শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৫ জুন, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৪ জুন, ২০২১ ২২:৪২

রাজশাহী সিটি করপোরেশন

সারা বছরই এমন সড়ক

কাজী শাহেদ, রাজশাহী

সারা বছরই এমন সড়ক
Google News

রাজশাহী নগরীর টিকাপাড়া মোহাম্মদপুর এলাকার সড়কটির খানাখন্দ দীর্ঘদিনের। প্রতি বছরই সড়কটি সংস্কারে ব্যয় করে সিটি করপোরেশন। কিন্তু ছয় মাস না যেতেই আবারও খানাখন্দে বেহাল হয়ে যায়।

২০২০ সালে সড়কটি সংস্কারে কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। এবারও সংস্কারে দরপত্র আহ্বান করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু সংস্কার কাজ শুরুই হচ্ছে না। ফলে ওই সড়ক দিয়ে চলাচলকারীদের ভোগান্তি থেকেই গেছে।

মাঝে টানা বৃষ্টিতে পানি জমেছিল সেখানে। সরানোর লোক ছিল না। এতে জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে যান চলাচলের কারণে আবারও খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। এই সড়কে প্রতিদিন চলাচলকারীদের দুর্ভোগের শেষ নেই। এখন সড়কটির বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকে পানি।

রাসিক কর্তৃপক্ষ বলছে, রাজশাহী নগরীতে সব মিলিয়ে ৩৫০ কিলোমিটার সড়ক আছে। এর একটি বড় অংশ গ্যাস ও পানি সংযোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৯৭ দশমিক ১৮ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের রাজশাহী নগরীতে হোল্ডিং সংখ্যা ৪৭ হাজার। নগরীর স্থায়ী বাসিন্দা ৪ লাখ ৯০ হাজার ৩২২ জন। এর বাইরে আরও ৪ লাখ মানুষ অস্থায়ীভাবে বসবাস করেন নগরীতে। নগরজুড়ে আছে অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনের চাপ।

রাসিকের প্রকৌশল শাখা সূত্র জানায়, প্রতি বছরই ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের কিছু কিছু মেরামত হচ্ছে। ড্রেন নির্মাণের কারণে টিকাপাড়া সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু হতে কিছুটা দেরি হয়েছে।

নগরীর ওই সড়কটির বেশির ভাগ সড়ক এখন খানাখন্দে ভরা। এসব খানাখন্দ তৈরি হয়েছে গ্যাস ও পানি সংযোগের পর খোঁড়া সড়ক মেরামত না করায়। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে।

নগরীর টিকাপাড়া এলাকার বাসিন্দা শাহরিয়ার ইমন সোহেল বলেন, মোহাম্মদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরেই খানাখন্দে ভরা। সম্প্রতি এটি যেনতেনভাবে মেরামত করা হয়েছিল। বৃষ্টির পানি জমে রাস্তাটি আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেছে।

নগরবাসী বলছে, সড়ক মেরামত হচ্ছে বর্ষায়। বিশেষ করে বৃষ্টির ফাঁকে। ফলে সেগুলো আর টিকছে না। তাছাড়া সড়ক রক্ষণাবেক্ষণেও নজর নেই সিটি করপোরেশনের। পানি জমে তৈরি হচ্ছে খানাখন্দ। নিম্নমানের কাজ করায় এমনটি হচ্ছে।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ভাঙাচোরা সড়ক পর্যায়ক্রমে মেরামত করা হচ্ছে। কিছু সড়ক মেরামত করা হয়েছে। অন্যগুলোর কাজও শুরু হবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সড়কগুলো সংস্কার হয়ে যাবে। কাজের মান নিয়ে কোনো আপস করা হবে না। মান ভালো করতেই বর্ষায় কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না।