গত সপ্তাহে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় রংপুর অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে গঙ্গাচড়ায় সেতু রক্ষা বাঁধ ও গ্রোয়েন বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছিল। এর রেশ কাটতে না কাটতে আবারও উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। এতে করে তিস্তা অববাহিকার ৫ জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
এছাড়াও বাড়ছে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, যমুননা, ঘাঘট, ধরলা যমুনেশ্বরি নদীর পান। রবিবার বিকেলে রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, সকাল থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত তিস্তা নদীর পানি ৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। একই সময়ে কাউনিয়া পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ৭৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। উজানের ঢলে বেড়েছে রংপুরের ঘাঘট, যমুনেশ্বরি নদীর পানিও। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হওয়ায় তিস্তা নদী বৃদ্ধি পেয়ে বন্যার হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সেই সাথে রবিবার ও সোমবার রংপুর বিভাগের ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, রংপুরের তিস্তা নদীর পানি আগামী ৩ দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে করে নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও গাইবান্ধায় নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা হতে পারে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে এ তথ্য সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়া আগামী তিন হতে ৫ দিন অর্থাৎ ১ জুলাই হতে ৩ জুলাই কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী সতর্ক সীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও প্লাবিত হতে পারে।
বিডি প্রতিদিন/এএম