জেঁকে বসেছে শীত। কুয়াশার চাদরে মোড়ানো পৌষের দিন। আর শীত মানেই পিঠা উৎসব। বাঙালির ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত নানারকম পিঠাপুলি। সোমবার রাতে প্রতিবছরের ন্যায় কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা বাজারস্থ আল ইসরা হল রুমে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়।
উৎসবে সংগঠনের বন্ধুরা বাড়ি থেকে তৈরি করে আনেন নানা রকমের পিঠা। শিক্ষার্থী মিছবাহুল ইসলামের বাড়ি থেকে আনা ডিমের পিঠা, ভাপা পিঠা ও পুলি পিঠার স্বাদ সবার আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল। আরেক শিক্ষার্থী আবদুল্লাহর বাসা থেকে আনা পাটিসাপটা পিঠার স্বাদ নিতেও কাড়াকাড়ি হয়েছে।
দৈনিক কালেরকণ্ঠের লালমাই-সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রতিনিধি জহিরুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণ করেন বসুন্ধরা শুভসংঘের লালমাই উপজেলা শাখার সভাপতি ডেন্টিষ্ট মফিজুল ইসলাম মুন্না, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মাসুম বিল্লাহ মুহাজির, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক কাজী ইয়াকুব আলী নিমেল, ইভেন্ট সম্পাদক ইয়ামিন, আল ইসরা মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক (ইনচার্জ) হাফেজ শামীম আহমেদ, হিফজ বিভাগের ইনচার্জ হাফেজ ইয়াকুব আলী, ইংরেজি প্রশিক্ষক জহিরুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক মাওলানা ইকবাল, ব্যবসায়ী কবির হোসেন, প্রবাসী আল মামুন দুলাল, সংগঠনের সদস্য নয়ন, শাহরিয়ার ইমন ও ইমরুল কায়েস প্রমুখ।
বসুন্ধরা শুভসংঘের লালমাই উপজেলা শাখার সভাপতি ডেন্টিষ্ট মফিজুল ইসলাম মুন্না বলেন, পৌষের শীতে পিঠা খাওয়া বাঙালির ঐতিহ্য। বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে আমরা প্রতিবছর লালমাইয়ে পিঠা উৎসবের আয়োজন করি। আগামীতে আরও বড় পরিসরে আয়োজনের চেষ্টা করবো।
বিডি-প্রতিদিন/তানিয়া