শিরোনাম
প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২০ ১০:৫০

টেকনাফে 'বন্দুকযুদ্ধে' মাদক কারবারী নিহত

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

টেকনাফে 'বন্দুকযুদ্ধে' মাদক কারবারী নিহত

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' এক মাদক কারবারী নিহত হয়েছেন। এসময় এক সহকারী উপ-পরিদর্শকসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়। রবিবার  ভোররাতে উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পূর্ব সাতঘরিয়া পাড়া সংলগ্ন পূর্ব দইল্যা খালের পাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মাদক কারবারী হলেন হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পূর্ব সাতঘরিয়া পাড়ার জালাল আহাম্মদের ছেলে মো. নাসির(৩০)। পুলিশ বলছে নিহত ব্যক্তি একজন চিহ্নিত মাদক কারবারী। 

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, সহকারী উপ-পরিদর্শক অহিদ উল্লাহ, কনস্টেবল আব্দুর শুক্কুর ও হেলাল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান আসার খবর পেয়ে শনিবার  রাত দশটার দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের গার্লস স্কুলের সামনে থেকে নাসিরকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তিমতে ভোররাতে হোয়াইক্যংয় ইউনিয়নের পূর্ব সাতঘরিয়া পাড়া সংলগ্ন পূর্ব দইল্যা খালের পাড়ে অভিযানে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নাসিরের সহযোগিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে সহকারী উপ পরিদর্শক অহিদ উল্লাহ, কনস্টেবল আব্দুর শুক্কুর ও হেলাল আহত হন।

এসময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। দু’দলের গোলাগুলির মাঝখানে পড়ে নাসির গুলিবিদ্ধ হয়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ১০ হাজার ইয়াবা, তিনটি দেশীয় তৈরি এলজি, ১২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ১৬ রাউন্ড খালি খোসাসহ গুলিবিদ্ধ নাসিরকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেওয়া হয়।

সেখানে আহত পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসক।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক প্রণয় রুদ্র বলেন, ভোররাতে পুলিশ চারজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।এরমধ্যে তিনজন পুলিশ সদস্য। অপর একজন সাধারণ মানুষ। তার শরীরে দুটি গুলির চিহ্ন রয়েছে। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং সকালে পুলিশের তিনজন সদস্যকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে ভোররাতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য