শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:২০, বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ২০:৩২, বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬

ইসলামী ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স খাতকে শক্তিশালী করতে কাঠামোগত সংস্কারের আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ইসলামী ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স খাতকে শক্তিশালী করতে কাঠামোগত সংস্কারের আহ্বান

ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর ধারাবাহিক বিবর্তনের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকে উদ্ভূত সংকটের প্রেক্ষাপটে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, পেশাদার ব্যাংকার, নীতিনির্ধারক ও একাডেমিকদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে ইসলামী ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স খাতের বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় ব্যাংকিং, পুঁজিবাজার, তাকাফুল, একাডেমিয়া, হিসাবরক্ষণ পেশা এবং বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। 

অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে IBFC–Thrive with Shari’ah, এবং সহযোগিতা প্রদান করে IDLC Finance PLC-এর ইসলামী উইন্ডো ‘IDLC Islamic’।

গোলটেবিলের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের ইসলামী ফাইন্যান্স ইকোসিস্টেমের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা অর্জন করা এবং ভবিষ্যতমুখী ও নীতিনির্ভর সংলাপকে উৎসাহিত করা। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে IBFC–Thrive with Shari’ah কর্তৃক প্রকাশিত Islamic Banking and Finance in Bangladesh: Annual Review 2025 (IBFBD 2025)-এর দ্বিতীয় সংস্করণের আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হয়। 

প্রবৃদ্ধির সঙ্গে গুণগত সংস্কারের প্রয়োজন

স্বাগত বক্তব্যে IDLC Finance PLC-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ রিস্ক অফিসার আসিফ সাদ বিন শামস বলেন, বাংলাদেশে ইসলামী ফাইন্যান্স আর কোনো প্রান্তিক বা সীমিত পরিসরের খাত নয়। তিনি উল্লেখ করেন যে এটি এখন দেশের আর্থিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে পরিণত হয়েছে। তিনি IDLC Islamic-এর গভর্ন্যান্সনির্ভর শরিয়াহ-সম্মত উদ্যোগসমূহ তুলে ধরেন। পাশাপাশি টেকসই প্রবৃদ্ধি ও প্রাতিষ্ঠানিক সততা নিশ্চিত করতে সমন্বিত ও সংস্কারমুখী প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।

সেশনটি সঞ্চালনা করেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. মোহাম্মদ ওমর ফারুক। আলোচনার সূচনায় তিনি ইসলামী ফাইন্যান্সে কেবল লেনদেনভিত্তিক কারিগরি অনুবর্তিতায় সীমাবদ্ধ না থাকার ওপর জোর দেন। তিনি সামগ্রিক ব্যবস্থাগত দৃষ্টিভঙ্গি বা systems thinking-এর গুরুত্ব তুলে ধরেন।

আলোচকরা উল্লেখ করেন যে সম্পদ ও বিনিয়োগের পরিমাণের বিচারে ইসলামী ব্যাংকিং এখন বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের প্রায় এক-চতুর্থাংশ প্রতিনিধিত্ব করে। শরিয়াহ-সম্মত আর্থিক সেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রতিফলন হিসেবে বেশ কয়েকটি প্রচলিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইসলামী উইন্ডো বা শাখা চালু করেছে।

তবে অংশগ্রহণকারীরা একমত হন যে খাতটির পরিমাণগত প্রবৃদ্ধির সঙ্গে গুণগত উন্নয়ন সমানতালে এগোয়নি। বিশেষত গভর্ন্যান্স কাঠামো, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং বাজার অবকাঠামোর উন্নয়নে এখনও ঘাটতি রয়ে গেছে। ফলে আলোচনায় কেবল সাফল্যের দিক নয়, বরং কাঠামোগত দুর্বলতা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার অগ্রাধিকারও গুরুত্ব পায়।

ইসলামী ফাইন্যান্সে আঞ্চলিক নেতৃত্বে এগোতে পারে বাংলাদেশ

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (BIBM)-এর সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মহব্বত হোসেন। তিনি বৈশ্বিক ইসলামী ফাইন্যান্সের প্রবণতা, বাংলাদেশের অগ্রগতি এবং দেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান শক্তিশালী করার কৌশলগত সুপারিশ তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক সেরা চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্থানীয় বাস্তবতার ভিত্তিতে সংস্কার বাস্তবায়ন জরুরি। বৃহৎ মুসলিম জনসংখ্যা, শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং এসএমই খাতের সম্ভাবনার কারণে বাংলাদেশ ইসলামী ফাইন্যান্সে আঞ্চলিক নেতৃত্বে পরিণত হতে পারে। তবে এই সম্ভাবনা বাস্তবায়নের জন্য নীতিগত স্বচ্ছতা, শক্তিশালী গভর্ন্যান্স এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

নথিপত্রের বাইরে কার্যকর শরিয়াহ কমপ্লায়েন্স প্রয়োজন

আলোচনায় একটি পুনরাবৃত্ত বিষয় ছিল—শরিয়াহ কমপ্লায়েন্সকে কেবল নথিপত্রে নয়, কার্যপর্যায়ে নিশ্চিত করা। ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসি-এর সাবেক চেয়ারম্যান মো. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এবং প্রশাসক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবুল হাশেম বলেন, শক্তিশালী শরিয়াহ গভর্ন্যান্স প্রতিষ্ঠা করলে প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা বাড়বে। 

তারা বলেন, প্রকৃত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি, কার্যকর অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং বোর্ড পর্যায়ের সক্রিয় তদারকি জরুরি। আলোচনায় সাম্প্রতিক সংকটের পেছনে গভর্ন্যান্স ঘাটতিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং নিয়ন্ত্রক তদারকি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পেশাদার দক্ষতা ও শরিয়াহ জ্ঞানের সমন্বয় অপরিহার্য

বিআইবিএম-এর মহাপরিচালক ড. মো. এজাজুল ইসলাম,মত দেন যে ইসলামী ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্সকে কেবল ধর্মীয় বিষয় হিসেবে নয়, জাতীয় আর্থিক ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। 

তিনি বলেন, এমন একটি পেশাদার মানবসম্পদ ভাণ্ডার গড়ে তোলা প্রয়োজন যেখানে প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক দক্ষতার পাশাপাশি ইসলামী শরিয়াহবিষয়ক জ্ঞান সমন্বিত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ইসলামী ফাইন্যান্সকে সংকীর্ণ পরিচয়ভিত্তিক পরিসরে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। বরং এটিকে একটি পেশাদার ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে বিকাশ ঘটাতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ড. মুহাম্মদ আমির হোসেন এই দৃষ্টিভঙ্গিকে সমর্থন করেন। তিনি বলেন, টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ব্যাংকিং কার্যক্রমে পেশাগত দক্ষতা ও ইসলামী শরিয়াহ জ্ঞানের সমন্বয় অপরিহার্য।

ডিনেট-এর চেয়ারপারসন ড. শাহ মো. আহসান হাবিব বলেন, যে বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংকিং এখন দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য গুরুত্ব অর্জন করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই খাতে উচ্চমানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক। তিনি আরও বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ যথাযথভাবে ধারণ ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ইসলামী ব্যাংকিং টেকসই উন্নয়নের অগ্রভাগে অবস্থান নিতে পারবে।

স্বতন্ত্র ইসলামী ব্যাংকিং আইন ও নীতিগত স্বচ্ছতার আহ্বান

ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি-এর স্বাধীন পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. জুলকার নায়েন ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়নে কয়েকটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অংশগ্রহণকারীরা বলেন, স্বতন্ত্র ইসলামী ব্যাংকিং আইন না থাকায় কিছু ক্ষেত্রে নীতিগত অস্পষ্টতা ও গভর্ন্যান্সে ভিন্নতা দেখা যায়। তারা একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন কেন্দ্রীয় শরীয়াহ্ বোর্ড, স্বাধীন তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক শরীয়াহ রিভিউ, ব্যাংকার এবং শিক্ষা ও গবেষণায় নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গের সংলাপ জোরদার এবং কার্যকর গ্রাহক সুরক্ষা কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার চলমান উদ্যোগ

নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং রেগুলেশনস অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট (IBRPD)-এর পরিচালক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান সাম্প্রতিক বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে  শরিয়াহ গভর্ন্যান্স সংক্রান্ত সার্কুলার জারি এবং ইসলামী ব্যাংকিং আইন প্রণয়নের খসড়া প্রস্তুতকরণ অন্যতম ।

IBRPD-এর অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ জাকির হোসেন পুনর্ব্যক্ত করেন যে ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে শরিয়াহ কমপ্লায়েন্সের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না। তিনি শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রক তদারকি আরও জোরদার করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তারল্য ব্যবস্থাপনা ও সুকুক বাজারের উন্নয়ন

শরিয়াহ-সম্মত তারল্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ হিসেবে উঠে আসে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টের পরিচালক ইস্তেকামাল হোসেন জানান, বিদ্যমান সুকুকের পাশাপাশি তারল্য চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে স্বল্পমেয়াদি ইসলামিক ইন্সট্রুমেন্ট চালুর বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক ও এসপিভি (SPV)-এর প্রধান নীরু নাসরিন জানান, সুকুক লেনদেনকে আরও সহজ ও কার্যকর করতে একটি অনলাইন ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা উল্লেখ করেন যে সরকারি সুকুক ইস্যু ইসলামিক ক্যাপিটাল মার্কেটের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে শুরু করলেও এর সেকেন্ডারি মার্কেট এখনও তুলনামূলকভাবে সীমিত। তাদের মতে, স্বল্পমেয়াদি ইসলামিক ইন্সট্রুমেন্টের উন্নয়ন এবং সক্রিয় ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা ইসলামিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকর তারল্য ব্যবস্থাপনানিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইসলামিক ফাইন্যান্সে বিশেষায়িত হিসাবমান প্রয়োজন
ফিনান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (FRC)-এর নির্বাহী পরিচালক নাবিল আহমদ এবং INCEIF University-এর ISRA Institute-এর রিসার্চ ফেলো মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ উল্লেখ করেন যে ইসলামিক ফাইন্যান্স লেনদেনের কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যার ফলে অনেক ক্ষেত্রে বিশেষায়িত হিসাব ও প্রতিবেদন পদ্ধতির প্রয়োজন দেখা দেয়। এ প্রেক্ষিতে তারা অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড অডিটিং অর্গানাইজেশন ফর ইসলামিক ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস (AAOIFI) প্রণীত ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ডস (FAS) অনুসরণের প্রস্তাব করেন।
ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (ICAB)-এর সাবেক কাউন্সিল সদস্য মো. মাহমুদ হোসেন, FCA উল্লেখ করেন যে IFRS একাই ইসলামিক ফাইন্যান্স লেনদেনের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যগুলো পুরোপুরি প্রতিফলিত করতে সক্ষম নয়। তিনি আরও বলেন, কিছু ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদন সবসময় প্রকৃত আর্থিক পারফরম্যান্স যথাযথভাবে উপস্থাপন করে না। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও স্বচ্ছ ও শরিয়াহ-সম্মত তথ্যপ্রকাশের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনায় বৈশ্বিক হিসাবমানের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখার পাশাপাশি ইসলামিক ফাইন্যান্সের চুক্তিভিত্তিক কাঠামো ও ঝুঁকি-বণ্টনমূলক বৈশিষ্ট্যকে যথাযথভাবে প্রতিফলিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

দ্বৈত ব্যাংকিং কাঠামোতে ইসলামী উইন্ডোর ভূমিকা
EBL ইসলামী ব্যাংকিংয়ের ইভিপি ও ডেপুটি চিফ এ. কে. এম. মিজানুর রহমান বলেন, দ্বৈত ব্যাংকিংকাঠামোর মধ্যে ইসলামী উইন্ডোগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর ইভিপি ও ইসলামী ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান মো. আরিফ বিন ইদ্রিসও এ মতের প্রতি সমর্থন জানান।

আলোচকরা মত দেন যে, দ্বৈত কাঠামো কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য উপযুক্ত নিয়ন্ত্রক সুরক্ষা, শক্তিশালী গভর্ন্যান্স এবং স্পষ্ট বাজার অবস্থান নিশ্চিত করা জরুরি। এতে ইসলামী উইন্ডো ওপূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকের সহাবস্থান শরিয়াহ মানদণ্ডকে দুর্বল করবে না এবং বাজারে কোনো প্রতিযোগিতামূলক বিকৃতিও সৃষ্টি হবে না।

ইসলামী ফাইন্যান্স কোম্পানির বিকাশে সহায়ক নীতিগত কাঠামো প্রয়োজন
লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও হুমায়রা আজম ব্যাংককেন্দ্রিক প্রবৃদ্ধির বাইরে ইসলামী ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোর সম্প্রসারণে সহায়ক নীতিগত কাঠামোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠান বর্তমানে লাইসেন্সিং ও পরিচালনাগত সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি।

IDLC Finance PLC-এর ইসলামিক ফাইন্যান্স বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান বলেন, শরিয়াহ নীতির কারণে কিছু আয়ের উৎস পরিহার করতে হয়, তাই কর ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোকে সে বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা জরুরি। তিনি মধ্যবর্তী সম্পদ ক্রয়ের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় আর্থিক চাপ এড়াতে বিশেষ কর ও ভ্যাট সুবিধার বিষয়টিও উল্লেখ করেন।

আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন, একটি শক্তিশালী ইসলামী ফাইন্যান্স ইকোসিস্টেম গড়তে প্রতিষ্ঠানসমূহের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। 

তাকাফুল ও ইসলামী সামাজিক অর্থায়নের সম্ভাবনা
গোলটেবিল বৈঠকে তাকাফুল খাত নিয়েও আলোচনা হয়। Actuary Bangladesh-এর সিইও ইমরান লস্কর তাকাফুল প্রতিষ্ঠানে শক্তিশালী গভর্ন্যান্স কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। আলোচনায় ইসলামী সামাজিক অর্থায়ন ও মাইক্রোফাইন্যান্সের সম্ভাবনাও উঠে আসে।

অংশগ্রহণকারীরা বলেন, মাইক্রোফাইন্যান্সে বাংলাদেশের বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা শরিয়াহ-সম্মত সামাজিক অর্থায়নের বিকাশে সুযোগ তৈরি করলেও কাঠামোগত ও নীতিগত সীমাবদ্ধতার কারণে এর পূর্ণ বাস্তবায়ন এখনো ধীরগতিতে এগোচ্ছে।

ইসলামী ক্যাপিটাল মার্কেটের উন্নয়ন
বাংলাদেশের ইসলামী ক্যাপিটাল মার্কেট উন্নয়নে সম্ভাব্য কিছু পদক্ষেপ তুলে ধরেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC)-এর অতিরিক্ত পরিচালক এস. কে. মো. লুৎফুল কবির। তিনি একটি পৃথক ইসলামী ক্যাপিটাল মার্কেট বিভাগ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন। 
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় শরিয়াহ অ্যাডভাইজরি বোর্ডের তত্ত্বাবধানে DSE ও CSE-এর জন্য একীভূত শরিয়াহ সূচক চালু করা যেতে পারে এবং উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে শরিয়াহভিত্তিক ইন্সট্রুমেন্টের জন্য বিশেষায়িত ডেস্ক গঠন করা দরকার। পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক ইন্সট্রুমেন্টের জন্য পৃথক নির্দেশনা প্রণয়ন এবং অবকাঠামো উন্নয়নের অর্থায়নে ক্যাপিটাল মার্কেটের মাধ্যমে সরাসরি সুকুক ইস্যুর সম্ভাবনাও তিনি উল্লেখ করেন।

বিষয়ভিত্তিক সংলাপ ও বাস্তবমুখী সমাধান

কয়েকজন বক্তা কিছু প্রতিষ্ঠানে তদারকি ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং গভর্ন্যান্স ব্যর্থতা প্রতিরোধে পর্যবেক্ষণ ও তদারকি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন। তারা মনে করেন, চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা ও কার্যকর সমাধান নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা, শিল্পখাতের নেতৃত্ব, শরিয়াহ স্কলার এবং একাডেমিকদের মধ্যে নিয়মিত বিষয়ভিত্তিক সংলাপ প্রয়োজন।

আলোচনায় আরও অংশগ্রহণ করেন ড. হাসিনা শেখ, ড. মুহাম্মদ ইউসুফ ইবন হোসাইন, ড. মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া এবং ড. আবু তালিব মোহাম্মদ মোনাওয়ার।

আলোচনা থেকে বাস্তবায়নের পথে 

গোলটেবিল বৈঠকের আলোচনা অংশগ্রহণকারীরা একমত হন যে বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। খাতটি ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিসর অর্জন করলেও এর দীর্ঘমেয়াদি বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করবে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, নিয়ন্ত্রক স্বচ্ছতা এবং শক্তিশালী গভর্ন্যান্সের ওপর।

IBFBD 2025 প্রকাশনাকে প্রমাণভিত্তিক বিশ্লেষণ ও ধারাবাহিক পর্যালোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বক্তারা বলেন, খাতটিকে কেবল স্লোগান নয়, বরং পরিমাপযোগ্য ফলাফল, স্বচ্ছ তথ্যপ্রকাশ এবং কার্যগত উৎকর্ষতার দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

আলোচনা শেষে একটি অভিন্ন বার্তা উঠে আসে—বাংলাদেশে ইসলামী ফাইন্যান্সের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে কাঠামোগত সংস্কার, জ্ঞানভিত্তিক উন্নয়ন এবং নীতিনিষ্ঠ গভর্ন্যান্স অপরিহার্য। এই সুপারিশগুলো বাস্তবায়িত হলে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তিতে খাতটির পরবর্তী উন্নয়ন সম্ভব হবে।

বিডি প্রতিদিন/বিজ্ঞাপন বার্তা

এই বিভাগের আরও খবর
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সহায়তায় সেন্ট্রো-এসওএস অংশীদারিত্ব নবায়ন
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সহায়তায় সেন্ট্রো-এসওএস অংশীদারিত্ব নবায়ন
সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধন
সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধন
ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় জনপরিসর নিয়ে শিল্প ও স্থাপত্য প্রদর্শনী
ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় জনপরিসর নিয়ে শিল্প ও স্থাপত্য প্রদর্শনী
ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে এশিয়াটিকের ২১ পুরস্কার
ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে এশিয়াটিকের ২১ পুরস্কার
বিশ্ব মোটরসাইকেল দিবসে রাজধানীতে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাবের র‍্যালি
বিশ্ব মোটরসাইকেল দিবসে রাজধানীতে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাবের র‍্যালি
কুমিল্লায় সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম উদ্বোধন
কুমিল্লায় সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম উদ্বোধন
ওয়ান ব্যাংক থেকে নগদে তাৎক্ষণিক টাকা পাঠানোর সেবা চালু
ওয়ান ব্যাংক থেকে নগদে তাৎক্ষণিক টাকা পাঠানোর সেবা চালু
বর্ষাতেও স্টাইল হোক স্বাচ্ছন্দ্যে
বর্ষাতেও স্টাইল হোক স্বাচ্ছন্দ্যে
মেডিপ্যাক টেকনোলজিস-অ্যাবট ডায়াগনস্টিকসের আয়োজনে ডিজিটাল ডিসকভারি ডে
মেডিপ্যাক টেকনোলজিস-অ্যাবট ডায়াগনস্টিকসের আয়োজনে ডিজিটাল ডিসকভারি ডে
বিশ্বকাপের প্রতি গোলে ১ জিবি বোনাস ডেটা দেবে বাংলালিংক
বিশ্বকাপের প্রতি গোলে ১ জিবি বোনাস ডেটা দেবে বাংলালিংক
প্রাইম ব্যাংক ও গ্রান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট’র মধ্যে চুক্তি সই
প্রাইম ব্যাংক ও গ্রান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট’র মধ্যে চুক্তি সই
ইউসিবির আয়োজনে মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
ইউসিবির আয়োজনে মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
সর্বশেষ খবর
৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!
৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!

১ মিনিট আগে | শোবিজ

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

৪৩ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

১৮টি বিশ্বকাপ কভার করা ৯১ বছর বয়সী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মান জানালেন স্কালোনি
১৮টি বিশ্বকাপ কভার করা ৯১ বছর বয়সী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মান জানালেন স্কালোনি

৫০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আদাবরে গণপিটুনির শিকার আটক যুবকের মৃত্যু
আদাবরে গণপিটুনির শিকার আটক যুবকের মৃত্যু

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ
সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ

৫৪ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত
বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?
কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু
ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা
পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি
পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল
বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প
বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’
‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু
রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী
কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪
যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ
অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ
কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ
গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান
সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে
যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে
যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী
অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের
মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ
স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

সম্পাদকীয়

নাটক : সংকট যখন বাজেট
নাটক : সংকট যখন বাজেট

শোবিজ

বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন
বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন

নগর জীবন

তটিনীর প্রেম-বিয়ে...
তটিনীর প্রেম-বিয়ে...

শোবিজ

দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান
দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান

নগর জীবন

রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা
রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা

নগর জীবন

চলচ্চিত্রটির নাম কী?
চলচ্চিত্রটির নাম কী?

শোবিজ

সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব
সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব

নগর জীবন

এক মঞ্চে আট ব্যান্ড
এক মঞ্চে আট ব্যান্ড

শোবিজ

জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

নগর জীবন

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

নগর জীবন

বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট
বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট

শোবিজ

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

সুখী হতে চান পপি...
সুখী হতে চান পপি...

শোবিজ

মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া
মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া

নগর জীবন

মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ
মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ

দেশগ্রাম

যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার

সম্পাদকীয়

ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ
ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ

দেশগ্রাম

আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ
আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!
অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!

শোবিজ

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন

দেশগ্রাম

ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর
ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর

দেশগ্রাম

উত্তম কুমারের শেষ ছবি
উত্তম কুমারের শেষ ছবি

শোবিজ

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!

সম্পাদকীয়

ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা
ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা

দেশগ্রাম