শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৮:২৫
আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০ ২০:৩৫
প্রিন্ট করুন printer

বেনাপোল কাস্টমে ২০ কেজি সোনা চুরি, আরেক রাজস্ব কর্মকর্তা গ্রেফতার

বেনাপোল প্রতিনিধি

বেনাপোল কাস্টমে ২০ কেজি সোনা চুরি, আরেক রাজস্ব কর্মকর্তা গ্রেফতার

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের ভোল্ট ভেঙে প্রায় ২০ কেজি সোনা চুরির মামলায় ঢাকা থেকে গ্রেফতার হয়েছেন কাস্টমের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বনাথ কুন্ডু। সিআইডি ঢাকা জোনের কর্মকর্তারা গত সোমবার রাতে তাকে ঢাকার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছেন।

জানা যায়, গত বছরের ৯ নভেম্বর লকার থেকে ১৯ কেজি ৩১৮.৩ গ্রাম সোনা চুরি হয়। এই লকারের চাবি কাস্টমের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা শাহবুল সরদারের কাছে থাকতো। চুরি হওয়া লকারের তালা অক্ষত ছিল। এছাড়া ওই লকারের তৃতীয় ড্রয়ারে আরো ৭ কেজি সোনা অক্ষত ছিল।

ওই গোডাউনে আরেক আলমারীতেও প্রায় চার কোটি টাকার বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র ছিল। সেগুলোও ছিল অক্ষত। চুরির সময় সিসি ক্যামেরাও বন্ধ ছিল। এসব বিষয় বিবেচনায় প্রথমে কাস্টম কর্তৃপক্ষ সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা শাহবুলকে সাময়িক বরখাস্ত করে।

এরপর পুলিশ তাকে এই মামলায় আটক করে। তিনি রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বাধুঁলী খালপাড়ার বাসিন্দা। এরপর সিআইডি পুলিশ যশোরের পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম তাকে রিমান্ডে নিলে তিনি চুরি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন ও আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিআইডি ঢাকা জোনের কর্মকর্তারা ঢাকা কাস্টম রাজস্ব অফিসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বনাথ কুন্ডুর বাড়ি থেকে তাকে আটক করেন। তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার রাতে যশোরের উদ্দেশে পাঠানো হয়।

গত মঙ্গলবার তাকে সিআইডি যশোর জোনের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তিনি দুই বছর আগে বেনাপোল কাস্টমস হাউজের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এ বিষয়ে সিআইডি যশোর জোনের পুলিশ সুপার জাকির হোসেন বলেন, বেনাপোল কাস্টমের বিপুল পরিমাণ সোনা চুরির মামলাটি তারা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছেন। ইতিমধ্যে তারা চুরির রহস্য ভেদ করতে পেরেছেন। দ্রুতই প্রকৃত আসামিরা শনাক্ত হবেন। আটক বিশ্বনাথ কুন্ডুকে বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৩:২৯
প্রিন্ট করুন printer

বরিশালের ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশালের ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের দপদপিয়া সেতুতে বালুবাহী ট্রাকের সাথে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পরপরই ঘাতক ট্রাকের চালক ও হেলপারকে পুলিশ আটক করেছে। 

নিহতরা হলেন- ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেরার আলগী এলাকার সিরাজ মাতুব্বরের ছেলে মো. শরীফ মাতুব্বর (২০) এবং একই বাড়ির ইউসুফ আলীর ছেলে আল-আমীন (২০)। সম্পর্কে তারা দুইজন চাচাতো ভাই। 

কোতয়ালী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মো. নাজমুল হুদা জানান, ভাঙ্গা থেকে মোটরসাইকেল যোগে ওই দুই যুবক চরমোনাই মাহফিলের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলো। বরিশালের দপদপিয়া সেতু অতিক্রমকালে বিপরীতমুখি বালুবাহী একটি ট্রাকের সাথে তাদের মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেলে প্রেরণ করলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক আহত শরীফ মাতুব্বরকে মৃত ঘোষনা করেন। 

তিনি আরও বলেন, আশঙ্কাজনক অবস্থায় আল-আমীনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হলে পথিমধ্যে সেও মারা যায়। দুর্ঘটনার পরপরই ঘাতক ট্রাক সহ চালক ইয়ার উদ্দিন ও হেলপার রেজাউল করিমকে পুলিশ আটক করে। দুর্ঘটনা কবলিত মোটরসাইকেলটিও পুলিশ জব্দ করে।

অভিযুক্ত ট্রাকের চালক ও হেলপারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন কোতয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আসাদুজ্জামান।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৩:২২
প্রিন্ট করুন printer

সাংবাদিক বুরহান হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানিকগঞ্জে মানববন্ধন

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

সাংবাদিক বুরহান হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানিকগঞ্জে মানববন্ধন

নোয়াখালীর সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে মানিকগঞ্জে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আজ শুক্রবার মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে সাংবাদিকরা এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে।  

আজ শুক্রবার সকালে প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম ছারোয়ার ছানু,সহ-সভাপতি গাজী ওয়াজেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চক্রবর্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, সহকারী সম্পাদক বিএম খোরশেদ, দপ্তর সম্পাদক আকরাম হোসেন।

এছাড়া জেলা সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মানবেন্দ্র চক্রবর্তী, সহ-সভাপতি কাবুল উদ্দিন খান, সাধারন সম্পাদক শাজাহান বিশ্বাসসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধনে বক্তরা সাংবাদিক মুজাক্কির হ্ত্যার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সেই সাথে হত্যাকান্ডের সাথে জরিতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান।   


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:৪৫
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:৪৭
প্রিন্ট করুন printer

প্রেমিক-প্রেমিকার একসঙ্গে বিষপান, প্রেমিকের মৃত্যু

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রেমিক-প্রেমিকার একসঙ্গে বিষপান, প্রেমিকের মৃত্যু
প্রেমিক রাজু

ভালবাসার সম্পর্ক দুই পরিবার মেনে না নেওয়ায় অভিমান করে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রেমিক-প্রেমিকা একসঙ্গে বিষপান করেছে। এ ঘটনায় প্রেমিক রাজুর (২০) মৃত্যু হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের আলীপুর বাজার সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। 

মৃত রাজু ওই ইউনিয়নের পাঞ্জুপাড়া গ্রামের সোহরাব খানের ছেলে। প্রেমিকা একই ইউনিয়নের আলিপুর গ্রামের বাসিন্দা। সে বর্তমানে কলাপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে রাজু ও ওই তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পারিবারিকভাবে তাদের প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নিয়ে গত বছর ওই তরুণীকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া হয়। পরে বৃহস্পতিবার রাতে তারা দু’জনে একসঙ্গে বিষপান করে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রেমিক রাজুকে মৃত ঘোষণো করেন।

কলাপাড়া থানার ওসি খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওই তরুণী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:২৯
প্রিন্ট করুন printer

সৈয়দ আবুল মকসুদ স্মরণে শোকসভা

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

সৈয়দ আবুল মকসুদ স্মরণে শোকসভা

বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট ও লেখক মানিকগঞ্জের কৃতি সন্তান সৈয়দ আবুল মকসুদ স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে মানিকগঞ্জ প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এই শোক সভায় বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি গোলাম ছারোয়ার ছানু, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চক্রবর্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস, জেলা সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মানবেন্দ্র চক্রবর্তী, সহসভাপতি মোঃ কাবুল উদ্দিন খান ও সাধারণ সম্পাদক সাজাহান বিশ্বাস। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন 
  


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:১২
প্রিন্ট করুন printer

নোয়াখালীতে এবার বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ, ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগ

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীতে এবার বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ, ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগ
প্রতীকী ছবি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অস্ত্রের মুখে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর ভাইরালের ভয় দেখিয়ে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে দফায় দফায় ধর্ষণ এবং অপহরণের অভিযোগ উঠেছে।

বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়ারপুরের হীরাপুর গ্রামের ওই ছাত্রী প্রায় দুই মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছে।এ ঘটনায় নোয়াখালী বেগমগঞ্জ মডেল থানায় বৃহস্পতিবার রাতে একই এলাকার রাসেল (২৫), জোবায়ের (২৪), সাইফুল ইসলাম ইমন (২২) এবং ফয়সাল নামের ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর মা।

বৃহস্পতিবার রাতে বেগমগঞ্জ পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাইফুল ইসলাম ইমন ও ফয়সালকে গ্রেফতার করেছে। 

বেগমগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান শিকদার মামলার সত্যতা স্বীকার করে জানান, রাতেই ইমন ও ফয়সালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ওই ছাত্রীর মা সাংবাদিকদের বলেন, ২০১৮ সাল থেকে একই এলাকার ইমন ও রাসেল আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে। এ বিষয়ে ভিকটিম তাদের বারণ করলে তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে বলে- ‘আমাদের কথায় রাজি না হলে তোর মাকে মেরে ফেলবো’।

তিনি বলেন, ‘এরপর একদিন রাসেল ও ইমন আমাদের বাড়িতে এসে আমাকে কৌশলে কোমলপানীয়র সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে আমাকে অচেতন করে অস্ত্রের মুখে মেয়েকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে। পরে এক দোকানিকে ডেকে এনে জোর করে মেয়ের সঙ্গে দাঁড় করিয়ে উভয়কে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করে তারা।’ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বলেন, ‘পরে ওই ভিডিও ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে টাকা, স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায় এবং একাধিকবার তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। বাধ্য হয়ে মেয়েকে বিয়ে দিয়েও রেহাই পাইনি। বিয়ের পরে মেয়ে বেড়াতে আসলে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এ সময় তারা ঘর থেকে ৫০ হাজার টাকা, ১ ভরি স্বর্ণালংকারও নিয়ে যায়। এরপর থেকেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নিয়মিত চাঁদা নিতে থাকে।’

তিনি বলেন, দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় সন্ত্রাসীদের ভয়ে মুখ খোলেননি। এবার থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনও সুফল পাননি। বর্তমানে তারা অসহায় হয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সাহায্যে পুনরায় আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।

ছাত্রীর মা বলেন, ‘বিয়ের পরে মেয়ে বেড়াতে আসলে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। উঠিয়ে নেওয়ার তিন মাস পরে রাসেলকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে মিরপুরের একটি বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করে আনি। এ ঘটনার ১৫ দিন পর রাসেল পুনরায় মেয়েকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। ১০ দিন পর আবারও ১০ হাজার টাকা দিয়ে মেয়ে নিয়ে আসি।’

তিনি বলেন, ‘সর্বশেষ গত ২৪ ডিসেম্বর রাসেল আবার আমার মেয়েকে নিয়ে যায়। এখনও সে কোথায় আছে, কীভাবে আছে জানি না। গত সপ্তাহে রাসেল প্রস্তাব দিয়েছে এবার ১ লাখ টাকা দিতে। টাকা না দিলে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।’

ভুক্তভোগীর মা বলেন, ‘মেয়ের সন্ধান চাইলে ইমন আমাকে তার সঙ্গে এক রাত কাটানোর প্রস্তাব দেয়। সে বলে তার সঙ্গে রাত কাটালে আমাকে মেয়ের সন্ধান দেবে।’

এ বিষয়ে জানাতে চাইলে ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য আবদুল কাদের বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন বলে জানান। গত বছরের অক্টোবর মাসে মেয়ের মা তাকে বিষয়টি জানান। সর্বশেষ গত দুই মাস ধরে মেয়েটি নিখোঁজ রয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। 

আলাইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান বলেন, ‘এরা সবাই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। এদের নামে একাধিক মামলা রয়েছে। বর্তমানে ওই মেয়ের বিষয়ে আমি কিছুই শুনিনি। তবে পূর্বের বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতাম।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর