শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫ আপডেট: ০০:২৪, সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫

বিশ্বসেরা মুসলিম জ্ঞানসাধক

প্রিন্ট ভার্সন
বিশ্বসেরা মুসলিম জ্ঞানসাধক

জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও নতুন নতুন আবিষ্কার প্রতিনিয়ত পৃথিবীকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের অভূতপূর্ব বিকাশ ও আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে জ্ঞানের অবদান অনস্বীকার্য। সময়ের ধারাবাহিকতা ও আবিষ্কারের নেশায় মুসলিম জ্ঞান-সাধকরা পিছিয়ে ছিলেন না।  তারা নিজ মেধা-মননে বিশ্বদরবারে নিজেদের উচ্চাসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। বিশ্বখ্যাত কয়েকজন মুসলিম জ্ঞান-সাধক ও বিজ্ঞানীর কথা লিখেছেন- মুনশি মুহাম্মদ উবাইদুল্লাহ। আজ রইল প্রথম পর্ব।

 

জ্ঞান-বিজ্ঞানজাবের ইবনে হাইয়ান

পুরো নাম আবু মুসা জাবের ইবনে হাইয়ান। তাঁকে ‘রসায়নের জনক’ বলা হয়। তিনি ছিলেন একাধারে রসায়নবিদ, আলকেমিবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, দার্শনিক, পদার্থবিজ্ঞানী, ওষুধ বিশারদ ও চিকিৎসক। তাঁর প্রকৃত জাতীয়তা জানা যায়নি। তবে অনেকের ধারণা, তিনি ইরানের তুস অঞ্চলের নাগরিক ছিলেন। ৭২১ সালে তাঁর জন্ম। বাবা ছিলেন ওষুধ প্রস্তুতকারক। প্রাথমিক শিক্ষা বাবার কাছেই। এরপর জাফর সাদিকের কাছে আলকেমি ও চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। বাবার মতো বেছে নেন ওষুধ প্রস্তুতের পেশা। ধীরে ধীরে জ্ঞানবিজ্ঞান, গবেষণা ও আবিষ্কারে পা রাখেন। তিনি রসায়নে অমর কীর্তি রেখেছেন। রসায়নশাস্ত্রে সময়োপযোগী অনেক কিছু আবিষ্কার করেন। ইস্পাত তৈরি, লোহার মরীচিকা রোধ, অলংকারের মসৃণ খোদাই, কাপড় রং করার প্রণালি, চামড়ার টাংকি, বিভিন্ন রঞ্জক পদার্থসংশ্লিষ্ট কার্যকরী বস্তুর আবিষ্কার তাঁর হাতে। তাঁর লেখা বই ‘বুক অব স্টোনস’-এ কৃত্রিম কাঁকড়া, সাপ এমনকি রোবট তৈরির প্রণালির উল্লেখ রয়েছে। তিনি কুফায় একটি বিজ্ঞানাগার প্রতিষ্ঠা করেন। মৃত্যু পর্যন্ত সেখানে গবেষণা করেন। তাঁকে পৃথিবীর ‘সর্বপ্রথম রসায়ন বিজ্ঞানী’ বলা হয়। তিনি হাজার দুয়েক বই লিখেছেন। বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখা বইগুলোর মধ্যে রসায়নে ২৬৭টি, যুদ্ধাস্ত্রাদিতে ৩০০টি, চিকিৎসাবিজ্ঞানে ৫০০টি, দর্শনে ৩০০টি, দার্শনিক ও যুক্তিখণ্ডনবিষয়ক ৫০০টি উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে রসায়নবিষয়ক রচনা তাঁকে অমর করে রেখেছে। ১০ বছর গৃহবন্দি থেকে আনুমানিক ৮১৫ সালে তাঁর মৃত্যু হয়।

 

জ্ঞান-বিজ্ঞানআল-কিন্দি

পুরো নাম আবু ইউসুফ ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আল-কিন্দি। তাঁকে ‘ক্রিপ্টোগ্রাফি ও পেরিপ্যাটেটিক দর্শনের জনক’ বলা হয়। তিনি একাধারে দার্শনিক, বিজ্ঞানী, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, বিশ্বতত্ত্ববিদ, রসায়নবিদ, যুক্তিবিদ, গণিতজ্ঞ, সঙ্গীতজ্ঞ, পদার্থবিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানী ও আবহাওয়াবিজ্ঞানী ছিলেন। আনুমানিক ৮০১ সালে ইরাকের কুফা শহরে তাঁর জন্ম। নবম শতাব্দীতে তিনি আরবি অনুবাদের মাধ্যমে গ্রিক দর্শন, গণিত, নিওপ্লাটোনিস্ট ও এরিস্টটলের কাজগুলোকে মুসলিম জগতে প্রচার করেন। এরিস্টটলের মেটাফিজিস্ক বা তত্ত্বকথার আরবি অনুবাদ করেন তিনি। বিশ্বজগতের রহস্য উদ্ঘাটনের যে কার্যকারণ-তত্ত্ব তা ব্যাখা করেন। তাঁর মতে, এ জগতের কোনোকিছুই স্থায়ী নয়। স্রষ্টা নিজ ইচ্ছায় গড়েছেন, নিজ ইচ্ছায় তা ধ্বংস করবেন। তিনি প্রথম ভারতীয় সংখ্যা পদ্ধতিকে মুসলিম ও খ্রিস্টান বিশ্বে পরিচিত করেন। কয়েকটি নতুন গাণিতিক পদ্ধতিও আবিষ্কার করেন। যার মধ্যে কম্পাঙ্ক বিশ্লেষণ পদ্ধতি উল্লেখযোগ্য। গণিত ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের জ্ঞানকে ব্যবহার করে তিনি ওষুধের কার্যকারিতা পরিমাপক যন্ত্র আবিষ্কার করেন। তিনি মনে করতেন, সঠিক দার্শনিক সিদ্ধান্তে পৌঁছতে হলে অবশ্যই সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য জ্ঞানের আশ্রয় নিতে হবে। এজন্য তিনি দর্শনে গাণিতিক পদ্ধতি ব্যবহারের পক্ষে ছিলেন। অনেক গবেষকের মতে, তিনি ধর্মতত্ত্বের সঙ্গে দর্শনের সম্পর্ক নির্ণয়ের চেষ্টা করেন। দর্শনশাস্ত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তাঁকে ‘দ্য আরব ফিলোসফার’ বলা হয়। আনুমানিক ৮৭৩ সালে প্রায় ৭২ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়।

 

জ্ঞান-বিজ্ঞানইবনে বতুতা

পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে বতুতা। তিনি ছিলেন মুসলিম পর্যটক, চিন্তাবিদ, বিচারক ও বিখ্যাত ধর্মতাত্ত্বিক। ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৩০৪ সালে মরক্কোর তানজাহ প্রদেশের তাঞ্জিয়ারে তাঁর জন্ম। তাঁর বাবা পেশায় ছিলেন কাজি। ছোটবেলা থেকেই ইবনে বতুতা ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাপক পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। তাঁর প্রথম উদ্দেশ্য ছিল ধর্মীয় পরিব্রাজক হওয়া এবং মিসর, সিরিয়া ও হেজাজ অঞ্চলের খ্যাতনামা আলেমদের অধীনে ধর্মীয় জ্ঞানার্জন করা। ফলে পরবর্তীতে বিভিন্ন ইসলামি রাজ্য তাঁকে কাজি মনোনীত করে। ২০ বছর বয়সে তিনি বেরিয়ে পড়েন বিশ্ব ভ্রমণে। টানা ৩০ বছর ঘুরে বেড়ান বিশ্বের নানা প্রান্ত। এ সময় তিনি সব মুসলিম সাম্রাজ্য মিলে ১ লাখ ২০ হাজার কিলোমিটার সফর করেন। সেসব অঞ্চলের শাসকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ দীর্ঘ পথ ভ্রমণের পর যখন মরক্কোতে ফেরেন তখন সুলতান আবু ইনান ফারিস ভ্রমণকাহিনি লেখার জন্য তাঁকে তাগাদা দেন। তাঁর সমগ্র ভ্রমণকাহিনি লেখার জন্য সাহায্যকারী হিসেবে কবি ইবনে জুজাই আল-কালবিকে নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৩৫৫ সালে তাঁর ভ্রমণকাহিনি ‘রিহলা’ নামে প্রকাশিত হয়। এটি ছিল ১৪ শতকের আগে মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম সাম্রাজ্যের ঐতিহাসিক দলিল। বইটি ১৯৫৮ সালে ইংরেজিতে অনুবাদ করা হয়। এরপর ধীরে ধীরে বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হতে থাকে। তাঁর ঐতিহাসিক বিবরণ থেকে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মানুষের জীবনযাপন, রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক অবস্থা এবং নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য জানা যায়। ১৩৬৮ বা ১৩৭৭ সালে তাঁর মৃত্যু হয়।

 

জ্ঞান-বিজ্ঞানআল বিরুনি

পুরো নাম আবু রায়হান আল বিরুনি বা আবু রায়হান মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল বিরুনি। তাঁকে ‘ইন্ডোলজির প্রতিষ্ঠাতা, তুলনামূলক ধর্ম ও আধুনিক জিওডেসির জনক এবং প্রথম নৃতত্ত্ববিদ’ বলা হয়। তিনি ছিলেন একাধারে বহু ভাষাবিদ, গণিত ও জ্যোতিঃপদার্থবিদ; রসায়ন ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞানে পারদর্শী। এ ছাড়া ছিলেন ভূগোলবিদ, ঐতিহাসিক, পঞ্জিকাবিদ, দার্শনিক, চিকিৎসাবিজ্ঞানী, ভাষাতত্ত্ববিদ ও ধর্মতত্ত্বের নিরপেক্ষ বিশ্লেষক। স্বাধীন চিন্তা, মুক্ত বুদ্ধি, সাহসিকতা, নির্ভীক সমালোচনা ও সঠিক মতামতের জন্য তিনি যুগশ্রেষ্ঠ বলে স্বীকৃত। হিজরি চতুর্থ শতাব্দীর শেষার্ধ ও পঞ্চম শতাব্দীর প্রথমার্ধকে ‘আল বিরুনির কাল’ বলা হয়। উজবেকিস্তানের খাওয়ারিজমে আনুমানিক ৯৭৩ সালে তাঁর জন্ম। তিনি সুদীর্ঘ ২২ বছর রাজকীয় অনুগ্রহে কাটিয়েছেন। তাঁর সময়কার বড় বড় বিদ্বান ব্যক্তির কাছে শিক্ষা গ্রহণ করেন। অধ্যয়নকালে তিনি তাঁর কিছু প্রাথমিক রচনা প্রকাশ করেন। আরবি ভাষায় তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য ছিল। তাঁর মাতৃভাষা ছিল খাওয়ারিজমি আঞ্চলিক ইরানি ভাষা। কিন্তু তিনি তাঁর রচনাবলি আরবিতে লিখে গেছেন। জীবনের শেষ দিকে কিছু বই ফার্সিতে বা আরবি ও ফার্সি উভয় ভাষায় লিখেন। তিনি গ্রিক ভাষাও জানতেন। হিব্রু এবং সিরীয় ভাষায়ও তাঁর দক্ষতা ছিল। তিনি অত্যন্ত মৌলিক ও গভীর চিন্তাধারার অধিকারী ছিলেন। শহরের বাইরে বাস করতেন বলে ‘আল বিরুনি’ নামে পরিচিতি পান। তাঁর লেখা ১৪৬টি বইয়ের মধ্যে ৯৫টি জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত ও গাণিতিক ভূগোলের মতো সম্পর্কিত বিষয়ে রচিত। আনুমানিক ১০৫০ সালে ৭৭ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়।

 

জ্ঞান-বিজ্ঞানওমর খৈয়াম

পুরো নাম গিয়াসউদ্দিন আবুল ফাতাহ ওমর ইবনে ইবরাহিম আল খৈয়াম নিশাপুরি। তিনি ছিলেন ইরানের বিখ্যাত কবি, গণিতবেত্তা, দার্শনিক ও জ্যোতির্বিদ। ইসলামি বর্ষপঞ্জি সংস্কারেও তাঁর অবদান রয়েছে। ফার্সি কাব্যজগতে তিনি এক বিশেষ চিন্তাধারা ও বিশ্বদৃষ্টির পথিকৃৎ ছিলেন। বিশ্ব সাহিত্যেও অনন্য বিস্ময়কর প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। ১৮ মে ১০৪৮ সালে ইরানের খোরাসান অঞ্চলের নিশাপুরে তাঁর জন্ম। তিনি ছিলেন মালিক শাহ সেলজুকের সমসাময়িক। ওমর খৈয়ামের শৈশব কেটেছে অধুনা আফগানিস্তানের বালখ শহরে। তাঁর বাবা ছিলেন তাঁবুর কারিগর ও মৃৎশিল্পী। বিখ্যাত দার্শনিক মুহাম্মদ মানসুরির কাছে শিক্ষাজীবন সমাপ্ত করেন তিনি। দীক্ষা নিয়েছেন ধর্মীয় শাস্ত্র, দর্শন ও গণিতে। তিনি দিনে বীজগণিত ও জ্যামিতি পড়াতেন। সন্ধ্যায় মালিক শাহের দরবারে পরামর্শ দিতেন। তাঁর দিনগুলো দারুণ কাটছিল। কিন্তু আঁততায়ীর হাতে সুলতান মালিক শাহের মৃত্যু হয়। সুলতানের বিধবা স্ত্রী তাঁকে ঘৃণার চোখে দেখেন। প্রকাশ্যেই সুলতানের মৃত্যুর জুন্য ওমরকে দায়ী করেন। সুলতানের স্ত্রীর সন্দেহ ছিল, খৈয়াম এ হত্যার পেছনে গুপ্তচর ছিলেন। এমন বেগতিক অবস্থায় ওমর খৈয়াম সব ছেড়ে হজ করতে যান। দীর্ঘ সময় ছিলেন সেখানে। একসময় তাঁকে নিশাপুরে ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়। নিশাপুরে ওমর গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিষয়ক তাঁর বিখ্যাত রচনাগুলো সমাপ্ত করেন। বীজগণিতে ত্রিঘাত সমীকরণের সমাধানও প্রথম তাঁর হাতেই হয়। ৪ ডিসেম্বর ১১৩১ সালে ৮৩ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়।

এই বিভাগের আরও খবর
শরণার্থী থেকে ফুটবল তারকা
শরণার্থী থেকে ফুটবল তারকা
আমাদের পরিবারটি ক্রীড়াপ্রেমী
আমাদের পরিবারটি ক্রীড়াপ্রেমী
ফুটবলারদের প্রিয় খাবার
ফুটবলারদের প্রিয় খাবার
ভাসমান শহর রূপকথা নাকি ভবিষ্যৎ
ভাসমান শহর রূপকথা নাকি ভবিষ্যৎ
স্কিন-অ্যাংজাইটি কাটানোর মূলমন্ত্র
স্কিন-অ্যাংজাইটি কাটানোর মূলমন্ত্র
কখন কেমন-জুতো
কখন কেমন-জুতো
গ্রীষ্মের সতেজতায় ত্বকের ‘বুস্টার’ টোনার
গ্রীষ্মের সতেজতায় ত্বকের ‘বুস্টার’ টোনার
সাবরিহা আজরা, রন্ধনশিল্পী
সাবরিহা আজরা, রন্ধনশিল্পী
সুস্থতা আর সৌন্দর্যের আসল চাবিকাঠি
সুস্থতা আর সৌন্দর্যের আসল চাবিকাঠি
সানগ্লাসের স্টাইল
সানগ্লাসের স্টাইল
অপরূপ সুন্দর বাস্তবে মৃত্যুফাঁদ
অপরূপ সুন্দর বাস্তবে মৃত্যুফাঁদ
উৎসবের ভোজ
উৎসবের ভোজ
সর্বশেষ খবর
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

সানোর গোলে এগিয়ে গেল জাপান
সানোর গোলে এগিয়ে গেল জাপান

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

এই মহারণেই জীবন-মরণ
এই মহারণেই জীবন-মরণ

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ শুরু, শেষ ১৬-র টিকিট কাটবে কে
ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ শুরু, শেষ ১৬-র টিকিট কাটবে কে

৩৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাপান বধের মিশনে নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল
জাপান বধের মিশনে নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে পোস্ট ডিলিট, শাবিপ্রবির সহকারী প্রক্টরকে অব্যাহতি
শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে পোস্ট ডিলিট, শাবিপ্রবির সহকারী প্রক্টরকে অব্যাহতি

৪৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

অপপ্রচার ও ‘অপরাজনীতি’ বন্ধের দাবিতে সাভারে যুবদলের বিক্ষোভ
অপপ্রচার ও ‘অপরাজনীতি’ বন্ধের দাবিতে সাভারে যুবদলের বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন
বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

মালয়েশিয়ায় যুবদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত
মালয়েশিয়ায় যুবদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

একের পর এক আইনি জটিলতা, এবার ‘হেরা ফেরি ৩’ ছাড়লেন প্রিয়দর্শন
একের পর এক আইনি জটিলতা, এবার ‘হেরা ফেরি ৩’ ছাড়লেন প্রিয়দর্শন

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ক্যান্সার জয় করা কেট মিডলটনের ২৪ ঘণ্টায় তিন পাহাড় জয়
ক্যান্সার জয় করা কেট মিডলটনের ২৪ ঘণ্টায় তিন পাহাড় জয়

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সিরাজগঞ্জে ৬ মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সিরাজগঞ্জে ৬ মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নড়াইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে মামলা
নড়াইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করা হবে: আবদুস সালাম
ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করা হবে: আবদুস সালাম

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নোয়াখালীতে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
নোয়াখালীতে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২৮ জুন পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৭.৬ শতাংশ বৃদ্ধি
২৮ জুন পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৭.৬ শতাংশ বৃদ্ধি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

লিসা কুক ইস্যুতে ট্রাম্পের পরাজয়, তবে বেড়েছে প্রশাসনিক ক্ষমতা
লিসা কুক ইস্যুতে ট্রাম্পের পরাজয়, তবে বেড়েছে প্রশাসনিক ক্ষমতা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের কৃষি-ব্যবসা-বেতন আয়করমুক্ত করার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের কৃষি-ব্যবসা-বেতন আয়করমুক্ত করার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাগদান নয়, সম্পর্কে জড়িয়েছি’: ফেসবুক পোস্ট নিয়ে খোলাসা করলেন নীহা
‘বাগদান নয়, সম্পর্কে জড়িয়েছি’: ফেসবুক পোস্ট নিয়ে খোলাসা করলেন নীহা

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মাছি উড়তেই মিলল মাটিচাপা লাশ, স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে
মাছি উড়তেই মিলল মাটিচাপা লাশ, স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২০২৮ অলিম্পিকে খেলতে বাছাইপর্ব পেরোতে হবে বাংলাদেশকে
২০২৮ অলিম্পিকে খেলতে বাছাইপর্ব পেরোতে হবে বাংলাদেশকে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব
এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুদকের জালে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিন
দুদকের জালে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জমি বিরোধে চাচাকে পিটিয়ে হত্যা, ভাতিজা গ্রেফতার
জমি বিরোধে চাচাকে পিটিয়ে হত্যা, ভাতিজা গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে নার্সিং শিক্ষার্থীদের বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
নোয়াখালীতে নার্সিং শিক্ষার্থীদের বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলামী আন্দোলনের উপদেষ্টা পরিষদ ও মজলিশে শুরায় নতুন সদস্য
ইসলামী আন্দোলনের উপদেষ্টা পরিষদ ও মজলিশে শুরায় নতুন সদস্য

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যশোরে মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
যশোরে মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের জাতির কর্ণধার: নওশীন হেলাল
শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের জাতির কর্ণধার: নওশীন হেলাল

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ
২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত
ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি
জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার
নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক
ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’
ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩২৬৬ টাকা
স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩২৬৬ টাকা

১৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নাটকীয় ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিতলো আয়ারল্যান্ড
নাটকীয় ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিতলো আয়ারল্যান্ড

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?
জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর
দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে
কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
৮টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, আলোচনা ভন্ডুলের হুমকি
বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, আলোচনা ভন্ডুলের হুমকি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে টর্চ জ্বালিয়ে ৪ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ, যুবক নিহত
পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে টর্চ জ্বালিয়ে ৪ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ, যুবক নিহত

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার
স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই রেকর্ডের ছড়াছড়ি
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই রেকর্ডের ছড়াছড়ি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের
জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি
নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি

১৯ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল
জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বর্ণবাদ নিয়ে ভিনির বার্তা
জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বর্ণবাদ নিয়ে ভিনির বার্তা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে ছেড়ে কথা বলব না: জাপান কোচ
ব্রাজিলকে ছেড়ে কথা বলব না: জাপান কোচ

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি পর্যটকদের অপেক্ষায় গেদে সীমান্তের ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশি পর্যটকদের অপেক্ষায় গেদে সীমান্তের ব্যবসায়ীরা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘স্টিগমা’ মুক্ত হয়ে এনসিপিকে রাজনীতিতে পরিষ্কার অবস্থান তৈরির পরামর্শ মির্জা ফখরুলের
‘স্টিগমা’ মুক্ত হয়ে এনসিপিকে রাজনীতিতে পরিষ্কার অবস্থান তৈরির পরামর্শ মির্জা ফখরুলের

২২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

শেনজেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সীমান্ত পুলিশের হাতে: দূতাবাস
শেনজেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সীমান্ত পুলিশের হাতে: দূতাবাস

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
শাবানার ‘অবুঝ মন’ ৩০ বার দেখেন ওয়াহিদ সাদিক
শাবানার ‘অবুঝ মন’ ৩০ বার দেখেন ওয়াহিদ সাদিক

শোবিজ

পরীর নতুন প্রজেক্ট
পরীর নতুন প্রজেক্ট

শোবিজ

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত
২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত

প্রথম পৃষ্ঠা

স্পারসোকে আধুনিক করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
স্পারসোকে আধুনিক করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

বাচ্চাদের প্রিয় খালামণি...
বাচ্চাদের প্রিয় খালামণি...

শোবিজ

সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব
সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও তীব্র যুদ্ধ
আবারও তীব্র যুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

নওয়াজের জীবনসংগ্রাম
নওয়াজের জীবনসংগ্রাম

শোবিজ

সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির তদন্ত দাবি
সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির তদন্ত দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে
অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে

সম্পাদকীয়

রামপুরায় হত্যায় তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
রামপুরায় হত্যায় তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়
অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়

সম্পাদকীয়

চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান
চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক
রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশি অস্ত্রসহ পাটালি গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার
বিদেশি অস্ত্রসহ পাটালি গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার
হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার

প্রথম পৃষ্ঠা

হাতের টানে উঠছে কার্পেটিং
হাতের টানে উঠছে কার্পেটিং

দেশগ্রাম

নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব
নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব

প্রথম পৃষ্ঠা

লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট
লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট

নগর জীবন

দেশের প্রথম এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম ‘বায়োনাইট’
দেশের প্রথম এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম ‘বায়োনাইট’

প্রাণের ক্যাম্পাস

মেলান্দহে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা
মেলান্দহে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা

দেশগ্রাম

নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার
নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার
কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার

দেশগ্রাম

বিরোধী দলের বাজেট সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না
বিরোধী দলের বাজেট সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না

প্রথম পৃষ্ঠা

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তি
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তি

দেশগ্রাম

অটোচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন
অটোচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

দেশগ্রাম

গ্যাস সংযোগ দাবিতে বিক্ষোভ
গ্যাস সংযোগ দাবিতে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

রোনালদোয় সমস্যা দেখেন না কোচ
রোনালদোয় সমস্যা দেখেন না কোচ

মাঠে ময়দানে

বনদস্যুর উৎপাত
বনদস্যুর উৎপাত

সম্পাদকীয়