গাইবান্ধায় শীতের তীব্র হিমেল হাওয়া আর কুয়াশায় ঢেকে থাকা দুপুরে যখন সূর্যের দেখা নেই, তখনই মানবিক সহায়তার হাত বাড়াল বসুন্ধরা শুভসংঘ গাইবান্ধা জেলা শাখা। মঙ্গলবার পার্ক রোডে পৌর এলাকার ৩০ নৈশ প্রহরী , রিকশাচালক, দোকান কর্মচারী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অফিস সহায়কদের মধ্যে বিতরণ করা হল কম্বল।
বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সংগঠন ‘আমরা চুরাশির’ সহায়তায় এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
কম্বল প্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন ফেরদৌস, সবুজ, আব্দুল হান্নান, শহিদুল ও গোলজার রহমানসহ আরও অনেকে।
কম্বল পেয়ে আব্দুল হান্নান (৬২) বলেন, ‘এই শীতে কাজ করতে গিয়ে খুব কষ্ট হচ্ছিল। কম্বলটা পেয়ে রাতে একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারব।’
একই অনুভূতি প্রকাশ করেন স্থানীয় একটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের সহায়ক গোলজার রহমান (৬৫)। তিনি জানান, ‘জানুয়ারির প্রথম থেকে এবার গাইবান্ধায় হাড়কাঁপানো শীতে শরীর আর গরম হতে চাইছে না। প্রতিবারের মত শুভসংঘের এমন সহায়তা আমাদের জন্য বড় ভরসা।’
আমরা ৮৪’র প্রতিনিধি মেঘলীনাদ্যুতি বলেন, ‘মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে বসুন্ধরা শুভসংঘ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়। ‘আমরা চুরাশি’ তাই শুভসংঘের বন্ধুদের পাশে আছি।’
কম্বল বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ গাইবান্ধা জেলা শাখার সদস্য আহসানিয়া তাসনিম স্নিগ্ধা, জেলা শুভসংঘ সভাপতি হুমায়ুন আহমেদ বিপ্লব ও কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি অমিতাভ দাশ হিমুন।
জেলা শুভসংঘ সভাপতি হুমায়ুন আহমেদ বিপ্লব জানান, ‘শীতের এই কষ্টকর সময়ে সমাজের অবহেলিত শ্রমজীবী নরনারী ও শিশুদের কষ্ট লাঘবে ‘আমরা চুরাশির সঙ্গে মিলে আরও দুই দফা কম্বল বিতরণ করা হবে।’
বিডি-প্রতিদিন/তানিয়া