শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২৩:১৭

বার্সাকে রুখতে মরিয়া চেলসি

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বার্সাকে রুখতে মরিয়া চেলসি

টানা দুই ম্যাচ ড্রয়ে মানসিকভাবে বেশ জোরালো ধাক্কা খেয়েছিল বার্সেলোনা। সেই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠে তিন দিন আগে ‘এবার’কে হারিয়ে। সেই জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়েই আজ বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ২টায় নামছে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে। প্রতিপক্ষ স্বাগতিক চেলসি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেরা ১৬-এর লড়াইয়ে প্রথম লেগে ফেবারিট বার্সেলোনাকে আতিথেয়তা দিচ্ছে অ্যান্তোনিও কন্তে। একই দিন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আরেক ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে বায়ার্ন মিউনিখ ও বেসিকটাস। এর আগে রিয়াল মাদ্রিদ ৩-১ গোলে প্যারিস সেন্ট জার্মেইনকে এবং লিভারপুল ৫-০ গোলে হারিয়েছে এএফসি পোর্তোকে। সব ঘরানার ফুটবলেই মেসি বরাবর দুর্বার। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বার্সেলোনার পক্ষে এখন পর্যন্ত বার্সার আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার মেসি গোল করেছেন ২৭টি। কিন্তু সফল নন ইংলিশ জায়ান্ট চেলসির বিপক্ষে। চেলসির বিপক্ষে গত আটটি ম্যাচ খেললেও মেসির জাদু দেখা হয়নি ফুটবল সমর্থকদের। সেটা মাথায় রেখেই ইংলিশ ক্লাবটির কোচ অ্যান্তোনিও কন্তে নতুন কৌশল আঁটছেন। সে কৌশলে তিনি কোনোভাবেই পাঁচবারের বিশ্বসেরা ফুটবলারকে গোল করতে দিতে নারাজ। আজ ঘরের মাঠে খেলা হলেও বিশ্বসেরা ফুটবলারকে আটকে রাখার সব কৌশল সাজিয়েছেন কোচ কন্তে, ‘আমাদের বিপক্ষে আগের ম্যাচগুলোয় গোল পায়নি মেসি। আশা করি এবারও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখব। মেসি একজন অসাধারণ ফুটবলার। তার প্রতি আমাদের আলাদা সম্মান রয়েছে। তার বিপক্ষে খেলাটা সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং।’ অ্যাওয়ে মাঠে খেলা। তাতেও চিন্তিত নন এলবেরোদো আরনেস্তো, ‘ঘরের মাঠে চেলসি সবসময়ই শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। তাদের হালকাভাবে নেওয়ার কোনো কারণ নেই। শুধু নিজেদের সেরাটা খেলতে চাই। খেলতে পারলে হাসিমুখেই ফিরতে পারব আশা করি।’ দুই দল এখন পর্যন্ত মুখোমুখি হয়েছে ১২ ম্যাচে। সর্বশেষ মুখোমুখি হয়েছিল ২০১২ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে। দুই লেগের ম্যাচে জিতে ফাইনাল খেলেছিল চেলসি এবং সেবার শিরোপা জিতেছিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগের। দুই দলের প্রথম লেগে ঘরের মাঠে ১-০ গোলে জিতেছিল ব্লুজরা। দ্বিতীয় ম্যাচ ড্র করেছিল ২-২ গোলে। ড্র ৫টি, চেলসির জয় ৪টি এবং সবচেয়ে বড় জয় ৪-২ গোলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেরা ১৬-এর লড়াইয়ে। বার্সেলোনার জয় ৩টি এবং বড় জয় ৫-১ গোলে এবং সেটা ২০০০ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে। সুতরাং পরিসংখ্যানের বিচারে এগিয়ে চেলসি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে চেলসির পক্ষে সর্বোচ্চ ২৭ গোল করেছেন মেসি এবং চেলসির পক্ষে এইডেন হ্যাজার্ড ১৫টি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে চেলসি শিরোপা জিতেছে ২০১২ সালে এবং বার্সেলোনা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ১৯৯২, ২০০৬, ২০০৯, ২০১১ ও ২০১৫ সালে।

শক্তিমত্তার বিচারে বেসিকটাসের তুলনায় এগিয়ে বায়ার্ন মিউনিখ। জার্মান জায়ান্টরা ফুটবল বিশ্বের পরিচিত মুখ। দুই দলের লড়াইয়েও এগিয়ে দলটি। দুই দল এর আগে ১৯৯৭-৯৮ মৌসুমে প্রথম ও শেষবার মুখোমুখি হয়েছিল পরস্পরের। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ স্টেজের লড়াইয়ে দুই খেলাতেই বায়ার্ন। প্রথম পর্বে জিতেছিল ২-০ গোলে এবং ফিরতি লেগেও ব্যবধান ছিল একই। সেরা ১৬-তে বায়ার্ন জায়গা নিয়েছে প্যারিস সেন্ট জার্মেইনের পেছনে থেকে এবং বেসিকটাস গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে। বায়ার্নের পক্ষে ২৭ গোল করে সবচেয়ে সফল স্কোরার পোলিশ স্ট্রাইকার লেনডেভোস্কি এবং বেসিকটাসের পক্ষে ১৪ গোল করেছেন তালিসকা।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেরা আটের লড়াইয়ে জায়গা নিতে চারের দলের মধ্যে জিততে হবেই। দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচ ৭ মার্চ।


আপনার মন্তব্য