ্বস্তদের সাহায্যের জন্য পাঠানো হয়েছিল। সে বছর বড় একটি ঝড় হয়েছিল খুলনা অঞ্চলে। অভিনেতাদের মধ্যে আমিও ছিলাম। নাটকের মাঝখানে বিরতি হয়েছে, সেই সময়ে গ্রিনরুমে দেখি অজিত কুমার গুহ।

দেখে আমি চমকে উঠেছি। না, পরিচিত পোশাকে নেই। একটু শীত শীত ছিল, দেখি নীলচে কালো একটি স্যুট পরে এসেছেন তিনি। পরিপূর্ণ স্যুটে বড় উজ্জ্বল মনে হচ্ছিল তাঁকে, বড় অপরিচিত। আমরা অভিনেতারা তো তখন সবাই সাজপোশাক পরেছি, রং পরেছি আমাদের গালেমুখে, কিন্তু অজিত স্যার তো জীবন্ত, বাস্তব; অভিনেতা নন, দর্শক। মনে পড়ে, তিনি বলেছিলেন আমাদের, ‘দর্শকদের ভয় করবে না। মনে করবে তারা গরু-ছাগলের পাল।’ মূল্যবান উপদেশ, সন্দেহ কী। কিন্তু এই উপদেশের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছিল তাঁর নীলচে কালো স্যুট। খুব সুন্দর মানিয়েছিল বলেই মনে হয়েছিল বেমানান।

পরে আমি ভেবেছি এবং বিষণ্ন ঠেকেছে আমার কাছে ওই বিষয়টা। ফাদার মার্টিন কি তাহলে জিতে গেলেন? জয় হলো সাম্রাজ্যবাদের? সাম্রাজ্যবাদই কি বলে দিয়েছে গোপনে যে স্বাভাবিক পোশাকে চলবে না, আসতে হবে স্যুট পরে? রাষ্ট্র ছিল আমেরিকানদের তাঁবেদার, সংস্কৃতিও কি তাদের অধীন হয়ে যাবে? সাম্রাজ্যবাদকে আমি ক্ষমা করব কী করে? আমার শিক্ষককে সে অপমান করেছে!

বসাক স্যারকে হঠাৎ দেখি নতুন ঢাকায়। সায়েন্স ল্যাবরেটরির কাছে বাস থেকে নামছেন। কিংবা বাস তাঁকে নামিয়ে দিচ্ছে। কেন জানি না দ্বিতীয়টাই বেশি সত্য মনে হলো আমার। আমি শুনতে পেলাম সমস্ত পরিবেশ, ব্যস্ত পথ, ক্রুদ্ধ আওয়াজ, ধুলা, মানুষ, আশপাশের দোকানপাট সবাই একসঙ্গে চিৎকার করছে, আপনি এখানে কেন? কী চান? কী দরকার?

আমার সাহস হয়নি কাছে গিয়ে দাঁড়াই। বলি, ‘স্যার, আমি আপনার ছাত্র।’ আমার নিজেকেই অপাঙক্তেয় মনে হয়েছে সেদিন ওই বিকেলে। সেই উচ্ছৃঙ্খল পরিবেশে। বসাক স্যার কোথায় ছিলেন, কেমন ছিলেন, কিছুই জানা ছিল না আমার। ভূগোল পড়াতেন, খুব জানতেন এবং যেমন মনে হয় ছাত্রদের, তেমনি মনে হয়েছিল আমারও, যদি স্যারের মতো ভূগোল জানতাম। কিন্তু কেমন যেন ম্রিয়মাণ ছিলেন তখনই। তখন পাকিস্তান হয়েছে, আমরা এসেছি কলকাতা থেকে, মিশনারিদের ওই স্কুলে ভর্তি হয়ে শুনি হিন্দু শিক্ষকদের অনেকেই চলে গেছেন দেশ ছেড়ে। বসাক স্যাররা আছেন, তাঁরা পড়াচ্ছেন। আধাবাঙালি ছেলে ছিল দু-তিনটি ওই ক্লাসে। রাজাকারদের পূর্বসূরি, নানা রকমের গোলযোগ সৃষ্টি করত। বসাক স্যারকে মনে হতো সব কিছু পারেন, কেবল ওদের সঙ্গে পারেন না। সেই শিক্ষক আমার কী করে পার হয়েছেন এত বছর, পার হলেন কী করে ঘাতক একাত্তর, কোথায় থাকেন, কেন এসেছেন এই নতুন শহরে, যে শহর তাঁকে চেনে না, মর্যাদা দেয় না, ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে চায়, সেখানে? আরো ঝুঁকে পড়ে হাঁটছেন, আরো মলিন বেশবাস। কেন এসেছেন?

আমার সাহস হয়নি, এগিয়ে যাই, গিয়ে জিজ্ঞেস করি, কেমন আছেন, যাচ্ছেন কোথায়? আমার ভয়, স্যার হয়তো ছাত্র পড়াতে চলেছেন ওই বৃদ্ধ বয়সে। তাদের কারো গৃহে কি, যারা একদিন হল্লা করতে চাইত তাঁর ক্লাসে? ত্যক্তবিরক্ত করত নিজেদের অবস্থানের জোরে?

আরো এক ভয় ছিল আমার। মৃত্যুর। পুরনো কালের আপনজনদের কাছে যেতে আমার বুক কাঁপে, কথা বলতে গিয়ে আশঙ্কা হয় দেখব তিনি নেই, অজান্তে চলে গেছেন, দেখব আমিও নেই, সেই আগের আমি, মৃত্যু ঘটেছে আমারও। প্রায়ই হয়েছে এমন যে দেখা হলে প্রত্নতাত্ত্বিকের মতো অতীতকে খুঁজেছি আমরা উভয়েই, কঙ্কাল পেয়েছি কিছু খুঁজে, প্রাণ পাইনি। সেই উচ্ছ্বাস, আগ্রহ, উদ্দীপনা, কলহ, মৈত্রী, প্রতিহিংসাপরাছুতা সব গেছে মরে। নাড়তে গেলেই টের পেয়েছি ভেঙে পড়বে টুকরা টুকরা হয়ে। কোন সাহসে যাই আমি আমার পুরনো শিক্ষকদের কাছে?

কিন্তু বসাক স্যার আছেন আমার জীবনে, আমার মনে হয়েছে সেদিন, হাঁটতে হাঁটতে। সব শিক্ষকই থাকেন, কোনো না কোনোভাবে। কে তাঁদের খোঁজ পাবে যে ভ্রুকুটি করবে কিংবা ধমক দেবে? দুজন শিক্ষক বিশেষভাবেই রয়েছেন, জানি আমি, বুঝতে পারি। একজন সাহিত্যের, অপরজন অঙ্কের। বাংলা পড়াতেন দুজন, রায় স্যার অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন ব্যাকরণে, চক্রবর্তী স্যার সাহিত্যে। রায় স্যার চলে গেলেন কলকাতায়, চক্রবর্তী স্যার রইলেন। সমসাময়িক ছিলেন তিনি বুদ্ধদেব বসুর, সহপাঠী অজিত দত্তকে কবি হতে দেখেছেন, নিজের চোখে। বুদ্ধদেব বসুর ব্যক্তিগত প্রবন্ধগুলো ক্লাসে পড়ে শোনাতেন তিনি। পুরানা পল্টনের কথা, মফস্বলের পোস্ট অফিসের কথা। বড় সুন্দর করে পড়তেন, যেন কবিতা পড়ছেন, গদ্যে। সেসব প্রবন্ধের প্রতি অনুরাগ পরীক্ষা পাসের ব্যাপারে কতটা কী সাহায্য করেছে আমাকে, তা জানি না, কিন্তু সাহিত্যের প্রতি আগ্রহ তৈরিতে যে কাজ করেছে, তাতে সন্দেহ করার কোনো উপায় নেই। সম্পূর্ণ বিপরীত ছিলেন চৌধুরী স্যার। অঙ্কের। আমি সাধারণ ও অতিরিক্ত দুই অঙ্ক নিয়েছিলাম, ধারণা ছিল বিজ্ঞান পড়ব পরে। আর বিশেষ গাঢ় একটি স্বপ্ন ছিল, হায়, যদি অঙ্ক পারতাম চৌধুরী স্যারের মতো। পারিনি। বিশেষ সুবিধা হয়নি অঙ্কে। যে জন্য নিজেই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলাম জারি করে ভবিষ্যতে নিজের বিজ্ঞান পাঠের ওপর। প্রভাব দুটিই, ইতির দিক থেকে চক্রবর্তী স্যারের, নেতির দিক থেকে চৌধুরী স্যারের। কিন্তু তাঁরা দুজনই ছিলেন, এখনো জানি আমি, আছেন আমার ভেতরে। অতি গভীরে। শিক্ষকরা থাকেন। থাকেন কি? এখন থাকেন কি? কেমন থাকেন শুরুর ঘটনাগুলোই বলে দেয়। তাঁদের ছাত্ররা দীক্ষা নেবে কী, উল্টো কান ধরে উঠবস করায়। শিক্ষকদের শপথ করানোর মতো জঘন্য ঘটনাও ঘটিয়েছে। এখন স্কুলের ছবি আলাদা। এখন সেখানে দলবদ্ধভাবে যায় না ছেলেরা, যেমন আমরা যেতাম, যেন মিছিল চলেছে, মনে হতো। এখন হাঁটা থাক, রাস্তা পার হওয়াই কঠিন, ব্যস্ত সময়ে প্রায় অসম্ভব। এখন স্কুলে পড়া হয় না, শুনি আমি। শুনব কেন, দেখিও তো বটে। বিদ্যার চর্চা এখন গৃহে গৃহে। ‘ভালো’ শিক্ষকরা নিজেদের ঘরে পড়ান, স্রোতের মতো ছেলেমেয়েরা আসে, স্রোতের মতো বের হয়ে যায়। তেমন যাঁরা ‘ভালো’ নন, তাঁরা নিজেরাই যান ছাত্রের গৃহে। ফেরি করতে বিদ্যা। বাসে করে যান হয়তো, ধাক্কা দিয়ে বাস নামিয়ে দেয়। বিরূপ বিশ্ব চিৎকার করে, কে? কে আপনি? কী চান এখানে? সেই আমার বাল্যের শিক্ষক, ভূগোলের বসাক স্যার, পুরনো ঢাকার আশ্রয় ছেড়ে নতুন ঢাকায় এসেছেন কি গৃহশিক্ষকতা করবেন বলে? আমি ভাবতে পারিনি, আমার চোখ ছলছল করে উঠেছে। কোথায় থাকেন, স্যার? পুরান ঢাকায়, নারিন্দার কিংবা সূত্রাপুরের বাড়িটা কি তাঁর নিজের ছিল, নাকি ভাড়া করা? ছেলেমেয়েরা কে কোথায়? পুরনো স্কুলে একবার আমি গিয়েছিলাম। বাইরে নয়, একেবারে ভেতরে। একেবারে প্রধান অতিথি হয়ে। কেউকেটা তেমন কাউকে পাওয়া যায়নি হয়তো, সেই অবকাশে আমার যাওয়া প্রধান অতিথি হয়ে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণীতে। মঞ্চের ওপর বসা আমি, দেখছি চারদিকে, কিন্তু কেউ নেই, আমার নিজের শিক্ষকদের কেউ নেই, আশপাশে তখন যাঁরা অল্পবয়সী ছিলেন তুলনামূলকভাবে, তাঁদের দু-একজন আছেন যেন পূর্বজন্মের সাক্ষী হিসেবে। তবু আমার ভয় করছিল, হঠাৎ মনে হচ্ছিল আমি নেমে চলে যাব নিচে, গিয়ে বসব পেছনের বেঞ্চগুলোর একটিতে, ছাত্র হয়ে যাব এই বিদ্যালয়ের, যেমন একদিন ছিলাম সত্যি সত্যি অনেক আগে। ফেরার পথে ভেবেছি আমি ওই স্কুল পুরনো স্কুলই আছে একদিক দিয়ে। ওখানে কেউ গাড়িতে করে আসেনি। আমাদের সময়েও আসত না, যদিও গাড়ি ছিল হয়তো কারো কারো। নিষেধ ছিল। সৌজন্যবোধের। এখন আসে, বোধ হয় অন্য কারণে। সেই ঢাকা নেই বলে। নতুন ঢাকা, পুরান ঢাকা তো ছিল না তখন, বঙ্গভঙ্গ হয়েছে, কিন্তু ঢাকা ভঙ্গ হয়নি, ঢাকা তখনো এক ও অবিভক্ত, কিন্তু এখন তো অনেক ঢাকা এই ঢাকায়, নতুন ঢাকায় যাবে না পুরান ঢাকায়, যদিও পুরান ঢাকা আসতে পারে নতুনে। লক্ষ্মীবাজারে গাড়ি নিয়ে যাওয়া কঠিন। আরো কঠিন গাড়ি না থাকলে যাওয়া। এখন হলে আমার বাবা আমাকে সেন্ট গ্রেগরীজ স্কুলে পাঠানোর কথা ভাবতেন না, আসতে-যেতে ২০ টাকা রিকশা ভাড়ার কথা ভেবে।

আসল সত্য মনে হয় ওটাই। বিভাজন, বৈষম্য। সেটা বাড়ছে। কে কোথায় ছিটকে পড়ছি আমরা। যে বাস ফেলে রেখে গেল বসাক স্যারকে সায়েন্স ল্যাবরেটরির কাছে, তার কি কোনো দয়া আছে? সে কি করুণা জানে? মর্যাদা দিতে শিখেছে কি শিক্ষার এবং শিক্ষকের? স্যার, আপনাকে বাঁচায় কে? শত্রু তো কেউ একা নয়, শত্রু গোটা ব্যবস্থা। সাতচল্লিশের স্বাধীনতার পর পোয়াবারো গেছে রাজাকারদের, একাত্তরের স্বাধীনতা ক্ষমতা দিল কাদের হাতে? আমি কাকে বাঁচাব, স্যার? শিক্ষক বলে নিজেকে বাঁচাই কী করে?

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
সরকার পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের আগে হত্যা বাড়বে
সরকার পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের আগে হত্যা বাড়বে
কৌতুক পছন্দ করে ইতিহাস
কৌতুক পছন্দ করে ইতিহাস
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক
পাহাড়ে শান্তির স্বপ্ন, জটিল বাস্তবতা
পাহাড়ে শান্তির স্বপ্ন, জটিল বাস্তবতা
নির্বাচন: জাতির সামনে অগ্নিপরীক্ষা
নির্বাচন: জাতির সামনে অগ্নিপরীক্ষা
দম ফুরিয়ে আসছে, বাঁচার উপায় কী
দম ফুরিয়ে আসছে, বাঁচার উপায় কী
দ্বীপ, দূষণ এবং আমরা
দ্বীপ, দূষণ এবং আমরা
সুন্দরবন, বিরল সম্পদ সম্ভার ও স্যালাইন ম্যানগ্রোভ মৃত্তিকা
সুন্দরবন, বিরল সম্পদ সম্ভার ও স্যালাইন ম্যানগ্রোভ মৃত্তিকা
সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী
সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী
ভয়মুক্ত ভোটের নিশ্চয়তা সেনাবাহিনীর ভূমিকায় গণতন্ত্রের নিরাপত্তা
ভয়মুক্ত ভোটের নিশ্চয়তা সেনাবাহিনীর ভূমিকায় গণতন্ত্রের নিরাপত্তা
ব্যাংকিং খাতে প্রয়োজন ডিপোজিট ইনস্যুরেন্স
ব্যাংকিং খাতে প্রয়োজন ডিপোজিট ইনস্যুরেন্স
৩০ বছরের বন্দর চুক্তি : লাভ না ঝুঁকি?
৩০ বছরের বন্দর চুক্তি : লাভ না ঝুঁকি?
সর্বশেষ খবর
যুবভারতীতে বিশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ঝুঁকিতে তড়িঘড়ি স্টেডিয়াম ছাড়লেন মেসি
যুবভারতীতে বিশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ঝুঁকিতে তড়িঘড়ি স্টেডিয়াম ছাড়লেন মেসি

এই মাত্র | মাঠে ময়দানে

কেরানীগঞ্জে ভবনে আগুন, বিজিবি মোতায়েন
কেরানীগঞ্জে ভবনে আগুন, বিজিবি মোতায়েন

২ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির আত্মহত্যা
যশোরে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির আত্মহত্যা

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হাদির সুস্থতা কামনায় ঝালকাঠিতে দোয়া
হাদির সুস্থতা কামনায় ঝালকাঠিতে দোয়া

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শিল্পকলায় ২৪তম নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনী
শিল্পকলায় ২৪তম নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনী

২৬ মিনিট আগে | শোবিজ

ইমরান খানের পক্ষে যে আকুতি জানালেন সাবেক স্ত্রী জেমিমা
ইমরান খানের পক্ষে যে আকুতি জানালেন সাবেক স্ত্রী জেমিমা

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মনোনয়ন দাখিলে প্রার্থীদের মানতে হবে যেসব নির্দেশনা
মনোনয়ন দাখিলে প্রার্থীদের মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

হাদির পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিতের আশ্বাস
হাদির পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিতের আশ্বাস

৩০ মিনিট আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামের পরও কেন সতর্ক হলো না সরকার, প্রশ্ন রিজভীর
চট্টগ্রামের পরও কেন সতর্ক হলো না সরকার, প্রশ্ন রিজভীর

৩১ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভেঞ্চুরিনির সঙ্গে নোবেল, এক নতুন ফিরে আসা
ভেঞ্চুরিনির সঙ্গে নোবেল, এক নতুন ফিরে আসা

৩৫ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

রাজধানীতে ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার
রাজধানীতে ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার

৪১ মিনিট আগে | নগর জীবন

কলকাতায় একই ফ্রেমে মেসি-শাহরুখ
কলকাতায় একই ফ্রেমে মেসি-শাহরুখ

৪৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অক্ষয় খান্নার প্রেমে হাবুডুবু খেতেন কারিনা!
অক্ষয় খান্নার প্রেমে হাবুডুবু খেতেন কারিনা!

৪৫ মিনিট আগে | শোবিজ

‘সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদ থেকে সরাতে হবে’
‘সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদ থেকে সরাতে হবে’

৪৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

ফ্যাসিবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী জাতীয় ঐক্যই আমাদের বড় শক্তি : সালাহউদ্দিন
ফ্যাসিবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী জাতীয় ঐক্যই আমাদের বড় শক্তি : সালাহউদ্দিন

৪৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

ইসলামে নারীর অধিকার বিষয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ সবুজবাগ থানারর উদ্যোগে আলোচনা সভা
ইসলামে নারীর অধিকার বিষয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ সবুজবাগ থানারর উদ্যোগে আলোচনা সভা

৫২ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করতে যমুনায় জামায়াতের দুই নেতা
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করতে যমুনায় জামায়াতের দুই নেতা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ওদের ‘খুনের জুলাই’ চলমান: উপদেষ্টা ফারুকী
ওদের ‘খুনের জুলাই’ চলমান: উপদেষ্টা ফারুকী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে গুলি : আসামি শনাক্তের বিষয়ে যা বললেন ডিএমপি কমিশনার
হাদিকে গুলি : আসামি শনাক্তের বিষয়ে যা বললেন ডিএমপি কমিশনার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ
ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজনৈতিক কমিটি পুনর্গঠন করল পিটিআই
রাজনৈতিক কমিটি পুনর্গঠন করল পিটিআই

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসর নিতে পারেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার অস্কার
অবসর নিতে পারেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার অস্কার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করতে যমুনায় এনসিপির দুই নেতা
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করতে যমুনায় এনসিপির দুই নেতা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদির ঝালকাঠির বাসায় চুরি
হাদির ঝালকাঠির বাসায় চুরি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গভীর রাতে ছাদে মুখোশধারীরা, পরে ঘরে ঢুকে নারীকে কুপিয়ে হত্যা
গভীর রাতে ছাদে মুখোশধারীরা, পরে ঘরে ঢুকে নারীকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় সড়কে প্রাণ গেল অটোচালকের, আহত তিন যাত্রী
বগুড়ায় সড়কে প্রাণ গেল অটোচালকের, আহত তিন যাত্রী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি
ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

থাইল্যান্ড–কম্বোডিয়া সীমান্ত সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ২৩, বাস্তুচ্যুত ৭ লাখ
থাইল্যান্ড–কম্বোডিয়া সীমান্ত সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ২৩, বাস্তুচ্যুত ৭ লাখ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও রাশিয়ার তেল অবকাঠামোয় হামলা ইউক্রেনের
আবারও রাশিয়ার তেল অবকাঠামোয় হামলা ইউক্রেনের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে গুলির ঘটনায় একজন শনাক্ত, সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে : ডিএমপি
হাদিকে গুলির ঘটনায় একজন শনাক্ত, সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে : ডিএমপি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীরা শনাক্ত, যেকোনো সময় গ্রেফতার
হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীরা শনাক্ত, যেকোনো সময় গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইনকিলাব মঞ্চের ‍মুখপাত্র ও এমপি প্রার্থী ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ
ইনকিলাব মঞ্চের ‍মুখপাত্র ও এমপি প্রার্থী ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৭২ ঘণ্টা অতি ঝুঁকিপূর্ণ, হাদির ব্রেইন স্টেম ক্ষতিগ্রস্ত : বিশেষ সহকারী
৭২ ঘণ্টা অতি ঝুঁকিপূর্ণ, হাদির ব্রেইন স্টেম ক্ষতিগ্রস্ত : বিশেষ সহকারী

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন তারেক রহমান : মির্জা ফখরুল
২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন তারেক রহমান : মির্জা ফখরুল

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির পরিবারের পাশে জুবাইদা রহমান
হাদির পরিবারের পাশে জুবাইদা রহমান

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ, যা বললেন ফারুকী
ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ, যা বললেন ফারুকী

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদির মাথায় গুলি ঢুকে বেরিয়ে গেছে, জানালেন চিকিৎসকরা
হাদির মাথায় গুলি ঢুকে বেরিয়ে গেছে, জানালেন চিকিৎসকরা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিকশায় ছিলেন হাদি, মোটরসাইকেল থেকে গুলি চালায় দুইজন
রিকশায় ছিলেন হাদি, মোটরসাইকেল থেকে গুলি চালায় দুইজন

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদিকে গুলির ঘটনায় একজন শনাক্ত, সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে : ডিএমপি
হাদিকে গুলির ঘটনায় একজন শনাক্ত, সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে : ডিএমপি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশের মাছের ব্যাপক চাহিদা ভারতের সাত রাজ্যে
বাংলাদেশের মাছের ব্যাপক চাহিদা ভারতের সাত রাজ্যে

৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চীন থেকে ইরানগামী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর অভিযান
চীন থেকে ইরানগামী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর অভিযান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু: ডিএমপি কমিশনার
হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু: ডিএমপি কমিশনার

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এভারকেয়ারে আনা হয়েছে হাদিকে
এভারকেয়ারে আনা হয়েছে হাদিকে

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল
প্রার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদির প্রাথমিক অস্ত্রোপচার সম্পন্ন, নেওয়া হচ্ছে এভারকেয়ার হাসপাতালে
হাদির প্রাথমিক অস্ত্রোপচার সম্পন্ন, নেওয়া হচ্ছে এভারকেয়ার হাসপাতালে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওসমান হাদিকে দেখতে ঢামেকে মির্জা আব্বাস
ওসমান হাদিকে দেখতে ঢামেকে মির্জা আব্বাস

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশি নাবিকসহ তেলবাহী জাহাজ আটক করল ইরান
বাংলাদেশি নাবিকসহ তেলবাহী জাহাজ আটক করল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

খালেদা জিয়া-ওসমান হাদিকে দেখতে এভারকেয়ারে মির্জা ফখরুল
খালেদা জিয়া-ওসমান হাদিকে দেখতে এভারকেয়ারে মির্জা ফখরুল

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রথমবার কনসার্টে মায়ের সাথে গাইলো শাকিরার দুই ছেলে
প্রথমবার কনসার্টে মায়ের সাথে গাইলো শাকিরার দুই ছেলে

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ঈশ্বরদীতে অল্পের জন্য রক্ষা পেল দুটি আন্তঃনগর ট্রেন
ঈশ্বরদীতে অল্পের জন্য রক্ষা পেল দুটি আন্তঃনগর ট্রেন

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাদিকে গুলি অশনিসংকেত : আসিফ মাহমুদ
হাদিকে গুলি অশনিসংকেত : আসিফ মাহমুদ

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদির ঝালকাঠির বাসায় চুরি
হাদির ঝালকাঠির বাসায় চুরি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাদিকে দেখতে হাসপাতালে নাহিদ
হাদিকে দেখতে হাসপাতালে নাহিদ

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদিকে দেখতে হাসপাতালে তিন উপদেষ্টা
হাদিকে দেখতে হাসপাতালে তিন উপদেষ্টা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গের নির্মাণাধীন বাবরি মসজিদে জুমার নামাজে মানুষের ঢল
পশ্চিমবঙ্গের নির্মাণাধীন বাবরি মসজিদে জুমার নামাজে মানুষের ঢল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রুশ এস-৪০০ ছাড়বে না তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানাপোড়েন
রুশ এস-৪০০ ছাড়বে না তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানাপোড়েন

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ, ছাত্রদলের তীব্র নিন্দা
ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ, ছাত্রদলের তীব্র নিন্দা

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এই হামলা বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত : প্রধান উপদেষ্টা
এই হামলা বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত : প্রধান উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি
ওসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি

প্রথম পৃষ্ঠা

৩৫ কেজি কাতলার দাম ১ লাখ ২২ হাজার টাকা!
৩৫ কেজি কাতলার দাম ১ লাখ ২২ হাজার টাকা!

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ব্ল্যাক ট্রায়াঙ্গেলের অস্ত্রে কাঁপছে চট্টগ্রাম
ব্ল্যাক ট্রায়াঙ্গেলের অস্ত্রে কাঁপছে চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

কড়াইল লেক দখলের মহোৎসব
কড়াইল লেক দখলের মহোৎসব

পেছনের পৃষ্ঠা

২৫ ডিসেম্বর ফিরছেন তারেক রহমান
২৫ ডিসেম্বর ফিরছেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের
৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের

প্রথম পৃষ্ঠা

বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে
বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

যশোরে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াত
যশোরে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

টি-২০তে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড!
টি-২০তে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড!

মাঠে ময়দানে

কুয়াকাটা সৈকতে ভিড় বেড়েছে পর্যটকের
কুয়াকাটা সৈকতে ভিড় বেড়েছে পর্যটকের

পেছনের পৃষ্ঠা

হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশন শুরু আজিজুলদের
হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশন শুরু আজিজুলদের

মাঠে ময়দানে

দেব-সুরাইয়ার প্রেমকাহিনি
দেব-সুরাইয়ার প্রেমকাহিনি

শোবিজ

দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার
দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে নতুন মাদক এমডিএমবি
দেশে নতুন মাদক এমডিএমবি

নগর জীবন

লাস্ট সিকোয়েন্স
লাস্ট সিকোয়েন্স

শোবিজ

একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না
একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না

সম্পাদকীয়

সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে
সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ
দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ

প্রথম পৃষ্ঠা

আইসিসিবিতে ‘আলু উৎসব’ শুরু
আইসিসিবিতে ‘আলু উৎসব’ শুরু

নগর জীবন

রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে
রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়েলিংটনে ক্যারিবীয়দের উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে কিউইরা
ওয়েলিংটনে ক্যারিবীয়দের উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে কিউইরা

মাঠে ময়দানে

ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না
ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

জঙ্গির পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, বাংলাদেশির ১০ বছর কারাদণ্ড
জঙ্গির পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, বাংলাদেশির ১০ বছর কারাদণ্ড

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বোচ্চ সতর্কতায় চলছে চিকিৎসা
সর্বোচ্চ সতর্কতায় চলছে চিকিৎসা

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা
দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই
নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬ শতাধিক শিল্পকর্ম চুরি
যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬ শতাধিক শিল্পকর্ম চুরি

পূর্ব-পশ্চিম

ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়
ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা