শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:২০, বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ২০:৩২, বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬

ইসলামী ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স খাতকে শক্তিশালী করতে কাঠামোগত সংস্কারের আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ইসলামী ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স খাতকে শক্তিশালী করতে কাঠামোগত সংস্কারের আহ্বান

ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর ধারাবাহিক বিবর্তনের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকে উদ্ভূত সংকটের প্রেক্ষাপটে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, পেশাদার ব্যাংকার, নীতিনির্ধারক ও একাডেমিকদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে ইসলামী ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স খাতের বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় ব্যাংকিং, পুঁজিবাজার, তাকাফুল, একাডেমিয়া, হিসাবরক্ষণ পেশা এবং বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। 

অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে IBFC–Thrive with Shari’ah, এবং সহযোগিতা প্রদান করে IDLC Finance PLC-এর ইসলামী উইন্ডো ‘IDLC Islamic’।

গোলটেবিলের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের ইসলামী ফাইন্যান্স ইকোসিস্টেমের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা অর্জন করা এবং ভবিষ্যতমুখী ও নীতিনির্ভর সংলাপকে উৎসাহিত করা। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে IBFC–Thrive with Shari’ah কর্তৃক প্রকাশিত Islamic Banking and Finance in Bangladesh: Annual Review 2025 (IBFBD 2025)-এর দ্বিতীয় সংস্করণের আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হয়। 

প্রবৃদ্ধির সঙ্গে গুণগত সংস্কারের প্রয়োজন

স্বাগত বক্তব্যে IDLC Finance PLC-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ রিস্ক অফিসার আসিফ সাদ বিন শামস বলেন, বাংলাদেশে ইসলামী ফাইন্যান্স আর কোনো প্রান্তিক বা সীমিত পরিসরের খাত নয়। তিনি উল্লেখ করেন যে এটি এখন দেশের আর্থিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে পরিণত হয়েছে। তিনি IDLC Islamic-এর গভর্ন্যান্সনির্ভর শরিয়াহ-সম্মত উদ্যোগসমূহ তুলে ধরেন। পাশাপাশি টেকসই প্রবৃদ্ধি ও প্রাতিষ্ঠানিক সততা নিশ্চিত করতে সমন্বিত ও সংস্কারমুখী প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।

সেশনটি সঞ্চালনা করেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. মোহাম্মদ ওমর ফারুক। আলোচনার সূচনায় তিনি ইসলামী ফাইন্যান্সে কেবল লেনদেনভিত্তিক কারিগরি অনুবর্তিতায় সীমাবদ্ধ না থাকার ওপর জোর দেন। তিনি সামগ্রিক ব্যবস্থাগত দৃষ্টিভঙ্গি বা systems thinking-এর গুরুত্ব তুলে ধরেন।

আলোচকরা উল্লেখ করেন যে সম্পদ ও বিনিয়োগের পরিমাণের বিচারে ইসলামী ব্যাংকিং এখন বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের প্রায় এক-চতুর্থাংশ প্রতিনিধিত্ব করে। শরিয়াহ-সম্মত আর্থিক সেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রতিফলন হিসেবে বেশ কয়েকটি প্রচলিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইসলামী উইন্ডো বা শাখা চালু করেছে।

তবে অংশগ্রহণকারীরা একমত হন যে খাতটির পরিমাণগত প্রবৃদ্ধির সঙ্গে গুণগত উন্নয়ন সমানতালে এগোয়নি। বিশেষত গভর্ন্যান্স কাঠামো, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং বাজার অবকাঠামোর উন্নয়নে এখনও ঘাটতি রয়ে গেছে। ফলে আলোচনায় কেবল সাফল্যের দিক নয়, বরং কাঠামোগত দুর্বলতা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার অগ্রাধিকারও গুরুত্ব পায়।

ইসলামী ফাইন্যান্সে আঞ্চলিক নেতৃত্বে এগোতে পারে বাংলাদেশ

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (BIBM)-এর সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মহব্বত হোসেন। তিনি বৈশ্বিক ইসলামী ফাইন্যান্সের প্রবণতা, বাংলাদেশের অগ্রগতি এবং দেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান শক্তিশালী করার কৌশলগত সুপারিশ তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক সেরা চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্থানীয় বাস্তবতার ভিত্তিতে সংস্কার বাস্তবায়ন জরুরি। বৃহৎ মুসলিম জনসংখ্যা, শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং এসএমই খাতের সম্ভাবনার কারণে বাংলাদেশ ইসলামী ফাইন্যান্সে আঞ্চলিক নেতৃত্বে পরিণত হতে পারে। তবে এই সম্ভাবনা বাস্তবায়নের জন্য নীতিগত স্বচ্ছতা, শক্তিশালী গভর্ন্যান্স এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

নথিপত্রের বাইরে কার্যকর শরিয়াহ কমপ্লায়েন্স প্রয়োজন

আলোচনায় একটি পুনরাবৃত্ত বিষয় ছিল—শরিয়াহ কমপ্লায়েন্সকে কেবল নথিপত্রে নয়, কার্যপর্যায়ে নিশ্চিত করা। ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসি-এর সাবেক চেয়ারম্যান মো. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এবং প্রশাসক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবুল হাশেম বলেন, শক্তিশালী শরিয়াহ গভর্ন্যান্স প্রতিষ্ঠা করলে প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা বাড়বে। 

তারা বলেন, প্রকৃত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি, কার্যকর অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং বোর্ড পর্যায়ের সক্রিয় তদারকি জরুরি। আলোচনায় সাম্প্রতিক সংকটের পেছনে গভর্ন্যান্স ঘাটতিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং নিয়ন্ত্রক তদারকি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পেশাদার দক্ষতা ও শরিয়াহ জ্ঞানের সমন্বয় অপরিহার্য

বিআইবিএম-এর মহাপরিচালক ড. মো. এজাজুল ইসলাম,মত দেন যে ইসলামী ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্সকে কেবল ধর্মীয় বিষয় হিসেবে নয়, জাতীয় আর্থিক ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। 

তিনি বলেন, এমন একটি পেশাদার মানবসম্পদ ভাণ্ডার গড়ে তোলা প্রয়োজন যেখানে প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক দক্ষতার পাশাপাশি ইসলামী শরিয়াহবিষয়ক জ্ঞান সমন্বিত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ইসলামী ফাইন্যান্সকে সংকীর্ণ পরিচয়ভিত্তিক পরিসরে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। বরং এটিকে একটি পেশাদার ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে বিকাশ ঘটাতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ড. মুহাম্মদ আমির হোসেন এই দৃষ্টিভঙ্গিকে সমর্থন করেন। তিনি বলেন, টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ব্যাংকিং কার্যক্রমে পেশাগত দক্ষতা ও ইসলামী শরিয়াহ জ্ঞানের সমন্বয় অপরিহার্য।

ডিনেট-এর চেয়ারপারসন ড. শাহ মো. আহসান হাবিব বলেন, যে বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংকিং এখন দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য গুরুত্ব অর্জন করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই খাতে উচ্চমানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক। তিনি আরও বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ যথাযথভাবে ধারণ ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ইসলামী ব্যাংকিং টেকসই উন্নয়নের অগ্রভাগে অবস্থান নিতে পারবে।

স্বতন্ত্র ইসলামী ব্যাংকিং আইন ও নীতিগত স্বচ্ছতার আহ্বান

ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি-এর স্বাধীন পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. জুলকার নায়েন ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়নে কয়েকটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অংশগ্রহণকারীরা বলেন, স্বতন্ত্র ইসলামী ব্যাংকিং আইন না থাকায় কিছু ক্ষেত্রে নীতিগত অস্পষ্টতা ও গভর্ন্যান্সে ভিন্নতা দেখা যায়। তারা একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন কেন্দ্রীয় শরীয়াহ্ বোর্ড, স্বাধীন তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক শরীয়াহ রিভিউ, ব্যাংকার এবং শিক্ষা ও গবেষণায় নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গের সংলাপ জোরদার এবং কার্যকর গ্রাহক সুরক্ষা কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার চলমান উদ্যোগ

নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং রেগুলেশনস অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট (IBRPD)-এর পরিচালক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান সাম্প্রতিক বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে  শরিয়াহ গভর্ন্যান্স সংক্রান্ত সার্কুলার জারি এবং ইসলামী ব্যাংকিং আইন প্রণয়নের খসড়া প্রস্তুতকরণ অন্যতম ।

IBRPD-এর অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ জাকির হোসেন পুনর্ব্যক্ত করেন যে ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে শরিয়াহ কমপ্লায়েন্সের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না। তিনি শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রক তদারকি আরও জোরদার করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তারল্য ব্যবস্থাপনা ও সুকুক বাজারের উন্নয়ন

শরিয়াহ-সম্মত তারল্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ হিসেবে উঠে আসে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টের পরিচালক ইস্তেকামাল হোসেন জানান, বিদ্যমান সুকুকের পাশাপাশি তারল্য চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে স্বল্পমেয়াদি ইসলামিক ইন্সট্রুমেন্ট চালুর বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক ও এসপিভি (SPV)-এর প্রধান নীরু নাসরিন জানান, সুকুক লেনদেনকে আরও সহজ ও কার্যকর করতে একটি অনলাইন ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা উল্লেখ করেন যে সরকারি সুকুক ইস্যু ইসলামিক ক্যাপিটাল মার্কেটের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে শুরু করলেও এর সেকেন্ডারি মার্কেট এখনও তুলনামূলকভাবে সীমিত। তাদের মতে, স্বল্পমেয়াদি ইসলামিক ইন্সট্রুমেন্টের উন্নয়ন এবং সক্রিয় ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা ইসলামিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকর তারল্য ব্যবস্থাপনানিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইসলামিক ফাইন্যান্সে বিশেষায়িত হিসাবমান প্রয়োজন
ফিনান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (FRC)-এর নির্বাহী পরিচালক নাবিল আহমদ এবং INCEIF University-এর ISRA Institute-এর রিসার্চ ফেলো মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ উল্লেখ করেন যে ইসলামিক ফাইন্যান্স লেনদেনের কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যার ফলে অনেক ক্ষেত্রে বিশেষায়িত হিসাব ও প্রতিবেদন পদ্ধতির প্রয়োজন দেখা দেয়। এ প্রেক্ষিতে তারা অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড অডিটিং অর্গানাইজেশন ফর ইসলামিক ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস (AAOIFI) প্রণীত ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ডস (FAS) অনুসরণের প্রস্তাব করেন।
ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (ICAB)-এর সাবেক কাউন্সিল সদস্য মো. মাহমুদ হোসেন, FCA উল্লেখ করেন যে IFRS একাই ইসলামিক ফাইন্যান্স লেনদেনের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যগুলো পুরোপুরি প্রতিফলিত করতে সক্ষম নয়। তিনি আরও বলেন, কিছু ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদন সবসময় প্রকৃত আর্থিক পারফরম্যান্স যথাযথভাবে উপস্থাপন করে না। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও স্বচ্ছ ও শরিয়াহ-সম্মত তথ্যপ্রকাশের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনায় বৈশ্বিক হিসাবমানের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখার পাশাপাশি ইসলামিক ফাইন্যান্সের চুক্তিভিত্তিক কাঠামো ও ঝুঁকি-বণ্টনমূলক বৈশিষ্ট্যকে যথাযথভাবে প্রতিফলিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

দ্বৈত ব্যাংকিং কাঠামোতে ইসলামী উইন্ডোর ভূমিকা
EBL ইসলামী ব্যাংকিংয়ের ইভিপি ও ডেপুটি চিফ এ. কে. এম. মিজানুর রহমান বলেন, দ্বৈত ব্যাংকিংকাঠামোর মধ্যে ইসলামী উইন্ডোগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর ইভিপি ও ইসলামী ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান মো. আরিফ বিন ইদ্রিসও এ মতের প্রতি সমর্থন জানান।

আলোচকরা মত দেন যে, দ্বৈত কাঠামো কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য উপযুক্ত নিয়ন্ত্রক সুরক্ষা, শক্তিশালী গভর্ন্যান্স এবং স্পষ্ট বাজার অবস্থান নিশ্চিত করা জরুরি। এতে ইসলামী উইন্ডো ওপূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকের সহাবস্থান শরিয়াহ মানদণ্ডকে দুর্বল করবে না এবং বাজারে কোনো প্রতিযোগিতামূলক বিকৃতিও সৃষ্টি হবে না।

ইসলামী ফাইন্যান্স কোম্পানির বিকাশে সহায়ক নীতিগত কাঠামো প্রয়োজন
লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও হুমায়রা আজম ব্যাংককেন্দ্রিক প্রবৃদ্ধির বাইরে ইসলামী ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোর সম্প্রসারণে সহায়ক নীতিগত কাঠামোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠান বর্তমানে লাইসেন্সিং ও পরিচালনাগত সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি।

IDLC Finance PLC-এর ইসলামিক ফাইন্যান্স বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান বলেন, শরিয়াহ নীতির কারণে কিছু আয়ের উৎস পরিহার করতে হয়, তাই কর ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোকে সে বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা জরুরি। তিনি মধ্যবর্তী সম্পদ ক্রয়ের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় আর্থিক চাপ এড়াতে বিশেষ কর ও ভ্যাট সুবিধার বিষয়টিও উল্লেখ করেন।

আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন, একটি শক্তিশালী ইসলামী ফাইন্যান্স ইকোসিস্টেম গড়তে প্রতিষ্ঠানসমূহের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। 

তাকাফুল ও ইসলামী সামাজিক অর্থায়নের সম্ভাবনা
গোলটেবিল বৈঠকে তাকাফুল খাত নিয়েও আলোচনা হয়। Actuary Bangladesh-এর সিইও ইমরান লস্কর তাকাফুল প্রতিষ্ঠানে শক্তিশালী গভর্ন্যান্স কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। আলোচনায় ইসলামী সামাজিক অর্থায়ন ও মাইক্রোফাইন্যান্সের সম্ভাবনাও উঠে আসে।

অংশগ্রহণকারীরা বলেন, মাইক্রোফাইন্যান্সে বাংলাদেশের বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা শরিয়াহ-সম্মত সামাজিক অর্থায়নের বিকাশে সুযোগ তৈরি করলেও কাঠামোগত ও নীতিগত সীমাবদ্ধতার কারণে এর পূর্ণ বাস্তবায়ন এখনো ধীরগতিতে এগোচ্ছে।

ইসলামী ক্যাপিটাল মার্কেটের উন্নয়ন
বাংলাদেশের ইসলামী ক্যাপিটাল মার্কেট উন্নয়নে সম্ভাব্য কিছু পদক্ষেপ তুলে ধরেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC)-এর অতিরিক্ত পরিচালক এস. কে. মো. লুৎফুল কবির। তিনি একটি পৃথক ইসলামী ক্যাপিটাল মার্কেট বিভাগ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন। 
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় শরিয়াহ অ্যাডভাইজরি বোর্ডের তত্ত্বাবধানে DSE ও CSE-এর জন্য একীভূত শরিয়াহ সূচক চালু করা যেতে পারে এবং উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে শরিয়াহভিত্তিক ইন্সট্রুমেন্টের জন্য বিশেষায়িত ডেস্ক গঠন করা দরকার। পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক ইন্সট্রুমেন্টের জন্য পৃথক নির্দেশনা প্রণয়ন এবং অবকাঠামো উন্নয়নের অর্থায়নে ক্যাপিটাল মার্কেটের মাধ্যমে সরাসরি সুকুক ইস্যুর সম্ভাবনাও তিনি উল্লেখ করেন।

বিষয়ভিত্তিক সংলাপ ও বাস্তবমুখী সমাধান

কয়েকজন বক্তা কিছু প্রতিষ্ঠানে তদারকি ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং গভর্ন্যান্স ব্যর্থতা প্রতিরোধে পর্যবেক্ষণ ও তদারকি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন। তারা মনে করেন, চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা ও কার্যকর সমাধান নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা, শিল্পখাতের নেতৃত্ব, শরিয়াহ স্কলার এবং একাডেমিকদের মধ্যে নিয়মিত বিষয়ভিত্তিক সংলাপ প্রয়োজন।

আলোচনায় আরও অংশগ্রহণ করেন ড. হাসিনা শেখ, ড. মুহাম্মদ ইউসুফ ইবন হোসাইন, ড. মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া এবং ড. আবু তালিব মোহাম্মদ মোনাওয়ার।

আলোচনা থেকে বাস্তবায়নের পথে 

গোলটেবিল বৈঠকের আলোচনা অংশগ্রহণকারীরা একমত হন যে বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। খাতটি ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিসর অর্জন করলেও এর দীর্ঘমেয়াদি বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করবে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, নিয়ন্ত্রক স্বচ্ছতা এবং শক্তিশালী গভর্ন্যান্সের ওপর।

IBFBD 2025 প্রকাশনাকে প্রমাণভিত্তিক বিশ্লেষণ ও ধারাবাহিক পর্যালোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বক্তারা বলেন, খাতটিকে কেবল স্লোগান নয়, বরং পরিমাপযোগ্য ফলাফল, স্বচ্ছ তথ্যপ্রকাশ এবং কার্যগত উৎকর্ষতার দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

আলোচনা শেষে একটি অভিন্ন বার্তা উঠে আসে—বাংলাদেশে ইসলামী ফাইন্যান্সের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে কাঠামোগত সংস্কার, জ্ঞানভিত্তিক উন্নয়ন এবং নীতিনিষ্ঠ গভর্ন্যান্স অপরিহার্য। এই সুপারিশগুলো বাস্তবায়িত হলে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তিতে খাতটির পরবর্তী উন্নয়ন সম্ভব হবে।

বিডি প্রতিদিন/বিজ্ঞাপন বার্তা

এই বিভাগের আরও খবর
'বেস্ট বিজনেস পার্টনার অ্যাওয়ার্ড' দিলো আকিজ এগ্রো ফিড লিমিটেড
'বেস্ট বিজনেস পার্টনার অ্যাওয়ার্ড' দিলো আকিজ এগ্রো ফিড লিমিটেড
১২০ সেরা পরিবেশক প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করলো মার্সেল
১২০ সেরা পরিবেশক প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করলো মার্সেল
টেকনোর নতুন স্মার্টফোন সিরিজ ‘স্পার্ক ৫০’
টেকনোর নতুন স্মার্টফোন সিরিজ ‘স্পার্ক ৫০’
বাংলাদেশে প্রথমবার ‘BTKG Expo 2026’ উদ্বোধন
বাংলাদেশে প্রথমবার ‘BTKG Expo 2026’ উদ্বোধন
‘ইন্ডিপেন্ডেন্স রান ২০২৬’ ম্যারাথনের অংশগ্রহণকারীদের জন্য অনারের রিল প্রতিযোগিতা
‘ইন্ডিপেন্ডেন্স রান ২০২৬’ ম্যারাথনের অংশগ্রহণকারীদের জন্য অনারের রিল প্রতিযোগিতা
ট্রাস্ট ব্যাংকের মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচির ২য় ব্যাচ শুরু
ট্রাস্ট ব্যাংকের মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচির ২য় ব্যাচ শুরু
ওয়ালটনের পণ্য কিনে আবারও মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগ
ওয়ালটনের পণ্য কিনে আবারও মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগ
বিশাল ছাড়ে শুরু হলো ‘দারাজ বৈশাখী মেলা’
বিশাল ছাড়ে শুরু হলো ‘দারাজ বৈশাখী মেলা’
২০২৫ সালে সিটি ব্যাংকের রেকর্ড মুনাফা অর্জন, প্রবৃদ্ধি ৩১ শতাংশ
২০২৫ সালে সিটি ব্যাংকের রেকর্ড মুনাফা অর্জন, প্রবৃদ্ধি ৩১ শতাংশ
‘যেখানেই প্রয়োজন’ সেখানেই হেজবুল্লাহর ওপর হামলা অব্যাহত রাখবে ইসরায়েল, নেতানিয়াহুর হুমকি
‘যেখানেই প্রয়োজন’ সেখানেই হেজবুল্লাহর ওপর হামলা অব্যাহত রাখবে ইসরায়েল, নেতানিয়াহুর হুমকি
সিপি এখন বসুন্ধরা জেসিএক্স বিজনেস টাওয়ারে
সিপি এখন বসুন্ধরা জেসিএক্স বিজনেস টাওয়ারে
ওয়ালটন এসির বিজ্ঞাপনে তাসকিন, ভিউ ছাড়ালো ১২০ মিলিয়ন
ওয়ালটন এসির বিজ্ঞাপনে তাসকিন, ভিউ ছাড়ালো ১২০ মিলিয়ন
সর্বশেষ খবর
কী পরিমাণ সম্পদ রেখে গেছেন আশা ভোঁসলে, কে উত্তরাধিকারী
কী পরিমাণ সম্পদ রেখে গেছেন আশা ভোঁসলে, কে উত্তরাধিকারী

১ সেকেন্ড আগে | শোবিজ

ক্ষমা চাইলেও ম্যান সিটির বিপক্ষে নেই ফার্নান্দেজ
ক্ষমা চাইলেও ম্যান সিটির বিপক্ষে নেই ফার্নান্দেজ

২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সিলেটে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ
সিলেটে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

৪ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

গুরুদাসপুরে কলেজের ঠিকানায় কাফনের কাপড়, আতঙ্কে দুই অধ্যাপক
গুরুদাসপুরে কলেজের ঠিকানায় কাফনের কাপড়, আতঙ্কে দুই অধ্যাপক

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মালয়েশিয়াসহ সকল শ্রমবাজার সচলে সরকার কাজ করছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
মালয়েশিয়াসহ সকল শ্রমবাজার সচলে সরকার কাজ করছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

১৩ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

সৌদি আরবে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে প্রবাসীর মৃত্যু
সৌদি আরবে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে প্রবাসীর মৃত্যু

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় দলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে মুরগি বিতরণ
গাইবান্ধায় দলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে মুরগি বিতরণ

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ মারা গেছেন
সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ মারা গেছেন

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ইমনের বদলি হিসেবে লাহোর কালান্দার্সে আসালাঙ্কা
ইমনের বদলি হিসেবে লাহোর কালান্দার্সে আসালাঙ্কা

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নাঙ্গলকোটে ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু
নাঙ্গলকোটে ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা
বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে আগুনে পুড়ল ২ ঘর
মুন্সীগঞ্জে আগুনে পুড়ল ২ ঘর

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ছোট্ট শহর থেকে বিশ্বমঞ্চে, গিনেস রেকর্ড —আশার জীবনের অজানা অধ্যায়
ছোট্ট শহর থেকে বিশ্বমঞ্চে, গিনেস রেকর্ড —আশার জীবনের অজানা অধ্যায়

৩৬ মিনিট আগে | শোবিজ

আইনগুলোকে আরও বেশি স্বচ্ছ করতে চায় সরকার : আইনমন্ত্রী
আইনগুলোকে আরও বেশি স্বচ্ছ করতে চায় সরকার : আইনমন্ত্রী

৩৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

'বেস্ট বিজনেস পার্টনার অ্যাওয়ার্ড' দিলো আকিজ এগ্রো ফিড লিমিটেড
'বেস্ট বিজনেস পার্টনার অ্যাওয়ার্ড' দিলো আকিজ এগ্রো ফিড লিমিটেড

৩৭ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

১১ এপ্রিল পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮.৪ শতাংশ বৃদ্ধি
১১ এপ্রিল পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮.৪ শতাংশ বৃদ্ধি

৩৯ মিনিট আগে | অর্থনীতি

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৩২
যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৩২

৪১ মিনিট আগে | নগর জীবন

আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, শাস্তি পেলেন নীতীশ রানা
আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, শাস্তি পেলেন নীতীশ রানা

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল
ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল

৪৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

পহেলা বৈশাখে তিন কনসার্টে ঢাকা মাতাবে ‘চিরকুট’
পহেলা বৈশাখে তিন কনসার্টে ঢাকা মাতাবে ‘চিরকুট’

৪৯ মিনিট আগে | শোবিজ

সিরাজগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু
সিরাজগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হিরণ কিরণ থিয়েটারের ‘সিডর’-দেড় যুগের পথচলা
হিরণ কিরণ থিয়েটারের ‘সিডর’-দেড় যুগের পথচলা

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

হবিগঞ্জে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
হবিগঞ্জে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ শিগগিরই হরমুজ প্রণালি পার হতে পারবে : ইরানি রাষ্ট্রদূত
আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ শিগগিরই হরমুজ প্রণালি পার হতে পারবে : ইরানি রাষ্ট্রদূত

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

জয়পুরহাটে অ্যাপের মাধ্যমে তেল সরবরাহ কার্যক্রম শুরু
জয়পুরহাটে অ্যাপের মাধ্যমে তেল সরবরাহ কার্যক্রম শুরু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুর্ঘটনা রোধে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে: সেতুমন্ত্রী
দুর্ঘটনা রোধে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে: সেতুমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

আন্তঃবাহিনী আযান ও ক্বিরাত প্রতিযোগিতা শুরু
আন্তঃবাহিনী আযান ও ক্বিরাত প্রতিযোগিতা শুরু

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হজ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সভা অনুষ্ঠিত
হজ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সভা অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেরানীগঞ্জের সড়কে বর্জ্য-আবর্জনার স্তূপ, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য
কেরানীগঞ্জের সড়কে বর্জ্য-আবর্জনার স্তূপ, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স
২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু
ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প
ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স
ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই
ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের
প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন
শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান
আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল
পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে
চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান
হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু
আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ
কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন
হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’
দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেই মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে উত্তাল রূপগঞ্জ
সেই মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে উত্তাল রূপগঞ্জ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ
যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি
শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু
ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকের পর যা বললেন শাহবাজ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকের পর যা বললেন শাহবাজ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং
চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং

প্রথম পৃষ্ঠা

আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার
মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

চাপে পড়েছেন দোকানিরা
চাপে পড়েছেন দোকানিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব
রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি
তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ
ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প
ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প

সম্পাদকীয়

জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি
জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি

শোবিজ

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস

শোবিজ

বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে
বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে

প্রথম পৃষ্ঠা

চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস
চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান
সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান

সম্পাদকীয়

তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬
তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬

পেছনের পৃষ্ঠা

দলে নেই নতুন মুখ
দলে নেই নতুন মুখ

মাঠে ময়দানে

চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী

প্রথম পৃষ্ঠা

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু
হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু

শোবিজ

স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা
স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা

শোবিজ

নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে
নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে

মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি
ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি

পূর্ব-পশ্চিম

চোটে ইমনের পিএসএল শেষ
চোটে ইমনের পিএসএল শেষ

মাঠে ময়দানে

তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে
ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে

মাঠে ময়দানে

ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত
ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত

পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না

সম্পাদকীয়