শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ মে, ২০২১ ১৬:২১
প্রিন্ট করুন printer

ভারতীয় স্ট্রেইনের ক্ষমতা নিয়ে উদ্বিগ্ন ব্রিটেন

অনলাইন ডেস্ক

ভারতীয় স্ট্রেইনের ক্ষমতা নিয়ে উদ্বিগ্ন ব্রিটেন
ফাইল ছবি
Google News

ব্রিটেনে কড়াকড়ি কমছে আরও এক ধাপ। আজ সোমবার থেকে বেশির ভাগ অফিস-ব্যবসা বাণিজ্য সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া হবে। টিকাকরণে সাফল্যের জোরেই সরকারের এই সিদ্ধান্ত। কিন্তু ব্রিটেনের এক শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, ভারতীয় স্ট্রেইন বি.১.৬১৭.২-র বিরুদ্ধে প্রায় কোনো কাজ দিচ্ছে না প্রতিষেধক। সে ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত। ফলে করোনাবিধি লঘু করলে বিপদে পড়তে হবে ব্রিটেনকে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অ্যান্টনি হার্নডেন ‘জয়েন্ট কমিটি অন ভ্যাকসিনেশন অ্যান্ড ইমিউনাইজ়েশন’ (জেসিভিআই)-এর উপপ্রধান। 

তিনি বলেন, ‘লকডাউন তুলে দেওয়ার আগে খুব সাবধান হওয়া জরুরি। কারণ এখনও বিষয়টা অস্পষ্ট, ভারতীয় স্ট্রেইনটির সংক্রমণ ক্ষমতা ঠিক কত গুণ।’’

তবে তিনি আরও জানিয়েছেন, স্ট্রেইনটির প্রাণ কেড়ে নেয়ার ক্ষমতা বেশি হওয়ার প্রমাণ মেলেনি। আরও একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন তিনি, ‘ভ্যাকসিনটি কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত ব্যক্তির হয়তো বাড়াবাড়ি হতে দেবে না। অল্প জ্বর, কষ্ট হবে। কিন্তু সংক্রমণ রুখে দেওয়ার ব্যাপারে টিকা একেবারেই কার্যকরী নয়।’

ভারতীয় স্ট্রেইনটি নিয়ে ভীষণই উদ্বিগ্ন ব্রিটেন। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন জানিয়েছেন, ২১ জুনের মধ্যে সম্পূর্ণ ‘স্বাধীনতার’ যে রোডম্যাপ বানিয়েছিলেন তিনি, তা হয়তো বাস্তবে কার্যকর না-ও হতে পারে। 

তিনি আরও জানান, পুরোটাই নির্ভর করছে গবেষণার রিপোর্ট কী বলছে, তার উপর। দেশজুড়ে এখন চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে ভারতীয় স্ট্রেইন নিয়ে। সবে নিজেদের কেন্ট স্ট্রেইনের ধাক্কা কাটিয়ে উঠেছে ব্রিটেন। 

হার্নডেন বলেন, আমাদের কাছে এমন কোনও তথ্য নেই, যা থেকে জানা সম্ভব স্ট্রেইনটি কতটা সংক্রামক। মানে, এর সংক্রমণ ক্ষমতা অন্য স্ট্রেইনগুলির থেকে কত গুণ বেশি। যা তথ্য রয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, এই স্ট্রেইনে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি হওয়ার কোনও প্রমাণ নেই। এবং টিকা নেওয়া থাকলেও সংক্রমণ হতে পারে।’

বরিস জনসন জানান, ‘বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনও অজানা।’ তিনি বলেন, ‘গবেষণায় যদি দেখা যায় স্ট্রেইনটি সামান্য বেশি সংক্রামক, তা হলে যেমন লকডাউন ধীরে ধীরে তুলে দেওয়া হচ্ছে, তাই হবে। কিন্তু এর সংক্রমণ ক্ষমতা যদি দেখা যায় মারাত্মক, সে ক্ষেত্রে হয়তো কঠিন সিদ্ধান্তই নিতে হবে। লকডাউন চালিয়ে যেতে হবে।’

সূত্র: আনন্দবাজার।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

এই বিভাগের আরও খবর