শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:২৫

চুলের যত্নে প্রতিদিন...

চুলের যত্নে প্রতিদিন...
মডেল : নিহারিকা

রোজকার ব্যস্ততায় চুলের বাড়তি যত্নের সুযোগ মেলানো দায়। যান্ত্রিক জীবনে প্রতিটি ক্ষেত্রের জন্যই সময় নির্ধারিত। দিন শেষে আপনার সব সাফল্য কিন্তু এই ‘আপনার’ জন্যই। নিত্যদিনের জীবনযাত্রায় কিছু অভ্যাস চুলের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। চুল ধোয়া-শুকানো-আঁচড়ানো- সব মিলিয়ে ভুল হওয়ার জায়গা অনেক। তবে একটু সতর্কতা অবলম্বন করলেই এগুলো সংশোধন করে নেওয়া যায় অনায়াসেই।

 

কেন চুল ধোবেন?

মাথার স্ক্যাল্পে এক ধরনের তেলগ্রন্থি রয়েছে। সেই গ্রন্থি অর্থাৎ চুলের গোড়া থেকে প্রতিনিয়ত সিবাম নামের এক ধরনের তেল নির্গত হয়। আর বাইরের দূষণ; যেমন- ধুলোবালি, দূষিত বাতাস, যানবাহনের কালো ধোঁয়া ইত্যাদি সেই তেলের সঙ্গে মিশে চুল নোংরা করে ফেলে। তাই সপ্তাহে অন্তত দুবার ভালেভাবে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিতে হবে। তাতে অবশ্য উপকারই রয়েছে। যা আমাদের চুলের স্বাস্থ্যে সরাসরি প্রভাব ফেলে।

 

চুল ধোয়ার কায়দা-কানুন

প্রথমে মোটা দাঁতের চিরুনিতে চুল আঁচড়ে জট ছাড়িয়ে নিন। শ্যাম্পু করার আগে ভালোভাবে চুল ভিজিয়ে নিন। তাড়াহুড়া করে সম্পূর্ণ চুলে একবারে শ্যাম্পু লাগানো উচিত নয়। কয়েকটি ভাগে ধীরে ধীরে শ্যাম্পু লাগাতে হবে। ১৫ মিনিট পর আঙুল দিয়ে আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করতে হবে। এতে মাথার স্ক্যাল্পের রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়, চুলের গোড়াকে মজবুত করে। সম্ভব হলে শ্যাম্পুর আগে তেল ম্যাসাজ করে নিন। তেল ম্যাসাজ করার অন্তত আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করুন। সব শেষে চুলের গোড়ার সামান্য ওপরে কন্ডিশনার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন।

 

চুল শুকাতে তাড়াহুড়ো নয়

চুল শুকাতে তাড়াহুড়ো করবেন না। গোসল সেরে  তোয়ালে জড়িয়ে চুলের পানি নিংড়ে নিন। এরপর কিছুক্ষণ ফ্যানের নিচে বসুন। টেবিল ফ্যান বা স্ট্যান্ড ফ্যানের হাওয়াও কাজে লাগাতে পারেন। তোয়ালে ব্যবহার করুন আলতোভাবে। চুল বা মাথার স্ক্যাল্প মোছার কাজটিও করুন হালকাভাবে। তোয়ালে দিয়ে চুল ঝাড়বেন না। হেয়ার ড্রায়ার পারতপক্ষে ব্যবহার না করাই ভালো। তবু খুব প্রয়োজন হলে ড্রায়ারের ঠান্ডা হাওয়ায় চুল শুকিয়ে নিতে পারেন।

 

আঁচড়ানোর ক্ষেত্রে সাবধানতা

প্রতিদিন এক থেকে দুবারের বেশি চুল আঁচড়ানোর প্রয়োজন নেই। খুব বেশিবার চুল আঁচড়ালে বেশি চুল পড়ে যেতে পারে। প্রয়োজনে চুলে আঙুল চালিয়ে চুল ঠিক করে নিতে পারেন। ভেজা চুল আঁচড়ানো উচিত নয়। যদি ভেজা চুল আঁচড়াতেই হয়, তাহলে মোটা দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করুন। আর চুল অতিরিক্ত অগোছালো প্রকৃতির হলে ‘সিরাম’ ব্যবহার করতে পারেন; তাহলে চুলের অগোছালো ভাবটা কমবে, বারবার চিরুনি ব্যবহারের প্রয়োজন হবে না।

 

লেখা : তানিয়া জামান